নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 11 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • রাজিব আহমেদ
  • কাঠমোল্লা
  • পৃথু স্যন্যাল
  • আল আমিন হোসেন মৃধা
  • নিরব
  • সাগর স্পর্শ
  • দ্বিতীয়নাম
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য
  • নেইমানুষ
  • পরাজিত শুভ

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

হাইকোর্টের সামনের ভাস্কর্য সরানো বা না সরানো- কোনটা সঠিক , ইসলামিক ?


বাংলাদেশের হাইকোর্টের সামনে একটা নারী মূর্তি বা ভাস্কর্য নিয়ে শুরু হয়েছে হেফাজতের আন্দোলন। সেই আন্দোলনে সমর্থন জুগিয়েছেন আমাদের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিছু সংস্কৃতিমনা লোক বুঝে বা না বুঝে এর বিরোধীতা করছে। এখন প্রশ্ন হলো - কাদের দাবী সঠিক? হেফাজত ইসলামের দাবী , নাকি সংস্কৃতিমনা লোকদের দাবী ? যদি এই দেশের ৯০% মানুষের প্রানের ধর্ম ইসলাম হয়ে থাকে , তাহলে তাদের আসলে কাদের পক্ষে সমর্থন দেয়া উচিত ? সেটাই ব্যখ্যঅ করা হবে এখন ।

সালমান আবেদি কেন মানচেষ্টারে গানের কনসার্টেই হামলা চালাল ?


সালমান আবেদি আরও বহু যায়গা যেমন সুপার মার্কেট বা অন্য কোন জনবহুল জায়গায় আক্রমন করতে পারত। কিন্তু সেসব না করে কেন গানের কনসার্টকে তার আক্রমনের লক্ষ্য বস্তু করল ? কি কারন ?

সালমান আবেদী কেন মানচেষ্টারে কনসার্টে হামলা করল ?


ইসলামে খুব পরিস্কারভাবে অমুসলিম ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ও তাদের ওপর কঠিন আঘাত হানার বিধান দেয়া আছে। ইসলামে নাচ ও গান কঠিনভাবেই হারাম। সুতরাং উক্ত কনসার্টে যারা গেছিল তাদের প্রায় সবাই ছিল অমুসলিম তথা কাফের। আর যদি কিছু মুসলমান ঢুকেও থাকে , তারা ইসলামের বিধান অমান্য করেই সেখানে গেছে। আর তাই তারা হলো আসলে মুনাফিক। সালমান আবেদী কনসার্ট লক্ষ্য করে এ আক্রমন চালায় এই উদ্দেশ্যে যে তার আঘাতে যেন কোন খাটি মুমিন নিহত না হয়। পরে যেন কেউ অভিযোগ করতে না পারে যে , তাদের আক্রমনে মুসলমানরাও নিহত হয় ও একারনে এই জিহাদ ইসলাম সম্মত নয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প কি ইসলাম গ্রহন করল , নাকি সৌদি বাদশা সালমান ইসলাম ত্যাগ করল ?


আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি সফরের সময় সৌদি বাদশা সালমান ট্রাম্পের বেপর্দা স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের সাথে করমর্দন করেছেন প্রকাশ্যে , সারা দুনিয়ার মানুষ দেখেছে। এই বাদশা সালমান শুধু সৌদি আরবের বাদশাই না , তিনি কাবা শরিফ ও মসজিদে নব্বির মোতোয়াল্লীও। যে সৌদি আরবে কঠোর ইসলামী শাসন চলে , যেখানে নারীরা মুখ ঢাকা বোরখা ছাড়া বাইরে যেতে পারে না, সেখানে সালমানের এই আচরন কি প্রমান করে ? তিনি কি ইসলাম ত্যাগ করে মুর্তাদ হয়ে গেলেন ? তাছাড়া , কোরানে বলেছে-

ইসলাম গ্রহন না করাটাই অপরাধ, আর তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড


প্রায়ই মুমিনরা প্রচার করে - যার যার ধর্ম তার তার কাছে। কথাটা ডাহা মিথ্যা কথা। মুহাম্মদের জীবনে সর্বশেষে নাজিল হয় সুরা তাওবা। এই তাওবার বিধানই হলো ইসলামের সর্বশেষ বিধান। সুরা তাওবাতে বলা হয়েছে - ইসলাম গ্রহন না করাটাই হলো অপরাধ এবং অনর্থ সৃষ্টি করা। আর এর শাস্তি হলো তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে হত্যা করা।

ইসলামের প্রধান অবলম্বন মিথ্যাচার এবং সেটা শত কোটি বার প্রচার করা


কোরান ও হাদিসে বলেছে, ইসলামের আগে আরবে নারীদের কোন সম্মান অধিকার স্বাধীনতা ইত্যাদি ছিল না। শিশু নারীদের নাকি জীবন্ত কবর দেয়া হতো। অথচ মুহাম্মদের জীবনকাহিনী ও তার সাহাবিদের জীবনকাহিনী দেখলে দেখা যায় এসবই মিথ্যা , ভুয়া ও মিথ্যাচার। আর এই মিথ্যা প্রপাগান্ডাই শত শত বছর ধরে মুসলমানরা প্রচার করে এসেছে , ফলে , বর্তমানে এসে মনে হয় এসব স্বত:সিদ্ধ সত্য।

ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক নাই


প্রায়ই আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় বলে থাকেন , ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক নেই , যারা জঙ্গি তাদের কোন ধর্ম নেই। টেলিভিশনে প্রায়ই টকশো নামের ছাগলামি অনুষ্ঠানে বক্তারা বলে থাকে , ইসলাম শান্তির ধর্ম, ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক নেই। তাদের এসব কথা শুনলে মনে হয় , তারা প্রত্যেকেই ইসলামের ওপর এক একজন দিগগজ পন্ডিত। তো এবার কোরান হাদিস থেকে কিছু শাান্তির বানী প্রচার করা যাক।

কোরানের আল্লাহ ও শয়তান কি একই ব্যাক্তিত্ব ?


জ্যামিতিতে দুইটা ত্রিভুজ সর্বসম হওয়ার কিছু শর্ত আছে। যেমন - একটা ত্রিভুজের দুইটা বাহু ও তাদের অন্তর্গত কোন যদি অপর একটা ত্রিভুজের দুইটা বাহু ও তাদের অন্তর্গত কোনের সমান হয় তাহলে দুইটা ত্রিভুজ সর্বসম হবে। তার অর্থ দুইটা ত্রিভুজই আসলে এক। এভাবে কোরান ও হাদিসে আল্লাহ ও শয়তানের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আছে , যা সব তুলনা করলে দেখা যায় , আল্লাহ ও শয়তান আসলে একই ব্যাক্তিত্ব।

প্রতিটা মুমিনই একটা মানসিক রোগী


মুমিনদের আচরন কথাবার্তা দেখলে বোঝা যায় , মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে প্রতিটা মুমিনই একটা মানসিক রোগি। কারন তারা বলে একরকম , করে অন্য রকম আর ভাবে তার চাইতে ভিন্ন রকম। এগুলো হলো মানসিক রোগের প্রধান লক্ষন। এখন মুমিনরা যে মানসিক রোগী , তার কারন ---

নবী মুহাম্মদ নিজেই ছিল নাস্তিক অথবা ইহুদিদের দালাল


ইসলাম কাউকে হত্যা করতে বলে না। ইসলাম সন্ত্রাস করতে বলে না। অথচ দেখা যায় কিছু নামধারী মুমিন , ইসলামের নামে সন্ত্রাস করে ,মানুষ হত্যা করে। এরা কোনভাবেই মুসলমান হতে পারে না , এরা আসলে নাস্তিক, অথবা ইহুদিদের দালাল। দেখা যায় , খোদ নবী মুহাম্মদ নিজেই ইসলামের নামে সন্ত্রাস করত। মানুষ হত্যা করত। সুতরাং নিশ্চিতভাবেই বলা যায় , মুহাম্মদ নাস্তিক বা ইহুদিদের দালাল ছিল। মুহাম্মদ যেমন বলছে ----

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Online
Last seen: 26 min 42 sec ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর