নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • নরমপন্থী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর কর্তৃক ৮ বছরের কন্যা বিয়ে বনাম নবী মুহাম্মদ কর্তৃক ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে


যখনই নবী মুহাম্মদ কর্তৃক ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ের প্রসঙ্গ ওঠে মুমিনরা দল বেধে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ৮ বছরের শিশু কন্যা বেগম ফজিলাতুন্নেসাকে বিয়ের উদাহরন তুলে ধরে। বা তারা আমাদের দাদা দাদীর যে অনেকেই শিশু অবস্থায় বিয়ে করেছিলেন সেটার উদাহরন তুলে ধরে। এটা করে তারা যে মূর্খতা ও অজ্ঞতার পরিচয় দেয় তা তারা নিজেরাই বোঝে না।

যে লুচ্চামি বা পরকীয়া করবে না , সে খাটি মুমিন হবে না


কোরান বলেছে , মুহাম্মদ হলো মুমিনদের জন্যে শ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ যার পদাংক অনুসরন করতে হবে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত। তো দেখা যাচ্ছে , মুহাম্মদ নিজে এক সময় তার পালক পুত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবের প্রেমে পড়ে । তার মানে মুহাম্মদ বস্তুত: তার পূত্রবধুর প্রেমে পড়ে। অনেকেই বলবে পালক পুত্র তো নিজের পুত্র না। কিন্তু কেউ যখন কোন শিশুকে পালক নেয়, তাকে সে আপন পুত্রের মতই গণ্য করে লালন পালন করে থাকে। যাইহোক , কোরানের আল্লাহ টের পায় মুহাম্মদ তার পুত্র বধু জয়নাবের প্রেমে মাতোয়ারা। তাই বাধ্য হয়ে তাকে ঘটকালি করতে হয়। আল্লাহ প্রথমে বলে ----

মুহাম্মদ যে কত বড় লুইচ্চা বা বদমাস ছিল , তা দেখুন


কেউ কেউ প্রশ্ন করতে পারেন , সরাসরি লুইচ্চা বদমাস শব্দ কেন ব্যবহার করলাম। অনেক অভিজ্ঞতার পর বুঝেছি , মুমিনরা ভদ্র ভাষা বা পান্ডিত্যপূর্ন ভাষা একেবারেই বোঝে না। তাদের বোঝার জন্যেই এই রকম সরাসরি ভাষা। যাইহোক ,এতদিনে একথা সবাই জানে যে মুহাম্মদের একটা পালক পুত্র ছিল। তার নামে জায়েদ। জায়েদের একটা সুন্দরী স্ত্রী ছিল যার নাম জয়নাব। সেই জয়নাবকে মুহাম্মদ কিভাবে বিয়ে করল সেটা কোরান থেকেই দেখুন ----

আপনার নিজের মা, তিন তালাক ও হিল্লা বিয়ে



ধরুন, আপনার মা ও বাবার মধ্যে ঝগড়া হলো, এক পর্যায়ে রাগান্বিত হয়ে আপনার বাবা আপনার মাকে বলল- আমি তোকে তালাক দিলাম - এক তালাক , দুই তালাক , তিন তালাক। তাহলে কি ঘটনা ঘটবে ? তাহলে যা ঘটবে তা কোরান ও হাদিস থেকে জেনে নেয়া যাক ---

মাওলানা মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের ইসলাম ত্যাগ ও সোসাল মিডিয়াতে ঝড়


সম্প্রতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নামের এক মাওলানা , মুফতি ও হাফেজ ইসলাম ত্যাগ করেছেন। আর সেটা নিয়ে ফেসবুক , ইউটিউব সহ সামাজিক মাধ্যমে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্য্যের বিষয় হলো - মুফতি সাহেব ইসলাম ত্যাগ করে ইসলাম সম্পর্কে যে বিষয়গুলো উত্থাপন করেছেন , তার একটাও কিন্তু কেউ খন্ডন না করে বরং তাকে ব্যাক্তি আক্রমন করে বলা হচ্ছে - সে কখনও মুসলমান ছিল না , সে ইহুদিদের দালাল, সে টাকা খেয়ে ইসলাম ত্যাগ করেছে ইত্যাদি। তো আসুন বিষয়টা একটু আলোচনা করা যাক।

নবী মুহাম্মদকে কেন শিশু বিয়ে ও শিশু ধর্ষনের অপরাধে মরনোত্তর ফাঁসি দেয়া হবে না ?


কোরান বলেছে নবী মুহাম্মদ হলো মুমিনদের জন্যে সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষের উদাহরন, যার পদাংক সকল মুসলমানদের অনুসরন করতে হবে , আর তাহলেই মরার পর বেহেস্তে গিয়ে ৭২ কুমারীর সাথে আকন্ঠ মদ্য পান করে অনন্তকাল যৌন সুখ ভোগ করা যাবে না। মুহাম্মদের জীবনি ও হাদিস বলছে - সে বুড়া কালে ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করে , তার ৯ বছর বয়সের সময় তার সাথে যৌনকাজ করে যা আসলে ধর্ষন। এখন বর্তমান যুগের আদর্শ অনুযায়ী যা ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু দন্ডযোগ্য অপরাধ। বিষয়টা এবার খোলাসা করা যাক।

ধর্ম ত্যাগ করার কারনে নবী মুহাম্মদকে কেন মরনোত্তর ফাঁসি দেয়া হবে না ?


সম্প্রতি মাওলানা মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ইসলাম ধর্মের অসারতা , নিষ্ঠুরতা , অমানবিকতা , নীতিহীনতা ও মুহাম্মদের ব্যাক্তি জীবনের কদর্যতার কথা ভাল মতো জানা বোঝার পর ইসলাম ত্যাগ করেছেন। ইসলাম ত্যাগ করার কারনে , সোসাল মিডিয়াতে অনেকেই তার ফাঁসি দাবী করেছে। কিন্তু মাওলানা সাহেব নিজেই প্রশ্ন তুলেছেন ধর্ম ত্যাগ করার কারনে খোদ নবী মুহাম্মদকে কেন মরনোত্তর ফাঁসি দেয়া হবে না ? বিষয়টি একটু খোলাসা করা যাক ---মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের বক্তব্য

সৌদি মুমিনরা দাসী বা কাজের বেটিকে ধর্ষন করে সহিহ ইসলামী আধ্যাত্মিক জ্ঞান লাভ করছে


এটা সর্বজন বিদিত যে , সৌদি আরবে যে সব নারী কাজ করতে যায় , তাদের সবাই সৌদি পুরুষদের ধর্ষনের শিকার হয়। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া প্রায় ৭৫,০০০ এর মত নারী বর্তমানে সৌদি আরবে বাসা বাড়ীতে কাজ করছে যার অধিকাংশকেই সৌদি পুরুষরা ধর্ষন করছে। এটা তারা কিন্তু করছে কোরান ও মুহাম্মদের দেখান পথেই , এভাবে দাসী বা কাজের বেটিকে ধর্ষন করলে সহিহ ইসলামী আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন হয়। কিন্তু কথিত মডারেট মুসলমানরা কোরান হাদিস পড়ার ধার ধারে না , তাই তারা মনে করে সৌদিরা নাকি এটা খারাপ কাজ করছে।

বেশ্যার সাথে যৌন সঙ্গম হলো ইসলামী আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জনের উপায়


কোরান হলো আধ্যাত্মিক জ্ঞানের খনি। কিন্তু সবাই সেটা বুঝতে পারে না। নানা কায়দায় ইসলামী আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন করা যায়। তার মধ্যে অন্যতম হলো বেশ্যালয় গমন ও তাদের সাথে যৌন সঙ্গম করা। নবী মুহাম্মদের সাহাবীরা ঠিক এ কায়দায়ই ইসলামী আধ্যাত্মিক জ্ঞান লাভ করত। কিভাবে তারা ইসলামী আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন করত সেটাই এখন বলা হবে। তো প্রথমেই একটা সহিহ হাদিস দেখি ---

যারা বন্দিনী নারী ধর্ষন করবে না ও মুতা(সাময়িক বিয়ে) করবে না , তারা খাটি মুমিন না


কিছু মুসলমান মনে করে ঠিক মতো নামাজ পড়লে বা রোজা রাখলেই খাটি মুমিন হওয়া যায়। কিন্তু না। কোরান ও মুহাম্মদের বিধান মোতাবেক বন্দিনী নারী ধর্ষন ও মুতা না করলে সে খাটি মুমিন হবে না। আর খাটি মুমিন হতে না পারলে মরার পর বেহেস্তে গিয়ে আকণ্ঠ মদ পান করে ৭২ কুমারি নারীর সাথে অনন্ত কাল যৌনকেলী করার কোনই সুযোগ নেই। কোরানে বলেছে ---

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 4 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর