নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • জীহান রানা
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • মোগ্গালানা মাইকেল

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

নুর নবী দুলাল এর ব্লগ

অভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন, আওয়ামীলীগ ও সুন্দরবন বাহাস!


বৃটিশ আমলে নীলকর ও ম্যাজিস্ট্রেটদের শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসাবে তখনকার সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিক সমাজ নাটক রচনা ও পরিবেশনা শুরু করেন ভারতবর্ষে । বৃটিশ বিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টিতে এসব নাটক বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। বাংলায় দীনবন্ধু মিত্রের নীল-দর্পণ, মধুসূদন দত্তের বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রো এবং একেই কি বলে সভ্যতা, কিরণ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরোজিনী, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুরুবিক্রম, দক্ষিণাচরণ চট্টোপাধ্যায়ের চা-কর-দর্পণ, উপেন্দ্রনাথ দাসের সুরেন্দ্র বিনোদিনী ও অন্যান্য নাটক দেখতে প্রচুর লোক ভীড় জমাতেন সেই সময়। উল্লেখিত নাটকগুলোতে নীলকর ও ম্যাজিস্ট্রেটদের শোষণ, নির্যাতন ও অমানবি

জঙ্গিবাদ বিকাশের দায় : রাষ্ট্র, রাজনীতি, সুশীল ও বুদ্ধিজীবি সমাজের


একটা দেশের বড় আকারের রাজনৈতিক, সামাজিক সংকটে রাজনৈতিক দলগুলো যখন উপর্যুপরি ব্যর্থ হয়, সেই সঙ্কট থেকে উত্তরণে বুদ্ধিজীবি সমাজের ভুমিকা অপরিহার্য্য হয়ে উঠে। কোন দেশের সক্রিয় ও শক্তিশালী বুদ্ধিজীবি সমাজ না থাকলে সেই দেশ ক্রমশঃ বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটে পতিত হবেই। শক্তিশালী বুদ্ধিজীবি সমাজ রাজনীতির অপচর্চা থেকে নিবৃত্ত করে। রাজনৈতিক দল যতটুকু তার বিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তিকে মোকাবেলা করতে ভয় পায় তারচেয়ে অধিক ভয় পায় দলনিরপেক্ষ ও বুদ্ধিদীপ্ত সূশীল ও বুদ্ধিজীবি সমাজের সমালোচনার মুখোমুখি হতে। দূর্ভাগ্যের বিষয়, আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবি সমাজ লাল, সাদা, নীল রঙের আবরনে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তিতে ব্যস্ত থাকে। দেশের চরম সংকটময় মুহুর্তেও অন্ধের মত স্বীয় সমর্থিত রাজনৈতিক কর্মসুচী বাস্তবায়ন করা তাদের একমাত্র কাজ হয়ে পড়ে। নেতার আঙ্গুলের ঈশারা ছাড়া তাদের বুদ্ধির দরজা খুলে না। এদের বুদ্ধিজীবি না বলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বলাটাই সঠিক মনে করি।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রে ধর্মীয় মৌলবাদ । মুঘলদের উত্তরাধিকার (প্রথম কিস্তি)


১৫২৬ সালে পাণিপথের যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে বাবর ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন। বাবর বলতেন, তিনি মঙ্গোলীয় বীর তৈমুর লঙের অধস্তন ষষ্ঠ পুরুষ, আর মায়ের দিক থেকে ছিলেন আরেক মঙ্গোল বীর চেঙ্গিস খাঁর বংশধর! তথাপি ইতিহাসবেত্তাদের মত হচ্ছে, তিনি মঙ্গোল ছিলেন না। তিনি ছিলেন পারস্য থেকে আগত এক সেনাপুত, আর তার বাহিনীতে ছিল পারসিক, তুর্কী ও আফগানরা। বাবর ছিলেন সুদক্ষ তীরন্দাজ। তার পুত্র হুমায়ুনও বীর যোদ্ধা ছিলেন, যদিও তার ভাগ্য ততটা প্রসন্ন ছিল না। বাবর মারা যান ১৫৩০ সালের ২৬ ডিসেম্বর। জ্বরের প্রকোপে তিনি দিল্লীতে মৃত্যুবরণ করেন। যদিও নিজ ইচ্ছামাফিক তার সমাধি হয় কাবুলে!

সুখ-দুঃখ


পারিপার্শ্বিকতা
আজকাল আমাদের বাধ্য করে
অশুভ যাত্রাপথে।
পৃথিবীতে আমরা অনিঃশ্চয়তার
একটি পথ আবিষ্কার করে ফেলি প্রায়শঃ
ভালো লাগে নিজেকে আঁকড়ে রাখতে
অন্য এক নষ্টালজিয়ায় ।

নিষিদ্ধ পণ্যের প্রতি মানুষের আকাংখা চিরায়ত

বাংলাদেশ রাষ্ট্রে ধর্মীয় মৌলবাদ | আদিপর্বের খেরোখাতা


ভারতের মুসলিম ইতিহাসের আদিপর্ব বিবেচনায় নিলে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নামটি হচ্ছে গজনীর সুলতান মাহমুদ। গজনী ছিল ভারত থেকে মাত্র ২০০ মাইল দূরে অবস্থিত। এই রাজ্যের সীমা বর্তমান আফগানিস্তান থেকে সিরিয়া হয়ে মিশর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। ১০০১ সালে মাহমুদ লাহোর আক্রমণ করেন। পাঞ্জাবের রাজা তখন জয়পাল। কিছুকাল আগেই তিনি মাহমুদের পিতার সঙ্গে যুদ্ধে জড়ান। জয়পালসহ দিল্লী, কনৌজ ও কালিঞ্জরের রাজাদের সম্মিলিত বাহিনীর আক্রমণ প্রতিহত করে জয়লাভ করেন সবুক্তগীন। সেই থেকে ভারতের শাসনকার্যে মুসলিমদের আনাগোণা শুরু। কিন্তু এটাকে স্থায়ী ও শক্ত ভিত্তি দেন তার পুত্র মাহমুদ। তিনি ১২ বার ভারত আক্রমণ করেছিলেন বলে উল্লেখ

অভিজিতের খুনিদের ঘিরে রহস্য ও ধূম্রজাল!


বিজ্ঞান লেখক ও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা ড. অভিজিৎ রায় হত্যার আসামিদের ঘিরে রহস্য ও ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্যে বিচারপ্রার্থীরা অনেকেই আস্থা রাখতে পারছেন না। আবার সম্প্রতি অভিজিতের খুনি হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্রিটিশ নাগরিক তৌহিদের পরিবারের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে ধূম্রজাল। অনেকে আবার সরকারের দেয়া তথ্যকে অসম্পূর্ণ মনে করছেন। প্রশ্ন উঠছে মূল আসামিদের আড়াল করা নিয়েও!

বাংলাদেশ রাষ্ট্রে ধর্মীয় মৌলবাদ | প্রেক্ষাপট


বাংলাদেশে আজ সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে ধর্মীয় মৌলবাদ। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের দেশ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই এখানে কর্তৃত্ব করছে ইসলামী মৌলবাদ। মৌলবাদী তৎপরতা বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, প্রায়শই ধর্মীয় প্রশ্নে মতবিরোধের কারণে মানুষ লাশ হচ্ছেন। এক্ষেত্রে কেবল যে ধর্মবিরোধী নাস্তিকরাই মৌলবাদীদের হাতে প্রাণ দিচ্ছেন এমন নয়। পাশাপাশি ধর্মভিত্তিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ লড়াইয়ে প্রাণ দিচ্ছেন এমনকি আলেম তথা ধর্মীয় পন্ডিত ও পীর তথা ধর্মগুরুরাও। আর নৃশংসভাবে কুপিয়ে নাস্তিক হত্যা তো এক প্রকার নিয়মিত ঘটনায় পরিণত করেছে মৌলবাদীরা। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, মৌলবাদের এমন বিকাশের ভিত্তি কি?

ব্লগার অনন্ত দাশ খুন! প্রকৃত খুনীদের আড়াল হতে দেবেন না!


ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশকে খুন করা হয়েছে। কারা এই খুন করেছে, তা এখনো পুলিশ বলতে পারছে না। কিন্তু সিলেটবাসীর অভিযোগ, এটা মৌলবাদীদের কাজ। সিলেট মহানগরীর সুবিদ বাজার এলাকায় আজ মঙ্গলবার ১২ মে, সকালে এই ঘটনা ঘটে। তার মরদেহ এখন ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে রয়েছে। খুনের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে এখন পর্যন্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। অথচ ঘটনাস্থলে অনেকেই ছিলেন।

দৈনিক পত্রিকার কলামে এক মুফতির মিথ্যাচার!


গতকালের দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশে একটি কলাম দেখলাম। কলামটিতে ইসলাম ধর্মের মহত্ব এবং কোরআন শরীফে বর্ণিত ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর প্রসঙ্গ এসেছে। লেখক এমন কিছু বিষয় সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন, যা ইতোপূর্বে মানুষের ধারণায় ছিল না- কিন্তু কোরআনেই প্রথম এসেছে। লেখক একজন মুফতি। তার নাম মুফতি আহমদ মফিজ। মুফতি বলা হয় সেই ব্যক্তিকে যিনি আরবী "ফিকহ" নামক শাস্ত্রে অভিজ্ঞ। ইসলামের পরিভাষায় ফিকহ হলো এমন শাস্ত্র, যার মাধ্যমে ইসলামের উৎসমূহ তথা কুরআন ও হাদীস থেকে বিস্তারিত প্রমাণসহ ব্যবহারিক জীবনের বিভিন্ন বিধি-বিধান ও ইসলামি সমাধান জানা যায়। অর্থাৎ একজন মুফতি কোরআন ও হাদিসের বিভিন্ন ঘটোনাকে বর্তমানের আলোকে ব্যাখ্যা কর

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

নুর নবী দুলাল
নুর নবী দুলাল এর ছবি
Online
Last seen: 1 min 17 sec ago
Joined: শনিবার, জানুয়ারী 19, 2013 - 3:35অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর