নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজিব আহমেদ
  • নাগিব মাহফুজ খান
  • পৃথু স্যন্যাল
  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আমি অথবা অন্য কেউ

নতুন যাত্রী

  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য

আপনি এখানে

সাইয়িদ রফিকুল হক এর ব্লগ

সাম্প্রদায়িকপশুদের ভয়ংকর থাবা!


খোঁজ নিয়ে দেখেছি, আজকাল অনেক ছেলে-মেয়েই এধরনের ভুলশিক্ষার শিকার হচ্ছে। আর তাদের পিতামাতা জেনেশুনে তাদের বিষপান করাচ্ছে। ফুলের মতো শিশুদের মানুষের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এজন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি শিশুর পিতামাতা সর্বাগ্রে দায়ী। শিশুদের কাছে এখন মনুষ্যত্বের চেয়ে ধর্মকে বড় করে দেখানো হচ্ছে। আর এদের নিয়মিত শেখানো হচ্ছে—শুধু একটা আরবি-নাম রেখে নিজেদের মুসলমান-দাবি করলেই সবকিছু হয়ে গেল! এই দেশে তোমরাই হলে সেরা! আর অন্য ধর্মের লোকদের ধর্ম ও চরিত্র কোনোটাই ভালো নয়! আজ এই হলো এই দেশের একশ্রেণীর মুসলমানের শিক্ষা।

ম্যানচেস্টার-হামলায় আবার পরাজিত হলো ধর্ম


ধর্মের শত্রু কখনও নাস্তিক নয়। আর নাস্তিকরা ধর্মের কোনো ক্ষতি করতে পারে না। ধর্মের একমাত্র আদি-আসল শত্রু হলো—এই লোকদেখানো ধার্মিকসম্প্রদায় তথা আস্তিক-ব্যবসায়ীগণ। এরাই পৃথিবীতে ধর্মের সবচেয়ে বড় শত্রু। আজকাল দেশে-দেশে তথা বিশ্বে ইসলামের নামে আত্মস্বীকৃত ধর্মবিরোধী-মানবতাবিরোধী জঙ্গিগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে—এর মূলে ভণ্ডামি। এরা আত্মস্বীকৃত জঙ্গি ও মুসলমান। এরা পৃথিবীতে আজ শুধু একাই বসবাস করতে চায়। আর অন্য ধর্মের সকল মানুষকে হত্যা করতে চায়। এর নাম অধর্ম ও পশুত্ব। আর এরই নাম পাপ ও শয়তানী।

১৯৮১ সালের ১৭ই মে রাতে সামরিকজান্তা জিয়াউর রহমান যে-কারণে খুব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিলো


কর্নেল তাহের বিপ্লবী ছিলেন। তিনি ১৯৭৫ সালের সেনাবিদ্রোহে জিয়ার জীবনরক্ষা করেছিলেন। আর জিয়াউর রহমান তার প্রতিদান হিসাবে কর্নেল তাহেরকে ঠাণ্ডামাথায় খুন করে নিজের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সামরিকশাসনের মসনদকে পাকাপোক্ত করেছিলো। জিয়া ছিল প্রতিবিপ্লবী। আর তাই, প্রতিবিপ্লবী জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিপ্লবী কর্নেল তাহেরের রাষ্ট্রপরিচালনাসংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চরম আকারধারণ করলে জিয়া ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কর্নেল তাহেরকে দোষী সাব্যস্ত করে—আর নিজের ক্ষমতা-কণ্টকমুক্ত করার জন্য ১৯৭৬ সালের ২১-এ জুলাই জিয়াউর রহমান তার নেতৃত্বাধীন সামরিকআদালতের এক প্রহসনমূলক বিচারে তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে। এরপর জিয়া নিজেকে বাংলাদেশরাষ্ট্রের সর্বেসর্বা মনে করে দেশ চালাতে থাকে। আর ১৯৭৮ সালে, এই জিয়াউর রহমান বাংলাদেশবিরোধী ও পাকিস্তানপন্থী একটি রাজনৈতিক দল গঠন করে নিজেকে বিরাট নেতা ভাবতে শুরু করে দেয়।

এই বাঙালি-মুসলমান কবে ভদ্র হবে আর একটু মানুষ হবে?


মানুষ এখন খুব বেশি স্বার্থপর হয়ে উঠছে। আর এই মানুষ এখন নিজের স্বার্থ ষোলোআনা ব্যতীত আর-কিছুই বোঝে না। স্বার্থনেশায় একশ্রেণীর অমানুষ এখন ভয়ানক অন্ধ। এদের কাছে নিজের লাভ ছাড়া আর কোনো কথা নাই। এই অমানুষের দল এখন চেনে শুধু অর্থসম্পদ, টাকাকড়ি, আর সীমাহীন ভোগ-বিলাসিতা। স্বার্থনেশায় ডুবে এরা এখন রাষ্ট্র চেনে না, সমাজ চেনে না, জাতি চেনে না, মানুষ চেনে না—আর মানুষের মন বোঝে না। এরা আজ এমনই এক ভয়াবহ পশুতে পরিণত হয়েছে। আজ এদের কাছে শুধু নিজের স্বার্থই সবচেয়ে বড়!

বছরে শুধু একদিন একটু মা-মা করলেই হবে?


‘মা’ শব্দটির অনেক প্রতিশব্দ আছে। যেমন, মাতা, মাতঃ, মাতৃকা, জননী, জনী, প্রসূতি, জনয়িত্রী, জনিকা, জন্মদাত্রী, গর্ভধারিণী ইত্যাদি। এর মধ্যে ‘গর্ভধারিণী শব্দটি অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। আর আসলেই মা হচ্ছেন গর্ভধারিণী। তাঁর গর্ভেই বেড়ে উঠেছে দুনিয়ার সমস্ত মানবশিশু।
আমরা যদি মাকে গর্ভধারিণী ভেবে থাকি—তাহলে, এখনই মায়ের মূল্য উপলব্ধি করতে হবে। আর সঙ্গে-সঙ্গে, এক্ষুনি মাকে দিতে হবে তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা। মাকে ভালোবাসতে পারলে আমরা নিজেরাই আরও সমৃদ্ধ হতে পারবো।

বাংলাদেশবিরোধীদের পৃষ্ঠপোষকতায় কওমীমাদ্রাসাগুলো দেশবিরোধী-শত্রু পয়দা করছে


যারা মানুষের প্রচলিত বিশ্বাস, ধর্মীয় রীতিনীতি ও রাষ্ট্রীয় আইনকানুন মানে না, বিশ্বাস করে না, নিজদেশ মানে না, দেশের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, এবং ধর্মের প্রচলিত ব্যাখ্যাকে বাদ দিয়ে বা পাশ কাটিয়ে নিজেদের মনগড়া ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের সাহায্যে সমাজে-রাষ্ট্রে ধর্মভিত্তিক আদিমরাষ্ট্র কায়েম করতে চায়—তারাই জঙ্গি। সেই হিসাবে আমাদের দেশের কওমীমাদ্রাসার প্রতিটি পাতিহুজুর ও তাদের অনুগত শিক্ষার্থীরাও একেকটি জঙ্গি, আর ন্যূনতম আধাজঙ্গি। বাংলাদেশে ‘হেফাজতে শয়তান’-এর ১৩-দফা ও তাদের ২০১৩ সালের ৬ই এপ্রিল ও ৫ই মে’র তাণ্ডবলীলা সরাসরি জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত। হেফাজতে শয়তানের শয়তানী১৩-দফা মানুষ আর মানবতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

দেশে এখন প্রভাবশালী-জারজের সংখ্যা বাড়ছে


দেশের শত্রুদের আধিপত্য দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এরা ক্রমশঃ বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এদের শক্তি ও সামর্থ্য বেশি হওয়ার কারণে এরা সবসময় আইন, বিচার ও প্রশাসনের ফাঁকগলে খুব দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসছে। এদের আছে অঢেল কালোটাকা। আর এই কালোটাকার জোরে এরা সবকিছু কিনে নিচ্ছে। আর তাই, এরাসহ এদের সন্তানসন্ততিগণ এখন দেশের ভিতরে খুন-ধর্ষণ থেকে শুরু করে যাবতীয় অপকর্ম শুরু করেছে। আর প্রশাসনের ভিতরে রয়েছে এদের নিখুঁত ও নিরাপদ আশ্রয়।

মেয়েরা এখন দেহফ্রেন্ডের শিকার


একজন ছেলে বা মেয়ের একটা গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড থাকতেই পারে। কিন্তু একাধিক নয়। আবার গার্লফ্রেন্ডকে বা বয়ফ্রেন্ডকে শুধু বন্ধুই ভাবতে হবে। পাশ্চাত্যের অনেক দেশের মতো তাদের ‘দেহফ্রেন্ড’ ভাবলে চলবে না। এটি আমাদের সমাজব্যবস্থায় অনৈতিক। আমাদের দেশে এখন এটিই শুরু হয়েছে। আর এটির প্রচলন শুরু করেছে একশ্রেণীর লম্পট আর নারীখেকো। এরা বন্ধুবেশে সাধারণ মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদের চূড়ান্ত সর্বনাশ করছে। দেশের একশ্রেণীর মেয়ে এই ইতরশ্রেণীকে ‘বয়ফ্রেন্ড’ ভেবে আজ ‘নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছে’। এই দেহলোভীকুকুরগুলো বন্ধুত্বের সম্পর্ককে অমর্যাদা করছে। আর বন্ধুত্বের মধ্যে অবিশ্বাসের বীজ-বপন করছে। আজ এইসব নাম-পরিচয়-জন্মহীন-পশুদের কারণে নির্ভেজাল বন্ধুত্বও এখন হুমকির সম্মুখীন।

রবীন্দ্রনাথের মতো মানুষেরা পৃথিবীতে সহজে জন্মগ্রহণ করেন না


পৃথিবীতে আরও কয়েকজন রবীন্দ্রনাথ জন্মগ্রহণ করলে আমরা আরও বেশি সমৃদ্ধ হতে পারতাম। রবীন্দ্রনাথের মতো মানুষেরা পৃথিবীর গর্ব ও অহংকার। এই ঘুণেধরা সমাজজীবনে তাঁরা এখনও নিঃসন্দেহে জ্ঞানবিকাশের ক্ষেত্রে ও মনুষত্ব্যের জাগরণে বাতিঘর। তাঁদের সারাজীবনের চিন্তাভাবনা ও কর্মপ্রচেষ্টা মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। তাঁদের সাহিত্য মানবজীবনের সামগ্রিক প্রতিচ্ছবি।

মাদ্রাসা-বোর্ডের দাখিল-পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়-রোধে এবার লাগামহীন গ্রেস-নাম্বার দেওয়া হয়েছে


পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় থেকেই দেখা যায়, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কয়েকটি বিষয়ে ব্যাপকভাবে অকৃতকার্য হচ্ছে—ফেল করছে। এইসব বিষয় হলো: সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত, বিজ্ঞান (পদার্থ ও রসায়ন), ইংরেজি, আরবি (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) ও কুরআন। সবচেয়ে বেশি অকৃতকার্য হয়েছিলো সাধারণ গণিতে (এটি সকল বিভাগের জন্য আবশ্যিক বিষয়)।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Online
Last seen: 1 ঘন্টা 11 min ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর