নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রুদ্র মাহমুদ
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক
  • বেহুলার ভেলা
  • নিটোল আরন্যক
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সুজন আরাফাত

নতুন যাত্রী

  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের
  • একজন সত্যিকার হিমু
  • চক্রবাক অভ্র
  • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর

আপনি এখানে

সাইয়িদ রফিকুল হক এর ব্লগ

ফেসবুকে এখনও ‘রোহিঙ্গানির্যাতন’-এর ছবি এবং বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক-অপশক্তির অপরাজনীতি


বর্তমানে অং সান সুচী নামক যে নেত্রী আছে—সে বার্মার সামরিকজান্তাদের তল্পিবাহক। আর সুচীদের অনুমোদনেই বার্মার সেনাবাহিনী রাখাইন-রাজত্বপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নৃগোষ্ঠীকে নির্যাতন করছে। আবার অনেকে বলেছে, এদের চিরতরে বার্মা থেকে বিদায় করতে চাচ্ছে। এই ঘটনার কিছুটা সত্যতা রয়েছে। আর মিয়ানমারে কিছুটা রোহিঙ্গানির্যাতন হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের কিছুসংখ্যক দালাল ও একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীবংশজাত-কুচক্রীমহল যা-বলছে তা আদৌ সত্য নয়। এরা রোহিঙ্গানির্যাতনকে সারাবিশ্বের ইস্যু হিসাবে দাঁড় করানোর জন্য নিজেরা ঘরে বসে যে যেখানে যে-সব আজেবাজে ছবি বা মানুষহত্যার ছবি পাচ্ছে তা-ই নিয়ে অপপ্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আর তারা সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে এগুলোকে বার্মার রোহিঙ্গানির্যাতনের ছবি বলে অপপ্রচার করছে। এদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। এরা সাম্প্রদায়িকপশুশক্তি।

পাকিস্তানে ছিল এক জিন্না। আর এখন স্বাধীনবাংলাদেশে অসংখ্য জিন্না!


এখন বাংলাভাষার অনেক শত্রুও লোকদেখানো ও স্বার্থসিদ্ধির-আনুষ্ঠানিক ভাষাপ্রেম দেখানোর জন্য শহীদমিনারে গিয়ে বেদীতে ফুল দেয়। তারপর ছবি তুলে কিংবা বিশাল একটা ভিডিও করে বাসায় ফিরে আসে। তারপর এগুলো দিয়ে ব্যবসা করে খায়। অনেক ভণ্ড এখন শহীদমিনারে গিয়ে ফুল দিচ্ছে। অথচ, এদের মনের মধ্যে বাংলাভাষার প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ নাই। এদের মনে যদি বাংলাভাষার প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ থাকতো—তাহলে, বাংলাভাষা কি এতোদিনেও বাংলাদেশে উপেক্ষিত থাকতো?

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীগোষ্ঠী-চরমোনাইপীরগং মক্কার জাহেলদের প্রতিমূর্তি


আরব তথা মক্কার জাহেলরা সেই সময় কোনো যুক্তিতর্ককে গ্রাহ্য করতো না। এরা নিজেদের ইচ্ছেমতো যার যা খুশি তা-ই করে বেড়াতো। আমাদের দেশের একশ্রেণীর স্বঘোষিত-পীর তথা ভণ্ডপীরগুলোও সেই একইপথ অনুসরণ ও অনুকরণ করছে। আর এই ধারার জাহেল ও শয়তানদের মধ্যে অন্যতম হলো চরমোনাইয়ের পীর। বর্তমান-ভণ্ডপীর থেকে শুরু করে এদের পূর্বপুরুষ পর্যন্ত সবাই পাকিস্তানের গোলামি করেছে, আর এখনও করছে। এটি এখন সর্বজন বিদিত যে, চরমোনাইয়ের পীররা একাত্তরে রাজাকার ছিল। এরা ১৯৭১ সালে, সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে এই বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার জন্য নানারকম ষড়যন্ত্র ও জঘন্য চক্রান্ত করেছিলো। কিন্তু এই শয়তানগুলো সেই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে সফল হয়নি। তারা আগের মতো এখনও বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অথচ, এই বাংলাদেশে তাদের বসবাসের কোনো অধিকার নাই। কারণ, তাদের পিতৃভূমি হচ্ছে পাকিস্তান আর পাকিস্তান।

দেশের সরকার কি হেফাজতে শয়তানের কথায় চলবে?


অতিসম্প্রতি হেফাজতে শয়তান রাজধানীর বিভিন্নস্থানে ওয়াজের নামে ও মসজিদে-মসজিদে খুব হম্বিতম্বি করছে! এদের দাবি হলো: দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীমকোর্ট-চত্বর থেকে মূর্তি-অপসারণ করতে হবে! কীসের মূর্তি! আসলে, এখানে কোনো মূর্তি নাই। এখানে, একটি ভাস্কর্য্যস্থাপন করা হয়েছে। আর এই ভাস্কর্য হলো ‘লেডি জাস্টিসে’র। আর এটি পৃথিবীর প্রায় সব সভ্য-দেশেই আছে। হেফাজতের পশুগুলো জানেও না কোনটি মূর্তি আর কোনটি ভাস্কর্য! এই হেফাজতীপশুগুলো দেশের সর্বোচ্চ আদালতপ্রাঙ্গণ থেকে আন্তর্জাতিকমানের ভাস্কর্য্য-অপসারণের জন্য সরকারকে নানারকম আল্টিমেটাম দিচ্ছে! আর এদের ধৃষ্টতা দেখে জাতি স্তম্ভিত! এইসব জাকাত-ফিতরা-সাদকাহখাওয়া লোকগুলো কী ভয়ংকর হয়ে উঠেছে, আর উঠছে! আর এদের মতো পশুদের লালনপালন করছে এই রাষ্ট্র! সরকার এদের জামাইআদরে বাংলাদেশে রেখেছে!

বাংলা একাডেমীর বইমেলায় কাটপিস, জোড়াতালি দেওয়া আর চটি-বইয়ের রাজত্ব


বাংলা একাডেমীর বইমেলা শুরু হয়েছিলো সৃজনশীল-পুস্তক-প্রকাশনার জন্য। আর একটা সময় বইমেলায় সৃজনশীল-বই-ই প্রকাশিত হতো। এখন দিনকাল বদলে গেছে। অনেক আগাছা-পরগাছাও এখন লেখক হওয়ার জন্য হন্যে হয়ে ছুটছে। লেখক হওয়ার প্রচেষ্টা দোষের কিছু নয়। কিন্তু লেখকের থাকতে হবে মৌলিক-প্রতিভা। কিন্তু এরা চৌর্যবৃত্তিতে পারদর্শী। চুরিই এদের একমাত্র সম্বল। এরা লেখক হওয়ার যোগ্য নয়। তবুও এরা জোড়াতালি দিয়ে লেখক হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। একশ্রেণীর তস্কর এখন লেখক হওয়ার সর্বাত্মক-প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর এদের মদদদাতা হচ্ছে একশ্রেণীর টাকালোভী-প্রকাশক।

একটা নরপশু কীভাবে আওয়ামীলীগের জেলা-কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হয়?


দেশে এখনও শিক্ষিত-মানুষ আছে। আর শিক্ষিত মানুষ তৈরি হচ্ছে নিয়মিত। তবুও আমাদের দেশের একশ্রেণীর রাজনীতিবিদ-নামধারী-পশু অমানুষদের দলে ঠাঁই দিয়ে জনজীবনে চরম-দুর্ভোগের সৃষ্টি করছে। আর এই নরপশুগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর হাতিয়ার হয়ে সাধারণ মানুষকে এখন ঘায়েল করতে শুরু করেছে। আর কবে যেন শুনবো—এই দেশে বনের শূয়রও নেতা-কর্মী হয়ে যাচ্ছে। এসব হতে আর বেশি বাকী নাই। বনে এখন পশুর সংখ্যা কমছে। আর বনে এখন শূয়র নাই। এখন পশু আর শূয়রের সংখ্যা বাড়ছে লোকালয়ে। আর দুনিয়ার সব শূয়র যেন বাংলাদেশে এসে জড়ো হচ্ছে। এইরকম একটা শূয়রের কাহিনীই আজ বলতে চাচ্ছি।

আমি বলছি: মসজিদের এইসব ইমাম মানুষ কিংবা মুসলমান নয়


মসজিদে ঢুকলে বোঝা যায় তর্জন-গর্জন কাকে বলে! আর মসজিদের মিম্বরে বসে মসজিদের কথিত-ইমাম মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে চেঁচিয়ে পারলে মাইকটা ফাটিয়ে ফেলে আরকি! এদের চিৎকারে ও চেঁচামেচিতে দেশের সাধারণ মুসল্লীদের আজ নাভিঃশ্বাস-অবস্থা। তবুও যেন এই দেশে আজ এসব দেখার কেউ নাই! এদের যন্ত্রণায় দেশের সহজ-সরল-ধর্মপ্রাণ মানুষ আজ অতিষ্ঠ। এইসব সস্তা-ইমামের মুখে যা-আসে এরা তা-ই বলে। এদের বিদ্যা-শিক্ষা, জ্ঞান, পড়ালেখা, সততা, আর চিন্তাভাবনা যৎসামান্য। কিন্তু এরা একেকজন কথা বলে একেকটি হিমালয়ের মতো। এরা এমনভাবে কথা বলে আর এরা মনে করে—এদের চেয়ে বেশিকিছু আর-কেউ জানে না।

বাংলা একাডেমীর বইমেলাকে এখন আর কোনোভাবেই একুশের বইমেলা বলা যায় না


বাংলা একাডেমী-প্রাঙ্গণে প্রতিবছর যে বইমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে—তা আজ আর কোনোভাবেই একুশের আদর্শ বহন করছে না। এখানে, বাংলাভাষার প্রকৃত-সম্মানপ্রদর্শনও করা হচ্ছে না। আর এখানে শুধু লাভের হিসাব করে একশ্রেণীর প্রকাশক নামক বইয়ের দোকানদার (কারওয়ান-বাজারের বিভিন্ন দোকানদার ও আড়তদারশ্রেণীর সঙ্গে এদের কোনো পার্থক্য নাই)। এরা বোঝে শুধু লাভ আর লাভ। আর তারা এখন আগেভাগে হিসাব করে নেয় কোন বই ছাপালে তাদের কত লাভ হবে? আর সে বই কে লিখলো আর না লিখলো তা নিয়ে এদের মাথাব্যথা নাই। এই বই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কার কোন কাজে লাগবে তাও এরা ভেবে দেখে না। এরা চেনে শুধু টাকা আর টাকা। এখন দেশের একশ্রেণীর আদর্শহীন ও টাকাপাগল অমানুষই প্রকাশক-সেজে আজেবাজে, আলতুফালতু, আবোলতাবোল, উদ্ভট আর ভুলেভরা বই ছেপে জাতির সর্বনাশের অপকর্মে নিয়োজিত। আর এই পাগলশ্রেণীদের নিয়েই বাংলা একাডেমী বইমেলার আয়োজনে ব্যস্ত।

এভাবে বাংলাদেশ ধর্ষিত হলে সরকার কি বাদ থাকবে?


সৌদিরা মানুষ নয়—ওরা হলো আদিমপশু। ওরা সবসময় ধর্ষণ করতে ভালোবাসে। আর ওদের ব্যভিচার-ধর্ষণ করতে খুব ভালো লাগে। এগুলো ওদের বংশীয় ঐতিহ্য। আর ওরা সবসময় নিজেদের জন্য ধর্ষণকে ‘জায়েজ’ বা ‘হালাল’ মনে করে থাকে। এইজন্য তারা ধর্মের লেবাসে হাসিমুখে আর গর্বসহকারে বাংলাদেশী-নারীশ্রমিকদের ধর্ষণ করছে। পৃথিবীতে এতোবড় জানোয়ার আর অমানুষ আর-কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এরা আজ নিজেদের শয়তানীকে জায়েজ করার জন্য ইসলামধর্মকে নিজের স্বার্থে ব্যাখ্যা করছে। আর বলছে: এসো হজ্জ করি। আর হজ্জ করলে অনেক সওয়াব। আর এর বিনিময়ে তোমাদের সমস্ত গোনাহ মাফ হয়ে যাবে!

সৌদিআরবে নারীধর্ষণ সবসময় জায়েজ!


সৌদিআরবের লোকগুলো ভালো ছিল কবে? ওদের পূর্বকালের ইতিহাস ‘আইয়ামে জাহেলিয়া’ আর বর্তমান-ইতিহাস ‘আইয়ামে মুজ্জাহেলিয়া’। অর্থাৎ, এখনকার সৌদিনাগরিকরা আরও বড় জাহেল। এরা সভ্যসমাজে চলাফেরা করার একেবারে অযোগ্য। এদের মধ্যে সামান্যতম মনুষ্যত্ব আছে কিনা সন্দেহ। এদের মাথায় সারাক্ষণ খুন-ধর্ষণ, আর ব্যভিচার ঘুরপাক খাচ্ছে। তেলের টাকার গরমে তারা নিজেদের জন্য ব্যভিচার ও ধর্ষণকে আজ জায়েজ বলে স্বীকার করে নিয়েছে, এবং তারা সুদীর্ঘকাল-যাবৎ ব্যভিচারের পথেই হাঁটছে। এরা ইসলাম বলতে বোঝে শুধু বিয়ে আর নারীসম্ভোগ। এদের জীবনে শিল্প-সাহিত্য-বিজ্ঞান প্রভৃতির কোনো কদর নাই। তেলের টাকার গরমে আজ এদের শরীর প্রচণ্ড গরম। আর এই গরমে সৌদিআরবের অধিকাংশ লোকই এখন ব্যভিচারে আসক্ত।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Offline
Last seen: 21 ঘন্টা 3 min ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 1:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর