নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বেহুলার ভেলা
  • নুর নবী দুলাল
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • নগরবালক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

ইসলামের নামে ডাকাতি, লুটপাট ও মুক্তিপন আদায়ের উদ্দেশ্যে বনিকদেরকে অপহরন করা বৈধ


কোরান হাদিস সিরাত তাফসির যদি গভীর ভাবে পড়া হয় , তাহলে দেখা যাবে , ইসলাম সম্পর্কে যা প্রচার করা হয় , ইসলাম সম্পূর্নতই তার বিপরীত। কিন্তু প্রশ্ন হলো তাই যদি হয় , তাহলে মুসলমানরা কেন সেটা জানে না ? তার কারন মোল্লারা প্রচার করে কোরান আরবী ভাষায় পড়লে নেকী অর্জন হয়। তাই মানুষ নিজ মাতৃভাষায় কোরান পড়ে না। কোরান বাদে হাদিস সিরাত তাফসির এসব কিন্তু এই সাম্প্রতিক কালেই আরবী ভাষা থেকে ভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে , সে কারনে ইচ্ছা থাকলেও আগে কেউ ইসলামের প্রকৃত রূপটা জানতে ও বুঝতে পারে নি। সুতরাং এখন দেখা যাক , ইসলামের আসল স্বরূপটা কি।

ইহুদিরা ইসলামকে ধ্বংস করার জন্যে উঠে পড়ে লেগেছে


মাত্রই গতকাল নিউইয়র্ক শহরে ট্রাক নিয়ে হামলে পড়েছে সাইফুল্লাহ নামের এক তুর্কমেনিস্তানে জন্ম নেয়া আমেরিকা প্রবাসী। তাতে মারা পড়েছে ৮ জন , আহত ১১ জন। নাম শুনে মনে হচ্ছে মুসলমান , কিন্তু আসলে সে নিশ্চিতভাবেই ইহুদি , কারন সে ইসলামের নামে এই হত্যা কান্ড ঘটিয়েছে , আর ইসলাম হলো চুড়ান্ত শান্তির ধর্ম। ইসলাম তো কাউকে হত্যার কথা বলে না। ইসলামে জিহাদ বলতে বোঝায় অমুসলিমদের সাথে কোলাকুলি করা। সুতরাং যে কেউ ইসলামের নামে হত্যা করবে , সে নিশ্চিতভাবেই ইহুদি।

কোরানের বানী যে মুহাম্মদের নিজের বানী , তার অকাট্য প্রমান


কোরানের আল্লাহ যদি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সৃষ্টিকর্তা হয় , সব কিছু করার ক্ষমতা থাকে, তাহলে সে যা বলবে বা চাইবে সাথে সাথেই সেটা হয়ে যাবে। দেরী হবে না কোনমতেই । এখন দেখা যাক , কোরানে আল্লাহ এমন কিছু চেয়েছিল কি না , যা সাথে সাথে তো ঘটে নি , বরং ঘটেছিল বহু পরে। নিচের আয়াতগুলো দেখা যাক -----

মুহাম্মদ নিজের কথাবার্তাকে আল্লাহর বানী বলে চালিয়েছে


মুসলমান মাত্রেই তা সে মৌলবাদী বা মডারেট যেই হোক না কেন , কঠিনভাবেই বিশ্বাস করে কোরান হলো আল্লাহর বানী আর সেই কোরান লওহে মাহফুজে আল্লাহ যেমন করে লিখে রেখেছে , আজকে যে কোরান আমরা দেখি তা হুবহু একই রকম। লওহে মাহফুজের কোরানের সাথে আমাদের বাজারে পাওয়া কোরানের কোনই অমিল নেই, এমন কি দাড়ি কমা ডট ইত্যাদি পর্যন্ত সব হুবহু একই।মুসলমানরা এটা বিশ্বাস করে , কোরানের কোন ইতিহাস না জেনেই। তারা এটা বিশ্বাস করে মোল্লাদের সমবেতভাবে এক পাক্ষিক প্রপাগান্ডার কারনে। তো এবার দেখা যাক , আসল ঘটনা কি ।

ইসলাম হলো মাকাল ফলের মত: বাইরে থেকে দেখতে সুন্দর , কিন্তু ভিতরটা কদর্য


মসজিদে সারিবদ্ধভাবে শৃংখলার সাথে নামাজ পড়ে , সবাইকে নামাজ পড়তে আহ্বান করে , ঈদের সময় সবাই কোলাকুলি করে, একজন আর এক জনের সাথে দেখা হলে সালাম দেয়, দুনিয়ার সকল প্রান্ত থেকে মক্কায় হজ্জে যায় ইত্যাদি। এসব দেখলে মনে হবে ভ্রাতৃত্ববোধ সম্পন্ন ইসলামের চাইতে ভাল ধর্ম আর নেই। কিন্তু আপনি যদি ইসলামের ভিতরে ঢুকতে থাকেন ,কোরান হাদিস সিরাত , তাফসির , ইসলামের ইতিহাস পড়তে শুরু করেন , তাহলে দেখবেন , ইসলামের চাইতে জঘন্য ধর্ম আর দ্বিতীয়টা নেই।

ইসলামী পন্ডিতদের দেখান পথেই মুহাম্মদের চরিত্রকে সবার সামনে তুলে ধরা হয়


জাকির নায়েক সহ সকল কথিত ইসলামী পন্ডিতরা সর্বদাই অমুসলিমদের কাছে তাদের ধর্ম যেমন খৃষ্টান , হিন্দু , বৌদ্ধ ইত্যাদি নিয়ে এমন সব কথা বলে যে তাতে তাদের মনে তাদের ধর্ম সম্পর্কে সন্দেহ ঢুকে যায়, তারা খুব ভাল করেই জানে যে , অমুসলিমরা তাদের ধর্মের ব্যপারে ভীষণ অজ্ঞ। অত:পর তাদের সামনে ইসলাম যে কত প্রকারে সন্দেহাতীত ধর্ম সেটার বয়ান করে তাদেরকে ইসলাম গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করা হয়। ইসলামের সমালোচনাকারীরা ইসলামী পন্ডিতদের এই কৌশলটা রপ্ত করেছে। আর তাই তারা সর্বপ্রথমেই মুহাম্মদের চরিত্র নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে সন্দেহ তৈরী ক'রে , তাদেরকে ইসলামের মত একটা অমানবিক অনৈতিক ও বর্বর ধর্ম থেকে দুরে সরিয়ে আনার চেষ্টা করছে

নবুয়ত্ব পরীক্ষায় নবি মুহাম্মদ চুড়ান্তভাবে ফেল করলেন


মক্কার কুরাইশরা প্যাগান ছিল , তাই আব্রাহামিক ধর্ম ( ইহুদি ও খৃষ্টান) সম্পর্কে তাদের সম্যক ধারনা ছিল না। কিন্তু মুহাম্মদ নিজেকে আব্রাহামিক ধর্মের সর্বশেষ নবী হিসাবে দাবী করলেন। সুতরাং এবার কুরাইশরা ইহুদি রাব্বিদের শরনাপন্ন হলো - মুহাম্মদের নবুয়ত্ব পরীক্ষার জন্যে। এবার দেখা যাক , সেই পরীক্ষায় মুহাম্মদ পাশ করলেন নাকি ফেল করলেন।

ইসলাম হলো মুহাম্মদের স্বপ্নে পওয়া ওষুধ


দুনিয়ার সব মোমিন মুসলমান জেনে এসেছেন , মুহাম্মদ হেরা গুহায় যখন ধ্যানমগ্ন ছিলেন , তখন তার কাছে আকাশ থেকে জিব্রাইল হাজির নাজির হয়ে আল্লার বানী তথা কোরান উপহার দেয়। কিন্তু বিশ্বাস করুন , এই গল্পটা একেবারেই ডাহা মিথ্যা কথা। মুহাম্মদের কাছে কোন কালেই জিব্রাইল আসে নাই , বরং মুহাম্মদ স্বপ্নে দেখতেন তার কাছে জিব্রাইল এসে কোরানের বানী বলে গেছে। তার মানে ইসলাম হলো মুহাম্মদের স্বপ্নে পাওয়া ওষুধ। কি বিশ্বাস হয় না ?

কোরান যে সর্বজ্ঞানী সৃষ্টিকর্তার কিতাব হতে পারে না , তার অকাট্য প্রমান


কোরানে সৃষ্টিকর্তাকে আল্লাহ নামে ডাকা হয়েছে। এই আল্লা কোরানে বলছে, সে কোরান আরবী ভাষায় নাজিল করেছে, যাতে আরবের লোক বুঝতে পারে। তো সঙ্গতভাবেই আল্লাহ যদি সর্বজ্ঞানী হয় , তাহলে তার সেই আরবী ভাষা হবে চুড়ান্তরকম বিশুদ্ধ, কোরানের আল্লাহ নিজেও সেটা বলছে।কিন্তু দেখা যাচ্ছে কোরান কোনভাবেই বিশুদ্ধ আরবী ভাষায় লিখিত না। তাহলে কি বুঝতে হবে ?

ইব্রাহীম বা ইসমাইল কোনকালেই মক্কাতে আসে নি , তাই মক্কা বা কাবা ঘর আল্লাহর ঘর না


প্রতিটা মুসলমান বিশ্বাস করে যে ইব্রাহীম তার দাসী হাজেরা ও শিশু পূত্র ইসমাইলকে মক্কাতে নির্বাসন দেয়। হাদিসে বর্ণিত আছে , নির্বাসন দেয়ার কিছু পরেই ইয়েমেন থেকে জুরহুম গোত্রের লোকজন এসে হাজেরা ও ইসমাইলের সাথে বসবাস করতে থাকে ও সেখানে একটা বসতির পত্তন হয় যার নাম হয় মক্কা। তারপর ইসমাইল যখন যুবক ও বিয়ে করে সংসার করছে , তখন ইব্রাহিম মক্কায় আসে , আর ইব্রাহিম ইসমাইলের সাহায্য নিয়ে কাবা ঘর পূন:নির্মান করে। কিন্তু বিষয়টা কি সত্য ? দেখা যাক কোরান কি বলে --

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর