নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

অনন্য আজাদ এর ব্লগ

ধর্মনিরপেক্ষ পৃথিবী চাই


ধর্মনিরপেক্ষ পৃথিবী চাই। জঙ্গিবাদমুক্ত পৃথিবী চাই। মৌলবাদমুক্ত পৃথিবী চাই।

স্বার্থপরতায় বাঙালি শীর্ষে


যে হারে বাঙলাদেশে জনসংখ্যা বাড়ছে সে হারে মানুষ বাড়ছে না। পরস্পরের প্রতি পরস্পরের ভালোবাসা শ্রদ্ধাবোধ দিনেদিনে কমছে। অনুভুতিশূন্য মানুষগুলি অনুভূতি মন্ত্রণালয়ের জোর দাবি জানাচ্ছে। অনুভূতিহীন মানুষগুলি মাঝে মাঝে মানবতাবোধের জ্ঞান দিতে চাচ্ছে। ব্যক্তিজীবনে মানবাধিকার লঙ্ঘন করলেও মানবতাবোধের পরামর্শ দিতে ওস্তাদ।

ইউরোপে আসার সাথে পাকা পায়খানার কী সম্পর্ক!


ইউরোপে আসার সাথে পাকা পায়খানার কী সম্পর্ক আজো বুঝতে পারলাম না। ইসলামিক মৌলবাদী থেকে শুরু করে বাঙলা একাডেমি পুরষ্কারপ্রাপ্ত লেখক বামাতী অনেকেই এই ধারণা পোষণ করে।

কাহিনী হচ্ছে যে, পাকা পায়খানা কাকে বলে? পাকা পায়খানা কেমন হয়? পাকা পায়খানা কি স্বর্ণ দিয়ে নির্মাণ করা হয়? নাকি পাকা পায়খানা মুক্তো দিয়ে ইউরোপে নির্মাণ করা হয়? ডায়মন্ড দিয়ে কী ইউরোপের টয়লেট ঝলমল করতে থাকে?

মানুষের মৌলিক অধিকার


বাঙলাদেশের শিল্পীরা শেষ বয়সে রাস্তার ভিক্ষুকের থেকে খুব বেশি ভালো জীবন কাটাতে পারে না। টাকার অভাবে অনেক শিল্পীকে বস্তির পাশে থাকতেও হয়েছে। এক সময়ে জনপ্রিয় শিল্পী শেষ বয়সে টাকার অভাবে চিকিৎসা না নিতে পেরে মারা যাওয়ার ইতিহাসও বাঙলাতে আছে।

উন্নত বিশ্বে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে সরকার। গুণী সৃষ্টিশীল মানুষের বিপদে আপদে নিজ উদ্যোগে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। খাদ্য বস্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

তেল গ্যাস বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি


বারাক ওবামা ও শেখ হাসিনা বুড়িগঙ্গা নদীর পাড় দিয়ে হেঁটে হেঁটে গল্প করছিলেন।

ওবামা বললেন, জানো হাসিনা এক বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেই যাচ্ছে। এর জন্য আমাদের প্রতি তোমাদের কিছুটা হলেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।

শেখ হাসিনা মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, ব্যাটা বোকাচোদা।
ওবামা জিজ্ঞেশ করলেন, ওয়াট ইজ বোকা এন্ড ওয়াট ইজ চদা?
হাসিনা মুচকি হাসলেন।

হাসিনা বললেন, আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের থেকেও শক্তিশালী।
ওবামা অবাক হয়ে জিজ্ঞেশ করলেন, হাউ হাসিনা হাউ?

মুক্তচিন্তকদের জন্য বাঙলাদেশ নিরাপদ নয়


যারা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তাদেরকে একেক করে হত্যা করা হয়েছে। যারা মুক্তচিন্তা মুক্তবুদ্ধির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে তাদের টার্গেট করা হচ্ছে। মৌলবাদীরা এতটাই দুর্ধর্ষ হয়ে উঠেছে যে এখন আর তারা লুকিয়ে অন্ধকারে হত্যা করে না বরং দিনের আলোয় রাস্তায় ও বাসার ভেতর ঢুকে কুপিয়ে যায়।

অতীতে বাঙলায় শরীর ছিল সৌন্দর্য এবং বর্তমানে কামের বস্তু


পুরুষের শরীর দেখা গেলে কেউ বলে না পুরুষটি অসভ্য। কিন্তু নারীর কাপড়ের ফাঁক দিয়ে এক ইঞ্চি শরীর দেখা গেলেই পুরুষ চিৎকার করে ঘোষণা দেয় সেই নারীটি অসভ্য মাগী। অতীতে বাঙলায় শরীর ছিল সৌন্দর্য এবং বর্তমানে কামের বস্তু। নারীর শরীর দেখা গেলেই পুরুষদের শিশ্ন খাঁড়া হয়ে যায়। নারীটিকে একবার পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। পুরুষরা একবারই চায়, কারণ তারা ভেবেই নেয় যে নারীর শরীর একটু আধটু দেখা যায় সে নারীটি মাগী। সুতরাং নারীটিকে পাওয়া সহজ এবং একবারই যথেষ্ট। এগুলো বিকৃত চিন্তাভাবনা এবং বর্তমানে এই চিন্তাধারার মানুষের সংখ্যা বেশি।

রাজাকারপুত্রের প্রতি বিশ্বাস এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের প্রতি অবিশ্বাস


এক অদ্ভুত দেশের উদ্ভট নাগরিক আমরা।

বাঙলাদেশে রাজাকারপুত্রের কথা অধিকাংশই বিশ্বাস করে। রাজাকারপুত্রের জন্য বামপন্থি থেকে শুরু করে বিএনপি আওয়ামীলীগ সবাই কান্না করে। রাজাকারপুত্র পিয়াস করিম থেকে শুরু করে খন্দকার মোশাররফের প্রতি অধিকাংশই মায়ামমতা বোধ করে। পিয়াস করিমের বেলায় বামপন্থিরা অনেক কান্না করেছিল; কিন্তু খন্দকার মোশাররফের বেলায় কাঁদতে পারছে না বামেরা। যেহেতু আওয়ামী সমালোচনা বামদের মানদণ্ড।

বাঙলাদেশের মানুষের বাক স্বাধীনতা


বাঙলাদেশের অধিকাংশ মানুষই বাক স্বাধীনতা বলতে, তোর মায়েরে চুদি, তোর বোনেরে চুদি, নাস্তিকের বাচ্চা, খানকির পোলা, মাদার চোদ বুঝে। কিন্তু তারা যা বলতে চায়, তা প্রকাশ করতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে, তারা নিজেরাও জানে না-কী বলতে চায়! তারা শুধু বুঝতে পারে, বাক্য বা রচনাটির সাথে তারা একমত না। তাদের শব্দের ভান্ডার সীমিত, চিন্তার জগত সীমাবদ্ধ, নতুনত্বকে গ্রহণ করতে তারা ভীত, বিপরীত মত’কে দমন করতে আগ্রহী এবং অধিকাংশই অশিক্ষিত।

বিবাহ বিচ্ছেদ কোন লজ্জার বিষয় নয়


ইউরোপ আমেরিকাতে বিবাহ বিচ্ছেদের হার প্রচুর। কিন্তু তারা যে অখুশি তা কিন্তু নয়। তারা আবারও বিয়ে করছে; কারো বিয়ে টিকছে, কারো টিকছে না। কেউ নতুন কাউকে খুঁজছে, কেউ পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না। কেউ একা থাকাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, কেউ লিভ টুগেদার করছে। তাদের কারো জীবনই একজন অসৎ মানুষের জন্য থেমে থাকে না। ব্যাপারটি খুবই চমৎকার।

বর্তমানে বাঙলাদেশে বিবাহ বিচ্ছেদের হারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারীরা শিক্ষিত হচ্ছে, তারা উপার্জন করছে, তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখছে। নারীরা বুঝতে পারছে, অতীতে তারা তাদের মা, বড় বোন, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, সমাজের নারীদের যেই করুণ চিত্র দেখে এসেছে তা থেকে তাদের মুক্তি পেতে হবে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অনন্য আজাদ
অনন্য আজাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 13 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 4, 2015 - 10:56অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর