নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল
  • লুসিফেরাস কাফের

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ব্লগ

ছাত্রলীগ ছাত্রআন্দোলনে বপন করল অবিশ্বাসের বীজ!


তারাই সবচেয়ে বড় মূর্খ, যারা নিজেদের চালাক ভাবে কিন্তু অন্যদের ভাবে নির্বোধ!
যে সেনাপতি প্রতিপক্ষকে দূর্বল ভেবে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়, তার পরাজয় নির্ঘাত!!

--------------------------------------------------------
ছাত্রলীগ ছাত্রআন্দোলনে বপন করল অবিশ্বাসের বীজ! যে কারণে কথাগুলো বলছি,

তারপরও বলতে হবে শিক্ষার উন্নয়ন..?


কোন দলান্ধ ব্যক্তি ছাড়া, বাংলাদেশে কেউ বলবে না যে সবকিছু ঠিকঠাক মত চলছে। আর মাত্র ৩ বছর পর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি উদযাপিত হবে। এই ৫০ বছরে শিক্ষার মত একটি অতি মৌলিক বিষয়কে আমরা একটি কাঠামোর মধ্যে দাড় করাতে পারিনি। ঠিক করতে পারিনি, শিক্ষার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। এবং তার সাথে সঙ্গতি রেখে একটি শিক্ষাব্যবস্থা। অথবা যে শিক্ষাব্যবস্থা আছে সেখানেও কোন সৃংখলা আনা যায়নি, যা আছে সেখানেও তৈরী হচ্ছে নিয়ত বিশৃংখলা ও নৈরাজ্য!

সিকি শতাব্দী পেরিয়ে ৯০'র গণআন্দোলন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি, নিখাদ সন্ধ্যা ছাড়া আর কি?


তারুণ্যের একটা ভাষা আছে। আছে আলাদা একটা মাত্রা। কিন্তু সেই ভাষা ও মাত্রাও সব তারুণ্য ধারন করে না। অনেকে করে। আমাকে-আমাদের করেছিল। সেই তারুণ্য সন্ধি ও আত্মসমর্পনের ছিল না, ছিল আপোষহীন ও বেপরোয়া। ছিল দারুণ দূর্বার, তুমুল তুখোর! ছিল চোখে আগুন, বুকে বারুদ আর মুঠে প্রচন্ড ঘৃনা ও প্রতিবাদ। যে স্পর্দ্ধিত তারুণ্য লড়েছিল নিরস্ত্র এক বিশ্ব ব্যহায়া সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে! সে এক রক্ত হিম করা গল্প! সিকি শতাব্দী পার হয় যে গল্পের! সেকি কেবলি গল্প নাকি এক দুস্বপ্নের রুপকথা?

প্রশ্নঁফাস ও নকল-কোচিং বন্ধে পরীক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন জরুরী..


প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নকল বন্ধ, কোচিং বাণিজ্য দূর করতে, পরীক্ষাপদ্ধতির আমুল পরিবর্তন দরকার।
কেন প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়? কেন নকল হয়? কেন কোচিং বাণিজ্য বন্ধ হয় না? কারণ শিক্ষার্থীর মাথায় একটি বিষয়ই সেই সময় কাজ করে তা হচ্ছে, কোন মূল্যে তাকে কৃতকার্য হতেই হবে, ভাল করতেই হবে! সারাবছর সে স্কুল-ক্লাসে যাই করুক না কেন চুড়ান্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই বিষয়টি নির্ধারিত হবে। এই মনোভাবই ছাত্রদের বেপরোয়া করে এবং অনৈতিক পথে পা বাড়ায়। আর একশ্রেণীর সুযোগসন্ধানী এই অবস্থার সুযোগ নেয় এবং বাণিজ্য করে।

প্রতিবছর বই ছাপার দরকার নেই, সে টাকায় শিশুদের খাবার দিন..


নতুনবছর মানেই শিক্ষামন্ত্রী আবার প্রস্ততি নিচ্ছেন, ছেলেমেয়েদের মাঝে নতুন বই বিতরণের। অনেক অনিয়মের মধ্যে এটাও একটা সাফল্য যে, নিয়ম করে ঠিক সময়ে শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়। এর সাথে যুক্ত আছে প্রকাশনা শিল্প, শ্রমশক্তি ও বিশাল পুঁজি। কিন্তু প্রতিবছর একই বই ছাপাতে তো অনেক অর্থের দরকার হয়। এর কি কোন বিকল্প ব্যবস্থা নেই? শিক্ষার সীমিত বাজেটের বিপুল অর্থ প্রতিবছর খরচ না করলেই কি নয়? কিন্তু এ কাজের সাথে যুক্ত যে আমলাতন্ত্র, তারা কি সহজেই এ কাজটা করবে?

ছাত্র রাজনীতির কর্মকান্ডে পরিবর্তন আনতে হবে


ছাত্ররাজনীতি ও আন্দোলনের বিষয়টি একটু বাজার অর্থনীতি ধারার আলোচনার মাধ্যমে বুঝতে চেষ্টা করি। বাজারে যদি কোন পণ্যের চাহিদা না থাকে তাহলে তার বাজারজাত করা অত্যন্ত কঠিন। সে রকম পরিস্থিতিতে যদি কোন পণ্য বাজারজাত করতেই হয়, তাহলে প্রথমে তার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী করতে হবে। একটি নেতিবাচক বাজার বাস্তবতায় চাহিদাহীন কোন পণ্যের বাজারজাত করতে- অতি উপযুক্ত ও সুদক্ষ প্রতিনিধি দরকার, যে তার পণ্যের চাহিদা তৈরী করবে, বাজার সম্প্রসারণ ও স্থীতিশীলতা তৈরী করবে।

বাজেট, উচ্চশিক্ষার ভ্রান্তনীতি, সদিচ্ছাই অর্থায়নের সমাধান


ভূমিকাঃ আর কয়েকদিন পরেই অর্থমন্ত্রী সংসদে বাজেট উত্থাপন করবেন। তার অংশ হিসেবে এক প্রাকবাজেট আলোচনায় তিনি ঘোষণা করেছেন, সরকারী উচ্চমাধ্যমিক কলেজ, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেতন ৫ গুন বৃদ্ধি করবেন! এই ঘোষণার পর শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠন ও শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের কোন প্রতিক্রিয়া দেখলাম না! বিভিন্ন সময় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন অস্বাভাবিক বেতন-ফি বৃদ্ধি করা হয়, তখন ছাত্রসমাজ এর প্রতিবাদ করে। এবং ছাত্রদের আন্দোলন-সংগ্রামের গতিপ্রকৃতি দেখে সরকারও তার কৌশল ও অবস্থান পরিবর্তন করে!

কওমীর শিক্ষা ও পাঠ্যক্রমের পর্যালোচনা - ১



বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ “সাধারণ শিক্ষার ধারায়” বাংলাভাষাতেই সব বিষয়ের শিক্ষা দেয়া হয়। সেখানে একটি বিদেশী ভাষা ইংরেজী বাধ্যতামুলক হিসেবে আছে। এই ভাষার সাথে দেশের প্রশাসনিক কাজকর্ম, ভিন্ন ভাষার জ্ঞানঅর্জন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার, বৈদেশিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি যুক্ত। ভাষা ও শিক্ষার এই কাঠামোর ব্যবহারিক বিষয়টি দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বীকৃত। আর ইংরেজী মাধ্যমের শিক্ষায় তারা ইংরেজী ভাষার মাধ্যমে বিদেশী সিলেবাস অনুসরণ করে লেখাপড়া করে। সেখানে প্রধানত একটি ভাষার মাধ্যমেই লেখাপড়া শেখানো হয়। তারমানে উভয় ধারাই প্রধানত একটি ভাষাকেই তাদের শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। তাতে কি তাদের জ্ঞানঅর্জনে কোন ঘাটতি ও অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে? তারমানে এই নয় যে, ইংরেজী মাধ্যমের শিক্ষাকে সমর্থন করা হচ্ছে!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মঞ্জুরে খোদা টরিক
মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 6 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 4, 2016 - 11:59পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর