নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

সাইয়িদ রফিকুল হক এর ব্লগ

রোহিঙ্গাইস্যু এবং বাঙালি-মডারেট-মুসলমানদের কতিপয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও তাদের স্বরূপ


নামধারীমুসলমানশ্রেণীটির সঙ্গে আধুনিক চিন্তাভাবনার অধিকারী মডারেট-মুসলমানদের খুব একটা পার্থক্য নাই। তবে এরা সবসময় ইনিয়েবিনিয়ে ইসলামের নামে শয়তানী করতে ভালোবাসে। আর এদের অধিকাংশই সমাজের ধনিকশ্রেণী তথা আত্মস্বীকৃত-অভিজাতশ্রেণী। এদের অনেকেই আবার সমাজের ও রাষ্ট্রের পাওয়ার এলিট। কিন্তু চিন্তাচেতনায় ও মন্যুষত্বের পরিচয়ে এরা সাধারণ, মূর্খ, গোমরাহ ও ধর্মান্ধ মুসলমানদেরই প্রতিনিধি। তবে এরা সরাসরি সবকিছুতে সম্পৃক্ত হয় না। সবসময় এরা নিজেদের সাধারণদের মতো সবকিছুতে সম্পৃক্ত করে না। এরা সবসময় কৌশলী, এবং যুক্তিপ্রদর্শনে কিছুটা সক্ষম।

বাংলাদেশের মুসলমানদের একটা বিরাট অংশ যে এখনও হিংস্র-জানোয়ার তার একটি উপযুক্ত প্রমাণ


আমরা পৃথিবীর যেকোনো নির্যাতিত মানুষের পক্ষে। আর এর বিরুদ্ধে পরিচালিত সর্বপ্রকার আগ্রাসন, বর্বরোচিত হত্যা, খুন, ধর্ষণ, গণধর্ষণসহ যেকোনো গণহত্যার বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাদের দেশে একটি অমানুষের দল রয়েছে—এরা হিন্দুদের মন্দির ভাঙ্গবে, মন্দিরে আগুন দিবে, হিন্দুরমণীদের ধর্ষণ করবে, গণধর্ষণ করবে, হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের জায়গাজমি মুসলমানীকায়দায় দখল করে নিবে, রামুতে বৌদ্ধদের উপাসনালয়ে হামলা করবে, বৌদ্ধবিহারে আগুন দিবে—তবুও এরা মুসলমান! তবুও এদের কিছু বলা যাবে না। কারণ, এরা মুসলমান! এই নামধারী-মুসলমানরাই এখন রোহিঙ্গাদের জন্য কেঁদে একেবারে আকুল! কুম্ভিরাশ্রু আরকি! তার কারণ, এরা ষড়যন্ত্রকারী। এদের রোহিঙ্গাপ্রীতিও সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে পরিচালিত। এই নামধারী-মুসলমানদের মনে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোনো মানুষের জন্য সামান্যতম মায়ামমতা নাই, অন্যধর্মের মানুষের প্রতি বিন্দুমাত্র ভক্তিশ্রদ্ধা নাই, এদের মধ্যে ন্যূনতম মানবতাবোধ নাই—সর্বোপরি এদের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্বও নাই। তবুও এরা মুসলমান!

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘একরাত্রি’ গল্পের নায়ক ভাঙ্গা-স্কুলের সেকেন্ড মাস্টার


একজন স্বপ্নাতুর তরুণের কাহিনী এখানে করুণভাবে বিধৃত হয়েছে। একেবারেই গ্রামের ছেলে সে। কিন্তু তার স্বপ্ন ছিল বড়। সে কালেক্টর সাহেবের নাজির হতে চেয়েছিলো, সেরেস্তাদার হতে চেয়েছিলো, আর তা না পারলে সে আদালতের হেডক্লার্ক হতে চেয়েছিলো। একসময় সে ইতালির জাতির জনক মাটসিনি গারিবালডির মতো নেতাও হতে চেয়েছিলো। কিন্তু সে কিছুই হতে পারেনি। সবশেষে, সে হয়েছে একটা ভাঙ্গা-স্কুলের সেকেন্ড মাস্টার। আর এইখানে এসেই তার জীবনের মোড় ঘুরে গেছে।

একাত্তরে বাংলাদেশে কোনো মুসলমান দেখি নাই। এখন হঠাৎ এতো মুসলমানিত্ব!


১৯৭১ সালে, পাকিস্তানীহানাদারবাহিনী জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-নির্বিশেষে মানুষহত্যা করেছিলো। পাকিস্তান ওদের বাপ হয়। ওরা ওদের বাপের পক্ষে ছিল। আর তা এখনও-তখনও। তাই, ইসলামের ধ্বজাধারীদালালগুলো সেদিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো কথা তো বলেইনি বরং পাকিস্তানের পক্ষে এরা লড়াই করেছিলো। আজ মিয়ানমারে ‘বার্মিজ-আর্মি’ কর্তৃক রোহিঙ্গামুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে এদের বুকটা একেবারে ফেটে যাচ্ছে। পারলে এরা এখনই একদৌড়ে সীমান্ত পার হয়ে আরাকান-রাখাইন-রাজ্যে ছুটে যায় জিহাদ করতে! এমনই অবস্থা এদের।

রোহিঙ্গানির্যাতন-ইস্যুতে কি বাংলাদেশ ভয়ংকরভাবে অপরাজনীতির ও ষড়যন্ত্রের শিকার হতে যাচ্ছে?


বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও পার্বত্যচট্টগ্রাম অঞ্চলটি ভয়ানক দুর্গম এলাকা। বিশেষ করে আমাদের পার্বত্যচট্টগ্রাম-জেলাটি ভয়ংকর এলাকা। আর এখানে যেকোনো অপশক্তির ঘাঁটি তৈরি করাটা খুব সহজ। তাই, সাধারণ রোহিঙ্গাদের সঙ্গে অনুপ্রবেশকারী-জঙ্গিরা এখানে পাকিস্তানের আইএসআই ও ইরাকভিত্তিক আইএস-এর সহযোগিতায় ও নির্দেশক্রমে বাংলাদেশবিরোধী ঘাঁটি গড়বে নাতো? আর এব্যাপারে তাদের সর্বাত্মক সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারে পাকিস্তান ও চীন। আর অর্থসরবরাহ করবে শয়তানের আরেক তাঁবেদাররাষ্ট্র সৌদিআরব। কাজেকাজেই বিষয়টি এখনই জরুরিভিত্তিতে ভেবে দেখার মতো।

নরসিংদীতে নিরীহ ও নিরপরাধ হিন্দু-কিশোর ভয়ংকরভাবে পুলিশীনির্যাতনের শিকার


(সবার মাঝখানে বসা পুলিশ সুপার আমেনা বেগম)

দীপ্তি ভৌমিককে হত্যা করেছে একটি নরপশুগোষ্ঠী। অথচ, পুলিশ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য নিহতের একমাত্র পুত্রকে এই মামলার প্রধান আসামী বানিয়ে তার উপর অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে নরসিংদী-জেলার বিভিন্নস্থানে তথা প্রেসক্লাবের সামনে সাধারণ মানুষজন মানববন্ধন ও বিভিন্নরকম প্রতিবাদ-সমাবেশ করেছেন। তারা পুলিশীনির্যাতন থেকে প্রীতম ভৌমিককে রক্ষার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ এতে কোনো কর্ণপাত করছে না। তারা নিজেদের স্বার্থে প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করছে।

আমাদের চলচ্চিত্র-নায়ক সালমান শাহ ভয়ানক ষড়যন্ত্রের শিকার। কয়েকটি ষড়যন্ত্রের নমুনা


আজ থেকে ২১ বছর আগে একটি কুচক্রীমহল তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আজও হয়নি। আর বিচার যে হবে তারও কোনো নিশ্চয়তা নাই। রাষ্ট্রের সবখানে এখন হত্যাকারীরা সক্রিয় ও শক্তিশালী। এরা নাকি সমাজের এলিটশ্রেণী! এরা এখন সকলের ধরাছোঁওয়ার বাইরে। সালমান-হত্যাকারীরা আগের মতো এখনও এই মামলাটিকে ‘আত্মহত্যা’ বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আর তাই, অভিযুক্তরা এখনও ঘরে-বাইরে খুব স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে।

রোহিঙ্গা-ইস্যুতে ইসলামের দেশ সৌদিআরব নীরব কেন?


মিয়ানমারের রোহিঙ্গামুসলমানদের উপর এতো যে অত্যাচার-নির্যাতন তবুও চুপচাপ বসে রয়েছে ইসলামের দেশ সৌদিআরব। তাদের মুখে যেন কুলুপ আঁটা! কিন্তু এব্যাপারে বিশ্বের মাত্র কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সরব হতে দেখা গেছে। অন্যান্যরা নিজেদের স্বার্থনেশায় ডুবে রয়েছে। তবে যারা মানবতাবাদী তারা এব্যাপারে যথেষ্ট সোচ্চার হয়েছেন। এমনকি (একটি খবরে দেখেছি) ভ্যাটিকান-সিটির পোপ জন পল পর্যন্ত নাকি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাঁর প্রতিবাদপ্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গামুসলমানদের উপর নির্যাতন বন্ধেরও আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু তবুও কথা নাই ইসলামের দেশ বলে খ্যাত সৌদিআরবের মুখে। কিন্তু কেন? সৌদিআরবের দৃষ্টিতে রোহিঙ্গামুসলমানরাও কি শিয়া? নাকি এরাও ইয়েমেন-সিরিয়ার নাগরিক? নাকি এখানে সৌদিআরবের কোনো স্বার্থ নাই? নাকি এখানে, সৌদিআরবের আরও বড়সড় কোনো শয়তানী ও অসৎ রাজনীতি রয়েছে? কারণ, এদের চিরমিত্র আমেরিকা, চীন, পাকিস্তানও বৃহৎ শয়তানীউদ্দেশ্যে একেবারে নীরব!

রাজতন্ত্রের সৌদিআরব কেন সারাবিশ্বে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের মূলনায়ক


অনেকে মনে করে থাকে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড়সড় ঘাঁটি। আসলে, তাদের ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বর্তমানে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড়সড় ঘাঁটি হলো সৌদিআরব। আর বহু আগে থেকেই বিশ্বে সন্ত্রাস ও শয়তানীর সবচেয়ে বড় ঘাঁটি সৌদিআরব। তারা একটা সময় সরাসরি সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত হতো না—কথাটা আংশিক সঠিক ছিল। কিন্তু তারা সবসময় বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের বীজবপনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদেশকে সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করেছে, আর এখনও করছে, আর এখন তারা নিজেরাই সরাসরি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ লালনপালন করে পৃথিবীকে বিভীষিকাময় করে তুলেছে। আর এরা এসব করছে ইসলামধর্মের দোহাই দিয়ে। এরা সবসময় নিজেদেরকে ইসলামধর্মের মা-বাপ মনে করে থাকে। আর তাই, এরা নিজেদের সকল অপকর্মকে বৈধ মনে করে—আর অন্যান্য দেশের মুসলমানদের সকল বৈধ কর্মকে অবৈধ মনে করে থাকে। আর সৌদিরাজপরিবারের সদস্যরা মনে করে থাকে: তাদের কোনো পাপ নাই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলে তালেবানীশাসন!


স্বাধীনবাংলাদেশে মেয়েদের একটি হলে এইরকম একটি আজেবাজে নোটিশ তালেবানীশাসনের কথা মনে করিয়ে দেয়। এদিকে নোটিশটি নিয়ে এখন শুরু হয়েছে নানারকম টালবাহানা। হলের মহিলা প্রভোস্ট সাবিতা রহমান এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, “এটি বিকৃত-নোটিশ!” তার মানে আসল একটি নোটিশ আছে। কিন্তু সেটি কী? নাকি এটিই আসল নোটিশ! আর এখন দেশ-জনতার চাপে পড়ে অস্বীকার?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Offline
Last seen: 2 ঘন্টা 54 min ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর