নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

অনন্য আজাদ এর ব্লগ

ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী নরেন্দ্র মোদী


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যতটা না মানুষ তারচেয়ে বেশি ধর্মান্ধ। এবং একজন ধর্মান্ধ কখনোই মানুষ হতে পারে না। কারণ তার চিন্তাধারা, কর্মকাণ্ড একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই লুকোচুরি করতে থাকে। সীমাবদ্ধতার মধ্যে যেহেতু তাদের বসবাস; সেই কারণে তারা নতুন কোনকিছুকে স্বাগত বা গ্রহণ করতে পারে না। পরস্পরের প্রতি সম্মানবোধ, ভিন্ন মতবাদ, মানুষের মুক্তির উপায়কে অগ্রাহ্য করে এককেন্দ্রিক চিন্তাকেই এরা সর্বউৎকৃষ্ট বোধ করে।

যার ফলে সমাজে অবস্থানরত সকল মানুষের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়ন হয় না। শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট চিন্তাধারার মানুষেরই উন্নয়ন ঘটে। এবং বাদবাকির জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।

পশ্চিমবাঙলার এক দিদি


পশ্চিমবাঙলায় এক দিদি আছে। আর সেই দিদির অনেক ক্ষমতা। এবং যেহেতু দিদির অনেক ক্ষমতা আছে সুতরাং দিদির অনেক উম্মত, চ্যালাচামুণ্ডা, চাটুকার, চামচা, অনুরাগীও আছে স্বাভাবিকভাবেই। দিদি পেশায়, নেশায়, শয়নে-স্বপনে একজন রাজনীতিবিদ। দিদির পূর্ণ নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে দিদি। চাটার দলেরা ভালোবেসে যেমন দিদি বলে ডাকে, তেমনই ভয় পেয়ে সাধারণ মানুষও দিদি বলতে বাধ্য হয়।

ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুবাদী মোদী


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি দেশকে এতোটাই ভালোবাসেন যে বিয়ে করার সময়ই পান নি। অথচ তার বক্তব্যটি মিথ্যে। তিনি বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু সম্পর্কের ইতি ঘটে। তিনি বলেন, ‘এতো কাজের চাপ এবং দেশকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে বিয়ে করা হয়ে উঠে নি’।

আড়াই শো বছর আগে ডক্টর জনসন বলে গেছেন, দেশপ্রেম বদমাশদের শেষ আশ্রয়স্থল। মোদীও সেক্ষেত্রে ভিন্ন নন। অন্য সব রাজনীতিবিদদের মতোই ক্ষমতার লোভ মোদীকে অনেক আগেই নষ্টভ্রষ্টে পরিণত করেছিল।

মূর্তি ভাঙতে মুসলমান পারদর্শী


কিছুদিন আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের মুসলমানেরা দফায় দফায় হিন্দুদের বাড়িঘর ও মন্দির ভেঙে ইসলামিক পুণ্য হাসিল করে। ফেসবুকের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে ইসলামিক বান্দারা মূর্তি ভেঙে ও পোস্টদাতার ফাঁসি চেয়ে দেশের বিভিন্নপ্রান্থে আন্দোলন করে।

মুসলমানদের মানবতা প্রদর্শিত হয় প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে


পৃথিবীর যে প্রান্তেই একটি মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে তার জন্য পৃথিবীর সকল প্রান্ত খুলে দেয়া হোক। কাঁটাতার দিয়ে বর্ডার বানিয়ে মানুষের মাঝে মানুষের যে পার্থক্য সৃষ্টি, দেশের সাথে দেশের শত্রুতা এসব বন্ধ করা হোক।

পৃথিবী ডানদিকে ঝুকে পড়ছে


আমেরিকার নির্বাচনের ফলাফল দেখে অনেকেই হতভম্ব হয়েছেন। কারণ আমরা আমেরিকাকে যে চোখে দেখতাম কিংবা আমেরিকানদের সম্পর্কে যা কল্পনা করতাম- নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বিপরীত ঘটেছে। আমেরিকা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ বলে তাদের চিন্তাধারা সব সময় উৎকৃষ্টমানে, প্রগতিশীল হবে এমন কল্পনা করাও যে বোকামি তা নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

কিছু সময়ের জন্য আমেরিকার নির্বাচনের কথা ভুলে গিয়ে নিজ বাঙলাদেশের কথা একটু ভেবে দেখি না! ভাবতে শুরু করলে কি আমরা তাদের সাথে খুব বেশি পার্থক্য খুঁজে পাই?

নারীর পোশাকে পরিবর্তন কেনো?


আমার অনেক স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীর বিয়ে হয়ে গেছে। ফেসবুকের কল্যাণে তাদের দাম্পত্যজীবনের নাটকীয় ছবি দেখে উপভোগ করি। কিন্তু লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, বিবাহের পর আমার বন্ধুদের পোশাকের কোন পরিবর্তন হয় নি। অর্থাৎ, বাঙালি ছেলেরা সাধারণত যে সকল পোশাক পরিধান করে থাকে, তারা তেমনই পোশাক পরছে। তাদের মাথায় টুপি নেই। কিংবা তারা জিন্স, টিশার্টের পরিবর্তে পাঞ্জাবি পায়জামা পরছে না। কিন্তু তাদের স্ত্রীদের পোশাকে ব্যাপক পরিমাণে পরিবর্তন এসেছে।

ধর্মের ভিত্তিতে দেশ স্বাধীন হয় নি


মন্দির ভেঙে আল্লাহ্‌র কী লাভ হয়? মসজিদ ভেঙে ভগবানের কী লাভ হয়? মসজিদ ও মন্দির ভেঙে মানুষ কি উপকৃত হয়? ধর্ম পরিচয়কে প্রাধান্য দিতে গিয়ে মানুষ শুধু হিংসাত্মক, ধ্বংসাত্ম্‌ক ও সাম্প্রদায়িক হিসেবে পরিচিত লাভ করে। পৃথিবীতে শুধু রক্তই ঝড়তে থাকে। এতে আল্লাহ্‌ ভগবান ঈশ্বরের যেমন কোন লাভ হয় না, তেমনই মানুষেরও কোন লাভ হয় না বরং মানুষের ক্ষতি।

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি চলে ধর্মকে কেন্দ্র করে। ক্ষতিগ্রস্থ হয় শুধু সাধারণ মানুষ। এবং সাধারণ মানুষের সাধারণ চিন্তাধারাকে হিংসাত্মক করে তোলে সুবিধাবাদী ধর্মান্ধগোষ্ঠী।

ভারতের মুক্তমনা, ভারতের মুসলমান ও বাঙলাদেশের হিন্দুদের উপর নির্যাতনের চিত্র


ভারতের অনেক মুক্তমনার সাথে পরিচয় হয়েছে। তারা আমাকে অনেক আদর যত্ন করছে। তাদের আপ্যায়নে ও ভালোবাসায় মুগ্ধ। কিন্তু ঘটনা হল, তারা সকলেই তথাকথিত নাস্তিক। কিন্ত তারা যতটা না নাস্তিক, তার চেয়ে বেশি হিন্দু। তারা ধর্ম থেকে মুক্ত হতে পারে নি। হ্যাঁ, তারা সনাতন হিন্দু ধর্ম নিয়ে ভালোই হাসিতামাশা করে কিন্তু তাদের অন্তরে লুকিয়ে আছে পুরুষতন্ত্র। তাদের প্রত্যেকের বাসায় ছোট্ট করে পুজোর মন্দির এবং দেয়ালে দেবদেবীর চিত্র।

ধর্ম ব্যবসায় ও নারীর স্বাধীনতায় ইন্ডিয়া ও বাঙলাদেশ


ভারতের কলকাতাতে উদ্দেশ্যহীনভাবে হেঁটে বেড়াচ্ছিলাম। এখনকার মানুষগুলো দেখতে প্রায় আমাদের মতই। উচ্চারণে ভিন্নতা ও শুদ্ধতা আছে কিন্তু শারীরিক কাঠামোর দিক থেকে প্রায় আমাদের মতই বলা যেতে পারে। ভারতের বড় বড় রাজ্য ও শহরগুলিতে চমৎকার একটি বিষয় লক্ষণীয়ঃ এখানকার নারীরা স্বাধীনভাবে পোশাক পরতে পারে। পুরুষেরা কী বলল, কী ভাবল তা তোয়াক্কা করে না। পোশাকের স্বাধীনতা ক্ষেত্রে এখানকার মেয়েরা স্বাধীন ও সাহসী। সাহসী শব্দটি ব্যবহৃত করা হল কারণ- এখানেও ধর্মীয় শুয়োরেরা নানাবিদ ফতোয়া জারি করে। কিন্তু নারীরা পাত্তা দেয় না। পোশাকের স্বাধীনতায় বাঙলাদেশের নারীদের অতীতে যে গৌরবময় ইতিহাস ছিল, বর্তমানে তা ধ্বংসের মুখে। পার

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অনন্য আজাদ
অনন্য আজাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 21 ঘন্টা 53 min ago
Joined: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 4, 2015 - 10:56অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর