নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নকল ভুত
  • মিশু মিলন
  • দ্বিতীয়নাম
  • আব্দুর রহিম রানা
  • সৈকত সমুদ্র
  • অর্বাচীন স্বজন
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

মুহাম্মদ নিজের কথাবার্তাকে আল্লাহর বানী বলে চালিয়েছে


মুসলমান মাত্রেই তা সে মৌলবাদী বা মডারেট যেই হোক না কেন , কঠিনভাবেই বিশ্বাস করে কোরান হলো আল্লাহর বানী আর সেই কোরান লওহে মাহফুজে আল্লাহ যেমন করে লিখে রেখেছে , আজকে যে কোরান আমরা দেখি তা হুবহু একই রকম। লওহে মাহফুজের কোরানের সাথে আমাদের বাজারে পাওয়া কোরানের কোনই অমিল নেই, এমন কি দাড়ি কমা ডট ইত্যাদি পর্যন্ত সব হুবহু একই।মুসলমানরা এটা বিশ্বাস করে , কোরানের কোন ইতিহাস না জেনেই। তারা এটা বিশ্বাস করে মোল্লাদের সমবেতভাবে এক পাক্ষিক প্রপাগান্ডার কারনে। তো এবার দেখা যাক , আসল ঘটনা কি ।

ইসলাম হলো মাকাল ফলের মত: বাইরে থেকে দেখতে সুন্দর , কিন্তু ভিতরটা কদর্য


মসজিদে সারিবদ্ধভাবে শৃংখলার সাথে নামাজ পড়ে , সবাইকে নামাজ পড়তে আহ্বান করে , ঈদের সময় সবাই কোলাকুলি করে, একজন আর এক জনের সাথে দেখা হলে সালাম দেয়, দুনিয়ার সকল প্রান্ত থেকে মক্কায় হজ্জে যায় ইত্যাদি। এসব দেখলে মনে হবে ভ্রাতৃত্ববোধ সম্পন্ন ইসলামের চাইতে ভাল ধর্ম আর নেই। কিন্তু আপনি যদি ইসলামের ভিতরে ঢুকতে থাকেন ,কোরান হাদিস সিরাত , তাফসির , ইসলামের ইতিহাস পড়তে শুরু করেন , তাহলে দেখবেন , ইসলামের চাইতে জঘন্য ধর্ম আর দ্বিতীয়টা নেই।

ইসলামী পন্ডিতদের দেখান পথেই মুহাম্মদের চরিত্রকে সবার সামনে তুলে ধরা হয়


জাকির নায়েক সহ সকল কথিত ইসলামী পন্ডিতরা সর্বদাই অমুসলিমদের কাছে তাদের ধর্ম যেমন খৃষ্টান , হিন্দু , বৌদ্ধ ইত্যাদি নিয়ে এমন সব কথা বলে যে তাতে তাদের মনে তাদের ধর্ম সম্পর্কে সন্দেহ ঢুকে যায়, তারা খুব ভাল করেই জানে যে , অমুসলিমরা তাদের ধর্মের ব্যপারে ভীষণ অজ্ঞ। অত:পর তাদের সামনে ইসলাম যে কত প্রকারে সন্দেহাতীত ধর্ম সেটার বয়ান করে তাদেরকে ইসলাম গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করা হয়। ইসলামের সমালোচনাকারীরা ইসলামী পন্ডিতদের এই কৌশলটা রপ্ত করেছে। আর তাই তারা সর্বপ্রথমেই মুহাম্মদের চরিত্র নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে সন্দেহ তৈরী ক'রে , তাদেরকে ইসলামের মত একটা অমানবিক অনৈতিক ও বর্বর ধর্ম থেকে দুরে সরিয়ে আনার চেষ্টা করছে

নবুয়ত্ব পরীক্ষায় নবি মুহাম্মদ চুড়ান্তভাবে ফেল করলেন


মক্কার কুরাইশরা প্যাগান ছিল , তাই আব্রাহামিক ধর্ম ( ইহুদি ও খৃষ্টান) সম্পর্কে তাদের সম্যক ধারনা ছিল না। কিন্তু মুহাম্মদ নিজেকে আব্রাহামিক ধর্মের সর্বশেষ নবী হিসাবে দাবী করলেন। সুতরাং এবার কুরাইশরা ইহুদি রাব্বিদের শরনাপন্ন হলো - মুহাম্মদের নবুয়ত্ব পরীক্ষার জন্যে। এবার দেখা যাক , সেই পরীক্ষায় মুহাম্মদ পাশ করলেন নাকি ফেল করলেন।

ইসলাম হলো মুহাম্মদের স্বপ্নে পওয়া ওষুধ


দুনিয়ার সব মোমিন মুসলমান জেনে এসেছেন , মুহাম্মদ হেরা গুহায় যখন ধ্যানমগ্ন ছিলেন , তখন তার কাছে আকাশ থেকে জিব্রাইল হাজির নাজির হয়ে আল্লার বানী তথা কোরান উপহার দেয়। কিন্তু বিশ্বাস করুন , এই গল্পটা একেবারেই ডাহা মিথ্যা কথা। মুহাম্মদের কাছে কোন কালেই জিব্রাইল আসে নাই , বরং মুহাম্মদ স্বপ্নে দেখতেন তার কাছে জিব্রাইল এসে কোরানের বানী বলে গেছে। তার মানে ইসলাম হলো মুহাম্মদের স্বপ্নে পাওয়া ওষুধ। কি বিশ্বাস হয় না ?

কোরান যে সর্বজ্ঞানী সৃষ্টিকর্তার কিতাব হতে পারে না , তার অকাট্য প্রমান


কোরানে সৃষ্টিকর্তাকে আল্লাহ নামে ডাকা হয়েছে। এই আল্লা কোরানে বলছে, সে কোরান আরবী ভাষায় নাজিল করেছে, যাতে আরবের লোক বুঝতে পারে। তো সঙ্গতভাবেই আল্লাহ যদি সর্বজ্ঞানী হয় , তাহলে তার সেই আরবী ভাষা হবে চুড়ান্তরকম বিশুদ্ধ, কোরানের আল্লাহ নিজেও সেটা বলছে।কিন্তু দেখা যাচ্ছে কোরান কোনভাবেই বিশুদ্ধ আরবী ভাষায় লিখিত না। তাহলে কি বুঝতে হবে ?

ইব্রাহীম বা ইসমাইল কোনকালেই মক্কাতে আসে নি , তাই মক্কা বা কাবা ঘর আল্লাহর ঘর না


প্রতিটা মুসলমান বিশ্বাস করে যে ইব্রাহীম তার দাসী হাজেরা ও শিশু পূত্র ইসমাইলকে মক্কাতে নির্বাসন দেয়। হাদিসে বর্ণিত আছে , নির্বাসন দেয়ার কিছু পরেই ইয়েমেন থেকে জুরহুম গোত্রের লোকজন এসে হাজেরা ও ইসমাইলের সাথে বসবাস করতে থাকে ও সেখানে একটা বসতির পত্তন হয় যার নাম হয় মক্কা। তারপর ইসমাইল যখন যুবক ও বিয়ে করে সংসার করছে , তখন ইব্রাহিম মক্কায় আসে , আর ইব্রাহিম ইসমাইলের সাহায্য নিয়ে কাবা ঘর পূন:নির্মান করে। কিন্তু বিষয়টা কি সত্য ? দেখা যাক কোরান কি বলে --

ইসলামের জন্ম মক্কাতে না, বরং জর্ডানের পেট্রাতে, মুহাম্মদও মক্কায় জন্মগ্রহন করেন নি


দুনিয়ার মুসলমানদের দৃঢ় বিশ্বাস , মুহাম্মদ মক্কায় জন্ম গ্রহন করেছিলেন, আর ইসলামের পত্তন ঘটে মক্কাতেই।কিন্তু
কোরানে মক্কার যে প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ননা করেছে, তা কোন ভাবেই মক্কার সাথে মেলে না। শুধু তাই নয় , সেই সময়কালে যেসব ঘটনা ঘটেছে , তার যেসব ভৌগলিক বর্ননা দেয়া আছে ইতিহাসের গ্রন্থে তার কোনটার সাথেই মক্কার মিল নেই। চুড়ান্ত আশ্চর্য কথা হলো , ইসলামের পত্তনেরও ১০০ বছরের মধ্যে রোমান বা পারস্য বা এমন কি আরবের কোন ইতিহাসেই মক্কার নাম দেখা যায় না। যাইহোক, মক্কার প্রাকৃতিক পরিবেশের কি বর্ননা কোরান দিয়েছে তা জানার জন্যে প্রথমেই নিজের আয়াতটা পড়ে ফেলি ---

মানবতা কি খালি অমুসলিমদের দেখাতে হবে ? মুসলিমদের কোন মানবতাবোধ নেই ?


আই এস এর তান্ডবে যখন লক্ষ লক্ষ মুসলমান , ইয়াজিদি , খৃষ্টান বাড়ী ঘর ছেড়ে শরনার্থী হচ্ছিল , পাশের তুরস্কই প্রথমে তাদেরকে আশ্রয় দিতে চায় নি। পরে অবশ্য আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে দিয়েছে। সৌদি আরব , কুয়েত , কাতার ইত্যাদি আরব দেশের কেউই তাদেরকে আশ্রয় দেয় নি। যদিও ৯০%ই ছিল মুসলমান শরনার্থি। সেই মুসলমানদেরকে আশ্রয় দিয়েছে হাজার কিলোমিটার দুরত্বের ইহুদি নাসারা কাফেরদের দেশ জার্মানি , ফ্রান্স , ইতালি ইত্যাদি। ইহুদি নাসারা কাফেররাই তাদেরকে মানবতা দেখিয়েছে। মুসলমানরা মানবতা দেখায় নি।

কোরানের আল্লাহই আসলে শয়তান


প্রতিটা ধর্মে দেখা যায় , শুভ শক্তির আধার সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর , আর অপশক্তির আধার শয়তান বা এ জাতীয় কেউ। কোরানে সেই ইশ্বরকে আল্লাহ নামে ডাকা হয়েছে। এখন কোরান পড়লে আল্লাহর যে চরিত্র বা কাজ কর্ম দেখি , তাতে দ্ব্যর্থহীন ভাবে প্রমানিত হয় যে , এই আল্লাহই আসলে শয়তান। যেমন - আল্লাহ হবে ন্যায়বান , সমদর্শী , ন্যায় বিচারক , দয়ালু ইত্যাদি। কিন্তু কোরানের আল্লাহকে দেখা যায় , সে নির্মম নিষ্ঠুর কুটিল অনৈতিক এবং এমন কি অপরাধ কার্যক্রমের দোসর- যা আসলে শয়তানের বৈশিষ্ট্য হবে। নিচে বিভিন্ন পয়েন্ট দেখান হলো , কেন আল্লাহই আসলে শয়তান।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 19 ঘন্টা 56 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর