নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • কুরুৎআলা পাবলিক
  • এন্টারকটিকায় পড়ছি
  • গোলাম সারওয়ার

নতুন যাত্রী

  • অনিক চক্রবর্তী
  • অনুভব রিজওয়ান
  • মোমিন মাহদী
  • নাঈম উদ্দীন
  • সাইফ উদ্দীন
  • সংগ্রামী আমি
  • মোঃ নাহিদ হোসোইন
  • পাপেন ত্রিপুরা
  • মোঃ রেফায়েত উল্ল্যাহ
  • রজন্ত মিত্র

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

কোন ঘটনাকে আসলে ইসলামে জিহাদ হিসাবে প্রচার করা হয় ?- ইতিহাসের আলোকে


প্রায়ই শোনা যায়- জিহাদ হলো অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। তো সেই অন্যায় ও অবিচারের ইসলামিক সংজ্ঞাটা কি ? সোজা কথায় , মুহাম্মদের চালু করা ইসলামের প্রতি আনুগত্য না আনাটাই হলো অন্যায় ও অবিচার। সেই কারনে যে কেউ ইসলাম গ্রহন করবে না ,সেটাকে কঠিন অন্যায় হিসাবে বিবেচনা করে তার বিরুদ্ধে জিহাদ করতে হবে। আর এ জন্যে ডাকাতি , লুটপাট, ধর্ষন সব কিছুই বৈধ। অর্থাৎ ডাকাতিও জিহাদ হিসাবে গন্য হবে যদি সেটা ইসলামের নামে করা হয়। এবার সেটা ইতিহাসের দৃষ্টিতে দেখা যাক।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি গোটা দেশ ও জাতিকে বিপদের মধ্যে ফেলে দিচ্ছেন


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে, ক্ষুদ্র এ ব্লগের লেখা আপনি পড়বেন না জানি। ব্লগ পড়াটাকে আপনি হয়ত হারাম মনে করেন। ব্লগার মাত্র নাস্তিক মনে করতে পারেন। কিন্তু তারপরেও এ লেখা বিশেষ জরুরী মনে করছি। সম্প্রতি আপনি ধর্ম নিয়ে লেখালেখি বিষয়ে নানা কথা বলেছেন। আবার এবার সর্বপ্রথম পয়লা বৈশাখ উদযাপন করার জন্যে বোনাস দিয়েছেন। আপনি কি জানেন , ধর্ম নিয়ে লেখালেখি নিয়ে যা বলেছেন , তার সাথে পয়লা বৈশাখের এই বোনাস স্ববিরোধী ? আপনি কি জানেন, পয়লা বৈশাখ সহ নানা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের জন্যে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে খুন করা হয়েছে ?

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খুন: ইসলামের সাথে ইহার কোনই সম্পর্ক নাই


শিরোনাম দেখেই অনেকে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠবে। সেটাই স্বাভাবিক। শান্তিপ্রিয় ধর্মপ্রান মুসলমানরা কোন অপকর্মের সাথে ইসলামের সম্পর্ক দেখতে পায় না। আর কেউ যদি সেটা কোরান হাদিস ঘেটে দেখায় , তাকে তারা ইসলাম বিদ্বেষী বলে। এ ধরনের কাউকে যদি কোন উগ্রবাদী ইসলামী গোষ্ঠি হত্যা করে, তাহলে মিন মিন করে এর প্রতিবাদ করে সাথে সাথে বলে ইসলাম নিয়ে লেখা উচিত না। তাদের আপ্ত বাক্য- ইসলামে ভুল নেই , কিন্তু মুসলমানরা সঠিক না।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খুন: ইসলামের সাথে ইহার কোনই সম্পর্ক নেই


শিরোনাম দেখেই অনেকে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠবে। সেটাই স্বাভাবিক। শান্তিপ্রিয় ধর্মপ্রান মুসলমানরা কোন অপকর্মের সাথে ইসলামের সম্পর্ক দেখতে পায় না। আর কেউ যদি সেটা কোরান হাদিস ঘেটে দেখায় , তাকে তারা ইসলাম বিদ্বেষী বলে। এ ধরনের কাউকে যদি কোন উগ্রবাদী ইসলামী গোষ্ঠি হত্যা করে, তাহলে মিন মিন করে এর প্রতিবাদ করে সাথে সাথে বলে ইসলাম নিয়ে লেখা উচিত না। তাদের আপ্ত বাক্য- ইসলামে ভুল নেই , কিন্তু মুসলমানরা সঠিক না।

বাইবেল কি বিকৃত ? বাইবেল সম্পর্কে কোরান কি বলে ?


মুসলমানরা দাবী করে বাইবেল বিকৃত। যুক্তিবিদ্যা অনুযায়ী, যদি কেউ কোন বিষয়ে কিছু দাবী করে , তাহলে সেই দাবী প্রমানের দায়ীত্ব দাবীকারীর ওপর বর্তায়। অর্থাৎ মুসলমানরা যদি দাবী করে , বাইবেল বিকৃত - তাহলে সেটা প্রমানের দায়ীত্ব কার ? মুসলমানের, নাকি অমুসলমানের ? কিন্তু আসল কথা হলো , বাইবেল সম্পর্কে কোরান কি বলে ? সেটা কি আমরা কখনও ভালভাবে পরীক্ষা করে দেখেছি ? আসুন একটু পরীক্ষা করা যাক।

ইসলাম কেন আজও টিকে আছে ?


মানুষ দুইটা কারনে সব সময় প্রভাবিত হয়। ভয় ও লোভ। মানুষের মনে যদি প্রচন্ড ভীতির সঞ্চার করা যায়, তাতে মানুষের সকল রকম যুক্তিবোধ , প্রতিবাদ , মুক্তচিন্তা এসব চুড়ান্তভাবে রোধ করা যায়। একই সাথে যদি মানুষকে যদি তার কামনা ও বাসনার সাথে সম্পর্কযুক্ত বস্তুগত বিষয় নিয়ে প্রচন্ড লোভ দেখান হয়, তাহলেও সে তার নৈতিকতা , মুক্তচিন্তা ইত্যাদিকে বিসর্জন দিতে পারে। ইসলাম ঠিক এই দুইটা কারনে টিকে আছে। ইসলাম মুসলমানদের মনে কঠিনভাবেই একই সাথে ভীতি ও লোভের সঞ্চার করতে পেরেছে।

প্রতারকরাই সহিহ মুসলমান: জিহাদি ও মডারেটরা সবাই এক, তাদের লক্ষ্য অভিন্ন


ইসলামকে মহাশান্তির ধর্ম প্রচার ও প্রমানের একটা কৌশল হলো সহিহ ইসলামী প্রতারনা যাকে 'তাকিয়া' বলা হয়। তাকিয়া হলো - ইসলাম প্রচার ও প্রসারের জন্যে প্রয়োজনে যে কোন ধরনের প্রতারনা করা । যারা খাটি সহিহ মুসলমান তারা এসব প্রতারনা না করে, ইসলাম যেমন সেটাই অনুসরন করে থাকে। যেমন - আই এস , বোকোহারাম , তালিবান, আল কায়েদা ইত্যাদিরা। তাকিয়া ব্যবহার করে কথিত মডারেট মুসলমানরা। তারা জানে যে আই এস বা তালিবানরা যা করছে তা সবই ইসলাম সম্মত কিন্তু প্রকাশ্যে স্বীকার করা যাবে না।তাই জিহাদী ও মডারেটরা মূলত: সবাই এক ও অভিন্ন। শুধু কৌশল ভিন্ন।

প্রতারনা করার জন্যে কোরানে বলেছে ----------

একটি সহিহ ইসলামী গাজাখুরি কিচ্ছা: আল্লাহর ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতা


মুহাম্মদ ও তার আল্লাহর ইতিহাস সম্পর্কে সীমাহীন অজ্ঞতা আমাদেরকে বিস্মিত করে। কাবা ঘর ও জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা নির্মানের মধ্যে কত বছরের তফাৎ সেটা বলতে গিয়ে তারা উভয়ই এই অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে ও একটা গাজাখুরি গল্পের অবতারনা করেছে। তবে গল্পটা যতই গাজাখুুরি হোক না কেন , সেটা সত্য বলে বিশ্বাস করতে হবে , যদি না করা হয়, তাহলে নির্ঘাত, আপনি বেহেস্তের ৭২ কুমারী নারীর সাথে অবিরাম যৌন সঙ্গম তো মিস করবেনই , পরন্তু দোজখের আগুনে পুড়ে মরতে হবে অনন্তকাল। সুতরাং হুশিয়ার , সাবধান !

মুহাম্মদ কি পৌত্তলিক ও পাথরপুজারি ছিলেন ?


মুহাম্মদ ৪০ বছর বয়েসে নিজেকে নবী দাবী করেন। গোটা কোরান হাদিস খুজেও কোথাও পাওয়া যায় না , এই ৪০ বছর পর্যন্ত মুহাম্মদ আসলে কি ধর্ম পালন করতেন। বরং একটা কাহিনীতে দেখা যায় , কুরাইশরা যখন কাবা ঘর নতুন করে তৈরী করে , তখন কোথায় সেই কাল পাথর বসান হবে , সেটা নিয়ে কুরাইশরা গন্ডগোল শুরু করলে , মুহাম্মদ সেটার সমাধান করে দেন। যাহোক , ইব্রাহীম , মুসা , ইশা ইত্যাদির পর মুহাম্মদ নিজেকে পয়গম্বর দাবী করে , তার একেশ্বরবাদী ইসলাম চালু করলে, সেটা কি আসলেই একেশ্বরবাদী ধর্ম নাকি পৌত্তলিকতা , নাকি পাথর পুজা , নাকি একটা জগাখিচুড়ী ধর্ম ?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, নবীকে অপমান বা ইসলামকে অপমান আপনি নিজেই বেশী করছেন


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি পয়লা বৈশাখে এক বক্তব্যে বলেছেন , মুহাম্মদকে তথা ইসলামকে নিয়ে নোংরা কথা না বলতে। অর্থাৎ আপনি ইসলামকে অপমান করতে নিষেধ করেছেন। কথাগুলো সজ্ঞানে নাকি অজ্ঞানে বলেছেন , সেটা অজ্ঞাত। তবে কোরান হাদিস বিচার করলে , দেখা যাবে , আপনি নিজেই ইসলামকে বেশী অপমান করছেন। আপনার এইসব কথা , আপাত: আপনার গদিকে নিশ্চিত করতে পারে , কিন্তু সার্বিকভাবে তা দেশ ও জাতির জন্যে অপুরনীয় ক্ষতির কারন হচ্ছে। ঠিক এভাবেই মৌলবাদীদেরকে তোষন করতে গিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রটি শেষ হয়ে গেছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 5 দিন 10 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর