নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রূপালীনা
  • নুর নবী দুলাল
  • সুব্রত শুভ

নতুন যাত্রী

  • মহক ঠাকুর
  • সুপ্ত শুভ
  • সাধু পুরুষ
  • মোনাজ হক
  • অচিন্তা দত্ত
  • নীল পদ্ম
  • ব্লগ সার্চম্যান
  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান

আপনি এখানে

গোলাম সারওয়ার এর ব্লগ

উচ্চশিক্ষিত বাঙালীর পাপ স্খলনের দায় কাঁধে নেয়া মৃত্যুঞ্জয়ী নায়ক - অভিজিত রায়


রবি ঠাকুরের ছোট গল্প রবিবার এর নায়কের নাম 'অভি' । অভীক কুমার। এটা তাঁর বাপ-মা'র দেয়া নাম নয়, বাপ-মা'র দেয়া নাম ছিলো অভয়াচরন। স্রেফ হিন্দু আস্তিক পিতার ইগোর বিরুদ্ধাচারন করবার জন্যই নাস্তিক পুত্র নিজের নামটা পর্যন্ত পালটে ফেলে। সমাজের খুব বেশী মানুষ কে চটায়না এমন একটু আধটু নাস্তিকতা হিন্দু সমাজ সব সময়েই সহ্য করে নেয়, ব্লটিং পেপার এর মতো শুষে নেয়। কিন্তু অভি'র নাস্তিকতা সেই মাত্রাকে অতিক্রম করেছিলো বহুগুণে। নাস্তিকতার প্রকাশ ছিলো মাত্রা ছাড়ানো, সেটা বন্ধু মহলে ধর্ম ও ভগবান নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য থেকে শুরু করে খোদ পুজোর ঘরে জাগ্রত দেবতাদের অপমানের ঘটনা পর্যন্ত । ব্রাহ্মণ পুত্র হয়ে মুসলমান খালাসিদের সাথে মিলে পরোটা আর নিষিদ্ধ মাংসের ভোজন উৎসব করতো সে । এই সকল আচারবিরুদ্ধ কাজের শাস্তি হিসাবে তাঁর ভাগ্যে জুটেছিল পিতৃ গৃহ থেকে বিতাড়িত হওয়া। স্রেফ বাবার হাঁড়ির ভাত বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্যস ! নাস্তিক হিসাবে তাঁকে তালিকাভুক্ত হতে হয়নি। নিজের সম্পর্কে খিস্তি খেঁউড় শুনতে হয়নি। হত্যার হুমকি নিয়ে জীবন যাপন করতে হয়নি। শহরের ব্যস্ত সড়কে ধারালো অস্ত্রের অঘাতে খুন হয়ে রক্তাক্ত দেহে পড়ে থাকতে হয়নি।

পার্টির বাইরের নিরীশ্বরবাদীদের বিষয়ে লেনিন কি মনে করতেন?


আমাদের কমিউনিস্ট এবং বামপন্থি বন্ধুদের মাঝে নাস্তিকতা নিয়ে এক ধরনের অস্বস্তি আছে এটা এখন প্রায় স্পষ্ট। বিশেষত নন-পারটিজান বা অ-কমিউনিস্ট নাস্তিকদের নিয়ে আমাদের এই সকল বন্ধুদের কেউ কেউ এক ধরনের উন্নাসিক আচরণ দেখান প্রায়শই। আসুন লেনিনের কিছু লেখা থেকে দেখি, পার্টির বাইরে বস্তুবাদী দের সাথে কাজের সম্পর্কের বিষয়ে লেনিন কি মনে করতেন।

"সংগ্রামী বস্তুবাদের তাতপরয্য" প্রবন্ধে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছিলেন, পার্টির বাইরে যে সকল বস্তুবাদী আছেন তাদের সাথে যৌথ ভাবে কাজ করবার কথা। দেখুন লেনিন একজ্যাক্টলি ঠিক কি বলেছিলেন -

আরব থেকে দেওবন্দ হয়ে হাটহাজারীঃ মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কিছু সাম্প্রতিক বোঝাপড়া: পর্ব - ৪


উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের সময় অমুসলিমদের অবস্থা কেমন ছিলো? এই প্রশ্নটি খানিকটা অস্বস্তিকর এবং বেশ কয়েকধরনের বয়ান আছে এ বিষয়ে। পাঠককে অনেক সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হয় প্রতিটি বিশ্লেষণের যুক্তি গুলোকে।একাডেমিক পুস্তকগুলোতেও দিধাবিভক্ত মতামত আছে। বাংলার রেনেসার প্রধান ব্যক্তি, রাজা রামমোহন রায় এই নয়শো বছরের সময় অর্থাৎ ভারতবর্ষে ইসলামী শাসন কে ভারতীয় জনগনের জন্যে চরম লজ্জার, অপমানের ও পরাজয়ের কাল বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি এই সময় কে বলেছিলেন "দুঃশাসন"।

ধর্ম - আল্লাহ - ঈশ্বর, নাস্তিকতা ও মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ প্রসঙ্গঃ বুর্জোয়াদের বন্দুক যখন কমিউনিস্টদের কাধে ! কিস্তি - ৩


মানুষ কে তাঁর সংগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্যে ধর্ম একটি প্রধান ভুমিকা পালন করে যা প্রকারন্তরে পুজিবাদের সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসাবেই কাজ করে। ধর্ম মানুষ কে শেখায়, এ জীবনে প্রতিবাদ করে - সংগ্রাম করে কোনও লাভ নেই, বরং একজন সর্বময় ক্ষমতাধর আছেন ওই আকাশের উপরে বসে, যিনি সবকিছু দেখছেন এবং একদিন তিনিই সবকিছুর বিচার করবেন। এই ইলিউশন বা বিভ্রান্তি টি হচ্ছে ধর্মের প্রাণ। মার্ক্স লিখেছেন - ধর্ম হচ্ছে সেই বিভ্রান্তির সূর্য যা মানুষের চারপাশে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ না সেই মানুষটি নিজেই নিজের চারপাশে ঘুরতে না শেখে"। অর্থাৎ মানুষ যখন নিজের বিষয়ে সচেতন হয়ে ওঠে কেবল তখনই সম্ভব ধর্মের বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে আসা। আর এই বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে আসার সবচাইতে ভালো পথ ধর্মকে সমালোচনার মধ্যে নিয়ে আসা। মার্ক্স লিখছেন - যেকোনো সমালোচনার শুরু হচ্ছে ধর্মের সমালোচনা।

আরব থেকে দেওবন্দ হয়ে হাটহাজারীঃ মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কিছু সাম্প্রতিক বোঝাপড়া। পর্ব - ৩


এই লেখার পরবর্তী পর্যায়ে কোনও এক সময় মাদ্রাসা শিক্ষার চারটি পর্বের মধ্যে এক ধরনের তুলনামুলক আলোচনা করবো যা দেখাবে কিভাবে মাদ্রাসা শিক্ষা তাঁর মূলধারা থেকে আজকের পর্যায়ে এসে পৌছুলো। মাদ্রাসা শিক্ষার এই চারটি পর্যায় হচ্ছে - প্রাথমিক পর্যায় যা ইসলামের শুরু থেকে দিল্লী সুলতানাত এর সময় পর্যন্ত, দ্বিতীয় পর্যায় হচ্ছে মুঘল আমল, যাকে অনেক গবেষক বলেছেন প্রাক-কলোনিয়াল যুগের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা, তৃতীয় পর্যায়টি হচ্ছে কলোনিয়াল যুগের বা ব্রিটিশ আমলের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সব শেষ পর্যায়টি হচ্ছে পোস্ট কলোনিয়াল বা স্বাধীন ভারতবর্ষের সময়কালীন। বিগত দুটি পর্বে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রাথমিক পর্যায় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই পর্ব ও আগামী পর্বে থাকবে মুঘল আমল বা প্রাক - কলোনিয়াল যুগের মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে আলোচনা।

আরব থেকে দেওবন্দ হয়ে হাটহাজারীঃ মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কিছু সাম্প্রতিক বোঝাপড়া। পর্ব - ২


একাংশ ইতিহাসবিদ, নিজাম উল মূলক প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটিকে প্রথম মাদ্রাসা বলে উল্লেখ করতে দ্বিমত পোষণ করেন।এদের কয়েকজন মনে করেন বর্তমান ইরানের "নিশাপুর"এ আল ইমাম আবু বকর একটি প্রাতিষ্ঠানিক মাদ্রাসা স্থাপন করেন এবং আল ইমাম আবু বকর এর মৃত্যু হয় ১০১৪ সালে, সেই হিসাবে এই মাদ্রাসা টি নিজামিয়া মাদ্রাসার বহু আগেই প্রতিষ্ঠিত, প্রায় অনেকটা মিশরের আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা কালিন সময়ের কাছাকাছি।

আরব থেকে দেওবন্দ হয়ে হাটহাজারীঃ মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কিছু সাম্প্রতিক বোঝাপড়া। পর্ব - ১


(এই লেখাটি কোনও মৌলিক গবেষণা কর্ম নয়, বরং সাম্প্রতিক সময়ে এই বিশয়ের উপরে প্রকাশিত প্রতিনিধিত্তশীল পুস্তক, মৌলিক গবেষণা প্রবন্ধ, পর্যালোচনা মূলক প্রবন্ধ ও অন্যান্য অনলাইন প্রকাশনা পাঠ পরবর্তী একটি প্রতিক্রিয়া এবং লেখকের কিছু নিজস্ব বোঝাপড়ার সংকলন মাত্র। এই লেখায় লেখকের নিজস্ব মতামতের উপর যেকোনো সমালোচনা, বিতর্ক স্বাদরে গ্রহণযোগ্য।)

ভুমিকা

ধর্ম - আল্লাহ - ঈশ্বর, নাস্তিকতা ও মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ প্রসঙ্গঃ বুর্জোয়াদের বন্দুক যখন কমিউনিস্টদের কাধে ! কিস্তি - ২


প্রথম কিস্তির লিংক এখানেঃ

১,
ঈশ্বর ও ধর্ম প্রসঙ্গে "মার্ক্সবাদী অবস্থান" নিয়ে বাংলাদেশের বামপন্থীদের অবস্থান কে সাম্প্রতিক সময়ে একজন লেখক (আপাতত ধরা যাক, এই লেখকের নাম "মিঃ এক্স") এভাবে উল্লেখ করেছেন।

"ধর্ম ও নাস্তিকতা নিয়ে বাংলাদেশে বামপন্থীদের যে অবস্থান তা মোটেই মার্ক্স লেনিনের ধ্রুপদি মার্ক্সবাদের সাথে যায়না। মার্ক্সবাদ লেনিন বাদ কোন নাস্তিক্যবাদের নাম নয়। মার্ক্স লেনিন নাস্তিক্যবাদ প্রচার ও করেননি। কমিউনিস্ট হওয়ার জন্য নাস্তিক হওয়ার প্রয়োজন নেই। নিতান্ত ধার্মিক মানুষ ও কমিউনিস্ট হতে পারেন।"

ধর্ম - আল্লাহ - ঈশ্বর, নাস্তিকতা ও মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ প্রসঙ্গঃ বুর্জোয়াদের বন্দুক যখন কমিউনিস্টদের কাধে ! কিস্তি - ১


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা ব্লগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে নানান ধরনের প্রচারনার বেশ ঢল নেমেছে। বহু বিচিত্র নামের – দলের – রঙের মানুশ প্রাসঙ্গিক – অপ্রাসঙ্গিক ভাবে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন। কখনও নাস্তিকতা কে বাজার চলতি ফ্যাশন বলা হচ্ছে। কখনও বলা হচ্ছে নাস্তিকতা হচ্ছে ইউরোপে বা উত্তর আমেরিকায় নিরাপদ নাগরিকত্ব পাবার নিশ্চিত পথ। কখনও বা বলা হচ্ছে নাস্তিকতা হচ্ছে বিক্ষ্যাত হবার ধান্দা। কিন্তু এই সকল মতামত প্রচারকেরা কেউই একটা সহজ সরল বিশয় উল্লেখ করেন না যে, সাম্প্রতিক সময়ের উচ্চকন্ঠ এই বিপুল সংখ্যক নাস্তিক মানুষেরা আসলে প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাস ও ঈশ্বর বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে আসা মানুষ এবং তাঁরা ধর্ম ও ঈশ্বর বিষয়ক ফাঁপা ও ফাঁকা বিশ্বাস গুলোর বিরুদ্ধে দাড়িয়েছেন। এঁদের একটা বিরাট অংশ বয়সে তরুন, মেধাবী ও প্রগতিশীল সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রামের সাথে সম্পৃক্ত। ধর্মের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর পেছনে এঁদের কোনও উচ্চাভিলাষ নেই, আছে জগতকে মুক্ত দেখার – জগতকে মুক্ত

ব্রাহ্মণ পুত্র রাজা রামমোহন রায় এখন বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসার "ব্র্যান্ড এম্বাসেডর" । শেষ কিস্তি


চতুর্থ কিস্তির লিংক এখানে http://istishon.com/node/12445

এই সিরিজটি শেষ করবো এবং কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার ইতিহাস নিয়ে আরেকটি দরকারী সিরিজ শুরু করবো। সুতরাং এটাই এই শিরোনামের শেষ পর্ব।তাই সরাসরি শেষ প্রসঙ্গতে চলে যাই। পিনাকী ভট্টাচার্য, সৈয়দ মবনু এবং তাঁদের সমর্থকদের কওমি মাদ্রাসাপ্রেমের স্বপক্ষে আরও দুটি জোরালো যুক্তি হচ্ছেঃ


- ভারতের অনেক মাদ্রাসায় হিন্দু ছাত্র পড়তে পারে এবং এই সকল মাদ্রাসায় মুসলমান ছাত্রদের চাইতে হিন্দু ছাত্রদের সংখ্যাই বেশী। (সৈয়দ মবনু'র ব্লগ)

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

গোলাম সারওয়ার
গোলাম সারওয়ার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: শনিবার, মার্চ 23, 2013 - 4:42পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর