নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ
  • নুর নবী দুলাল
  • সাজ্জাদুল হক
  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
  • হাসান নাজমুল
  • নরমপন্থী

আপনি এখানে

অনন্য আজাদ এর ব্লগ

বিপদজনক মানুষ, পশুপাখি নয়



লেকের পাশে বসে খুব মনোযোগ সহকারে বার্গার ভক্ষণ করছিলাম। আশেপাশে মানুষজনের সংখ্যাও কম ছিল না। কেউ গল্প করছিল, কেউ ভালোবাসার মানুষকে আদর করছিল, কেউ গান গাইছিল, কেউ পান করছিল। আর আমি মনোযোগ দিয়ে ভক্ষণ করেই যাচ্ছিলাম।

নব্য নারীবাদের অন্তর্দ্বন্দ্ব


গতকাল লক্ষ্য করলাম ফেসবুকে অনেক নারীর প্রোফাইল পিকচার কয়েক ঘণ্টার জন্য কালো করা হয়েছে। কয়েকজন নারী আবার আমাকে বার্তা পাঠিয়ে জানিয়েছে 'পুরুষেরা দেখুক নারী না থাকলে পৃথিবী কীরকম অন্ধকার হয়ে যায়'। এই ধরণের চিন্তাধারা মূলত নব্য নারীবাদীদের কাজ। প্রথম প্রথম যখন কেউ নাস্তিক হয়, কিংবা নারীবাদী হয়, কিংবা মুসলমানও যদি হয় তাহলে নিত্যনতুন উদ্ভট, অপ্রয়োজনীয়, ভিত্তিহীন চিন্তা দ্বারা তারা বিশ্ব উদ্ধারে নেমে থাকে। এই প্রতিবাদও তেমনই।

বিশ্বাসী হয়ে জঙ্গি হওয়ার চেয়ে অবিশ্বাসী হয়ে মানবতাবাদী হওয়া অনেক বেশি জরুরী


হেফাজতে ইসলামের আল্লামা আহমদ শফী একজন ভালো মানুষ। তিনি আল্লাহ্‌র উপর ভরসা রাখেন। দুনিয়ার সব সমস্যা নামাজ ও দোয়া করলেই সমাধান হয়ে যাবে এমন ভাবনায় বিশ্বাসী। গত কয়েক মাস ধরেই তিনি মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতি তার কোন ভরসা ছিল না। কিন্তু প্রতিবারই তিনি শেষ পর্যন্ত আল্লাহর উপর আর ভরসা না রাখতে পেরে মেডিক্যালে সুস্থতার জন্য চিকিৎসা নেন। এবং সুস্থ হন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়ন না হলে তিনি ইতিমধ্যেই মৃত্যুবরণ করতেন। তিনি নিশ্চয়ই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন। তিনি এতো নামাজ পড়েও শরীরের অবনতি থেকে মু

ধর্ম শিক্ষক যখন ধর্ম নিরপেক্ষ


শাহবুদ্দিন ছিলেন আমাদের বিদ্যালয়ের ধর্ম ক্লাসের শিক্ষক এবং আমি ছিলাম ধর্ম ক্লাসের ক্যাপ্টিন। ধর্ম এমন একটি বিষয়, যে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জানার কিছুই নেই। শুধু মুখস্থ করতে হয়। আমরা সবাই মাধ্যমিক পাশ করেছি কমবেশি মুখস্থ করেই। সম্ভবত খুব কম মানুষই আছে যারা মাধ্যমিক পরীক্ষায় ধর্মে এ+ বা লেটার মার্কস পায় নি।

অশ্লীল সমাজব্যবস্থা


ছোটবেলায় সবার মধ্যেই সকল বিষয় সম্বন্ধে জানার আগ্রহ থাকে। কারণ আমরা নতুন এক জগতের সাথে পরিচিত হই। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মনে প্রশ্ন জাগবে। অনেক প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজে পাই, আবার অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাই না।

আবার কিছু কিছু বিষয় সম্বন্ধে আমাদের জানতে দেওয়া হয় না। আমাদের সমাজে স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে অস্বাভাবিক ভাবে গোপন করে রাখা হয়। এবং এই গোপনীয়তা থেকেই আমাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার, অশ্লীল, কুৎসিত, হিংস্র চিন্তাভাবনার জন্ম নেয়। প্রশ্নের উত্তরের অভাবে আমাদের চিন্তার জগতটাও ক্ষুদ্র হতে শুরু করে। আমাদের জানার আগ্রহটাও ধীরে ধীরে মৃত্যুবরণ করতে থাকে।

বিভক্তির দ্বন্দ্ব


আমি তখন ছোট্ট, বিদ্যালয়ের ছাত্র। একদিন আমাদের বাবা হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলো, শুনলাম তুই নাকি ধর্ম ক্লাসের ক্যাপ্টিন? সত্যতা কতটুক?

বর্ণবাদ


আমার এক বন্ধু বিয়ে করেছে। বিয়ের সংবাদ জানানোর সময় আমাকে বলল বউ একটু কালো! আবার বলল, কালো হয়েছে তো ভালোই হয়েছে, সুন্দরী মেয়েরা তো আবার ......।

এই নিম্নমানের কুৎসিত চিন্তাধারা শুধু একজনের নয়। দেশে কোটি কোটি পুরুষ খুঁজে পাওয়া যাবে যারা এমন চিন্তাধারা লালন ও পালন করে থাকে। আমাদের সমাজব্যবস্থা এতটাই করুণ ও জঘন্য যে আমরা এভাবেই চিন্তা করে বড় হতে শিখি।সমাজ যেহেতু পুরুষতান্ত্রিকতায় ভরপুর, এমন বর্ণবাদ সকলের মস্তিষ্কে স্থান করে নেবেই।

কাঁটাতার


যখন দুটি হৃদয়ের মিল হওয়া সত্ত্বেও-
ধর্মের দোহাই দিয়ে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়, তখন স্পষ্ট হয়ে উঠে ভালোবাসা'কে অস্বীকার করে ধর্ম।
ভালোবাসা'র যেহেতু নেই কোন ধর্ম, নেই কোন কট্টর নিয়মকানুন, নেই হিংস্রতা- তাই বারেবারে মানুষ বেছে নেয় ভালোবাসা।
আর ধর্ম মানুষ'কে ভালোবাস'তে অস্বীকার করায়। যদি স্বীকারই করতো তবে ধর্মের মধ্যে কোন ভেদাভেদ রইতো না।
হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে প্রেম হতো স্বীকৃত। বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-হিন্দু-মুসলিম-ইহুদির মাঝে বিভেদের দেয়াল ভেঙে পড়তো অচিরেই।

যত মসজিদ ততো উগ্রতা


রথযাত্রায় মাইক নিষিদ্ধের ঘোষণা তখনই গ্রহণযোগ্যতা পেত যদি সকল ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে এটি কার্যকরী হত। এই ঘোষণা একটি নির্দিষ্ট ধর্মের ওপর চাপিয়ে দেওয়ায় প্রমাণ হয় এদেশে সংখ্যালঘুদের অবস্থান কোন পর্যায় এসে নেমেছে। এই ঘটনাটি আরো প্রমাণ করে বাঙলাদেশ এখন আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নিদর্শন নয়।

রাষ্ট্রের কোন ধর্ম নেই


ধর্ম কখনই মানুষকে একত্রিত করতে পারে না, বরং পার্থক্য করে, বিভাজিত করে। সুবিধাবাদী শ্রেণির মানুষেরা বলে থাকে যে ধর্ম মানুষকে ভালোবাসতে শেখায়, কিন্ত বাস্তবে এর কোন নজির পাওয়া যায় না।

স্কুলের পাঠ্যপুস্তক থেকে শুরু করে কর্মজীবনে চলার ক্ষেত্রে, সর্বত্র দেখা যায় ধর্ম মারাত্মকভাবে বৈষম্যের সৃষ্টি করে। একজন মানুষ ধর্মনিরপেক্ষ না হওয়া পর্যন্ত কখনই অন্য জাতি, অন্য ধর্ম, অন্য বর্ণের, অন্য ভাষাগোষ্ঠীর বা সম্প্রদায়ের উর্ধ্বে উঠে মানুষকে শুধুমাত্র একজন মানুষের মর্যাদা দিতে পারে না।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অনন্য আজাদ
অনন্য আজাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 4, 2015 - 10:56অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর