নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

অনন্য আজাদ এর ব্লগ

কতটা উদার হলে একজন মা’কে সার্থক মা বলা যেতে পারে


যে সমাজে বড় হয়েছি সে সমাজটির নাম নিষিদ্ধ সমাজ। এ সমাজে স্বাভাবিক বিষয়গুলো অস্বাভাবিকরূপে উপস্থাপন ও প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। যেহেতু এই নিষিদ্ধ সমাজটি পুরুষশাসিত সেহেতু পুরুষ মনের মাধুরী মিশিয়ে কুৎসিত রূপ দিতে সক্ষম হয়েছে। এ এক অদ্ভুত নিষিদ্ধ সমাজ; এখানে বাস্তবকে অস্বীকার করা হয়, অবাস্তব কাল্পনিক হাস্যকর ভিত্তিহীন রুচিহীন বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয়া হয়।

বাঙলাদেশে আপোষকামীরাই বুদ্ধিজীবী


যে বুদ্ধিজীবী নিজের সময় ও সমাজ নিয়ে সন্তুষ্ট, সে গৃহপালিত পশু। - হুমায়ুন আজাদ
বুদ্ধিজীবীরা এখন বিভক্ত তিন গোত্রে। ভণ্ড, ভণ্ডতর, ভণ্ডতম। - হুমায়ুন আজাদ

ভারতে তিনজন যুক্তিবাদী লেখককে হত্যা করার কারণে ইতিমধ্যে ভারতের ৪১জন সাহিত্যিক সন্মাননা ফেরত দিয়েছেন। ভারতে অসহিষ্ণুতা বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে সকল সরকারি-বেসরকারি সন্মাননা ফেরত দেবার সাথে সাথে সরকারের কঠোর সমালোচনা এবং ভারত ধীরে ধীরে হিন্দুত্ববাদী হওয়ার পথে এগোচ্ছে বলে লেখকেরা মন্তব্য করছেন। শুধু যুক্তিবাদী লেখকেরাই নয়, প্রতিবাদী সকলে ঐক্যবদ্ধ করে ভারতের বহুত্ববাদী চরিত্র হারিয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন।

সমালোচনা করার অধিকার নেই


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন উইলিয়াম জেফারসন ক্লিনটন। ১৯৯৮ সালে, বিল ক্লিনটন ক্ষমতায় থাকাকালে মনিকা লিউনিস্কির সাথে যৌন কেলেংকারির ঘটনা ফাঁস হওয়ায় বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক ক্লিনটনের সমালোচনার করেন। সমালোচনার জন্যে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় নি। শেষ পর্যন্ত তাকে কাঠগড়াতেও দাঁড়াতে হয়েছিল। ক্লিনটন রাষ্ট্রপতি ছিলেন নাকি সাধারণ কেউ ছিলেন, এটা মুখ্য ছিল না।

আমাদের মা


আমার বোনের তখনও বিয়ে হয় নি। বোন চুটিয়ে প্রেম করত প্রেমিকের সাথে। তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি মনোমালিন্য হলে আমাদের মা তাদের সমস্যার সমাধান করে দিতেন। বাঙলার মায়েরা সব সময়ই বাবার থেকে দুর্বল। কিন্তু আমাদের মা কোন অংশেই কম নন। তিনি জীবনে এমন সব সমস্যা, ঝামেলা, প্রতিবন্ধকতা, নিকৃষ্ট রাজনীতির সম্মুখীন হয়েছিলেন; যার সমাধান তিনি নিজেই শক্তিশালী ভূমিকার মাধ্যমে করেছিলেন।

নারী কি ডিমের কুসুম


প্রসঙ্গ যদি নারী হয়; তবে একটি বিকৃত গোষ্ঠী প্রায়ই মন্তব্য করে যায়,

‘নারী হল ডিমের কুসুম, ঢেকে রাখতে হয়’
‘নারী হল কলা, ছোকলা হল পোশাক’
‘মধু থাকলে তো মৌমাছি আসবেই’
‘খাবার ঢেকে না রাখলে নষ্ট হয়ে যায়’
‘মেয়ে হচ্ছে তেতুল, দেখলে লালা ঝরবেই’
‘শিশুদের খাবার ঢেকে রাখুন’
‘মেয়েরা হচ্ছে রসগোল্লা, দেখলেই খাইতে মন চায়’
‘মেয়েরা তো খাদ্যই, তাদের দেখলে ক্ষুধা লাগবে এটাই স্বাভাবিক’
‘ওড়না যদি বুকে না থেকে গলায় থাকে তাহলে বুকে তো হাত যাবেই’ ইত্যাদি।

শুধু কী অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটদের জীবনের মূল্য আছে; বাঙলাদেশের ক্রিকেটারদের কি মূল্য নেই


সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল জঙ্গি আশঙ্কার কারণ দেখিয়ে বাঙলাদেশ সফর স্থগতি করেছে। এর প্রেক্ষিতে বাঙলাদেশের অনেক মানুষ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে লিখেছে, বাঙলাদেশ ক্রিকেট দলের পারফর্মেন্সের ভয়ে অস্ট্রেলিয়া আসে নি। যদিও বাঙালিদের কাছে এর চেয়ে ভালো সমালোচনাও আশা করা যায় না। বাঙলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের খেলোয়াড়ের কথা চিন্তা না করলেও অস্ট্রেলিয়া করে। খেলা পরেও খেললেও চলবে কিন্তু আশংকা জানা সত্ত্বেও বোকার মত জীবন বিসর্জন দেয়া নির্বুদ্ধিতার লক্ষণ ছাড়া আর কিছু নয়।

বাঙালি ছোট ছিল এবং আজীবন ছোট্টই থাকবে।


কিছুদিন আগে জার্মানির একজন কারেন্ট পার্লামেন্ট মেম্বারের সাথে পরিচয় হয়েছিল। ২রা সেপ্টেম্বর, পার্লামেন্ট মেম্বারের সাথে তার অফিসে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম। ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া মাধ্যমে তিনি আমার সম্বন্ধে অবগত ছিলেন। পার্লামেন্ট মেম্বারের রুমে প্রবেশের পর থেকে বারেবারে ধাক্কা খেতে হয়েছিল।

সৌদি আরব খুব ভালো


সৌদি আরব খুব ভালো। সৌদির আকাশ খুব সুন্দর। সৌদির বাতাস খুব নির্মল। সৌদির পানি খুব মিষ্টি। সৌদির তেল খুব বিশুদ্ধ। সৌদির মাটি খুব পবিত্র।

বাঙলাদেশই অভিজ্ঞতার শস্যকণা


জার্মানির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাঙলাদেশকে নিয়ে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে এমন অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন যাদের নামের সাথে পরিচিত ছিলাম; সামনে থেকে তাদের দেখতে পেরে ও কথা বলতে পেরে আনন্দিতবোধ করেছিলাম। যারা বক্তব্য দিতে এসেছিলেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী।

বাঙালিদের চরম মূল্য দিতে হবে


আমি সেই দিনের অপেক্ষায় আছি, যে দিন বাঙলাদেশের মানুষদের চোখ দিয়ে পানি ফেলা ছাড়া কিছুই করার থাকবে না। ওইদিন স্মৃতির জগতে আহমদ শরিফের স্বপ্নিল বাঙলাদেশও ধূসর হয়ে যাবে।

বাঙলাদেশে সামনে বিশাল বড় একটা রেভেলিউশন হওয়ার সম্ভাবনা আছে। যা বাঙলার চিত্রকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেবে। ভয়ানক এক পরিস্থিতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আজ ব্লগাররা অসাম্প্রদায়িক বাঙলা বিনির্মাণের ক্ষেত্রে যেই রক্ত বিসর্জন দিয়েই যাচ্ছে; সে দিন প্রতিটি মানুষ উপলব্ধি করবে, কী ভুলই না তারা করেছিল!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অনন্য আজাদ
অনন্য আজাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 21 ঘন্টা 53 min ago
Joined: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 4, 2015 - 10:56অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর