নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বেহুলার ভেলা
  • নুর নবী দুলাল
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • নগরবালক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

ইসলামই হলো মুসলমানদের সব সমস্যার মূল


ইসলাম নিজেই এমন এক অপরিস্কার , বিভ্রান্তিময়, স্ববিরোধী আদর্শ ও বিধি বিধানের সমাহার , যার দ্বারা মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে , নিজেদের মধ্যেই বিবাদ বিস্বম্বাদ ঘটায় ও পরিশেষে নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে , যা পরিশেষে মুসলমানদেরকে একটা বর্বর, অসভ্য ও জঙ্গি জাতিতে পরিনত করে।

ড: জাফর ইকবাল একজন ভাল মানুষ কিন্তু ভাল মুসলমান নন


ড: জাফর ইকবাল ব্যাক্তিগতভাবে একজন ভাল মানুষ,কিন্তু মুক্তমনের কারনে , ইসলামের সমালোচনা সহ নবীদের নিয়ে ব্যঙ্গ করার কারনে তিনি কোনভাবেই একজন ভাল মুসলমান না। ইসলামের দৃষ্টিতে তিনি মুনাফিক এবং মুনাফিকের শাস্তি যে মৃত্যুদন্ড সেটা সবাই জানে। পক্ষান্তরে, ফয়জুল একজন খাটি মুমিন, যে কোরান হাদিসের বিধান অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলে , আর সেই কারনেই সে ড: জাফর ইকবালকে হত্যা করতে চেয়েছে, যার অর্থ সে একজন ভাল মুসলমান, কিন্তু যারা ইসলামের প্রকৃত স্বরূপ জানে না , তাদের কাছে সে একজন হত্যাকারী তথা খারাপ মানুষ।

ড: জাফর ইকবালের ওপর আক্রমন: ইহার সাথে ইসলামের কোনই সম্পর্ক নাই


৩রা মার্চ'১৮ তারিখে বাংলাদেশের শীর্ষ বুদ্ধিজীবি ও অধ্যাপক ড: জাফর ইকবালকে হত্যার জন্যে এক খাটি ইমানদার বান্দা আক্রমন করেছে। সেই বান্দাকে ঘটনা স্থলে ধরা হয়েছে , দেখলেই বোঝা যায় , সে একজন খাটি মুমিন যে কোনদিন তার দাড়ি কামায় নি। সবাই এটাকে জঙ্গি আক্রমন বলে চালিয়ে দিচ্ছে। ভাবখানা , এই যুবকটা জঙ্গল থেকে এসে জাফর ইকবালের মাথায় কোপ বসিয়েছে।তাই এর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। অনেকে আগ বাড়িয়েই হয়ত বলতে পারে , কোরান হাদিসের কোথায় বলেছে যে সিলেটে ড: জাফর ইকবালকে আক্রমন করে হত্যা করতে হবে ?

ইসলাম হলো মিথ্যাবাদীতা বা প্রতারনার ধর্ম


সব ধর্মেই কোন না কোন সময় মিথ্যা কথা বলাটাকে অনুমোদন করে, কিন্তু সেটার সাথে ইসলাম অনুমোদিত মিথ্যা কথা বলার আকাশ পাতাল পার্থক্য বিদ্যমান। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ধর্ম প্রচারের জন্যে মিথ্যা কথা বলা অনুমোদিত নয় , বরং জীবন রক্ষা , স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক রক্ষা ইত্যাদি ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে মিথ্যা বলার অনুমতি বিদ্যমান। কিন্তু ইসলামই একমাত্র ধর্ম যাতে বলা আছে , ইসলাম প্রচারের জন্যেই মিথ্যা কথা বলা যাবে। খোদ ইসলামের ঈশ্বর আল্লাহ নিজেকেই কোরানে বলেছে প্রতারক বা মিথ্যাবাদী। তার অর্থ হলো ইসলামের মূল ভিত্তিটাই হলো মিথ্যা ও মিথ্যাচার।

আমেরিকার মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স স্বীকার করল UFO ও বহির্জাগতিক উন্নত প্রানীর অস্তিত্ব সত্য


বেশ কয়েক দশক ধরে আলোচনা সমালোচনা চলছে , বিশ্বে মানুষই একমাত্র উন্নত প্রানী না। বরং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেই বুদ্ধিমান জীব আছে আর তারা মানুষের চাইতেও বহু উন্নত। এসব নিয়ে বহু বই পুস্তক, অনলাইনে বহু ভিডিও , ওয়েব সাইট আছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কখনই এমন কোন নির্ভরযোগ্য ব্যাক্তি এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমান দাখিল করেন নি। এবারই প্রথম আমেরিকার মিলিটারী ইন্টেলিজেন্সের একজন প্রাক্তন কর্মকর্তা CNN এ সেটা স্বীকার করলেন।

আজকের মুক্তিযোদ্ধারা একদিন রাজাকারে পরিনত হবে, আর রাজাকাররা পরিনত হবে খাটি মুমিন ও জিহাদীতে


ইসলাম শুধুই একটা ধর্ম না, এটা একটা সম্পূর্ন জীবন বিধান। জন্মের আগ থেকে কবরে যাওয়া পর্যন্ত তাই একজন মুসলমানের সব কিছুই ইসলামের বিধি বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। ইসলামের ভিত্তিতে যদি মুক্তিযুদ্ধকে বিচার বিবেচনা করি , দেখা যাবে , আজকে যারা মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সম্মানিত , তারাই ভবিষ্যতে ঘৃণিত মুনাফিক ও বিশ্বাসঘাতক হিসাবে অসম্মানের পাত্র হবে , এমন কি তাদেরকে মরনোত্তর বিচার করে ফাঁসি দেয়া হতে পারে। আর আজকে যারা রাজাকার হিসাবে গণ্য তাদেরকে বলা হবে মহান জিহাদী ও শহিদ হিসাবে।

আকায়েদ উল্লাহর কর্মকান্ডের সাথে ইসলামের কোনই সম্পর্ক নেই বা সে এ কাজ করতই পারে না


যখনই কোন মুসলমান আল্লাহু আকবর ধ্বনি দিয়ে , ইহুদি নাসারা কাফেরদের হত্যা করার জন্যে বোমা ফাটায় বা গাড়ি চালিয়ে দেয় বা গুলি করে, তখনই এক শ্রেনীর মুসলমানরা দাবী করে , সেই লোকের কাজের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই , আর সেই লোক মুসলমান না। সম্প্রতি আকায়েদ উল্লাহ নামের এক বাংলাদেশ বংশোদ্ভুত যুবক আমেরিকার নিউইয়র্কে আত্মঘাতী বোমা হামলা করতে গিয়ে ধরা পড়েছে , সাথে সাথেই বলা শুরু হয়েছে , তার কাজের সাথে ইসলামের সম্পর্ক নেই , তার আত্মীয় স্বজন অবশ্য বলছে - সে একাজ করতেই পারে না। কারন সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ত।

ইসলাম নারীদেরকে কুত্তা ও শয়তানের সমান বলে নারীকে দিয়েছে সুমহান মর্যাদা


বিধি বিধান দ্বারা ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীকে চুড়ান্তভাবে অপমান করেছে। অন্য কোন ধর্মে নারীকে বিধি বিধান দিয়ে অপমান করে নাই, বরং সামাজিকভাবে তাদেরকে নানারকম ভাবে অপমান করা হয় যার সাথে তাদের ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। সেই কারনেই অমুসলিম সমাজে রাষ্ট্র আইন করে নারীদের নানা ধরনের অধিকার বাস্তবায়ন করলে ধর্ম সেখানে বাধা হয়ে দাড়ায় না।সেখানে ইসলাম নারীকে পুরুষের অর্ধেক , নারীরা শয়তান ও কুত্তার সমান ইত্যাদি বলে চুড়ান্ত অপমান করেছে।

ইসলাম ধর্মে কোন জবর দস্তি নেই, কারন যুদ্ধ , খুন এসব কোন জবর দস্তি না, এটা হলো জিহাদ


ইসলাম হলো চুড়ান্ত শান্তির ধর্ম। আর সেটা অর্জন করতে হলে যুদ্ধ , তরবারি চালাতে হবে , অমুসলিমদের কণ্ঠ রোধ করে তাদেরকে ইসলামের পতাকাতলে আসতে বাধ্য করতে হবে , আর তাহলেই অর্জিত হবে চুড়ান্ত শান্তি। যেমন কোরানে বলেছে ---

কুকুরকে বুদ্ধিমান বানান যেতে পারে , কিন্তু মুসলমানকে মানুষ বানান সম্ভব না


বেশ কিছু অভিজ্ঞতার পর আমার মনে হয়েছে , বরং কুকুরকে প্রশিক্ষন দিলে সে বুদ্ধিমান হতে পারে , কিন্তু কোনভাবেই মুসলমানদেরকে মানুষ বানান সম্ভব না।মানুষ তাকেই বলে যে যুক্তি ও প্রমানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। সেই কারনেই মানুষকে বুদ্ধিমান জীব বলা হয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে , মুসলমানরা কোনভাবেই যুক্তি ও প্রমানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে রাজী না। তার মানে তারা কোন ভাবেই মানুষ হতে রাজী না। দুই একটা ঘটনার প্রেক্ষিতে বিষয়টা ব্যখ্যা করব।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর