নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন
  • অপ্রিয় কথা
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আব্দুর রহিম রানা
  • ধর্ম মোহন চাকমা

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

সাইয়িদ রফিকুল হক এর ব্লগ

হে কুকুর, তোমরা ধর্ম ছেড়ে জঙ্গলে যাও


বাংলাদেশে এখন পশুদের সংখ্যা বাড়ছে নাকি আগে থেকেই যে-সব পশু ছিল তারা ক্রমশঃ ক্ষিপ্ত হচ্ছে? আমার মনে হয় দুটোই হতে পারে। কিন্তু এই দেশ তো পশুদের জন্য নির্মাণ করা হয়নি। ৩০লক্ষ তাজাপ্রাণের বিনিময়ে এই দেশটাকে স্বাধীন করা হয়েছে। হ্যাঁ, মনে রাখবেন: এখানে শুধু মানুষেরাই রক্ত দিয়েছে। আর পশুরা শুধু মানুষের রক্তই ঝরিয়েছে। কোনো পশু তো এই দেশের জন্য কোনোকিছু করেনি। তবে চারিদিকে আজ কেন পশুদের এই আস্ফালন?

আওয়ামীলীগের হেফাজতপ্রীতির কারণ এবং এর প্রতিকার


ষাট-সত্তরের দশকে আওয়ামীলীগ করতেন একদল দেশপ্রেমিক শিক্ষিত, তরুণ ও উদ্যমী মানুষেরা। আর এঁদের সকলের পড়ালেখাবিষয়ক ডিগ্রী বা শিক্ষাগত-যোগ্যতা ছিল কমপক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েশন পর্যন্ত। এঁরা সবাই ছিলেন পড়ুয়া ও ধীমান। এঁরা রাজনীতির পাশাপাশি প্রচুর পড়াশুনা করে সময় কাটাতেন। আর এঁদের প্রতিভা ছিল ঈর্ষণীয়। এঁদের মনুষ্যত্ব ও মানবতাবোধ ছিল সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য। এঁরা ছিলেন সত্যিকারের দেশদরদী-মানবতার সৈনিক।
আজ সেই আওয়ামীলীগে ঢুকেছে কিছু অর্থলোভী নরপিশাচ ও আবর্জনা। এরা সীমাহীন লোভী বলেই রাজনীতি করে শুধু এমপি-মন্ত্রী-পাতিমন্ত্রী হতে চায়। আর এরা যোগ্যনেতা কিংবা যোগ্যকর্মী হওয়ার চেয়ে অতিসহজে ও অতিদ্রুত আওয়ামীলীগ ও এর যেকোনো অঙ্গসংগঠনের বড়-বড় পদগুলো অনায়াসে দখল করে নিচ্ছে। এই চক্রটি আবার ধর্মবিশ্বাসে পাকিস্তানীভাবধারার অপআদর্শে বলীয়ান ও ওহাবী-সালাফী মতাদর্শী। আর এরা কওমীমাদ্রাসার হুজুরপন্থী।

আমি ধার্মিক দেখিনি—দেখেছি কতকগুলো আদিম-হিংস্র শূয়র! দেখতে চাইলে আসুন।


আমাদের দেশে এখন শুধু পহেলা বৈশাখ নয়—সবকিছুতেই আজকাল হিন্দুয়ানি খুঁজে বেড়াচ্ছে একটি শয়তানচক্র। আর এই শয়তানচক্রটি বাঙালি-জাতির অতীব আনন্দের পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সকলপ্রকার আচারপ্রথাসহ আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে লাগামহীন তথ্যসন্ত্রাস আর আগ্রাসন চালাচ্ছে। এই চিহ্নিত-পশুচক্রটি বাংলাদেশরাষ্ট্রের চিরশত্রু। এদের নিজস্ব কোনো ধর্ম নাই। আর এদের বাপ-দাদা-পরদাদা সবাই ছিল লোকদেখানো বা শুনে-শুনে মুসলমান! এদের বলা হয় নামকাওয়াস্তে মুসলমান। বাংলাদেশের বর্তমান স্বঘোষিত-মুসলমানরাও সেই পথেরই পথিক। বর্তমানে এরা স্বঘোষিত-আত্মস্বীকৃত-মুসলমান সেজে মানবতাবিরোধী-অপকর্মে নিয়োজিত। এরা আজ রাষ্ট্রবিরোধী ও মানবতাবিরোধী শয়তানে পরিণত হয়েছে।

মাননীয় প্রধান বিচারপতি, রাষ্ট্রের স্বার্থে আপনার সর্বোচ্চ শক্তি, সাহস ও ক্ষমতা প্রয়োগ করুন


রাষ্ট্র এখন ধর্মান্ধ-অক্টোপাসের খপ্পরে পড়তে যাচ্ছে। ধর্মের নামে ‘হেফাজতে শয়তান’ নামক অরাজনৈতিক ও সন্ত্রাসী সংগঠন অপরাজনীতি শুরু করেছে। আর এদের একমাত্র লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি হলো: যেকোনোভাবে, যেকোনোউপায়ে আর যেকোনোমূল্যে রাষ্ট্রক্ষমতাদখল করা। এরা আফগানী-তালেবানী-পাকিস্তানী পাশবিক-শাসন কায়েম করতে চায়। আপনি অবগত রয়েছেন, এরা চিরকালীন রাষ্ট্রবিরোধীঅপশক্তি। ধর্ম এদের মুখোশ মাত্র। আর ‘আল্লাহ-রাসুল’ এদের ব্যবসার আকাশে সাইনবোর্ড মাত্র। আসলে, এরা সংগঠিত হয়েছে—বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে। কারণ, এই ‘হেফাজতে শয়তানে’র জন্ম হয়েছিলো ১৯৭১ সালে—পাকিস্তানীদের ঔরসে। আর ১৯৭১ সালে, এরা পাকিস্তানী-আর্মিদের সঙ্গে কাঁধে-কাঁধ-মিলিয়ে, আর বুকে-বুক-লাগিয়ে যারপরনাই অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছিলো বাঙালির উপর। এরা সেই ‘হেফাজতে শয়তান’। আর সেই থেকে এরা আজও বাংলাদেশের সবকিছুকে ধ্বংস করার জন্য ক্রমশঃ মরীয়া হয়ে উঠেছে। আর এদের সর্বাত্মক সহায়তা করছে এদেশীয় চিহ্নিত-দালালশ্রেণী। এরা সবাই মিলেমিশে আজ বাংলাদেশরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ গিলে খাওয়ার ফন্দিফিকির করছে। আর দুঃখের বিষয় হলেও সত্য: বর্তমান সরকারও এদের খপ্পরে পড়ে গেছে। এখন জাতির ‘আশা-আকাঙ্ক্ষাপূরণে ও ভাগ্যরক্ষার ক্ষেত্রে’ আইনানুগ-অভিভাবক হিসাবে দায়িত্বপালন করতে হবে আপনাকে। হ্যাঁ, শুধু আপনিই এখন জাতির প্রত্যাশাপূরণ করতে পারেন। তাই, আজ জাতির প্রয়োজনে আপনার কাছে আমাদের সবিনয় নিবেদন:

নামাজের ফজিলত বলতে গিয়ে ইমামসাহেব কী ভয়ংকরভাবে খুনীদের পক্ষ নিলেন!


“ঘটনাটা মুসা আ.-এর যুগের। একদিন মুসা আ. হয়তো কোথাও যাচ্ছিলেন। এমন সময় তার কাছে একটি মহিলা আসলো। একে ঠিক মহিলা বলা যায় না। সে ছিল যুবতী। সে মুসার কাছে এসে বললো, “হে আল্লাহর নবী, আমি একটি পাপ করেছি। এখন আপনি আল্লাহকে বলে আমার পাপমোচন করে দিন।”
একথা শুনে মুসা নবী সেই যুবতী মহিলাটিকে বললেন, “তুমি কী পাপ করেছো তা আগে আমাকে বলতে হবে।”
এতে সেই যুবতী মহিলা বললো, “আমি আমার পাপের কথা বলে আর-কাউকে সাক্ষী বানাতে চাই না। আমি আপনাকে একথা বলতে পারবো না।”

দেশে কি এখন সরকার আছে? থাকলে এই শয়তানদের কেন গ্রেফতার করা হয় না?


ইউটিউব ঘাঁটতে-ঘাঁটতে পেয়ে গেলাম কয়েকটি ভয়ংকর ভিডিও। এগুলো দেখে আমার মনে হলো: কতকগুলো আদিম-হিংস্র শূয়র খোঁয়াড় ভেঙ্গে আমাদের লোকালয়ে এসে পড়েছে। কী ভয়ংকর এদের চেহারা! আর কী উগ্র ও হিংস্র এদের কথাবার্তা! এরা নিজদেশে থেকে খেয়ে-পরে সেই দেশকে পদাঘাত করছে, আর সাধারণ মূর্খ-মুসলমানদেরও তা-ই করতে বলছে! এদের ধৃষ্টতা, বেআদবি আর শয়তানীর যেন কোনো শেষ নাই! এরা ইসলামের নাম-ভাঙ্গিয়ে নিজেদের নাজায়েজ-শয়তানী কথাবার্তাকে আজ কুরআন-হাদিসের কথা ও ব্যাখ্যা বলে অপপ্রচারের দুঃসাহস দেখাচ্ছে! এদের বক্তব্য শুনে ও আচার-আচরণ দেখে আমার মনে হলো: দেশে কি এখন সরকার আছে? থাকলে কোথায়? আর থাকলে এই শয়তানদের কেন গ্রেফতার করা হয় না?

আপনি বাঙালি হলে পহেলা বৈশাখে সাড়া দিন। আর এই কাটমোল্লা-শূয়রদের মুখে থুথু নিক্ষেপ করুন।


আপনি বাঙালি কিনা নিজেকে আগে একবার প্রশ্ন করুন। আর উত্তরটা কিন্তু ঠিক-ঠিক দিবেন। জোর করে নিজেকে বাঙালি বানানোর চেষ্টা করবেন না। আপনার মতো জোর করে ‘বাঙালি-সাজা’ অবাঙালি-লোকের আমাদের কোনো প্রয়োজন নাই। কারণ, আমাদের দেশে এখনও অনেক বাঙালি আছে। আর আপনি যদি এই বাংলায় জন্ম নেওয়া বাঙালি হয়ে থাকেন—তাহলে, বাঙালি-জাতির সর্বাপেক্ষা বৃহৎ-আনন্দ-উৎসব ‘পহেলা বৈশাখপালন’কে একশ’ভাগ হালাল-জায়েজ ও বৈধ জেনে এই আনন্দে শামিল হন। দেখবো আপনি কতবড় বাঙালি!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি ৩০লক্ষ শহীদের রাষ্ট্রকে অপমান করেছেন


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পৃথিবীর প্রায় সকল সভ্যরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ-বিচারালয়ের সামনে “ন্যায়-বিচারের প্রতীক” হিসাবে স্থাপন করা হয়েছে—‘লেডি অব জাস্টিস’-এর ভাস্কর্য। এটিকে কেউ গ্রীকদেবীর মূর্তি হিসাবে রাখেনি। আর মনে রাখবেন: এটি কোনো মূর্তি নয় ভাস্কর্য। আর আমাদের দেশের সর্বোচ্চ-বিচারালয়—সুপ্রীমকোর্ট-চত্বর থেকে সেই ভাস্কর্য সরাতে চাইছেন “হেফাজতে শয়তানে”র কথায়—আর তাদের শয়তানীদাবির প্রেক্ষিতে! আর এই অন্যায়কর্মটি সম্পাদনের জন্য আপনি দেশের ‘প্রধান বিচারপতি’র উপর চাপসৃষ্টি করতে চাইছেন! কিন্তু কেন? কার স্বার্থে? হেফাজতে শয়তানদের স্বার্থে? এই ‘হেফাজতে শয়তানরা’ এই দেশের কে?

চরমোনাইয়ের ভণ্ডপীর এখন মাছের পেটে! (ছবি ও ভিডিওলিংকসহ)


নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে এই দেশে ধর্মপ্রিয় মানুষের সংখ্যা অনেক। আর এদের দুর্বলতার সুযোগে এই দেশে রাতারাতি ভূঁইফোঁড়ের মতো গজিয়ে উঠছে একশ্রেণীর পীর। এখানে, ধর্মচাষ করা খুব সহজ। আসলে, ধর্মচাষ করে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়াটা অধিকতর সহজসাধ্য। তাই, এখানে পীরালী-ব্যবসাটাও খুব জমজমাট। এরা নিজেদের স্বার্থে যখন-তখন ধর্মের অপব্যাখ্যা দিতে পারে এবং তা দিয়েও থাকে। আর এব্যাপারে তারা সিদ্ধহস্ত। এই দেশে এখন হারিকেন জ্বালিয়ে খুঁজলেও হাতেগোনা কিছুসংখ্যক মানুষ ছাড়া ধার্মিক খুঁজে পাওয়া খুবই দুঃসাধ্য কাজ।

“সাকিব-অপু’র গোপন-বিয়ে” একটি ছিঃনেমা নাকি বাস্তব-ঘটনা?


সিনেমা মানে অভিনয়শিল্পীদের দ্বারা ছায়াছবিপ্রদর্শন। আর সেখানে নায়ক, নায়িকা, ভিলেন ও পার্শ্বচরিত্রসহ আরও কতকগুলো জীবন্ত মানুষ থাকে। এরা চলচ্চিত্রের অভিনেতা-অভিনেত্রী। সিনেমার প্রয়োজনে এরা একেকজন একেক-পদে অভিনয় করে থাকে। কিন্তু অভিনয়-জগৎ আর বাস্তবজীবন কখনও এক নয়। তবে আমাদের এও মনে রাখতে হবে যে, সিনেমা কখনও বাস্তবজীবনের বাইরের কোনোকিছু নয়। আর এখানে সবসময় ‘অবাস্তব-কাল্পনিক’ কোনোকিছুর অবতারণা করা সমীচীন নয়। যারা চলচ্চিত্রশিল্পী তাদের প্রত্যেকেরই পরিবার রয়েছে। আর এদের উদ্ভব ও বিকাশও হয়েছে স্ব-স্ব পরিবারের হাত ধরে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Online
Last seen: 40 min 1 sec ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর