নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • শ্মশান বাসী
  • আহমেদ শামীম
  • গোলাপ মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

দেওয়ান তানভীর আহমেদ এর ব্লগ

আমার শুরুটা যার হাত ধরে...!!



লেখালেখির প্রতি আমার ঝোক ছোটবেলা থেকেই। সেই ক্লাস থ্রিতে থাকতেই প্রথম গল্প লেখার ভূত চাপে এই ছোট্ট মাথাটায়! যদিও সেসময় আমার দৌড় ছিল ফুল-পাখি-লতাপাতা পর্যন্তই! ঐ গণ্ডির বাইরে বেরিয়েও যে লেখালেখি করা যায়, এটা প্রথম জানলাম মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের বই পড়ে। বলার অপেক্ষা রাখে না, আমার মাথায় লেখার ভূত চাপার জন্যে দায়ী ব্যক্তিটি আর কেউ নন, স্বয়ং ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল!

ঢাকা অ্যাটাকঃ গল্প হলেও সত্যি!!


"হ্যান্ডস আপ! আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না!!"- কিছুদিন আগে পর্যন্ত এটাই ছিল ঢাকাই চলচ্চিত্রের পুলিশের বহুল উচ্চারিত সিগনেচার ডায়লগ। ঢাকাই চলচ্চিত্রে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সবার মস্তিষ্কে একটা ধারনাই বদ্ধমূল হয়ে ছিল- "পুলিশ তো আসবে একদম মুভির শেষে, সবকিছু শেষ হয়ে যাবার পর! এর আগে মুভির মাঝখানে পুলিশের আর কাজ কী?!"

সমকামিতা: The Taboo!!! (পর্ব-২)



এতক্ষণ ধরে যারা মফিজ মিয়ার গল্পটি পড়লেন তারা হয়ত ভাবছেন, এটা কী করে সম্ভব? শুধুমাত্র চোখের রঙ অপছন্দ হওয়ার কারণে একটা মানুষের আরেকটা মানুষের প্রতি এত বিদ্বেষ? আপনারা হয়ত মানতেই পারছেন না, একটা মানুষের পক্ষে এতটাও অমানবিক হওয়া সম্ভব! যারা মানতে পারছেন না, তাদেরকে এবারে একটু নিজের কল্পনাশক্তি (যদি থাকে) কাজে লাগাতে হবে। ধরুন, আপনি-ই মফিজ মিয়া। হ্যা, নিজেকে “চোখ সংখ্যাগরিষ্ঠ” মফিজ মিয়ার জায়গায় দাড় করান, আর “চোখ সংখ্যালঘু” নীল চোখের কিশোরদের জায়গায় দাড় করান যৌন সংখ্যালঘু সমকামীদের। জানি, এ পর্যন্ত পড়েই অনেকে তেড়ে আসবেন। কিন্তু একবার নিজের বিবেক বোধ(যদি থাকে) থেকে ভাবুন তো, ভিন্ন ভিন্ন চোখের রঙ বিশিষ্ট মানুষ যদি এ সমাজে থাকতে পারে, তবে ভিন্ন যৌন প্রবৃত্তি বিশিষ্ট মানুষেরা কেন থাকতে পারবে না?

পদার্থ ও প্রতি-পদার্থ, এবং রহস্যময় পদার্থবিজ্ঞান


প্রতি-পদার্থগুলোকে দৃশ্যমান জগতের বাইরে পাঠিয়ে দিলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার কোনো কারণ নেই। কেননা পদার্থবিজ্ঞানের জগতে খটকা এমন এক জিনিস যাকে সাময়িকভাবে ভুলে থাকা গেলেও পুরোপুরি ফেলে দেয়া যায় না। ফেলে দিলেও পরিত্রাণ নেই, পথ চলতে হলে তাকে আবার কুড়িয়ে নিয়ে আসতে হবে। বিগ ব্যাং এর আগে পৃথিবীতে কোনো পদার্থ ছিল না, ছিল শুধু শক্তি। আর সেই শক্তি পুন্ঞ্জীভূত হতে হতে এক পর্যায়ে ঘটে মহাবিস্ফোরণ বিগ ব্যাং, এবং এর ফলে সমপরিমাণ পদার্থ ও প্রতি-পদার্থ সৃষ্টি হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সমপরিমাণ পদার্থ এবং প্রতি-পদার্থ যদি একই সঙ্গে সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে তো সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথেই আবার পরস্পরকে ধ্বংস করে দিয়ে পুনরায় শক্তিতে পরিণত হওয়ার কথা[এখানে লক্ষণীয়, পৃথিবীর সকল পদার্থ ও প্রতি-পদার্থ পরস্পরের সংস্পর্শে এসে একে অপরকে ধ্বংস করে দেয়ার পর যে শক্তি উৎপন্ন হবে, তার সর্বমোট পরিমাণ হবে বিগ ব্যাং এর পূর্বে যে পরিমাণ শক্তি ছিল তার সমান]! কিন্তু পৃথিবী তো কোটি কোটি বছর ধরে টিকে আছে!! তবে কী প্রতি-পদার্থের তুলনায় পদার্থ বেশি পরিমাণে সৃষ্টি হয়েছিল? তারপর সব পদার্থ এবং প্রতি-পদার্থ পরস্পরকে ধ্বংস করে দেয়ার পর বাড়তি পদার্থগুলো পৃথিবীতে রয়ে গেছে?? নাকি সৃষ্টি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রতি-পদার্থগুলো কোনো এক অজানা জগতে চলে গেছে? কিন্তু কেন? কীভাবে??

প্রসঙ্গঃ ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ


প্রথমে জানা যাক, ধর্মনিরপেক্ষতা কী? অধিকাংশ মুসলিমরাই মনে করেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা, ধর্মনিরপেক্ষ হতে হলে তাদেরকে তাদের বাপ-দাদার ধর্ম ত্যাগ করতে হবে! কিন্তু আসলেই কি তাই?

সমকামিতা: The Taboo!!! (পর্ব-১)


কৈফিয়তঃ

অনেকদিন থেকেই এই বিষয়টা নিয়ে লিখব লিখব করেও লেখা হয়ে উঠছিলো না সময়ের অভাবে। মূলত এই প্রসঙ্গে আমাদের সমাজের উন্নাসিক মনোভাব দেখেই নিজের ভেতরে একটা তাগাদা অনুভব করছিলাম এটা নিয়ে একটা কিছু লেখার জন্যে। আজ সময় পেলাম, তাই বসে গেলাম লেখার প্রস্তুতি নিয়ে।

হাইপেশিয়া: একজন বিপ্লবী নারী বিজ্ঞানী


“আমরা সমাজে বাস করি, সমাজে বাস করার জন্য কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়, সমাজব্যবস্থা মেনে চলতে হয়। নিজের ইচ্ছেমত সমাজে চলাফেরা করা যাবে না।” শৈশব থেকেই আমাদের মস্তিষ্কে ঢুকিয়ে দেয়া হতে থাকে এই ধরনের মন্ত্র। আর তাই শৈশব ছেড়ে আসার পরেও আমাদের তাড়া করে বেড়ায় এ মন্ত্র! কিছু একটা করতে গেলেই মনের মাঝে উকি দেয় সমাজের ভয়। কিন্তু প্রচলিত সমাজব্যবস্থাকে আকড়ে ধরে রেখে কী নতুন কিছু করা যায়? সমাজের শৃঙ্খলে বাঁধা পড়ে থাকলে কী কখনো সৃষ্টিশীলতার বিকাশ ঘটানো সম্ভব?

২১শে ফেব্রুয়ারী ও আমার কিছু কথা. . .


আজ ২১শে ফেব্রুয়ারী, শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। যেহেতু এই দিনটি শহীদ দিবস, তাই দিনটি স্বাভাবিকভাবেই শোকের, সুখের নয়। আবার দিনটি যতটা শোকের, তার চাইতেও অনেক বেশি গৌরবের। কেননা এই দিনটিতে ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা পেয়েছি মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার। অথচ এই দিনটার গুরুত্ব আমরা ক'জন সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারি???

সাবধান!!! যেকোন সময়ে আমার মত আপনিও হয়ে যেতে পারেন একজন মাদক ব্যবসায়ী!!!!


দিনটা ছিলো ২ জানুয়ারী, ২০১৬; শনিবার।
একটা সায়েন্স ফিকশন লেখা শুরু করেছিলাম গতবছর এপ্রিলে। লেখাটা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে, এমন সময় আমার মনিটরের কিছু সমস্যা দেখা দিলো, যার কারণে আমার কাজ মাঝ রাস্তায় আটকে গেলো। পরে বুঝতে পারলাম কানেকশানের নাট দু’টো খুলে পড়ে গেছে, যার কারণে মনিটরে পাওয়ার আসছে না। সমস্যাটা ধরতে পারার পর উক্ত দিনটিতে মনিটরটা নিয়ে বের হয়েছিলাম মনিটরটা সারিয়ে নেবার জন্য।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

দেওয়ান তানভীর আহমেদ
দেওয়ান তানভীর আহমেদ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 3 weeks ago
Joined: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 16, 2016 - 4:39পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর