নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৈকত সমুদ্র
  • কাঠমোল্লা
  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, নবীকে অপমান বা ইসলামকে অপমান আপনি নিজেই বেশী করছেন


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি পয়লা বৈশাখে এক বক্তব্যে বলেছেন , মুহাম্মদকে তথা ইসলামকে নিয়ে নোংরা কথা না বলতে। অর্থাৎ আপনি ইসলামকে অপমান করতে নিষেধ করেছেন। কথাগুলো সজ্ঞানে নাকি অজ্ঞানে বলেছেন , সেটা অজ্ঞাত। তবে কোরান হাদিস বিচার করলে , দেখা যাবে , আপনি নিজেই ইসলামকে বেশী অপমান করছেন। আপনার এইসব কথা , আপাত: আপনার গদিকে নিশ্চিত করতে পারে , কিন্তু সার্বিকভাবে তা দেশ ও জাতির জন্যে অপুরনীয় ক্ষতির কারন হচ্ছে। ঠিক এভাবেই মৌলবাদীদেরকে তোষন করতে গিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রটি শেষ হয়ে গেছে।

জঙ্গিবাদ কি জিনিস ? ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক আছে ?


জঙ্গিবাদ-এর সংজ্ঞাতে বলা হয়েছে- Terrorism, in its broadest sense, is defined as the use of violence, or threatened use of violence, in order to achieve a political, religious, or ideological aim(https://en.wikipedia.org/wiki/Terrorism)। অর্থাৎ কোন রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বা আদর্শিক লক্ষ্য হাসিলের জন্যে সন্ত্রাসী বা হিংসাত্মক কর্মকান্ডই জঙ্গিবাদ। এই সংজ্ঞা অনুসারে , ইসলাম কি জঙ্গিবাদ ? নাকি শান্তিবাদ?

মুহাম্মদ সম্পর্কে আসল তথ্য জেনে , সেটা নিয়ে কিছু বললে সেটা হয়ে যায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ?


কোরান হাদিসে মুহাম্মদ সম্পর্কে কিছু ভাল কথা বলা থাকলেও অনেক ভিন্নধর্মী তথ্যও আছে। আমাদের শৈশবে বা কৈশোরে , সেইসব তথ্য যেমন- তার ডজনের ওপর বিয়ে, দাসীর সাথে যৌনসঙ্গম বা বন্দিনী নারীকে ধর্ষন, বানিজ্য কাফেলা লুটপাট , ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে, বা পুত্রবধু জয়নাবকে বিয়ে, ইত্যাদি কেন আমাদেরকে বলা হয় না ? কেন এসব সত্য তথ্য আমাদের কাছে গোপন করে যাওয়া হয় ? এটাই কি ব্রেইন ওয়াশের প্রাথমিক পদক্ষেপ ? কোন অধিকারে আমাদের ব্রেইনকে এভাবে শৈশবেই ধ্বংস করে দেয়া হয় ? যারা এ কাজ করে তাদেরকে এ অধিকার কে দিয়েছে ? অতপর এখন সেসব জেনে , তা নিয়ে প্রশ্ন করলে , সেটা কিভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয় ?

বাংলা নববর্ষ পালন করবেন , আবার দাবী করবেন নিজেকে মুসলমান- এটা কি মুনাফিকি নয় ?


বাংলা নববর্ষ যে বা যারাই যেভাই চালু করুক না কেন , তা আসলে হিন্দু মুশরিকি সংস্কৃতি। বাংলা নববর্ষে পশু পাখীর মূর্তি নিয়ে মিছিল হয়, নাচা নাচি হয়, সাথে থাকে ঢোল-বাদ্য। এর সব কিছুই কঠিনভাবেই ইসলামে হারাম। এখন আপনি বাংলা সংস্কৃতির নামে এইসব হারাম কাজ করবেন , আবার দাবী করবেন মুসলমান , এটা কি মুনাফিকি নয় ?

যেদিন থেকে আমরা ইসলাম গ্রহন করেছি , সেদিন থেকেই আমরা আমাদের বাঙ্গালী সংস্কৃতিকে জলাঞ্জলি দিয়ে সবাই ইসলামী আরব সংস্কৃতিকে নিজেদের সংস্কৃতি হিসাবে গ্রহন করেছি।ইসলামী সংস্কৃতিতে কোন নাচানাচি , মূর্তির মিছিল, ঢোল বাদ্যের কোন স্থান নেই। মূর্তি বা ছবির ব্যাপারে বহু হাদিস আছে , যেমন :

মুহাম্মদ আসলে খৃষ্টান ধর্ম অনুসরন করার কথাই বলে গেছেন


মুহাম্মদ তার ইসলাম প্রচারের নামে আসলে খৃষ্টান ধর্ম অনুসরন করার কথাই বলে গেছেন। কিন্তু মুসলমানেরা তার সেই বার্তাকে ঠিকমত আত্মস্থ না করে বা উপলব্ধি করতে না পেরে, নিজেদের মধ্যে বহু তরিকা সৃষ্টি করে অত:পর মারামারি কাটাকাটি করে নিজেরা মরছে , অন্যদেরকে মারছে আর দুনিয়াটাকে একটা দোজখে পরিনত করছে। কেন মুহাম্মদ খৃষ্টান ধর্ম পালনের কথা বলে গেছেন , সেটা এবার ব্যখ্যা করা যাক।

প্রতিটি মুসলমানের খৃষ্টান ধর্ম গ্রহন করা উচিত


যদি মুমিনেরা কোরানকে বিশ্বাস করে, তাহলে তাদের এখনই খৃষ্টান ধর্ম গ্রহন করা উচিত। কারন কোরানই সেটা বলেছে। আর যদি তারা সেটা না করে , তাহলে তাদের কোরানকে ত্যাগ করা উচিত। কারন তাহলে কোরান একটা স্ববিরোধী কিতাব হয়ে যায়, আর স্ববিরোধী কিতাব থেকে কোন সঠিক বিধান অনুসরন করা যায় না , তা মানুষকে শুধু বিভ্রান্তই করে।বাস্তবে আমরা দেখি গোটা দুনিয়ার মুসলমানরা আসলেই বিভ্রান্তিতে আছে। এবারে আসল কথায় আসা যাক।

কোরান বলেছে:

পহেলা বৈশাখ একটা ইহুদি ষড়যন্ত্র


বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি পহেলা বৈশাখ পালনের জন্যে বোনাস দেয়া শুরু করেছে। উদ্দেশ্য পহেলা বৈশাখকে বাঙ্গালী সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশকরন। কিন্তু আমরা কি এখন আর বাঙ্গালী আছি? আমরা তো কবে থেকেই বাংলাদেশী হয়ে গেছি। তাছাড়া , তারও শত শত বছর আগে আমরা সবাই মুসলমান হয়ে গেছি। ইসলাম কোন জাতির সংস্কৃতিকে অনুমোদন দেয় না, কারন তা সবই মুশরেকি। ইসলাম একটা সংস্কৃতিকেই স্বীকার করে সেটা হলো ইসলামী সংস্কৃতি যা আসলে আরব সংস্কৃতি।

আল্লাহর রসুল মুহাম্মদকে অবমাননার শাস্তি কি ?


নবী মুহাম্মদের যারা সমালোচনা করে , খাটি ইমানদার মুমিন তাদেরকে চাপাতির কোপে পরপারে পাঠিয়ে দিচ্ছে একের পর এক। তখন কিছু লোক মিন মিন করে বলে - ইসলাম এভাবে হত্যার কথা বলে না, যদিও ভাব দেখে মনে হয় , তারা বরং এ হত্যাকান্ডে মনে মনে খুব খুশী। যাইহোক , মুহাম্মদকে সমালোচনার শাস্তি যে কি তা কোরান হাদিস থেকে দেখা যাক।

প্রথমেই কোরান থেকে দেখা যাক ,

সুরা আল আহযাব- ৩৩: ৫৭: যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে অপমান করে, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিসম্পাত করেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি।

কেন সরকার ব্লগার হত্যাকারীদেরকে ধরছে না ?


একটা অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়, সরকার ব্লগার হত্যাকারীদেরকে ধরছে না। বরং পাল্টা হিসাবে সরকার প্রধান বা তার মন্ত্রীদেরকে বলতে শোনা যায়, ইসলাম নিয়ে সমালোচনা করা ঠিক না। অর্থাৎ প্রকারান্তরে , সরকার মৌনভাবে বা পরোক্ষভাবে ব্লগার হত্যাকারীদেরকেই সমর্থন করছে।

ইসলাম বিদ্বেষী আসলে কারা ?


আরও একজন ব্লগারের প্রান গেল খাটি ইমানদার মুমিনের চাপাতির আঘাতে। ব্লগার নাজিম উদ্দিনের অপরাধ সে নাকি ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লেখালেখি করত , যা খাটি ইমানদার মুমিনের কাছে ইসলাম বিদ্বেষ তথা মুহাম্মদের সমালোচনা। কোরান ও হাদিসে পরিস্কার উল্লেখ আছে , মুহাম্মদের সমালোচনাকারীকে কঠিনভাবে হত্যা করতে হবে। যদিও কথিত মডারেট মুমিনেরা বলবে , ইসলাম কাউকে হত্যা করতে বলে না। যাইহোক , ইসলাম বিদ্বেষী আসলে কারা ?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Online
Last seen: 29 min 55 sec ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর