নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • এলিজা আকবর
  • পৃথ্বীরাজ চৌহান
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

কথিত ড: কিথ মুর-এর ইসলাম গ্রহন, ভ্রুনতত্ত্ব ও ইসলাম


কথিত ড: কিথ মুরের নামে মুমিনরা জিকির করে , কারন সে নাকি দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ট ভ্রুনতত্ত্ববিদ এবং একই সাথে আবিস্কার করেছে কোরানের মধ্যেই সেই বিখ্যাত ভ্রুনতত্ত্ব লুক্কায়িত। সে কারনেই ড: কিথ মুর নাকি ইসলাম গ্রহন করেছিল। সুতরাং কোরান একটা ঐশি কিতাব যাতে কোন ভুল নেই। মুমিনরা এই ঘটনা তাদের নিয়ন্ত্রিত সকল মিডিয়াতে রাত দিন চব্বিশ ঘন্টা প্রচার করে থাকে, এর ফলে জঙ্গি নামি খাটি মুমিনরা আরো ইমানি জোশে কাফের মুর্তাদদের কল্লা কাটে বা গাড়ি চালিয়ে হত্যা করে। এবার পুরো বিষয়গুলো একটু বিবৃত করা যাক।

মেডিকেল সায়েন্স পড়া মানুষ কিভাবে কোরানকে ঐশি কিতাব বলে বিশ্বাস করে ?


বাংলাদেশে যে ডাক্তার সম্প্রদায় আছে , মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিয়ে নামকরা ডাক্তার হয়েছে , তারা কিভাবে কোরানকে ঐশি কিতাব হিসাবে বিশ্বাস করে , তা এক বিস্ময়কর ব্যপার। যারা মেডিকেল কলেজে পড়ে , যখন এনাটমি পড়ে , তখন সহজেই তাদের বোঝার কথা যে জীব জগত আসলে বিবর্তনের ফলে আজকের পর্যায়ে এসেছে। যুক্তির খাতিরে ধরা যাক , বিবর্তনবাদ মিথ্যা , তাহলেও কি কোরান জীব বিজ্ঞান সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয় ? এবার দেখা যাক , কোরান জীব বিজ্ঞান সম্পর্কে আসলে কি বলে।

ইসলামের বিধান: দুনিয়াতে বেঁচে থাকাটাই হারাম , কারন ইসলাম হলো Death Cult


ইসলামের বিধান অনুযায়ী, এই দুনিয়া দুই দিনের জন্যে পরীক্ষা ক্ষেত্র মাত্র। মরার পরের জগতই আসল। দুই দিনের দুনিয়াতে থাকার সময় যেসব নেক কাম কাজ মুমিন বান্দারা করবে, যাকে বলে পরীক্ষা , তার ভিত্তিতে কেয়ামতের মাঠে বিচার হবে , যারা পাশ করবে , তারা সোজা বেহেস্তে চলে যাবে। দুনিয়াতে সেই পরীক্ষা দিতে হলে অনেকগুলো কাজ করা যাবে না , যাকে হারাম বলা হয়েছে। সেইসব হারাম কাজের ভিত্তিতে বিচার করলে দেখা যায়, দুনিয়াতে বেঁচে থাকাটাই একটা মহা হারাম কাজ।

ইসলামের বিধান : লুইচ্চাকে লুইচ্চা না বলে সর্বশ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ বলতে হবে, না বললেই কল্লা কাটা যাবে


প্রথমেই জানা দরকার , সমাজে লুইচ্চা কাকে বলে ? ঘরে বউ রেখে , যদি কোন পুরুষ মানুষ অন্য লোকের স্ত্রীর সাথে ফষ্টি নষ্টি করে , তারপর নানা কায়দা করে তাকে বিয়ে করে ঘরে তোলে , তাহলে এই ধরনের পুরুষকে লুইচ্চা বলে। লুইচ্চা টাইপের পুরুষকে কেউ সম্মান করে না , সমালোচনা করে , তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এরশাদ এ ধরনেরই একজন লুইচ্চা । ঘরে বউ রেখে , সে অন্যের স্ত্রীর সাথে প্রেমলীলা করে তাকে নিয়ে ফুর্তি করত। তার কারনে কিছু নারীদের সংসার ভেঙ্গে গেছে। তাকে নিয়ে এক সময় দেশের মানুষ রঙ্গ তামাসা করত , সমালোচনা করত।

মুমিনরা চেষ্টা করেও আর তাদের আসল চেহারা লুকাতে পারছে না


অবশেষে জানা গেছে , কথিত টিটু রায় ইসলামের অবমাননা করে নাই , করেছে খুলনা থেকে মাওলানা হামিদি নামের এক মুমিন। মাওলানা মানে সে ইসলামে পন্ডিত ও মাদ্রাসার ডিগ্রীধারী। কিন্তু মুমিনরা কি এখন এই হামিদির বিরুদ্ধে আল্লাহু আকবর বলে ধ্বনি দিয়ে তার বাড়ী ঘর পোড়াতে গেছে? কোন প্রতিবাদ করেছে ? বিচার চেয়েছে ? যেমনটা তারা করেছিল টিটু রায়ের ক্ষেত্রে ? করে নি। কারন কি ? কারন ইহাই মুমিনের আসল চেহারা , ইহাই ইসলামের আসল শিক্ষা।

মুসলমানরা কি নিজেদেরকে হিংস্র ও বর্বর জন্তু বা জানোয়ার ভাবে ?


গত দুইদিন আগে এদেশের মুসলমানরা রংপুরের গঙ্গাচড়ায় হিন্দুদের বাড়ী ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে।কারন মুসলমানদের ভাষায়, তাদের অপরাধ তারা মানুষ না , বরং হিন্দু।আর মুসলমান হিসাবে তাদের দায়িত্ব হলো সময়ে অসময়ে, নানা অজুহাত তুলে হিন্দুদের ওপর আক্রমন করতে হবে। যদি তারা নিজেদেরকে মানুষ মনে করত , আর হিন্দুদেরকেও মানুষ মনে করত , তাহলে নিশ্চয়ই ঠুনকো অজুহাত তুলে মানুষ হয়ে মানুষের ওপর এই ধরনের জ্বালাও পোড়াও করত না। আর এই ধরনের বর্বরতা করতে পারে একমাত্র বর্বর ও হিংস্র জানোয়ার।

কিছুদিন আগে যারা অচেনা রোহিঙ্গাদের জন্যে কেঁদেছে, তারাই এখন প্রতিবেশীদের ঘর পোড়াচ্ছে


এই কিছুদিন আগে , সারা বাংলাদেশের মুসলমানদের দেখা গেছে , রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্যে কান্নাকাটি করতে , যদিও তারা কেউ রোহিঙ্গাাদের চেনে না , জানে না। তারপরেও তাদের দুর্দশায় বাংলাদেশের মুসলমানদের হৃদয়ে আহাজারি শুরু হয়ে গেছিল। কারন রোহিঙ্গারা হলো মুসলমান। এখন সেই তারাই আজকে তাদেরই প্রতিবেশী , যাদের সাথে তারা বংশ পরম্পরায় মেলা মেশা করেছে , তাদেরই ঘর বাড়ী পুড়িয়ে দিয়েছে , তাদের অপরাধ , তারা হচ্ছে হিন্দু।

ইসলামের নামে ডাকাতি, লুটপাট ও মুক্তিপন আদায়ের উদ্দেশ্যে বনিকদেরকে অপহরন করা বৈধ


কোরান হাদিস সিরাত তাফসির যদি গভীর ভাবে পড়া হয় , তাহলে দেখা যাবে , ইসলাম সম্পর্কে যা প্রচার করা হয় , ইসলাম সম্পূর্নতই তার বিপরীত। কিন্তু প্রশ্ন হলো তাই যদি হয় , তাহলে মুসলমানরা কেন সেটা জানে না ? তার কারন মোল্লারা প্রচার করে কোরান আরবী ভাষায় পড়লে নেকী অর্জন হয়। তাই মানুষ নিজ মাতৃভাষায় কোরান পড়ে না। কোরান বাদে হাদিস সিরাত তাফসির এসব কিন্তু এই সাম্প্রতিক কালেই আরবী ভাষা থেকে ভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে , সে কারনে ইচ্ছা থাকলেও আগে কেউ ইসলামের প্রকৃত রূপটা জানতে ও বুঝতে পারে নি। সুতরাং এখন দেখা যাক , ইসলামের আসল স্বরূপটা কি।

ইহুদিরা ইসলামকে ধ্বংস করার জন্যে উঠে পড়ে লেগেছে


মাত্রই গতকাল নিউইয়র্ক শহরে ট্রাক নিয়ে হামলে পড়েছে সাইফুল্লাহ নামের এক তুর্কমেনিস্তানে জন্ম নেয়া আমেরিকা প্রবাসী। তাতে মারা পড়েছে ৮ জন , আহত ১১ জন। নাম শুনে মনে হচ্ছে মুসলমান , কিন্তু আসলে সে নিশ্চিতভাবেই ইহুদি , কারন সে ইসলামের নামে এই হত্যা কান্ড ঘটিয়েছে , আর ইসলাম হলো চুড়ান্ত শান্তির ধর্ম। ইসলাম তো কাউকে হত্যার কথা বলে না। ইসলামে জিহাদ বলতে বোঝায় অমুসলিমদের সাথে কোলাকুলি করা। সুতরাং যে কেউ ইসলামের নামে হত্যা করবে , সে নিশ্চিতভাবেই ইহুদি।

কোরানের বানী যে মুহাম্মদের নিজের বানী , তার অকাট্য প্রমান


কোরানের আল্লাহ যদি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সৃষ্টিকর্তা হয় , সব কিছু করার ক্ষমতা থাকে, তাহলে সে যা বলবে বা চাইবে সাথে সাথেই সেটা হয়ে যাবে। দেরী হবে না কোনমতেই । এখন দেখা যাক , কোরানে আল্লাহ এমন কিছু চেয়েছিল কি না , যা সাথে সাথে তো ঘটে নি , বরং ঘটেছিল বহু পরে। নিচের আয়াতগুলো দেখা যাক -----

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 16 ঘন্টা 16 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর