নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নাগিব মাহফুজ খান
  • মোঃ যীশুকৃষ্ণ

নতুন যাত্রী

  • রৌদ্র
  • তানভীর জনি
  • জাফর মিয়া
  • প্রোফেসর পিনাক
  • কৃষ্ণেন্দু দেবনাথ
  • রাশেদুজ্জামান কবির
  • পিনাক হালদার
  • ফ্রিডম
  • অ্যানার্কিস্ট
  • আশোক বোস

আপনি এখানে

নীহাদ রেজা এর ব্লগ

ধর্ষন বন্ধ করো


দেশে যখনই দু চারটা ধর্ষণের ঘটনা ঘটে তখনই হয়তো ব্যবসায়িক স্বার্থে দু চারটা মিডিয়া সংবাদ পরিবেশন করে, পাব্লিক তা একটু আড়চোখে দেখে এবং সবশেষে সংবাদ হারিয়ে যায়। মাঝখান থেকে উৎসাহ পায় ধর্ষকেরা। প্রশাসনকে টাকা খাইয়ে সব সত্যকে মিথ্যা করে ধর্ষক পরিবার, কখনোবা ক্ষমতার জোরে, কখনো বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ম্যানেজ করে সব ঘৃণ্যতাকে বৈধতা এনে দেয়।

পাওলো কোয়েলহো ও অনবদ্য একটি বই


রিভিউ:-
"আমরা যে খুব অবাক করা একটা পৃথিবীতে আছি সেটা কম সময় অনুভব করে থাকি। আমাদের চারপাশে শুধুই অলৌকিক কত কত বিষয়। ঈশ্বরের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত নানা লক্ষনসমূহ আমাদেরকে পথ দেখিয়ে চলছে, ফেরেশতারা আমাদের কাছ থেকে সেই বিষয়ে শোনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, অথচ আমরা খুব কমই সেদিকে নজর দিচ্ছি। কারণ ঈশ্বরকে খুঁজে পাওয়ার জন্য আমাদেরকে নির্দিষ্ট কিছু পথ শিখিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে যে, এর বাইরে গেলে ঈশ্বরকে পাওয়া যাবে না। অথচ আমরা এটা মোটেও বোঝার চেষ্টা করছি না যে, ঈশ্বরকে তুমি যেখানেই চাও সেখানেই খুঁজে পাবে"।

জোছনা


জোছনায় অালোকিত রাত,
নিমগ্ন তোমার উষ্ণতায়।
কল্পনায় তোমায় ছুঁতে পারি,
প্রচন্ড শীতের থরথর কাঁপি।
তোমার অপেক্ষায় রাত জেগে থাকা,
তোমার স্মৃতিতে শব্দছক অাঁকি।
শিউরে ওঠে অনুভুতিগুলো,
ক্ষণে ক্ষণে সম্মোহিত হই।
তোমার ভয়ংকর রূপসুধায়,
মুগ্ধতায় লুটোপুটি খাই।
তুমি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন,
আমি তোমার ছায়া খুঁজে যাই।
কিছু অপেক্ষা মধুর হয়,
অনুভবের কড়া ঘ্রাণ পেলে।
এ অদ্ভুত সুন্দর শীত জোছনায়,
তুমি এসো উষ্ণ অালিঙ্গনে।

বাংলা সিনেমা: আজকের পরিস্থিতি


বাংলা সিনেমার সমীকরণ ও একটি শাকিব খান:
(সৈয়দ নাজমুস সাকিব ও বিডি টুয়েন্টি ফোর লাইভ এর সৌজন্যে)।
সিনেমা মানুষকে ভালো অনুপ্রেরণা মূলক কিছু শিখতে সাহায্য করে। একটা সময় বিশ্বব্যাপী চলচ্চিত্র ছিল সামাজিক অসংগতিগুলো তুলে ধরে দুংখ সুখ রোমাঞ্চ আবেগ আবেদন ও হাস্যরসের মাধ্যমে জনসচেতনতার সৃষ্টি করতো।
সেক্ষেত্রে বাংলা চলচ্চিত্র জগতও কোন অংশে কম ছিলো না,
সাদা কালো সেলুলয়েডের আলোর ঝলকানিতে ফুটে উঠতো পারিবারিক, সামাজিক,বৈশ্বিক বাস্তবতার সাথে মিলে যাওয়া বিভিন্ন কাহিনী।

রক্তের সম্পর্ক


সন্তান যখন বড় হয় তখন মা বাবা ও সন্তানের মধ্যে একটা ডিসটেন্স তথা দূরত্বের সৃষ্টি হয়, আর তা বয়সের বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
এই দূরত্ব সৃষ্টি হয় দু দিক থেকেই, সন্তানের দিক থেকে যেমন হয়,তেমনি হয় মা বাবার দিক থেকেও।
সন্তান ভাবে, 'আমি তো অনেক বড় হয়ে গেছি,এখন আর মা বাবার কি প্রয়োজন? '
আবার মা বাবা ভাবে, 'আমার সন্তান তো অনেক বড় হয়ে গেছে,
নিজেরটা নিজেই সামলাতে পারে, এবার আর অত ইনটেনসিভ কেয়ারের দরকার নেই, এবার একটু বিশ্রাম নেওয়া যাক'।
সন্তান কিংবা পিতামাতার ভাবনার ফসল হিসেবে ক্রমশ বাড়ে সম্পর্ক ও হৃদ্যতার দূরত্ব।

কুড়িয়ে পাওয়া


বয়োজ্যেষ্ঠরা বলে, 'পথে পড়ে থাকা জিনিস কুড়িয়ে নিতে নেই'।
তবে এক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আছে।
কিছু কিছু জিনিস পথ থেকে কুড়িয়ে নিলে প্রথমত অকার্যকরী কিছু মনে হলেও,একটা সময় সেসব জিনিসগুলো সবচেয়ে কার্যকরী আর মহামূল্যবান জিনিস হিসেবে চিহ্নিত হয়।
যেমন:
কুড়িয়ে পাওয়া ফুল,
কুড়িয়ে পাওয়া ফল,
কুড়িয়ে পাওয়া ভালোবাসা,
আর কুড়িয়ে পাওয়া সন্তান।
বিশ্বাস হচ্ছে না, তবে নিচের কথাগুলো বিশ্বাসযোগ্যতা এনে দিতে পারে,
একটা কুড়িয়ে পাওয়া ফুল অর্থকড়ি ব্যয় করে কিনা বাজারের রঙিন ফিতে মোড়ানো ফুল কিংবা প্লাস্টিকের ফুলের চেয়েও দারুণ সুবাস ছড়াতে পারে।

বেকারত্ব ও বাংলাদেশ


আপনি যেখান থেকেই গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করুন না কেন তৃতীয় জমানায় এসে বাংলাদেশে একটা থার্ড ক্লাস চাকরি পাওয়াটা খুবই কঠিন ব্যাপার। সর্বত্রই মামা (সুপারিশ) ও তামার (টাকাপয়সা) বিশাল দাপট। চাকরির বাজারগুলোতে এসবের ব্যাপক ডিমান্ড। অনেক ক্ষেত্রে তামা হলেও মিলে না আজকাল, সরকারি দলের মামাও লাগে।

সুখ দুঃখ ও মানবজীবন


হারাবার কিছুই নেই,
কারণ আমি পথের ধারে বসা অন্ধ ভিখারী।
ছেড়া পোশাকে, এলোমেলো বদনে,
ঝরা পাতা বিছিয়েছি ভিখ মাগতে।
পথটা খুবই নীরব,
জনগণের পদচারণা কম,
রোজগার কম...!
কেউ বা ভালো করে দেখে,
সত্যিই ভিখিরী কিনা,
উত্তর মেলে ইতিবাচক,
অতঃপর
আধুলি সিকি দেয়,
আবার কোন নেশাখোর এসে নিয়ে
যায় সারাদিনের সব রোজগার।
আমি কিছু বলিনা,
কারণ আমি অন্ধ ভিখিরী।
দেখিই না তো তাহাদের চেহারা বলবো কি?
আমি অন্ধ হয়ে জন্ম নিলাম,
অন্ধত্বের শাপ নিয়েই মরবো।
না হয় আলোর দেখা পাবো,
না হয় পাবোনা।

পিতৃদেবের মর্যাদা


নতুন মডেলের বাইকের আবদার না মেটানোয় বাবাকে আগুন দিয়ে হত্যা করলো সন্তান।
বাঙালি জাতি নিউজটাকে দারুণ হাইলাইটস করে ছেড়েছে।
'ইয়া আল্লাহ, ক্যামনে পারলো এইটা?"

মেলডিয়াস


পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষই অন্য একজন মানুষের চোখের অন্তরালে থার্ড পার্সন সিংগুলার নাম্বার।
তবে তাই যদি না হয়, তবে ইংরেজী ব্যাকরণ অসত্য।
আপনি যদি কাউকে সেকেন্ড পার্সন বানাতে চান তবে তাকে সামনে রাখতে হবে।
ফার্স্ট পার্সন আমি, আমরা (সম্মুখে রেখে নির্দেশ করতে হয়)।
সেকেন্ড পার্সন তুমি,তোমরা (সম্মুখে রেখে নির্দেশ করতে হয়)
পৃথিবীর যাবতীয় বাকি সব থার্ড পার্সন (সম্মুখে রাখলেও পারেন,অন্তরালে রেখেও নির্দেশ করা যায়)।
যদি আপনি আমরা এবং তোমরা এ দুটি অন্তরালে রেখে প্রকাশ করতে চান তবে পারবেন না।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

নীহাদ রেজা
নীহাদ রেজা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 5 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 5, 2015 - 2:27পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর