নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জংশন
  • বেহুলার ভেলা
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রিক্ত রিপন
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

সাইয়িদ রফিকুল হক এর ব্লগ

জঙ্গির আগা কেটে গোড়ায় পানি ঢাললে লাভ হবে?


এই দেশে বর্তমানে জঙ্গিদের আগা কেটে গোড়ায় নিয়মিত পানি ঢালা হচ্ছে। এই কথাটি শোনামাত্র হয়তো কেউ-কেউ রাগান্বিত হতে পারেন। আবার অনেকেই সমর্থনও করবেন—এও জানি। আমাদের দেশে বর্তমানে জঙ্গিদমনের নামে মাঝে-মাঝে বিভিন্নরকমের বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালিত হয়। আর এতে মাঝে-মাঝে দেখি দুই-চারজন জঙ্গি ক্রসফায়ারে মারাও যাচ্ছে। আসলে, এগুলো জঙ্গিদমনের নামে এই দেশে আগাছার মতো গজিয়ে ওঠা জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষের সামান্য কয়েকটি আগা বা ডালপালা কেটে এর গোড়ায় পানি ঢালা। এভাবে, মাঝে-মাঝে দুই-চারজন জঙ্গি মারলেই জঙ্গিদমন হয় না। এজন্য দেশের ভিতরে জঙ্গিউৎপাদনে সমস্ত বিষবৃক্ষের শিকড় কেটে বা এই বিষবৃক্ষ শিকড়সুদ্ধ উপড়ে ফেলতে হবে। আসুন, আমরা এবার এই দেশের জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষগুলোকে চিনে নিই।
বাংলাদেশে জঙ্গি নামক জঙ্গিউৎপাদনকারী-বিষবৃক্ষের শিকড়গুলো হচ্ছে—

মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান আর সৌদিআরবের কী এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র!


১৯৭১ সালের জুলাই-মাসের দিকে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধপরিচালনা শুরু করে বাংলাদেশমুক্তিবাহিনী। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে পাকিস্তানীহায়েনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় বাঙালির মরণপণ লড়াইসংগ্রাম। আর তখন থেকেই পরাজয়ের স্বাদ নিতে শুরু করে পাকিস্তানীনরখাদকরা। বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা সম্পূর্ণ গেরিলা-কায়দায় মুক্তিযুদ্ধপরিচালনা করে পাকিস্তানীহায়েনাদের মনে ভীতিসঞ্চার করতে থাকে। একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে পাকিস্তানীরা যুদ্ধ করার মনোবল হারিয়ে ফেলে। আর ৬ই ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বাহিনী সরাসরি আমাদের মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে মিলেমিশে মিত্রবাহিনী গঠন করে পাকিস্তানীহানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে পাকিস্তানীরা পালাতে থাকে। আর এরই আগে পরে শুরু হয় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীঅপশক্তির নতুন ষড়যন্ত্র। এখন সেই কাহিনীই বলছি:

বাংলাদেশে মানব-ইতিহাসের নিকৃষ্ট, নির্লজ্জ ও ঘৃণ্যপন্থায় ইয়াবাপাচার (নারীর যৌনাঙ্গে ইয়াবাপাচারের ভিডিওলিংকসহ)


দেশের বইবিমুখ-যুবসমাজ এমনিতে আজ রসাতলে যেতে বসেছে। তার উপরে নতুন করে আঘাত হেনেছে জীবনীশক্তিধ্বংসকারী এই ইয়াবা। এর ছোবলে দেশের যুবসমাজ ধীরে-ধীরে অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যেতে বসেছে। আমরা দেখতে পাই আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলারক্ষাবাহিনী অনেক ইয়াবা-ব্যবসায়ীকে মাঝে-মাঝে গ্রেফতার করছে। কিন্তু এতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এক্ষেত্রে সবসময় সম্পূর্ণ ধরা-ছোঁওয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে একটি প্রভাবশালীচক্র—গডফাদারগোষ্ঠী। এবার এদের গ্রেফতার করতে হবে।

মেয়েটি মসজিদের মক্তবে কুরআন পড়তে গিয়েছিলো। তারপর...


অনেক কষ্টে তাকে শান্ত করা হলো। মসজিদের সামনে মানুষের প্রায় ঢল নামলো। আর সবাই জানলো: এই মসজিদের ইমামসাহেবের ছেলে আজ মক্তবে পড়াতে গিয়ে দশ-এগারো বছরের একটি সুন্দর মেয়েকে মসজিদের উপরে ‘হুজরাখানায়’ নিয়ে আপত্তিকর কিছু করতে চেয়েছিলো। কিন্তু মেয়েটির চিৎকারে সে (ওই পাতিহুজুর) মেয়েটিকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে।
এখানে, মক্তবে পড়াতেন ইমামসাহেব নিজে। তিনি খুব ভালো লোক ছিলেন। কিন্তু তার মাদ্রাসাপড়ুয়া ফাজিল-পাস ছেলেটি ছিল ভয়ানক সেক্স-ম্যানিয়া। সে পিতার অনুপস্থিতিতে মাঝে-মাঝে মক্তবে পড়াতো। আর সেই সূত্র ধরে সে এই অভিজাত-মেয়েটিকে টার্গেট করে তাকে ভোগ করতে চেয়েছিলো। কিন্তু আজ ধরাপড়ায় এই অবস্থায়। সেও নাকি রাতের আঁধারে পালিয়ে গিয়েছিলো।

কবির কলমের খোঁচায় মড়ক লেগে ধ্বংস হোক সকল সাম্প্রদায়িক-নরপশু


এই দেশে এখন প্রায় সবাই জ্ঞানী। এদের কথা শুনলে মনে হয়—এরা কত যেন জানে! আর এরা এমন সব আজগুবি-কথা বলে যে তা শুনলে মনে হবে—এরা কোনো বিজ্ঞানী! আসলে, এইসব অপদার্থের কথার কোনো মাথামুণ্ডু নাই। এরা এমনই গোমূর্খ! কিন্তু ভাব দেখাবে সবজান্তার। অনেকে আবার ‘ইউটিউব’ দেখে-দেখে জ্ঞানী! এখানে, সস্তা কতকগুলো বাঁদরের কথাবার্তা কিংবা সস্তা-লোকের সস্তা-ওয়াজ-নসিহত শুনে এরা এখন সবজান্তা। কিন্তু এই পাষণ্ডগুলো জীবনে একটিবারের জন্যও একটি ভালো-বই কিনবেও না, আর তা পড়বেও না। এদের প্রধান খাদ্য ও আকর্ষণের বিষয় হলো—এদেশীয় কিংবা বিদেশী সস্তা-টিভি-চ্যানেলগুলো। এরা এসবকেই তাদের জীবনের সবকিছু জানার একমাত্র হাতিয়ার, মাধ্যম বা উপকরণ মনে করে থাকে। এগুলো দেখে নানারকম মূর্খের সস্তা-কথাবার্তা শুনে এরা দিন-দিন আরও বেশি মূর্খ হচ্ছে। আরও বেশি জাহেল কিংবা অজ্ঞ হচ্ছে। আর তারা এখানকার জাহেলদের ওয়াজ-নসিহত শুনে কথায়-কথায় মানুষকে বলছে—কাফের, নাস্তিক, মুরতাদ! তবুও এরা মানুষ হওয়ার জন্য জ্ঞানের আধার বইপুস্তক পড়বে না। তবুও এরা কবিতা পড়বে না, গল্প পড়বে না, প্রবন্ধ পড়বে না, আর ভ্রমণকাহিনী পড়বে না। এরা এমনই এক অধম আর নরপশু।

বাংলাদেশে কোণঠাসা-জঙ্গিরা নিরাপদ-আশ্রয়ের সন্ধানে ভারতে পালাচ্ছে। এতে ভারতে ব্যাপক তোলপাড়!


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের জঙ্গিদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাবাহিনীর বিশেষ অভিযান চলছে। আর ভিতরে-ভিতরে চলছে সাঁড়াশি অভিযান। এতে দেশের চিহ্নিত-জঙ্গিগুলো দিশেহারা ও কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। আর এরা নিজেদের অস্তিত্বরক্ষার প্রয়োজনে সাময়িকভাবে গা-ঢাকা দিচ্ছে কিংবা নিজেদের শয়তানীশক্তিবৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবেশীদেশ ভারতে আশ্রয়গ্রহণ করছে। আর এব্যাপারে তারা ব্যবহার করছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ আসাম-ত্রিপুরার বিভিন্ন করিডোর।

আমায় তুমি দিচ্ছো গালি


যুক্তিকথায় হেরে তুমি
বলছো আমায় নাস্তিক!
তোমার চেয়ে ভালোমানের
আছি আমি আস্তিক।
তোমার আছে মোটা বুদ্ধি
নাই যে কোনো যুক্তি,
তাইতো দেখি গালি দিয়ে
চাচ্ছো পেতে মুক্তি।
আমায় তুমি দিচ্ছো গালি
শুধু নিজের স্বার্থে,
মানুষখুনী-পশু তুমি
কাজ তো নাই পরার্থে!
সত্য বলার চেষ্টা করো
যুগ-জামানার পশু,
গায়ের জোরে গালি দিয়ে
লাভ হবে না কিছু।

হোলির সামান্য রঙে তোমাদের কলজে জ্বলে যায়! আর মানুষের রক্ত দেখে আসে জিহাদী-জোশ!


আমাদের মনে রাখতে হবে: আমরা যদি কারও রঙের হোলিকে মন্দ ভেবে নানারকম আজেবাজে মন্তব্য করি—তাহলে, এর পাল্টা-ব্যবস্থা হিসাবে অন্যরা আমাদের কুরবানির গোরু-জবাইয়ের প্রক্রিয়াকে নানামন্তব্যে আক্রমণ করতে পারে। আমাদের গোরু-জবাইয়ের প্রক্রিয়া যদি আমরা ধর্ম বলে মানি— তাহলে, অন্যের রঙের হোলিকেও আমাদের মান্য করতে হবে। ধর্ম প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বিষয়। এখানে, অন্যের হস্তক্ষেপ একেবারেই বেমানান ও অনধিকারচর্চা। এইরকম ধর্মান্ধতা ও গোঁড়ামি থেকে আমাদের আজ-এক্ষুনি বেরিয়ে আসতে হবে।

তুহিন মালিকরা পাকিস্তানী-বীজের বংশধর ও নষ্ট-ফসল


বাংলাদেশে অসংখ্য বর্ণচোরা-শয়তান রয়েছে। এরা বর্ণচোরা-আমের মতো। সহজে নিজেদের স্বরূপ-উন্মোচন করতে চায় না। এরা মিডিয়ার সামনে নিজেদের সবসময় সুশীল-সমাজের প্রতিনিধি হিসাবে জাহির করতে চায়। এদের না-আছে ধর্মবোধ, আর না-আছে মনুষ্যত্ব। এরা নামে মানুষ। আর সমাজে-রাষ্ট্রে স্বার্থসিদ্ধির জন্য একেকটা গোরু-ছাগলের উপর রচনা লিখে ‘ডক্টরেট’ বা ‘পিএইচডি’ ডিগ্রী অর্জন করেছে। এই ঘরানার এদেশীয় শীর্ষ-শয়তান হচ্ছে—ড. তুহিন মালিক, ড. আসিফ নজরুল, ড. এমাজউদ্দিন, আর ড. অমুক-তমুক গোরু চৌধুরী-খান ইত্যাদি। আর এদের দলেই রয়েছে ফরহাদ মাজহারের মতো জাতীয় কুলাঙ্গার। এরা বাংলাদেশের স্বঘোষিত-লম্পট ও আত্মস্বীকৃত-বুদ্ধিজীবী!

এই বেআদবগুলো আইনজীবী হয় কীভাবে?


দেশের কালশয়তান ‘হেফাজতে শয়তান’গোষ্ঠী সুপ্রীমকোর্ট-চত্বরে সংরক্ষিত ‘লেডি অব জাস্টিস’-এর ভাস্কর্যকে গ্রীক-দেবীর মূর্তি বলে অপপ্রচার চালিয়ে তা অপসারণ করার জন্য সরকারকে কতরকম আল্টিমেটাম দিচ্ছে। আর কত হুমকিধমকি। এইসব জাকাত, ফিতরা, সাদকাহ খাওয়া লোকগুলো এখন নিজেদের এই দেশের রাজা, বাদশাহ, খলিফাহ ভাবতে শুরু করেছে। আর এই মূর্খ-বেএলেম, জাহেলগুলো জানেও না যে—এটি গ্রীক-দেবীর মূর্তি নয়। এটি একটি আন্তর্জাতিকমানের ভাস্কর্য। আর এটি পৃথিবীর সকল সভ্যরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের সামনে সংরক্ষিত রয়েছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Online
Last seen: 41 min 37 sec ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 1:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর