নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মারুফুর রহমান খান
  • নরসুন্দর মানুষ
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

অনন্য আজাদ এর ব্লগ

মুক্তচিন্তকদের জন্য বাঙলাদেশ নিরাপদ নয়


যারা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তাদেরকে একেক করে হত্যা করা হয়েছে। যারা মুক্তচিন্তা মুক্তবুদ্ধির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে তাদের টার্গেট করা হচ্ছে। মৌলবাদীরা এতটাই দুর্ধর্ষ হয়ে উঠেছে যে এখন আর তারা লুকিয়ে অন্ধকারে হত্যা করে না বরং দিনের আলোয় রাস্তায় ও বাসার ভেতর ঢুকে কুপিয়ে যায়।

অতীতে বাঙলায় শরীর ছিল সৌন্দর্য এবং বর্তমানে কামের বস্তু


পুরুষের শরীর দেখা গেলে কেউ বলে না পুরুষটি অসভ্য। কিন্তু নারীর কাপড়ের ফাঁক দিয়ে এক ইঞ্চি শরীর দেখা গেলেই পুরুষ চিৎকার করে ঘোষণা দেয় সেই নারীটি অসভ্য মাগী। অতীতে বাঙলায় শরীর ছিল সৌন্দর্য এবং বর্তমানে কামের বস্তু। নারীর শরীর দেখা গেলেই পুরুষদের শিশ্ন খাঁড়া হয়ে যায়। নারীটিকে একবার পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। পুরুষরা একবারই চায়, কারণ তারা ভেবেই নেয় যে নারীর শরীর একটু আধটু দেখা যায় সে নারীটি মাগী। সুতরাং নারীটিকে পাওয়া সহজ এবং একবারই যথেষ্ট। এগুলো বিকৃত চিন্তাভাবনা এবং বর্তমানে এই চিন্তাধারার মানুষের সংখ্যা বেশি।

রাজাকারপুত্রের প্রতি বিশ্বাস এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের প্রতি অবিশ্বাস


এক অদ্ভুত দেশের উদ্ভট নাগরিক আমরা।

বাঙলাদেশে রাজাকারপুত্রের কথা অধিকাংশই বিশ্বাস করে। রাজাকারপুত্রের জন্য বামপন্থি থেকে শুরু করে বিএনপি আওয়ামীলীগ সবাই কান্না করে। রাজাকারপুত্র পিয়াস করিম থেকে শুরু করে খন্দকার মোশাররফের প্রতি অধিকাংশই মায়ামমতা বোধ করে। পিয়াস করিমের বেলায় বামপন্থিরা অনেক কান্না করেছিল; কিন্তু খন্দকার মোশাররফের বেলায় কাঁদতে পারছে না বামেরা। যেহেতু আওয়ামী সমালোচনা বামদের মানদণ্ড।

বাঙলাদেশের মানুষের বাক স্বাধীনতা


বাঙলাদেশের অধিকাংশ মানুষই বাক স্বাধীনতা বলতে, তোর মায়েরে চুদি, তোর বোনেরে চুদি, নাস্তিকের বাচ্চা, খানকির পোলা, মাদার চোদ বুঝে। কিন্তু তারা যা বলতে চায়, তা প্রকাশ করতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে, তারা নিজেরাও জানে না-কী বলতে চায়! তারা শুধু বুঝতে পারে, বাক্য বা রচনাটির সাথে তারা একমত না। তাদের শব্দের ভান্ডার সীমিত, চিন্তার জগত সীমাবদ্ধ, নতুনত্বকে গ্রহণ করতে তারা ভীত, বিপরীত মত’কে দমন করতে আগ্রহী এবং অধিকাংশই অশিক্ষিত।

বিবাহ বিচ্ছেদ কোন লজ্জার বিষয় নয়


ইউরোপ আমেরিকাতে বিবাহ বিচ্ছেদের হার প্রচুর। কিন্তু তারা যে অখুশি তা কিন্তু নয়। তারা আবারও বিয়ে করছে; কারো বিয়ে টিকছে, কারো টিকছে না। কেউ নতুন কাউকে খুঁজছে, কেউ পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না। কেউ একা থাকাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, কেউ লিভ টুগেদার করছে। তাদের কারো জীবনই একজন অসৎ মানুষের জন্য থেমে থাকে না। ব্যাপারটি খুবই চমৎকার।

বর্তমানে বাঙলাদেশে বিবাহ বিচ্ছেদের হারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারীরা শিক্ষিত হচ্ছে, তারা উপার্জন করছে, তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখছে। নারীরা বুঝতে পারছে, অতীতে তারা তাদের মা, বড় বোন, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, সমাজের নারীদের যেই করুণ চিত্র দেখে এসেছে তা থেকে তাদের মুক্তি পেতে হবে।

আমি যে বাঙলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম


আমি যে বাঙলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম সে বাঙলাদেশ আমি পাই নি। যে বাঙলার জন্য ৩০ লক্ষ মানুষ জীবন দিতেও কার্পণ্যবোধ করেন নি, সে বাঙলাদেশ আমি পাই নি। যে বাঙলার জন্য ২ লক্ষের অধিক নারী ইজ্জত দিয়েছেন সে নারীর মর্যাদা আমি বাঙলাদেশে পাই নি। যে শিক্ষক আজীবন শিক্ষার্থীদের মানুষ করার লক্ষ্যে দিনরাত খেটেছেন তাদের মর্যাদা দেয়া হয় নি। যে কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বাঙলার মানুষের জন্য অন্নের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন তাদের প্রাপ্ত মজুরীটুকু দেয়া হয় নি। যে নৌকার মাঝি সারাদিন পরিশ্রম করেও নিজের পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থের ব্যবস্থা করতে পারেন নি সে বাঙলাদেশ আমি চাই নি। যে মা সারাটি জীবনভর পরিবারের খাতিরে অক

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অনন্য আজাদ
অনন্য আজাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 4 ঘন্টা 5 min ago
Joined: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 4, 2015 - 10:56অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর