নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আকাশ লীনা
  • নুর নবী দুলাল
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ব্লগ

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চুক্তির অসঙ্গতিঃ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও পরিবেশের ক্ষতি


বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে স্বীকৃত ধারা আছে তার বাইরে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে বলা হয় “উন্নয়নের গোলক ধাঁধা!” উন্নয়নের জন্য প্রধানত যে উপাদান গুলো দরকার তা হচ্ছে সম্পদ, অবকাঠামো, বিনিয়োগ, উপযুক্ত নীতি, সুশাসন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ। কিন্তু বাংলাদেশে এসবের ধারাবাহিক অনুপস্থিতিতেও আর্থ-সামাজিক অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে, যাচ্ছে। উন্নয়ন অর্থনীতির যে স্বীকৃত ও পঠিত তত্ত্ব ও শিক্ষা আছে- তার যথার্থ ব্যতিরেকে এই অভাবনীয় সাফল্যের কারনেই আমাদের গলায় এই মর্যাদার মেডেল জুটেছে! উন্নয়নের এই গতির ধারাবাহিকতায় রক্ষা, ভোক্তা ও লিল্পের চাহিদা পুরনে অধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রয়োজন। আর সেই প্রশ্ন ও চাহিদাই আরেকটি বিস্তৃত গণবিতর্কের সূত্রপাত করেছে।

খুঁজতে হবে জঙ্গীপাঠের উৎস - ৩


এক সময় উপমহাদেশে বৃটিশ ও পাকিস্তান শাসনমলে, সমাজতন্ত্রের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকায় কমিউনিস্ট-বামপন্থীরা বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের ভিতর ঢুকে নিজেদের দল ও আদর্শের পক্ষে গোপনে কাজ করত। তাদের উদ্দেশ্য ছিল এইসব দলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে তাদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহনযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সেইসব দলের বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী-নেতা-কর্মীদের ভিতরে কৌশলে মতাদর্শগত সংগ্রাম এগিয়ে নেওয়া। সেক্ষেত্রে তারা কংগ্রেস, ন্যাপ, আওয়ামী লীগের মত দলকে কাজে লাগিয়েছে। এবং পর্যায়ক্রমে তার এই দলগুলোর আদর্শ ও নীতি-কৌশলের ক্ষেত্রেও নানা ভাবে প্রভাবিত করেছে। এমন কি তারা ঐসব দলের শীর্ষ পর্যায়ে-নীতি নির্ধারনের ভূমিকাতেও প্রভা

খুঁজতে হবে জঙ্গীপাঠের উৎস - ২


বাংলাদেশে জঙ্গী উত্থানের উৎস প্রধানত রাজনৈতিক। নীতিহীন ক্ষমতাদখলের সমীকরণ এই বিপদজনক দৈত্যকে জন্মদিয়ে হৃষ্টপুষ্ট করে অতিকায় করে তোলা হয়েছে। সে এখন তাঁর অবস্থানের জানান দিচ্ছে। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে রাষ্ট্রকে। যা করছে তা বড় কোন আঘাত শুরুর মহড়া মাত্র। যার শুরু হয়েছে অনেক আগেই। কোন সরকার কখনোই স্বীকার করতে চাই নি। বর্তমান সরকারও নয়। জনগনকে বানিয়েছে বোকা, দিয়েছে ধোকা। এটা বাংলাদেশে মৌলবাদ-জঙ্গীবাদী রাজনীতির শেষের শুরু। তবু যে আঘাত এসেছে বাংলাদেশের ইতিহাসে তা অনেক বড়। শেষ যুদ্ধের আগে তাই বলি, কাঁদো বাঙালি কাঁদো।

খুঁজতে হবে জঙ্গীপাঠের উৎস – ১


বাজারে প্রচলিত কোন বাণিজ্য পর্ণ্যের যখন নকল সংস্করন বেরোয়, তখন সেই পণ্যের আসল কম্পানী নকল প্রতিরোধে ক্রেতাদের মাঝে সচেতনা বৃদ্ধিতে ও নকল বন্ধে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করে। এই উদাহরণ টানার উদ্দেশ্য হচ্ছে, কোনটা আসল আর কোনটা নকল ইসলাম সেই বিতর্কের সূত্রপাত ও ধারাবাহিকতা নিয়ে। ইসলাম নিয়ে এই আলোচনা তখনই জোরালো হয়, যখন ধর্মের নামে কোথাও বড় কোন অঘটন ঘটে। পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশের পর ইসলামী জঙ্গীরা যখন অভিন্ন কায়দায় ঢাকার একটি রেস্ট্রুরেন্টে আক্রমন করে ২০ জন মানুষ কোরবানী করে তখন এই বিতর্ক আবার সামনে চলে আসে।

শিক্ষামন্ত্রীর কেবলা মস্কো থেকে মক্কা..


যে দেশের শিক্ষামন্ত্রী মনে করেন ইসলাম যদি হয় একটি দেশের নৈতিক শিক্ষার ভিত্তি, তাহলে সেই দেশ হবে বিশ্ব নৈতিকতার মানদন্ডে উন্নত..! সেই আকাঙ্খায় নতুন পাঠ্যক্রমে নৈতিকশিক্ষার ভিত্তি হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে-হচ্ছে ইসলামকে! তার এই দর্শনের সমর্থন কতিপয় ইসলামিক দেশ ছাড়া বিশ্বের কোন উন্নত গণতান্ত্রিক দেশ ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে জগতে স্বীকৃত নয়।

কাজী আকরাম হোসেন- বৈরী সময়ের গল্প


সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপর্যয় ও কমিউনিষ্ট পার্টির বিভক্তিতে এই শিবিরের একটা বড় অংশ নিষ্ক্রীয় হয়ে পরলেন। অনেকে নিজেদের রাজনীতি, সমাজতন্ত্র ও সমাজপরিবর্তনের সংগ্রাম থেকে দুরে সরিয়ে রাখলেন। অনেকে অবস্থান গ্রহন করলেন এই আকাঙ্খা ও সংগ্রামের বিপরীত দিকে। আমরা যারা সেই সময়ে এই সংগ্রামের পক্ষে নিবেদিত, তখন দেখেছি-পেয়েছি এই সংগঠনের অনেক সুবিধাভোগী মানুষের অচেনা আচরণ ও অসহযোগিতা। একদিকে পারিবারিক ও সামাজিক পরিস্থিতির প্রতিকূলতা, অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নানা অপপ্রচার, সেই সময়টিকে আরও জটিল করে তুলছিল। সেই বৈরী সময়ে হাতেগোনা যে কয়েকজন মানুষ আমাদের সাহস ও প্রেরণা ছিলেন তাদের অন্যতম একজন, বাংলাদে

ব্লগারদের বিতর্ক ও বিভক্তি, লাভবান কে?


লেখা-লেখি, জ্ঞান-বিজ্ঞান-দর্শনের জগতে আলোচনা-সমালোচনা ও তর্ক-বিতর্ক একটি স্বীকৃত ও গ্রহনযোগ্য বিষয়। যার মাধ্যমে আমরা নিজেদের উন্নত ও পরিশিলিত করতে পারি। কিন্তু সেটা করতে যেয়ে কেউ কেউ বিষয়টিকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যান, তা হয়ে দাড়ায় ব্যক্তিগত আক্রমন ও নোংরা কথাবার্তা..! সেটা খুবই অস্বস্তিকর ও দুঃখজনক। নিজেদের সভ্য, ভদ্র, উদার, বিনয়ি, জ্ঞানী, উন্নত, মানবিক, সংস্কৃতিবান, সহনশীল, রুচিশীল ও দায়িত্বশীল মনে করেন কিন্তু তাদের কারো কারো প্রকৃত আচরণ ও তার প্রকাশ এর বিপরীত।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মঞ্জুরে খোদা টরিক
মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 15 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 4, 2016 - 11:59পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর