নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

অনন্য আজাদ এর ব্লগ

প্রতিক্রিয়াশীল প্রেম এবং ডিভোর্স


আমার এক বান্ধবীর ডিভোর্স হয়েছে। বান্ধবী যন্ত্রণায় ছটফট করেই যাচ্ছে। বান্ধবীকে বিয়ের পূর্বেই জানিয়েছিলাম যে এই বিয়ে টিকবে না। আমার পক্ষে অনুমান করাটা সহজ ছিল কারণ বান্ধবী সম্বন্ধে আমার ভালো ধারণা ছিল। এবং পাত্রের সাথে কথোপকথন শুনে আমার মনে হয়েছিল যে, সাময়িক উত্তেজনার জন্য মানুষ মাঝে মাঝে যা কিছু করে থাকে, সেই ব্যক্তিও তেমনই করে যাচ্ছিল- ফলাফল ডিভোর্স।

পুরুষতন্ত্রের ভণ্ডামো


আমার এক বান্ধবী ছিল যে প্রতি দশ মিনিটে একবার করে উচ্চারণ করতো 'আমার কী আর সেই বয়স আছে'! বান্ধবী প্রায় সব ক্ষেত্রেই অসাধারণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম, কিন্তু মস্তিস্কে ঢুকানো হয়েছিল বিয়ের বয়স চলে যাচ্ছে বা গেছে।

ঘটনা হচ্ছে, আশেপাশের প্রতিক্রিয়াশীল মানুষজন বান্ধবীর মস্তিস্কে জোরপূর্বকভাবে গেঁথে দিয়েছিল যে বান্ধবীর অনেক বয়স হয়ে গিয়েছে। এবং ধীরে ধীরে সে নিজেও ভাবতে শুরু করেছিল যে তার অনেক বয়স বেড়ে গেছে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীকে যেভাবে বয়সের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়, ঠিক সেভাবেই আমার বান্ধবীর মস্তিস্কে ভরে দেওয়া হয়েছিল দুর্গন্ধময় আবর্জনা।

নিকৃষ্ট সমাজব্যবস্থা ও ঝঞ্ঝামুখর সংস্কৃতি


আমার খুব ভালো লাগে যখন দেখি বয়স্ক মানুষেরা হাতে হাত রেখে ঘোরাঘুরি করে। খুব ভালো লাগে যখন দেখি পঞ্চাশ, ষাট, সত্তর বয়সী নারীপুরুষ চোখে চোখ রেখে ভালোবাসার গল্পে মেতে থাকে। শরীরে বয়সের স্পষ্ট ছাপ, কোঁচকানো চামড়া থাকা সত্ত্বেও একে অপরকে চুম্বন করে প্রেমময় আবেদনের বহিঃপ্রকাশ মুগ্ধনয়নে চেয়ে দেখি।

বাঙালি মুসলমানের মানবতা সন্দেহজনক


বাঙালি যখন নীতি আদর্শ নিয়ে উচ্চবাচ্য করে এবং মুসলমান যখন মানবতা নিয়ে অশ্রু বিসর্জন দেয় তখন বুঝতে হবে এর পেছনে স্বার্থ জড়িত। স্বার্থ ছাড়া বাঙাল ও মুসলমান এক পা এগোয় না। বাঙালি মুসলমানের উপর বিশ্বাস রাখা নিজ পায়ে কুড়াল মারার মতোই।

শরীরের স্বাধীনতায় পুরুষ ভীত


যারা বলে থাকে, বাঙলাদেশে ধর্ষণ বা নারী নির্যাতনের ঘটনা নারীর প্রতি পুরুষের সহিংসতা বা পুরুষতান্ত্রিকতার সমস্যা নয়, বরং সামাজিক সমস্যা- তারা একেকজন পুরুষতন্ত্রে আক্রান্ত রোগী এবং ধর্ষণকামী পুরুষ। এরাই পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার জন্য নারীকে শিশ্নপরিচর্যাকারী হিসেবে মূল্যায়ন করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এবং নিজস্ব সুবিধার্থে বিভিন্ন উপমায় নারীর নামকরণ করে।

বিপদজনক মানুষ, পশুপাখি নয়



লেকের পাশে বসে খুব মনোযোগ সহকারে বার্গার ভক্ষণ করছিলাম। আশেপাশে মানুষজনের সংখ্যাও কম ছিল না। কেউ গল্প করছিল, কেউ ভালোবাসার মানুষকে আদর করছিল, কেউ গান গাইছিল, কেউ পান করছিল। আর আমি মনোযোগ দিয়ে ভক্ষণ করেই যাচ্ছিলাম।

নব্য নারীবাদের অন্তর্দ্বন্দ্ব


গতকাল লক্ষ্য করলাম ফেসবুকে অনেক নারীর প্রোফাইল পিকচার কয়েক ঘণ্টার জন্য কালো করা হয়েছে। কয়েকজন নারী আবার আমাকে বার্তা পাঠিয়ে জানিয়েছে 'পুরুষেরা দেখুক নারী না থাকলে পৃথিবী কীরকম অন্ধকার হয়ে যায়'। এই ধরণের চিন্তাধারা মূলত নব্য নারীবাদীদের কাজ। প্রথম প্রথম যখন কেউ নাস্তিক হয়, কিংবা নারীবাদী হয়, কিংবা মুসলমানও যদি হয় তাহলে নিত্যনতুন উদ্ভট, অপ্রয়োজনীয়, ভিত্তিহীন চিন্তা দ্বারা তারা বিশ্ব উদ্ধারে নেমে থাকে। এই প্রতিবাদও তেমনই।

বিশ্বাসী হয়ে জঙ্গি হওয়ার চেয়ে অবিশ্বাসী হয়ে মানবতাবাদী হওয়া অনেক বেশি জরুরী


হেফাজতে ইসলামের আল্লামা আহমদ শফী একজন ভালো মানুষ। তিনি আল্লাহ্‌র উপর ভরসা রাখেন। দুনিয়ার সব সমস্যা নামাজ ও দোয়া করলেই সমাধান হয়ে যাবে এমন ভাবনায় বিশ্বাসী। গত কয়েক মাস ধরেই তিনি মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতি তার কোন ভরসা ছিল না। কিন্তু প্রতিবারই তিনি শেষ পর্যন্ত আল্লাহর উপর আর ভরসা না রাখতে পেরে মেডিক্যালে সুস্থতার জন্য চিকিৎসা নেন। এবং সুস্থ হন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়ন না হলে তিনি ইতিমধ্যেই মৃত্যুবরণ করতেন। তিনি নিশ্চয়ই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন। তিনি এতো নামাজ পড়েও শরীরের অবনতি থেকে মু

ধর্ম শিক্ষক যখন ধর্ম নিরপেক্ষ


শাহবুদ্দিন ছিলেন আমাদের বিদ্যালয়ের ধর্ম ক্লাসের শিক্ষক এবং আমি ছিলাম ধর্ম ক্লাসের ক্যাপ্টিন। ধর্ম এমন একটি বিষয়, যে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জানার কিছুই নেই। শুধু মুখস্থ করতে হয়। আমরা সবাই মাধ্যমিক পাশ করেছি কমবেশি মুখস্থ করেই। সম্ভবত খুব কম মানুষই আছে যারা মাধ্যমিক পরীক্ষায় ধর্মে এ+ বা লেটার মার্কস পায় নি।

অশ্লীল সমাজব্যবস্থা


ছোটবেলায় সবার মধ্যেই সকল বিষয় সম্বন্ধে জানার আগ্রহ থাকে। কারণ আমরা নতুন এক জগতের সাথে পরিচিত হই। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মনে প্রশ্ন জাগবে। অনেক প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজে পাই, আবার অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাই না।

আবার কিছু কিছু বিষয় সম্বন্ধে আমাদের জানতে দেওয়া হয় না। আমাদের সমাজে স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে অস্বাভাবিক ভাবে গোপন করে রাখা হয়। এবং এই গোপনীয়তা থেকেই আমাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার, অশ্লীল, কুৎসিত, হিংস্র চিন্তাভাবনার জন্ম নেয়। প্রশ্নের উত্তরের অভাবে আমাদের চিন্তার জগতটাও ক্ষুদ্র হতে শুরু করে। আমাদের জানার আগ্রহটাও ধীরে ধীরে মৃত্যুবরণ করতে থাকে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অনন্য আজাদ
অনন্য আজাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 21 ঘন্টা 52 min ago
Joined: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 4, 2015 - 10:56অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর