নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • ইকারাস
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • দুরের পাখি
  • দীপঙ্কর বেরা
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • ফারুক
  • রাফিন জয়
  • রাহাত মুস্তাফিজ
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

যে বন্দিনী নারী ধর্ষন করবে না , সে সহিহ মুমিন না


অনেক মুমিন বলে - ঠিক মতো রোজা নামাজ করলে , সে সহিহ মুমিন। আবার অনেকেই আছে যারা তাবলিগ জামাত করে , আর ভাবে ইসলামের দাওয়াত পৌছে দিলেই খাটি মুমিন হওয়া গেল। বস্তুত: এরা কেউই কোরান হাদিস ভাল মত পড়ে ইসলাম পালন করে না , সবাই আসলে শুনে মুসলমান আর নিজেদের মনমত ইসলামের একটা বিশ্বাস ও বিধান তারা মনে মনে রচনা করেছে আর ভাবে সেটাই খাটি সহিহ ইসলাম। কিন্তু কোরন- হাদিস বলছে ভিন্ন কথা।

বদর-যুদ্ধ কি যুদ্ধ ছিল, নাকি ডাকাতি


বদর যুদ্ধের কথা শোনে নি , এমন কোন মুসলমান নেই। বলা বাহুল্য, সবাই জানে মক্কাবাসীরা মুহাম্মদ ও ইসলামকে ধ্বংস করার জন্যে ১৩০০ জনের এক বাহিনী নিয়ে মদিনা আক্রমন করতে যাচ্ছিল, বদর প্রান্তরে মুহাম্মদ মাত্র ৩১৩ জন সৈন্য নিয়ে মক্কাবাসীদেরকে মুকাবিলা করে তাদেরকে পরাস্ত করে , আর তার ফলেই ইসলাম ও মুহাম্মদ দুইটাই রক্ষা পায়। কিন্তু প্রকৃত ঘটনাটা কি ?

মুহাম্মদের কোন দোষ নাই, সে ডাকাতও নয়।


কোরান হাদিস সিরাত ঘাটলে দেখা যাবে , ইসলাম অমুসলিমদেরকে প্রচন্ড ঘৃনা করতে , তাদেরকে নিকৃষ্ট জীব মনে করতে শেখায়। আর সেই কারনেই দুনিয়ার প্রতিটা মসজিদে জুম্মার নামাজের পর অমুসলিমদের ধ্বংস কামনা করে ও অভিশাপ দিয়ে খুতবা দেয়া হয়। এ ধরনের নিকৃষ্ট প্রানীদের ধন সম্পদ জোর করে কেড়ে নেয়ার জন্যে কোরান হাদিসে সুস্পষ্ট নির্দেশ বিদ্যমান আর সেটাই আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদকে বলেছে , সে নির্দেশ পালন করতে গিয়েই মুহাম্মদ হয়ে গেছে দুনিয়ার শ্রেষ্ট ডাকাত।

নবী মুহাম্মদ ও শয়তানের বানী, ২য় পর্ব


প্রথম পর্বে বলা হয়েছে, মুহাম্মদ চিনতে পারেন নি , হেরা গুহায় তার সাথে ফেরেস্তা নাকি শয়তান দেখা করেছিল। সেটা বলেছিলেন ওরাকা ইবনে নওফেল কিন্তু সেটাও ভুল ছিল কারন তার বক্তব্য ছিল মুসা নবীর সাথে নাকি সেই ফিরিস্তা দেখা করত , কিন্তু তৌরাত কিতাবে কোথাও বলা নেই মুসা নবীর সাথে কোন ফিরিস্তা দেখা করত , বরং স্বয়ং ঈশরই মুসা নবীর সাথে সরাসরি কথা বলত। এ পর্বে দেখা যাক , শয়তান সরাসরি মুহাম্মদকে তার বানী দিয়েছিল কি না।

নবী মুহাম্মদ ও শয়তানের বানী, পর্ব-১


নবী মুহাম্মদ তার আল্লাহর নামে যে বানী প্রচার করতেন , তাকে তিনি নাম দেন কোরান। দুর্ভাগ্যক্রমে , ইসলামের প্রাথমিক যুগের আলেম ও ইতিহাসবিদরা বলে গেছেন , মুহা্ম্মদ শয়তানের বানীও পেতেন, যা কোরান সংকলিতও আছে। সুতরাং প্রশ্ন উঠতেই পারে , কোরানের কোন বানী আল্লাহর আর কোন বানী শয়তানের। তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো - আল্লাহর প্রেরিত সর্বশ্রেষ্ট নবীকে আল্লাহ শয়তানের হাত থেকে বাঁচাতে পারে নাই। তাহলে তার প্রচারিত ইসলাম কিভাবে সত্য ধর্ম হয় ?

মোহাম্মদ সমাচার


অবশেষে মুহাম্মদ নিজেই নিজেকে কুকুর প্রমান করেছিল।দু:খিত, আমি না, সহিহ হাদিসই সেটা প্রমান করেছে। মুহাম্মদ তার নিজের বলা বিধান দ্বারাই প্রমান করেছে যে সে নিজে একটা কুত্তা। তাই দয়া করে , আমাকে দোষ দেবেন না। আমি শুধুমাত্র মুহাম্মদের বলা কথাগুলোই এখানে তুলে ধরছি। তো প্রথমেই দেখা যাক নিচের হাদিস ---

জাকির নায়েক যে একটা নিকৃষ্ট মিথ্যাবাদী, ভন্ড ও মুনাফিক , তার প্রমান


অনেকেই আছে যারা মনে করে , দুনিয়াতে জাকির নায়েকের চাইতে ইসলাম আর ভাল কেউ জানে না। ইসলাম নিয়ে কোন বিষয়ে বিতর্ক উঠলেই তারা জাকির নায়েকের রেফারেন্স দেয়। আর ১০০% নিশ্চিত থাকে যে , বিতর্কিত বিষয়ে জাকির নায়েক নিশ্চিতভাবেই যুক্তি সঙ্গত উত্তর দিয়েছে। তাদেরকে আজকে প্রমান করব , জাকির নায়েক হচ্ছে একটা নিকৃষ্ট ভন্ড , মিথ্যাবাদি ও মুনাফিক।প্রকাশ্য জনসভায় কিভাবে যে বুক ফুলিয়ে মিথ্যা কথা বলে , তা না দেখলে বিশ্বাসই হয় না।

আমাদের নবী মুহাম্মদের কোন দোষ নেই, সব দোষ আল্লাহর


মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করে, নবী মুহাম্মদের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র। তারা এটা বিশ্বাস করে কোরান হাদিস সিরাত না পড়েই। আসলে তাদের সামনে শৈশব থেকে এরকমভাবেই মুহাম্মদের চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা হয়। অর্থাৎ শুনে শুনেই তারা মুহাম্মদ সম্পর্কে এমন বদ্ধ মূল ধারনা করে। তারা কখনই কোরান , হাদিস , সিরাত , তাফসির এসব পড়ে মুহাম্মদের চরিত্রকে জানে নি , জানার চেষ্টাও করে নি। এখন আমরা যদি কোরান হাদিস পড়ি দেখা যাবে , মুহাম্মদের এমন কিছু কাজ কারবার আছে , যা তাকে সর্বকালের শ্রেষ্ট মানুষ তো দুরের কথা , বর্তমান সময়ে মুহাম্মদ তার যে কোন একটা কাজ করলে , আজকের এই মুমিনরাই তাকে ফাঁসিতে ঝোলাত , না হয় যাবজ্জীবন কারা দন্ড দিত।

মহানবীর মেরাজ গমন ও আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব


একদা মহানবী মুহাম্মদ কাউকে কিছু না জানিয়ে সাত আসমান পাড়ি দিয়ে আল্লাহর সকাশে যান।কথিত আছে তিনি বোরাক নামক এক ডানাওয়ালা গাধা সদৃশ জন্তুর পিঠে চড়ে , মক্কা থেকে প্রথমে জেরুজালেম যান , সেখানে বায়তুল মোকাদ্দসে ১,২৪,০০০ নবীর সাথে নামাজ পড়েন যার ইমামতি করেন তিনি নিজে। এরপর সেখান থেকে সরাসরি বিভিন্ন আসমান পর্যবেক্ষন শেষে আল্লাহর সাথে দেখা করেন , নানা কথা বার্তা বলে তারপর ফিরে আসেন। ফিরে এসে তিনি দেখেন আল্লাহর আরশে যাওয়ার আগে ওজু করার জন্যে যে পানি তিনি ব্যবহার করেছিলেন , তা তখনও গড়িয়ে পড়ছে।

হে মুমিন , আসো , কোরান থেকে বিজ্ঞান শিখি আর ইহুদি নাসারাদের বিজ্ঞান বর্জন করি


কোরান হলো বিজ্ঞানময় গ্রন্থ। কোরানের মধ্যেই আছে সব বিজ্ঞান।অথচ ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা কোরান বহির্ভুত বিজ্ঞান প্রচার করে , আমাদের ইমান নষ্ট করতে চায়। যেমন রাতের আকাশে আমরা যে আগুনের গোলার মত জ্বলন্ত উল্কা ছুটে যেতে দেখি,তা আসলে জ্বীনদেরকে দাবড়ানোর জন্যে নিয়োজিত, কিন্তু ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা বলে ভিন্ন কথা।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 9 ঘন্টা 21 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 10:48পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর