নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জলের গান
  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ সিদ্দিকী

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

নবী মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে বহিস্কার করছে


নবী মুহাম্মদের শিক্ষা হলো -যদি কোন ব্যাক্তি বা গোষ্ঠি দেশ ও জাতির জন্যে ক্ষতিকর মনে হয় , তাদেরকে দেশ থেকে উচ্ছেদ করে দিতে হবে। মুহাম্মদ যখন মদিনায় একটা ইসলামী রাজ্য গঠন করল, তখন সে ইহুদিদেরকে তার প্রধান শত্রু মনে করল , কারন তারা কোনভাবেই মুহাম্মদকে নবী হিসাবে মানল না। সুতরাং মুহাম্মদ সিদ্ধান্ত নিল গোটা আরব থেকেই ইহুদিদেরকে তাদের চৌদ্দ পুরুষের ভিটা মাটি থেকে বহিস্কার করবে ও সেটা অত:পর সে নিজে , পরে তার সাহাবিরা আন্তরিকতার সাথে পালন করে। মায়ানমার সরকার নবী মুহাম্মদের সেই শিক্ষা গ্রহন করেছে।

মুমিনরা , আপনারা কিন্তু আপনাদের থলের বিড়াল বের করে দিচ্ছেন


গত ১৪০০ বছর ধরে ইহুদি খৃষ্টান সহ সব অমুসলিমরা ইসলামের বিরুদ্ধে নানারকম প্রচার করে যতটা না ইসলামের স্বরূপ তুলে ধরতে পেরেছিল , আপনারা গত কয় দশকের মধ্যেই তার চাইতে অনেক বেশী ইসলামের স্বরূপ তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে গত দুই তিন বছরে প্রকৃত ইসলামের স্বরূপ সারা দুনিয়ার সামনে একেবারে দিনের আলোর মত পরিস্কার করে দিয়েছেন। বেশী ঘটনা নয় , মাত্র দুই চারটা ঘটনা দিয়ে সেটা বুঝাচ্ছি।

সামান্য ছাগলও কোরানের আল্লাহর চাইতে বেশী শক্তিশালী বনাম মুমিনদের উত্তর


কোরানের আল্লাহ চ্যালেঞ্জ করে বলেছে -"আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক।(সুরা হিজর-১৫:৯)"। তার মানে আল্লাহ তার নিজের কোরান নিজেই সংরক্ষন করবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে , সামান্য এক ছাগল , তার কোরানের আয়াত খেয়ে ধ্বংস করে ফেলেছে , আর সেই আয়াত এখন আর কোরানে নেই। বিশ্বাস হচ্ছে না ? তাহলে দেখুন নিচের সহিহ হাদিসটা --

ইসলাম দাড়িয়ে আছে ১০০% মিথ্যাচারের ওপর


প্রতিটা মুসলমানই একটা গল্প জানে যেটা সে শৈশবেই শুনেছে সর্বপ্রথম। সেই গল্পটাই মূলত: প্রতিটা মুসলমানকে শৈশবেই মুহাম্মদের প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে, ও ইসলাম সম্পর্কে ভাল ধারনা দিতে সাহায্য করে। বস্তুত: এই গল্পটাই আসলে মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয়া একটা শিশুকে সর্ব প্রথমেই মুসলমান হিসাবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করতে শেখায়।সেই গল্পটা হলো - এক বুড়ি ইহুদি মহিলা মুহাম্মদের পথে কাটা বিছিয়ে রাখত প্রতিদিন। যাতে মুহাম্মদ কষ্ট পায়। একদিন মুহাম্মদ দেখল পথে কাটা নেই , তখন মুহাম্মদ খুজে গিযে বুড়ির বাড়ীতে হাজির হলো। দেখল বুড়ি অসুস্থ। তখন মুহাম্মদ তার সেবা করল। এতে বুড়ি মুহাম্মদের মহানুভবতা দেখে ইসলাম কবুল করল। এখন কথা হলো- এটা কি একটা সত্য গল্প , নাকি মিথ্যা বানোয়াট গল্প ?

হিটলার ৬০ লাখ ইহুদি হত্যার পরেও সে সন্ত্রাসী না , কিন্তু নবী মুহাম্মদ মাত্রই ৯০০ ইহুদি হত্যা করল বনু কুরাইযার , তাতেই তাকে কেন মহা সন্ত্রাসী বলা হয় ?


উপরোক্ত প্রশ্নটা বহু মুমিন এ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ বার জিজ্ঞাসা করেছে, এবং মনে হয় করতেই থাকবে। এবার তার উত্তর দেয়া হবে। এখানেই মুমিনরা যে মিথ্যাচারটা করে সেটা হলো , দুনিয়ার কোন সভ্য ও ভদ্র মানুষ হিটলারকে ভাল মানুষ বলে না। তাকে একজন কুখ্যাত অপরাধি হিসাবেই বিবেচনা করে, অথচ মুমিনরা সেটা লুকিয়ে প্রথমেই তাকে যে অপরাধী বলা হয় না , সেটা প্রমান করতে চায়। যাইহোক , পুরো বিষয়টা ব্যখ্যা করা যাক

মুহাম্মদ ও আল্লাহ কি একই ব্যাক্তিত্ব ?


কোরান ও হাদিস পড়লে দেখা যায়, মুহাম্মদ যখনই কোন ব্যাক্তিগত খায়েশ যেমন যত ইচ্ছা খুশি বিয়ে করতে চায় , দাসীর সাথে যৌনসঙ্গম করতে চায় , বন্দিনী নারীর সাথে যৌন সঙ্গম করতে চায়, ডাকাতিকে বৈধ করতে চায় বা এমন কি পালিত পুত্রের স্ত্রী জয়নাবের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাকে বিয়ে করতে চায় ইত্যাদি সব চাওয়ার আকাংখা করা মাত্রই সাথে সাথে কোরানের আয়াত হাজির। ভাবখানা দেখে মনে হয় , আল্লাহই বরং সারাক্ষন মুহাম্মদের ভয়ে তটস্ত থাকে কখন না জানি মুহাম্মদের কি দরকার পড়বে আর তাকে ওহি পাঠাতে হবে। অর্থাৎ মুহাম্মদের ব্যাক্তিগত খায়েশ মিটান ছাড়া আল্লাহর আর কোনই কাম নেই। বিষয়টা আরও বিশদভাবে আলোচনা করা যাক---

মুহাম্মদ নিজেই আসলে ইসলাম জানত না : মুহাম্মদ নিজেই ছিল ইসলাম বিদ্বেষী


আমরা বিশ্বাস করি ইসলাম শান্তির ধর্ম। দুনিয়ার সকল মুসলমানও সেটা বিশ্বাস করে। আমরা সবাই বিশ্বাস করি ইসলাম কাউকে হত্যা করার কথা বলে না। কিন্তু হাদিসে মুহাম্মদের কথা দেখলে আমরা জানতে পারি , সেখানে মুহাম্মদ আমাদের বিশ্বাস বিরোধী কথা বার্তা বলেছে। যেমন আমরা বিশ্বাস করি , কেউ যদি ইসলাম ত্যাগ করে , তাহলে তার শাস্তি আল্লাহ নিজেই দেবে কেয়ামতের মাঠে , আমরা তাকে কেউ সাজা দিতে যাব না। কিন্তু হাদিসে মুহাম্মদ বলেছে ভিন্ন কথা। বলেছে , তার কল্লা ফেলে দিতে হবে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে , মুহাম্মদ নিজেই আসলে ইসলাম জানত না , একই সাথে ছিল প্রচন্ড ইসলাম বিদ্বেষী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর কর্তৃক ৮ বছরের কন্যা বিয়ে বনাম নবী মুহাম্মদ কর্তৃক ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে


যখনই নবী মুহাম্মদ কর্তৃক ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ের প্রসঙ্গ ওঠে মুমিনরা দল বেধে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ৮ বছরের শিশু কন্যা বেগম ফজিলাতুন্নেসাকে বিয়ের উদাহরন তুলে ধরে। বা তারা আমাদের দাদা দাদীর যে অনেকেই শিশু অবস্থায় বিয়ে করেছিলেন সেটার উদাহরন তুলে ধরে। এটা করে তারা যে মূর্খতা ও অজ্ঞতার পরিচয় দেয় তা তারা নিজেরাই বোঝে না।

যে লুচ্চামি বা পরকীয়া করবে না , সে খাটি মুমিন হবে না


কোরান বলেছে , মুহাম্মদ হলো মুমিনদের জন্যে শ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ যার পদাংক অনুসরন করতে হবে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত। তো দেখা যাচ্ছে , মুহাম্মদ নিজে এক সময় তার পালক পুত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবের প্রেমে পড়ে । তার মানে মুহাম্মদ বস্তুত: তার পূত্রবধুর প্রেমে পড়ে। অনেকেই বলবে পালক পুত্র তো নিজের পুত্র না। কিন্তু কেউ যখন কোন শিশুকে পালক নেয়, তাকে সে আপন পুত্রের মতই গণ্য করে লালন পালন করে থাকে। যাইহোক , কোরানের আল্লাহ টের পায় মুহাম্মদ তার পুত্র বধু জয়নাবের প্রেমে মাতোয়ারা। তাই বাধ্য হয়ে তাকে ঘটকালি করতে হয়। আল্লাহ প্রথমে বলে ----

মুহাম্মদ যে কত বড় লুইচ্চা বা বদমাস ছিল , তা দেখুন


কেউ কেউ প্রশ্ন করতে পারেন , সরাসরি লুইচ্চা বদমাস শব্দ কেন ব্যবহার করলাম। অনেক অভিজ্ঞতার পর বুঝেছি , মুমিনরা ভদ্র ভাষা বা পান্ডিত্যপূর্ন ভাষা একেবারেই বোঝে না। তাদের বোঝার জন্যেই এই রকম সরাসরি ভাষা। যাইহোক ,এতদিনে একথা সবাই জানে যে মুহাম্মদের একটা পালক পুত্র ছিল। তার নামে জায়েদ। জায়েদের একটা সুন্দরী স্ত্রী ছিল যার নাম জয়নাব। সেই জয়নাবকে মুহাম্মদ কিভাবে বিয়ে করল সেটা কোরান থেকেই দেখুন ----

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 10 ঘন্টা 30 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর