নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • নরমপন্থী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

মুহাম্মদ কেন কোনভাবেই নবী হতে পারে না , পর্ব -৩


১ম ও ২য় পর্বে বলা হয়েছে , কেন নবী হতে গেলে তাকে আগের নবীদের ধারাবাহিকতায় তৌরাতের বিধান মেনে ইব্রাহীমের বংশধর হতে হবে। বার বার তৌরাত ও ইঞ্জিল কিতাবকে স্বীকার করেই মুহাম্মদ নিজের পায় নিজেই কুড়াল মেরেছে।চুড়ান্ত কুড়ালটা মেরেছে একটা চ্যালেঞ্জ করে , যে তার আগমনের খবর পূর্ব বর্তী কিতাব তৌরাত/ইঞ্জিলে বিদ্যমান। তৌরাতে অবশ্যই মুসার পর নবী আসার কথা আছে , কিন্তু দেখতে হবে , সেই নবী মুহাম্মদ কি না।

মুহাম্মদ কেন কোনভাবেই নবী হতে পারে না , পর্ব-২


পর্ব-১ দেখানো হয়েছে , মুহাম্মদকেই প্রমান করতে হবে , সে ছিল ইব্রাহিমের বংশধর। এ ক্ষেত্রে মুহাম্মদের নিজের বলা কথা ছাড়া আর কোন প্রমান নেই। হঠাৎ করে কেউ একজন এসে যদি দাবী করে যে সে নবাব সিরাজুদ্দৌলার বংশধর , তাহলে সেটা তাকে ওয়ারিশনামা প্রদর্শন করেই প্রমান করতে হবে। কেউ কিছু একটা দাবী করলেই সেটা সত্য হবে না। মুসলমানরা ঠিক এই যায়গাতেই বুঝতে পারে না। তারা প্রতিটা কথার জন্যে কোরানের বানীকে প্রমান হিসাবে তুলে ধরে , কিন্তু তারা বোঝে না , কোরান প্রথমত: মুহাম্মদের বলা বানী। মুহাম্মদই বলেছে কোরান আল্লাহর বানী। সুতরাং কোরানের আগে মুহাম্মদ যে নবী সেটাই মুসলমানদের আগে প্রমান করতে হবে।

মুহাম্মদ কেন কোনভাবেই নবী হতে পারে না, পর্ব -১


যুক্তির খাতিরে ধরে নিলাম , ঈশ্বর আছে আর সে দুনিয়াতে মাঝে মাঝে নবী পাঠায় মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্যে। সে ক্ষেত্রে এই নবী ধারাটা সৃষ্টি হলো কোথা থেকে সেটা জানার পর , মুহাম্মদ কোন ভাবে সেই ধারা মোতাবেক নবী হতে পারে কি না , সেটা বুঝতে হবে। বিষয়টা হলো , আমি একটা সম্পত্তির মালিকানা দাবী করছি , সে ক্ষেত্রে আমাকে প্রমান করতে হবে উক্ত সম্পত্তির মালিক ছিল আমার বাবা , তার পুর্বে আমার দাদা এবং সেই সূত্রে ওয়ারিশ হিসাবে আমি সেই সম্পত্তির মালিক- সেটা আমাকেই প্রমান করতে হবে।

হিজাব পরে নিজেকে ভোগ্যবস্তুর মত উপস্থাপন করে , ধর্ষন রোখা যাবে না


প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে শারিরীকভাবে শক্তিশালী পুরুষরা তাদের বীরত্ব ফলাত , কে কতজন নারীকে নিজের আয়ত্বে রাখতে পারে , তার ভিত্তিতে ।একই সাথে সেই বড় বীর , যে যখন ইচ্ছা খুশি যে নারীকে পছন্দ করত , তাকে ভোগ করার অধিকার রাখত। নারীকে তখন আসলে ভোগ্য বস্তু ছাড়া আর কিছুই ভাবা হতো না। সেই নারীরা আজো হিজাব পরে নিজেদেরকে ভোগ্য বস্তুর মত উপস্থাপন করবে , আবার ধর্ষনের হাত থেকে বাঁচতে চাইবে , সেটা তো সোনার পাথরবাটির মত ঘটনা।

মুহাম্মদের সমালোচনা করলে মুমিনরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে , কিন্তু আল্লাহর সমালোচনা করলে কিছু বলে না , কারন কি ?


একটা বিষয় বেশ চোখে পড়ার মত। আল্লাহকে নিয়ে কিছু বললে , মুমিনরা তেমন উত্তেজিত হয় না কিন্তু মুহাম্মদকে নিয়ে কিছু বললেই সাথে সাথে ক্ষিপ্ত বর্বর পশুর মত আচরন করে। কারনটা কি ? আমি এ বিষয়ে গবেষণা করে কিছু তথ্য বের করলাম।

যারা ধার্মিক , তাদেরকে কি মানসিক রোগী বলা যায় ?


দুনিয়াতে বহু ধর্ম আছে , তার মধ্যে খৃষ্টান , ইসলাম , হিন্দু , বৌদ্ধ , ইহুদি ইত্যাদি ধর্ম প্রধান। প্রতিটা ধর্মের কাহিনী ভিন্ন ভিন্ন এবং দেখা যাবে , প্রায়ই আজগুবি সব কাহিনী যার সাথে ঠাকুরমার ঝুলির গল্পের মত অনেক মিল পাওয়া যাবে। মনে হয় ঠাকুরমার ঝুলির কাহিনী ছোট বেলায় যে কোন ধর্মের কাহিনী বলে চালিয়ে দিলে , এক সময় সেই ধর্মের অনুসারীরা সেইসব কিচ্ছাকেও সত্য বলে বিশ্বাস করত। কথা হচ্ছে , আজকের এই বিজ্ঞানের যুগে , যুক্তি তর্কের যুগে , যারা ধর্মের নানা উদ্ভট কিচ্ছা কাহিনীকে সত্য বলে বিশ্বাস করে , তাদেরকে কি মানসিক রোগী বলা যাবে ? মনোবিজ্ঞান কি বলে ?

কার চরিত্র উন্নততর ? মুহাম্মদের , নাকি তার উম্মতদের ?


মুসলমানদের বিশ্বাস , মুহাম্মদ হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ মানুষ। আর তার আদর্শ অনুসরন করা সকল মুসলমানের কর্তব্য। তাই যদি হয় , তাহলে মুহাম্মদ তার জীবনে যা যা করেছে , তার সবই সর্বকালের জন্যে আদর্শ কাজ হবে এবং সেসব মুসলমানরা অনুসরন করলে হতে পারে খাটি ইমানদার মুমিন। তো এবার দেখা যাক , সেই বিচারে , আজকের উম্মতদের চরিত্র ও মুহাম্মদের চরিত্রের মধ্যে কার চরিত্র উন্নততর বলে খোদ মুমিনরাই রায় দিবে।

জিহাদ ও সন্ত্রাস(জঙ্গিবাদ)



সম্প্রতি বিভিন্ন ওয়াজ ও ইসলামী আলোচনায় হুজুর বা আলেমরা প্রায়ই বলছে - জিহাদ মুসলমানদের জন্যে ফরজ, কিন্তু জিহাদের সাথে সন্ত্রাসের কোন সম্পর্ক নেই। তারা বলে , জিহাদ হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ , আর সন্ত্রাস হলো নিরীহ মানুষের ওপর আক্রমন করা। এত কথার মধ্যে তারা কিন্তু কখনই একথা পরিস্কার করে বলে না যে , যারা জঙ্গিবাদের সাথে জড়িত , তারা সন্ত্রাসী নাকি জিহাদি। কেন তারা সেটা পরিস্কার করে না , এবার তার কারন বলা হবে।

ড:স্টিফেন হকিং- এর মৃত্যু ও ইসলামের সত্যতার প্রমান


বিশ্ববিখ্যাত বৃটিশ বিজ্ঞানী ড: স্টিফেন হকিং সম্প্রতি মারা গেছেন। আইনস্টাইনের পর তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী হিসাবে স্টিফেন হকিং সবচাইতে বিখ্যাত ছিলেন।ব্লাকহোলের গঠন নিয়ে মূলত: তিনি গবেষণা করতেন। মহাবিশ্বের সৃষ্টির পিছনে যে কোন স্রষ্টা আছে , তা তিনি বিশ্বাস করতেন না।করার কথাও না। কারন যে সব তথ্য উপাত্ত পাওয়া যায় , তার ভিত্তিতেই কোন স্রষ্টার হস্তক্ষেপ ছাড়াই মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য ব্যখ্যা করা যায়। তাই স্বভাবত:ই মোমিন মুসলমানরা তাকে ভয়ংকর শত্রু ও ইসলাম বিদ্বেষী হিসাবে গণ্য করত।

কোরান নিজেই প্রমান করে যে সে একটা বিভ্রান্তকারী গ্রন্থ যা মানুষকে বর্বর বানায়


মুসলমানরা তাদের ধর্ম নিয়ে শত শত দল উপদলে বিভক্ত। প্রতিটা দলই নিজেদেরকে একমাত্র খাটি দল মনে করে অন্য দলকে কাফির মুনাফিক হিসাবে গণ্য করে আক্রমন করে , মারামারি খুনাখুনিতে লিপ্ত হয়।এটা নিয়ে যখন আলোচনা করা হয় , তখন সব দোষ সেই লোকগুলোর ওপর দেয়া হয় , আর কোরানকে রাখা হয় নির্দোষ। কিন্তু বিষয়টা কি তাই ? আসলে দোষটা কার ? মানুষের , নাকি কোরানের? সেটা দেখা যাক এবার ----

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 4 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর