নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

মুহাম্মদের পুত্রবধু বিয়ের কথা নামাজে ৫ বার বললে আমার কি লাভ ?


নামাজ পড়ার সময় কোরানের আয়াত পড়তে হয় বাধ্যতামূলকভাবে। কেউ সেই আয়াতগুলোকে নিজ মাতৃভাষায় বলে না , বলে আরবীতে যার অর্থ ৯৯% লোকই জানে না। ধরা যাক , কোন লোক আরবী আয়াতের অর্থকে নিজ মাতৃভাষায় বলল, সেই মত অবস্থায় সে যেটা বুঝবে বা জানবে , তাহলে তার কি প্রতিক্রিয়া হবে ? আর তাতে তার লাভটাই কি ? ধরা যাক সুরা আহযাব ৩৩:৩৭ আয়াতটা নামাজে পড়া হলো-

ইসলামই মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত তৈরী করে তাদেরকে বর্বর বানায়


ইসলাম নিজেই মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত সংঘর্ষ তৈরী করে , তাদেরকে অসভ্য বর্বর বানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য, মুসলমানরা ইমানের আধিক্যে সেটা বুঝতে পারে না। যদি তারা কোরান হাদিস সিরাত তাফসির পড়ত , তাহলে বুঝতে পারত। কিন্তু তারা পণ করেছে , কখনই কোরান হাদিস সিরাত ইত্যাদি নিজের মাতৃভাষায় পড়বে না। কোরান হাদিসের কিছু মাত্র না জেনেই তারা ইসলাম পালনে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। যাইহোক , এবার দেখা যাক , কিভাবে ইসলাম নিজেই মুসলমানদেরকে অসভ্য ও বর্বর বানায়।

একত্ববাদের নামে বিভ্রান্ত করে মুহাম্মদ মুসলমানদেরকে পাথর পুজারি বানিয়েছে



প্রতিটা মুসলমান বিশ্বাস করে , তারা আল্লাহর ইবাদত করে যা হলো একত্ববাদ। তাদের বিশ্বাসে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু ইসলামের নামে তারা কি আসলেই একত্ববাদ অনুসরন করে ? মুহাম্মদ আসলে একত্ববাদের নামে কি শিখিয়ে গেছে ? এবার আসুন সেটা দেখা যাক। প্রথমেই আমরা নিচের হাদিসটা পাঠ করি ---

কেন কোনভাবেই কোরান সৃষ্টিকর্তার বানী হতে পারে না



কোরানের বানীগুলো খুব মনযোগের সাথে পরীক্ষা নিরীক্ষা করলে বোঝা যায় , এর মধ্যে এমন সব অতি সাধারন ভুল তথ্য আছে , যা প্রমান করে , কোরান কোনভাবেই সৃষ্টিকর্তার বানী হতে পারে না। কারন সৃষ্টিকর্তা সর্বজ্ঞানী ,সে কোনভাবেই ভুল তথ্য দিতে পারে না। একটা তথ্য পর্যালোচনা করলেই সেটা পরিস্কার হয়ে যাবে।

প্রথমেই নিচের আয়াতটা পড়া যাক --

অত:পর বাংলাদেশের মানুষ যদি ইসলাম ত্যাগ না করে, বুঝতে হবে তারা মানুষ না


মানুষ বলতে আমরা সেই প্রানীকেই বুঝি যার কান্ডজ্ঞান , যুক্তি বোধ ও বুদ্ধি আছে। এখন বাংলাদেশের মুসলমানরা যদি নিজেদেরকে মানুষ ভাবে , তাহলে এই পোষ্ট পড়ার পর পরই যদি ইসলাম ত্যাগ না করে , তাহলে বুঝতে হবে , তারা দ্বিপদী জানোয়ার , মানুষ নয়। এখন বাংলাদেশের মুসলমানরা কি নিজেদেরকে দ্বিপদী জানোয়ার ভাবতে পছন্দ করবে ?

সহিহ ইসলাম জানার সহিহ পদ্ধতিটা কি ? কেন জিহাদ হলো ইসলামের প্রকৃত আদর্শ ?


৯৯.৯৯% মুসলমানই জানে না যে , কোরান নিজেই তার বহু বিধান বাতিল করে দিয়েছে। মুহাম্মদ পূর্বে যে আয়াত নাজিল করেছিল , সেই আয়াতের বিধান মুহাম্মদ পরে অন্য আয়াত নাজিল করে বাতিল করে দিয়ে গেছে। যাকে ইসলামিক পরিভাষায় বলে - নাসেক ও মানসুক। তার ফলেই মক্কা ও মদিনার প্রাথমিক যুগে মুহাম্মদ যেসব শান্তির বানীর কথা প্রচার করেছিল , তা কিন্তু তার জীবনের শেষে নাজিল করা সুরা তওবার বিধান দ্বারা বাতিল করে গেছে। বিষয়টা ভাল করে বোঝা যাক--

কোরানের চ্যালেঞ্জ: পারলে কোরানের মত করে একটা কিতাব লিখে আনো তো ?


মুমিনরা যখনই কোরান নিয়ে বিতর্ক করতে আসে , দেখা যায় প্রত্যেকেই একটা পয়েন্ট নিয়ে আসে আর বলে - পারলে কোরানের মত করে একটা কিতাব লিখে আনো তো । আবার সাথে সাথেই দাবী করে দুনিয়ার কেউ কোনদিন সেটা পারে নি , পারবেও না , আর সেটাই হলো কোরান যে সৃষ্টিকর্তার বানী , তার অকাট্য প্রমান। এবার এই দাবী যে কতটা অসার , এবং একই সাথে এই দাবী যে কোরানের আল্লাহ যে আসলে মানুষের মত কেউ প্রমান করে, সেটা আলোচনা করা যাক।

মুমিনরা বলে:::ইসলাম নিরীহ মানুষ হত্যার কথা বলে না, কিন্তু ইসলাম নিরীহ মানুষ বলতে কাদেরকে বুঝায় ?


অনেকে একটা কথা প্রায়ই বলে থাকে - ইসলাম তো নিরীহ মানুষকে হত্যার কথা বলে না। কিন্তু তারা নিরীহ মানুষ বলতে কি বুঝায়, সেটা কখনই পরিস্কার করে না।যারা মডারেট মুসলমান এবং সেই সাথে বহু অমুসলিমও ভাবে - নিরীহ মানুষ বলতে যারা চুরি ডাকাতি, হত্যা ইত্যাদি করে নি , এমন সব লোকজন। আর ভুলটা সেখানেই তারা করে। কারন ইসলাম অনুযায়ী নিরীহ মানুষের সংজ্ঞা ভিন্ন। তাহলে এবার কোরান ও হাদিসের আলোকে কারা প্রকৃত অপরাধী , সেটা জানা যাক। তাহলেই নিরীহ মানুষ বলতে ইসলাম কাদেরকে বুঝায় , তা জানা যাবে। প্রথমেই নিচের আয়াতগুলো দেখি ----

মুসলমানরা কি আসলে মানুষ , নাকি কিলিং মেশিন সদৃশ রোবট ?



মুসলমানরা মানুষ নাকি রোবট , সেটা একটা বিরাট প্রশ্ন। একজন মানুষ তার স্বাধীন বিচার বুদ্ধি যুক্তি খাটিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে থাকে , কিন্তু একটা রোবট সেটা করতে পারে না , তাকে আগে থেকেই যে কমান্ড বা নির্দেশ করে দেয়া হয় , সে সেটাকেই শুধুমাত্র অনুসরন করে , এ ছাড়া সে স্বাধীনভাবে কিছু করতে পারে না। এখন দেখা যাক , একজন মুসলমান মানুষের কাতারে পড়ে , নাকি কিলিং মেশিন সদৃশ রোবটের কাতারে পড়ে ?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 21 ঘন্টা 55 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর