নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জংশন
  • বেহুলার ভেলা
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রিক্ত রিপন
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

হে মুমিন, আসো , যারা খাটি জিহাদীদেরকে জঙ্গি বলে অপমান করে , তাদের এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করি


হে মুমিন , আজ খাটি মুমিন তথা জিহাদীদেরকে জঙ্গি বলে অপবাদ দিয়ে ইসলামকেই অপমান করা হচ্ছে। আল্লাহ ও তার নবীকে অপমান করা হচ্ছে। আর এভাবে ইসলামকে একটা জঙ্গি বা বর্বর ধর্ম হিসাবে প্রচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইহুদি নাসারা কাফেররা। তাই আমাদেরকে দেখা উচিত , যাদেরকে তারা জঙ্গি বলছে তারা খাটি ও সহিহ ইসলামী পথে আছে কি না , প্রথমেই দেখা যাক ----

ইসলাম কোন ধর্ম না , এটা একটা চুড়ান্ত একনায়ক তান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রদের ব্রেইন ওয়াশ


যারা ইসলাম জানে , তারা কিন্তু কখনই বলে না ইসলাম শুধুই একটা ধর্ম। তারা দাবী করে ইসলাম একটা সম্পূর্ন জীবন ব্যবস্থা। ধর্ম ও সম্পূর্ন জীবন ব্যবস্থার মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। কিন্তু কোরান হাদিস তাফসির সিরাত ও ইতিহাস পড়ে আমার মনে হয়েছে ইসলাম আসলে ধর্মের মোড়কে একটা চুড়ান্ত একনায়কতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা। যে ব্যবস্থায় নেই কোন গনতন্ত্র , বাক স্বাধীনতা , ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা। যে ব্যবস্থায় আছে শুধুই মুহাম্মদ কর্তৃক প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত সমাজ ব্যবস্থার সব রকম আচার আচরন , বিধি , নিষেধের প্রতি বিনা শর্তে , বিনা প্রশ্নে আত্মসমর্পন। আর সে কারনেই ইসলাম অর্থ হলো আত্মসমর্পন আর মুসলিম অর্থ হলো আত্মসমর্পনকারী।

ইসলাম যে কিছু মানুষের বানান গাল গল্প ও কিচ্ছা কাহিনী, ভুয়া, তার ১০০% সহিহ প্রমান


আমরা জানি ইসলামের বিধি বিধান আচার আচরন প্রায় ২০% নেয়া হয়েছে কোরান থেকে ৮০% নেয়া হয়েছে হাদিস থেকে।ইসলামের প্রধান স্তম্ভই হলো সালাত বা নামাজ। কোরানে সালাতের কথা বলা আছে , কিন্তু ৫ বারের কথা বলা নেই। কিভাবে নামাজ পড়তে হবে , ওজু করতে হবে এসব কিছুই বলা নেই কোরানে। এসব বলা হয়েছে হাদিসে। কিভাবে হজ্জ করবেন , কোরবানী করবেন , আয়ের কত অংশ যাকাত দিবেন এসব কিছুই বিস্তারিত বলা আছে হাদিসে , কোরানে এসবের খালি উল্লেখ আছে। হাদিস থেকে জেনেই একজন মুমিন তার নামাজ পড়ে , হজ্জ করে , যাকাত দেয় , কোরবানী করে ইত্যাদি। তার অর্থ হাদিস ছাড়া ইসলাম বিরাট এক শূন্য।

কেন মুহাম্মদ আব্রাহামিক ধারায় কোনভাবেই নবী হতে পারে না


মুসা নবি যখন মিশর থেকে তার গোত্রকে উদ্ধার করে নিয়ে সিনাই উপত্যকায় বেদুইনদের মত ভ্রমন করছিল , তখন তার ঈশ্বর তাকে ১০টা নির্দেশ দেয়, যা পরবর্তীতে সকল নবী অনুসরন করবে ও সেসব সমাজে বাস্তবায়ন করবে। মুহাম্মদ যদি ইব্রাহীম , মুসা , ইসা ইত্যাদির ধারায় শেষ নবী হয় , তাহলে তার ওপরেও উক্ত বিধান অনুসরন করা ও তার বাস্তবায়ন করা বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। প্রথমেই সেই বিধান গুলো জানা যাক (সূত্র- যাত্রাপুস্তক, অধ্যায় -২০, বাক্য :০১- ১৭), যা সংক্ষিপ্ত আকারে নিম্নরূপ: ---------

যাদেরকে আমি মা-বাবা ডাকি , তারাই যে আমার প্রকৃত জন্মদাতা , সেটা কি আমি নিশ্চিত ?


মুমিনদেরকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় , আল্লাহ যে আছে তার প্রমান কি ? মুহাম্মদ যে নবী তার প্রমান কি ? প্রায়ই দেখা যায় মূর্খ ও উন্মাদ মুমিনরা তোতাপাখির মত উক্ত প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করে। আর ভাবে , এই প্রশ্ন করেই বোধ হয় জিতে গেল । যাইহোক , এবার তাদেরকে উত্তর দেয়া হবে।

আই এস কর্তৃক আগ্রার বিখ্যাত তাজমহল ধ্বংসের হুমকি: ইহা কি ইসলামিক ?


সম্প্রতি আই এস( ইসলামিক স্টেট) ভারতের আগ্রার বিখ্যাত তাজমহল ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছে। তা শুনে অনকে কথিত মডারেট মুসলমান বলছে ,তা নাকি একটা বর্বর কাজ। কোন হিন্দু কর্তৃক এই তাজমহল তৈরী হলে এসব মডারেট মুসলমানরা কি বলত কে জানে , কিন্তু তাজমহল তো তৈরী করেছে মুঘল সম্রাট শাহজাহান ,যে নাকি একজন মুসলমান। সুতরাং একজন মুসলমান সম্রাট কর্তৃক নির্মিত তাজমহল কেউ ধ্বংস করার কারনেও তাদের মনোকষ্ট হতে পারে। কিন্তু আসলে এ বিষয়ে ইসলাম কি বলে ?

বিবাদ বা দ্বন্দ্ব কে আগে শুরু করেছিল ? মুহাম্মদ , নাকি কুরাইশরা ?


মুমিনরা অভিযোগ করে কুরাইশরা মুহাম্মদ ও তার সাথীদের ওপর অত্যাচার করে মক্কা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। যদিও কোন সহিহ দলিল থেকে সেটা তারা প্রমান করতে পারবে না , এটা নিছকই গত ১২০০ বছর ধরে প্রচারিত একটা মিথ্যা প্রপাগান্ডা। তারপরেও ধরে নিলাম মক্কার কুরাইশরা মুহাম্মদ ও তার সাহাবিদের ওপর অত্যাচার করেছিল। কিন্তু সেটার সূত্রপাত প্রথম কে করেছিল , কুরাইশরা , নাকি মুহাম্মদ ?

মুহাম্মদ ছিল আসলে মুর্তাদ বা ইসলাম ত্যাগী


যারা ইচ্চাকৃতভাবে কোরানের বিধান লংঘন করে , তারা ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে মুর্তাদে পরিনত হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে না হলে , পরে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে মাফ চেয়ে তওবা করে মুসলমান থাকা যায়। দেখা যায় , মুহাম্মদ সম্পূর্নভাবে জেনে শুনে বুঝে , শুধুমাত্র তার যৌনলালসা চরিতার্থ করার জন্যে আল্লাহর বিধান লংঘন করেছিল। এভাবে আল্লাহর বিধান লংঘন করে মুহাম্মদ হয়ে গেছিল মুর্তাদ বা ইসলাম ত্যাগী। বিষয়টা এবার খোলাসা করা যাক।

মুহাম্মদ কি প্রকৃত নবী , নাকি ভন্ড নবী ?


৭ম শতাব্দিতে মক্কা মদিনায় কুরাইশ পৌত্তলিক, সাবিয়ান, ইহুদি ও খৃষ্টানরা পাশাপাশি শান্তিপূর্ন সহাবস্থান করত। পৌত্তলিক ও সাবিয়ান ধর্মের কোন নবী রসুল ছিল না , কিন্তু ইহুদি ও খৃষ্টান ধর্মের ভিত্তি ছিল নবী রসুল। ইহুদি ও খৃষ্টান ধর্মকে বলা হয় আব্রাহামিক ধর্ম কারন এসবের মূল প্রতিষ্ঠাতা ছিল ইব্রাহিম নবী। পৌত্তলিক গোত্রে জন্মগ্রহন করে মুহাম্মদ নিজেকে আব্রাহামিক ধারায় নবী দাবী করে , পরীক্ষা করে দেখা যাক , মুহাম্মদ আসলেই সেই ধারা মোতাবেক নবী ছিল কি না।

মুহাম্মদ কি জড় পুজারি ছিল ? ইসলাম কি জড় পুজা ?


মুহাম্মদ তার প্রাথমিক যুগে মক্কায় ইসলাম প্রচারে সুবিধা করতে না পেরে , মদিনায় চলে যায় তার দলবল সহ। পরে ৬ হিজরীতে মক্কায় হজ্জ করার জন্যে দলবল সহ রওনা দিলে, হুদায়বিয়া নামক স্থানে মক্কাবাসীরা তাকে আটকায় সেখানে হুদায়বিয়ার চুক্তি সম্পাদিত হয়। উক্ত চুক্তির আওতায় মুহাম্মদ নবী হিসাবে নয়, বরং সাধারন মানুষ হিসাবে হজ্জ করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। এর পরের বছর ৭ হিজরীতেই মুহাম্মদ মক্কায় হজ্জ করতে যায়, তখন কাবা ঘরের মধ্যে ছিল কাল পাথর সহ ৩৬০টা মুর্তি। ৯ হিজরীতে মুহাম্মদ মক্কা দখল করে কাবা ঘর থেকে সেই ৩৬০টা মুর্তি সরায়।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 13 ঘন্টা 39 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 10:48পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর