নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ব্লগ

কওমী সনদের শর্ত ও স্বীকৃতিঃ পর্যালোচনা - ৩


কওমী সনদের স্বীকৃতি কি দাবী না কৌশল?
সরকারের কাছে থেকে কোন প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ-সুবিধা আদায় করতে হলে আন্দোলন-সংগ্রামের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় তা অর্জন করতে হয়। অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়, ত্যাগ স্বীকার করতে হয়! কমবেশী ছাড় দিতে হয়। তাতেও সবসময় দাবী আদায় সম্ভব হয়’ এমনটা না। আমাদের দেশের রাজনৈতিক কাঠামোয় এটাই স্বাভাবিক!

প্রথম পর্বের লিংক> https://www.istishon.com/?q=node/24250

কওমী মাদ্রাসা সনদের শর্ত ও স্বীকৃতিঃ পর্যালোচনা - ২


কওমি সনদের স্বীকৃতির লক্ষ্যে ৫টি শর্তের সাথে আল্লামা শফী প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রসঙ্গে শিক্ষার্থীদের অনেকগুলো মানবিয় গুনাবলী, চরিত্র, বৈশিষ্টের কথা উল্লেখ করেন। যে বিশেষণের মাধ্যমে তিনি এই শিক্ষার গুরুত্ব, তাৎপর্য ও মাহাত্ব উল্লেখ করেছেন। একটি সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টা বুঝতে চেষ্টা করব তার এই বক্তব্য কতটা সঠিক ও গ্রহনযোগ্য!

কওমী মাদ্রাসা সনদের শর্ত ও স্বীকৃতিঃ পর্যালোচনা - ১


২০১২ সালে সরকার ও কওমী মাদ্রাসার বিভিন্ন অংশের নেতৃত্বের অংশগ্রহনে একটি শিক্ষানীতি খসড়া উত্থাপন করা হয়। সে শিক্ষানীতির সুপারিশে, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, শিক্ষাদানের বিষয়, সনদের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে হাট হাজারি মাদ্রাসার পরিচালক, মাওলানা আহমদ শফীর নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল! কিন্তু তারা সেটা মানেননি এবং সেটা বাতিল করতে সরকারকে হুশিয়ার করে এই বলে যে, তা না হলে দেশে লাখ লাখ মুসল্লির লাশ পরবে! পরে সরকার তাদের সে প্রস্তাপনা প্রত্যাহার করে নেয়।

পরিবারতন্ত্র এক বিপদজনক ধারা


পরিবারতন্ত্রের এক বিপদজনক ধারা-প্রবণতা শুরু হয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে। কেন্দ্র থেকে যা এখন প্রান্তকেন্দ্রীক সম্প্রসারিত হচ্ছে! পরিবারতন্ত্রের জন্মই হয়েছে নেতৃত্বের ক্রন্দল কারণে! আরেকটি হচ্ছে মৃতু ব্যক্তির পরিবার-পোষ্যরাও চায় রাজনীতি ও ক্ষমতার সুবিধাভোগী হতে। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগের হাল ধরার অনেকেই ছিলেন, কিন্তু তাদের হানাহানিতেই একটি অংশ শেখ হাসিনাকে রাজনীতি নিয়ে আসে। এখান থেকেই কেন্দ্রের পরিবারতন্ত্রের শুরু, এবং প্রান্তও তার ব্যতিক্রম না! জেলা-থানা গুলোও একই ঘটনার প্রান্ত সংস্করণ! যখন একজন নেতার মৃত্যু হয়, তার পরের সারির নেতারা সর্বসম্মত ভাবে নিজেদের মধ্যে থেকে একজন নেতৃত্ব নির্ধারণ করতে পারে না। আর সে পরিস্থিতিতে দলের বিশৃংখলা ঠেকাতে কেন্দ্রের নজীর প্রান্তেও স্থান পায়! বিষয় একটাই নেতৃত্বের অগণতন্ত্রিক নীতিহীন অসম-অসুস্থ প্রতিযোগিতা। এই ধারায় কেন্দ্রও তার অগণতন্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অধিক বৈধ ও মজবুদ করে নেয়।

মাহফুজুল বারী কখনো মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না?


কেন এই শিরোনাম?
কয়েকদিন আগে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামী, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর মাহফুজুল বারীর মৃত্যুর পর তাঁকে নিয়ে ফেসবুকে একটি ছোট স্মৃতিকথা লিখি। সেটা দেখে আমার এক ঘনিষ্ঠ বড়ভাই, টরেন্টো প্রবাসী, সাবেক বাম-ছাত্র-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের একজন সংগঠক-নেতা আমাকে ইনবক্স করে জানালেন-

কাঠামো যেখানে অধিক সাম্প্রদায়িক, পাঠ্য বইয়ের ঘটনা সেখানে তুচ্ছ..


কোন দূর্ঘটনা ও অপকর্মের দায় কি বাঙালি কখনো স্বীকার করেছে? ইতিহাসে এমন কোন নজীর আছে..? কিন্তু কৃতিত্বের দায় নিয়ে কাড়াকাড়ি, মারামারি, দলাদলি, আইন-আদালন, সংবিধান পরিবর্তন, আর কোন জাতি নয়, বাঙালি করেছে! পাঠ্যবইয়ের ভুল নিয়েও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না! কোন বিভাগ-ব্যাক্তি, মন্ত্রী, মন্ত্রনালয় কারো কোন দায় নেই! কেউ দায় স্বীকার করছে না! দায় নেবে না! এই অসহায় নাবালক শিশুদের দায় নেয়ার কেউ নেই, এই দেশে! দল, সমাজ, সরকার কেউ তাদের কথা ভাবছে না! তারা হচ্ছে বেওয়ারিশ! আল্লাহর মাল..!

রোহিঙ্গা, আইলানের লাশ ও মানবতা


এখন কয়েকটা শব্দ রোহিঙ্গা, মগ, আরাকান, শরনার্থী ইত্যাদি খুব আলোচিত হচ্ছে! এই ইস্যু আবার সামনে চলে আসায় অনেকই এই বিষয়ের দলিল দস্তাবেজ হাজির করছেন। রহিঙ্গা বসতি ও অভিবাসনের ঐতিহাসিক পটভূমি, বর্তমান বাস্তবতা, কার কতটা দায়, এসব নিয়ে অনেক বিশ্লেষণমূলক লেখা পড়ছি। লেখা ও বিশ্লেষণগুলো নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে একটা বিস্তৃত বিতর্ক শুরু হয়েছে। এটা একটা ভাল দিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও মনে করি। এর মাধ্যমে আগ্রহীরা ধর্মসহ এই বিষয়ের নানা বিভ্রান্তি, আঞ্চলিক রাজনীতি ও বাণিজ্যের কারন-সমীকরণগুলো বুঝতে পারছে, বুঝতে চেষ্টা করছে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চুক্তির অসঙ্গতিঃ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও পরিবেশের ক্ষতি


বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে স্বীকৃত ধারা আছে তার বাইরে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে বলা হয় “উন্নয়নের গোলক ধাঁধা!” উন্নয়নের জন্য প্রধানত যে উপাদান গুলো দরকার তা হচ্ছে সম্পদ, অবকাঠামো, বিনিয়োগ, উপযুক্ত নীতি, সুশাসন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ। কিন্তু বাংলাদেশে এসবের ধারাবাহিক অনুপস্থিতিতেও আর্থ-সামাজিক অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে, যাচ্ছে। উন্নয়ন অর্থনীতির যে স্বীকৃত ও পঠিত তত্ত্ব ও শিক্ষা আছে- তার যথার্থ ব্যতিরেকে এই অভাবনীয় সাফল্যের কারনেই আমাদের গলায় এই মর্যাদার মেডেল জুটেছে! উন্নয়নের এই গতির ধারাবাহিকতায় রক্ষা, ভোক্তা ও লিল্পের চাহিদা পুরনে অধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রয়োজন। আর সেই প্রশ্ন ও চাহিদাই আরেকটি বিস্তৃত গণবিতর্কের সূত্রপাত করেছে।

খুঁজতে হবে জঙ্গীপাঠের উৎস - ৩


এক সময় উপমহাদেশে বৃটিশ ও পাকিস্তান শাসনমলে, সমাজতন্ত্রের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকায় কমিউনিস্ট-বামপন্থীরা বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের ভিতর ঢুকে নিজেদের দল ও আদর্শের পক্ষে গোপনে কাজ করত। তাদের উদ্দেশ্য ছিল এইসব দলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে তাদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহনযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সেইসব দলের বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী-নেতা-কর্মীদের ভিতরে কৌশলে মতাদর্শগত সংগ্রাম এগিয়ে নেওয়া। সেক্ষেত্রে তারা কংগ্রেস, ন্যাপ, আওয়ামী লীগের মত দলকে কাজে লাগিয়েছে। এবং পর্যায়ক্রমে তার এই দলগুলোর আদর্শ ও নীতি-কৌশলের ক্ষেত্রেও নানা ভাবে প্রভাবিত করেছে। এমন কি তারা ঐসব দলের শীর্ষ পর্যায়ে-নীতি নির্ধারনের ভূমিকাতেও প্রভা

খুঁজতে হবে জঙ্গীপাঠের উৎস - ২


বাংলাদেশে জঙ্গী উত্থানের উৎস প্রধানত রাজনৈতিক। নীতিহীন ক্ষমতাদখলের সমীকরণ এই বিপদজনক দৈত্যকে জন্মদিয়ে হৃষ্টপুষ্ট করে অতিকায় করে তোলা হয়েছে। সে এখন তাঁর অবস্থানের জানান দিচ্ছে। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে রাষ্ট্রকে। যা করছে তা বড় কোন আঘাত শুরুর মহড়া মাত্র। যার শুরু হয়েছে অনেক আগেই। কোন সরকার কখনোই স্বীকার করতে চাই নি। বর্তমান সরকারও নয়। জনগনকে বানিয়েছে বোকা, দিয়েছে ধোকা। এটা বাংলাদেশে মৌলবাদ-জঙ্গীবাদী রাজনীতির শেষের শুরু। তবু যে আঘাত এসেছে বাংলাদেশের ইতিহাসে তা অনেক বড়। শেষ যুদ্ধের আগে তাই বলি, কাঁদো বাঙালি কাঁদো।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মঞ্জুরে খোদা টরিক
মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 1 week ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 4, 2016 - 11:59পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর