নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

ইব্রাহিম কাকে কোরবানী দিয়েছিল - ইসহাক, নাকি ইসমাইলকে ?


প্রতি বছর মুসলমানরা মহা সমারোহে কোরবানীর নামে লক্ষ লক্ষ পশু হত্যা করে, তারা বিশ্বাস করে, এভাবে পশু হত্যা করলে আল্লাহ খুশি হয়। নির্মমভাবে উৎসব সহকারে পশু হত্যা করলে দয়াময় আল্লাহ কিভাবে খুশি হয় সেটা বোধগম্য নয়। কিন্তু সেটা আসল কথা না। আসল কথা হলো - যে কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে এই পশুহত্যার উৎসব , সেটা কতটা সঠিক বা যৌক্তিক। মুসলমানরা বিশ্বাস করে , আল্লাহ ইব্রাহীমের পরীক্ষা নিতে তার পুত্র ইসমাইলকে জবাই করেছিল , কিন্তু বিষয়টা কি ঠিক ? কোরান হাদিস তাফসির কি বলে ?

প্রেক্ষাপট ভিত্তিক কোরানের ব্যখ্যা: মুমিনের হিংস্র পশুতে পরিনত হওয়া


ইহুদি নাসারা বা কাফেররা প্রায়ই জিহাদের আয়াত হাজির করে মুমিনদেরকে বুঝাতে চায় ইসলাম হলো একটা বর্বরতার ধর্ম। তখন মুমিনদের একটাই বক্তব্য - সংশ্লিষ্ট আয়াতের প্রেক্ষাপট দেখতে হবে , তাহলেই আসল অর্থ জানা যাবে আর ইসলাম হয়ে যাবে মহা শান্তির ধর্ম। তো বিষয়টাকে আরও একটু খতিয়ে দেখা যাক।

নবী মুহাম্মদ নিজেই আল্লাহর আদেশ মানতেন না


মোহাম্মদ নিজেই কোরানের বিধান মানতেন না । বাক্যটি শোনার পর অনেকেই চমকে উঠবেন। কেউ কেউ খেপে উঠতেও পারেন। কিন্তু সত্য সত্যই মুহাম্মদ কোরানের বিধান মানতেন না। যাইহোক , এবার কোরান থেকেই সেটা দেখা যাক-

সুরা নিসা- ৪:৩: আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।

আমাদের নবী মুহাম্মদ ছিলেন যৌনকাজে সুপারম্যান


ইহুদি, নাসারা, কাফির, নাস্তিকরা সারাক্ষন আমাদের নবী মুহাম্মদের গীবত করে। কারনটাও বোধগম্য। কারন তারা আমাদের নবীর প্রতি ঈর্ষান্বিত। আমাদের নবী ছিলেন আসলে একজন মহামানব ও সুপার ম্যান। বিশেষ করে যৌনকর্মে তার ছিল সীমাহীন ক্ষমতা, দক্ষতা ও রুচি। নাসারাদের যীশু ছিল আসলে নপুংশক, তাই তার কোন স্ত্রী ছিল না , পক্ষান্তরে আমাদের নবী মুহাম্মদের ছিল ডজনের ওপর স্ত্রী ছাড়াও দাসী, আর তাদের সকলের সাথে একরাতেই যৌন সঙ্গম করতেন। আরও ছিল বৃদ্ধা স্ত্রী থেকে শুরু করে ৬ বছরের স্ত্রী। যা তার রুচির পরিচায়ক।

ইসলাম কি মুসলমানদেরকে মিথ্যাবাদী/প্রতারকে পরিনত করে ?


মুমিনেরা দাবী করে - ইসলাম তাদেরকে সত্য কথা বলতে বলে আর মুহাম্মদ ছিলেন মহা সত্যবাদী। কিন্তু কোরান হাদিস বলে ভিন্ন কথা। কোরান হাদিস পড়লে দেখা যায়, ইসলাম মুসলমানদেরকে পেশাদার মিথ্যাবাদী/প্রতারক হতে শিক্ষা দেয়। বর্তমানে যে সব কথিত মডারেট মুসলমান দেখা যায়, তারা মূলত: ইসলামের এই শিক্ষাটাই সর্বদা প্রয়োগ করে থাকে। বিষয়টা খোলাসা করা যাক।

কোরান বলছে _

মুহাম্মদ নিজেই প্রমান করলেন তিনি সত্য নবী নন , ইসলাম কোন সত্য ধর্ম নয়


বিস্ময়কর হলেও সত্য ,কোরান ও মুহাম্মদ উভয়েই প্রমান করে যে , মুহাম্মদ কোন সত্য নবী নন , আর ইসলাম কোন সত্য ধর্ম নয়। কিন্তু সেটা কিভাবে ? এবার দেখা যাক ---

কোরান বলছে --

সূরা আল হাক্কা- ৬৯: ৪৪-৪৬: সে(মুহাম্মদ) যদি আমার নামে কোন কথা রচনা করত, তবে আমি তার দক্ষিণ হস্ত ধরে ফেলতাম, অতঃপর কেটে দিতাম তার গ্রীবা।

অর্থাৎ মুহাম্মদ যদি নিজের কথাকে আল্লাহর কথা বলে চালায়, তাহলে আল্লাহই তার গ্রীবা কেটে তাকে হত্যা করত। এবার দেখা যাক , মুহাম্মদের মৃত্যুটা কিভাবে হয়েছিল ----

মুসা নবী কি, ঈশা(যীশু) নবীর আপন মামা ? কিন্তু তা কি করে সম্ভব ? তাদের মধ্যে তো ১০০০ বছরের ব্যবধান


সবাই জানেন মুসা নবী মিশরে জন্মগ্রহন করেন , তারপর আল্লাহর আদেশে তার ইসরাইলি বংশধরদেরকে ফেরাউনের কবল থেকে উদ্ধার করে জেরুজালেমে নিয়ে আসেন। সেটা আনুমানিক খৃ:পূ: ১০০০ এর ঘটনা অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ৩০০০ বছর আগে। আর ঈশা নবী অর্থাৎ যীশু জন্মগ্রহন করেনে ৩ /৪ খৃষ্টাব্দে অর্থাৎ আজ থেকে ২০০০ বছর আগে। কিন্তু তারপরেও কোরান বলছে এই মুসা নবী হলো যীশুর আপন মামা। সেটা কিভাবে সম্ভব ? নাকি খালি কোরান বলছে বলেই সেটা সম্ভব ?

ইসলামে বহুগামিতা হারাম: ইহা জাকির নায়েকের আবিস্কার, কারন মুমিনেরা সেটাই শুনতে চায়


দুনিয়াতে জাকির নায়েকের ভক্ত লক্ষ লক্ষ নয়, কোটি কোটি। কারন তারা বিশ্বাস করে- ইহুদি নাসারা কাফেররা ইসলামের যে সমালোচনা করে তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয় এই লোক। প্রচলিত আছে যে , ইসলাম নিয়ে বিতর্কে তাকে দুনিয়ার কেউ পরাস্ত করতে পারবে না। তবে কি না , আজ পর্যন্ত তাকে কোন প্রতিষ্ঠিত খৃষ্টান পন্ডিতের সাথে বিতর্কে অংশগ্রহন করতে দেখা যায় নি। ডেভিড উড, স্যাম স্যমুন, রবার্ট স্পেন্সার, জে স্মিথ ইত্যাদির সাথে যদি জাকির মিয়া বিতর্ক করত , তাহলে বোঝা যেত , সে কত বড় পন্ডিত। যাইহোক , জাকির নায়েক কিভাবে ইসলামকে প্রচার করে সেটা দেখা যাক এবার।

জাকির নায়েকের দুষ্টচক্র থেকে ধর্ম প্রান মুসলমানদেরকে উদ্ধার করার উপায় কি ?


জাকির নায়েক সাধারন মুসলমানদের মনস্তত্ব বোঝে, তাই সে তাদের মনমত কথা বলে তাদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়। একজন ধর্মপ্রান মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করে ইসলাম হলো দুনিয়ার একমাত্র সত্য ধর্ম , এতে অমানবিক বা অনৈতিক কিছুই নেই। জাকির তাদের এই মনোভাবকে কাজে লাগিয়েই , ধর্মপ্রান মুসলমানদেরকে এক কঠিন দুষ্টচক্রের ফাঁদে ফেলে, ইসলাম নিয়ে পুজিবিহীন ব্যবসা করে চলেছে। এর থেকে মুসলমানদেরকে উদ্ধারের উপায় কি ? উদাহরন সহ বিষয়টা দেখা যাক------

ইসলাম হলো একটা সম্পূর্ন জীবন বিধান


দুনিয়ার সকল মোমিন মুসলমানেই বিশ্বাস করে ইসলাম হলো একটা সম্পূর্ন জীবন বিধান। তার মানে একজন মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তার ব্যাক্তিগত , সামাজিক , সাংস্কৃতিক , রাজনৈতিক ইত্যাদি সহ সকল কর্মকান্ডই ইসলাম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ইসলাম শুধুই মাত্র ব্যাক্তিগত বিশ্বাস নয়, বরং ইসলাম , ব্যাক্তি মানুষ , সমাজ , রাষ্ট্র ইত্যাদি কিভাবে চলবে তার সকল বিধি বিধান জারী রেখেছে শরিয়া আইনের মাধ্যমে। সুতরাং যারা রাজনীতি থেকে ইসলামকে দুরে সরিয়ে রাখতে চায়, তারা হয় ইসলাম জানে না , অথবা মিথ্যা কথা বলে অর্থাৎ তারা আসলে মুনাফিক।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 22 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর