নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • শ্যাম পুলক
  • ইকারাস
  • পৃথু স্যন্যাল
  • চূড়ান্ত
  • তায়্যিব
  • মোঃ মেজবাহ উদ্দিন
  • রাফিন জয়
  • নীল জোনাকি
  • জীহান রানা

নতুন যাত্রী

  • ষঢ়ঋতু
  • এনেক্স
  • আরিফ ইউডি
  • গলা বাজ
  • হুসাইন
  • তারুবীর
  • অন্তরা ফেরদৌস
  • শেখ সাকিব ফেরদৌস
  • প্রাণ
  • ফেরদৌস সজীব

আপনি এখানে

অনন্য আজাদ এর ব্লগ

পুরুষত্ব কি শুধু লিঙ্গের আস্ফালন


ওড়না বিষয়ে দুটি স্ট্যাটাস দেওয়ার ফলশ্রুতিতে বাঙলার শত শত পুরুষের প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে জানতে পারলাম- আমি আর পুরুষ নই, আমার পুরুষত্ব নেই, আমার লিঙ্গ নেই, আমি ধ্বজভঙ্গ, আমি হিজড়া ইত্যাদি। আমি আরও জানতে পারলাম যে- ওড়না না পরলে ধর্ষণ হওয়াটাই স্বাভাবিক এবং মা ও বোন ব্যতীত যে কোন মেয়েকে দেখলেই সেক্স উঠা পুরুষত্ববোধ ইত্যাদি।

এসিড নিক্ষেপ


পোলাটা এলাকার মস্তবড় গুন্ডা। নাম তার মোহাম্মদ। ভালোবেসে চ্যালাচামুণ্ডারা তাকে মোহা ভাই বলে ডাকে। এলাকার মানুষেরা মোহার কর্মকাণ্ডে বিরক্ত, অতিষ্ঠ, ক্ষুব্ধ। কিন্তু কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। কে আর নিজ থেকে অশান্তি ডেকে আনতে চায়!

মোহা এলাকার মেয়েদের অনেক বেশি বিরক্ত করতো। সবাই ভয়ে থাকতো কখন, কাকে ধরে নিয়ে যায়! চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে খুন, ধর্ষণ সব মামলার আসামী মোহা। কিন্তু পুলিশ মোহাকে জামাই আদরে যত্ন করতো। সন্ত্রাসীদের সাথে পুলিশের বন্ধুত্ব খুব দ্রুত সম্ভব। চারিত্রিকভাবে পুলিশ ও সন্ত্রাসী একই আত্মার সঙ্গী।

বাঙলার মায়েরা শরৎকালের শিউলি ফুলের মতো


আমাদের মায়েরা খুব অসহায়। তাদের নিজস্ব সুখ বলতে কিছু নেই। বিয়ের পর থেকেই তাদের স্বপ্নগুলো ধূসর হতে থাকে। সন্তানের সুখকে নিজের সুখ ভেবে নিজের সুখকে আড়াল করার ক্ষেত্রে বাঙাল মায়েদের বিসর্জন অনন্য। তাদের স্বপ্নগুলো দেয়ালের কোন এক ছিদ্রে বন্দি হয়ে যায়। শহরের বাড়িঘরগুলো কিছুটা কবরের মতোই; স্বপ্নগুলো বিষাক্ত হতে হতে পচে, গলে মিশে যায়। কখনো যে তারা স্বপ্ন দেখতো, তা আর মনে করতে পারে না।

উৎসবের স্বাভাবিকতা ও ধর্মের অস্বাভাবিকতাঃ বাঙালি সংস্কৃতি ও থার্টি ফার্স্ট নাইট


৩১শে ডিসেম্বরের পুর্বেই আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘোষণা দেয়- সন্ধ্যার মধ্যে সবার বাড়ি ফিরতে হবে, শহরের সকল পানশালা বন্ধ থাকবে, পতিতালয় বন্ধ থাকবে, আতশবাজি ফাটানো যাবে না, গাড়ি নিয়ে রাতে বের হওয়া যাবে না ইত্যাদি।

ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী নরেন্দ্র মোদী


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যতটা না মানুষ তারচেয়ে বেশি ধর্মান্ধ। এবং একজন ধর্মান্ধ কখনোই মানুষ হতে পারে না। কারণ তার চিন্তাধারা, কর্মকাণ্ড একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই লুকোচুরি করতে থাকে। সীমাবদ্ধতার মধ্যে যেহেতু তাদের বসবাস; সেই কারণে তারা নতুন কোনকিছুকে স্বাগত বা গ্রহণ করতে পারে না। পরস্পরের প্রতি সম্মানবোধ, ভিন্ন মতবাদ, মানুষের মুক্তির উপায়কে অগ্রাহ্য করে এককেন্দ্রিক চিন্তাকেই এরা সর্বউৎকৃষ্ট বোধ করে।

যার ফলে সমাজে অবস্থানরত সকল মানুষের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়ন হয় না। শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট চিন্তাধারার মানুষেরই উন্নয়ন ঘটে। এবং বাদবাকির জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।

পশ্চিমবাঙলার এক দিদি


পশ্চিমবাঙলায় এক দিদি আছে। আর সেই দিদির অনেক ক্ষমতা। এবং যেহেতু দিদির অনেক ক্ষমতা আছে সুতরাং দিদির অনেক উম্মত, চ্যালাচামুণ্ডা, চাটুকার, চামচা, অনুরাগীও আছে স্বাভাবিকভাবেই। দিদি পেশায়, নেশায়, শয়নে-স্বপনে একজন রাজনীতিবিদ। দিদির পূর্ণ নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে দিদি। চাটার দলেরা ভালোবেসে যেমন দিদি বলে ডাকে, তেমনই ভয় পেয়ে সাধারণ মানুষও দিদি বলতে বাধ্য হয়।

ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুবাদী মোদী


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি দেশকে এতোটাই ভালোবাসেন যে বিয়ে করার সময়ই পান নি। অথচ তার বক্তব্যটি মিথ্যে। তিনি বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু সম্পর্কের ইতি ঘটে। তিনি বলেন, ‘এতো কাজের চাপ এবং দেশকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে বিয়ে করা হয়ে উঠে নি’।

আড়াই শো বছর আগে ডক্টর জনসন বলে গেছেন, দেশপ্রেম বদমাশদের শেষ আশ্রয়স্থল। মোদীও সেক্ষেত্রে ভিন্ন নন। অন্য সব রাজনীতিবিদদের মতোই ক্ষমতার লোভ মোদীকে অনেক আগেই নষ্টভ্রষ্টে পরিণত করেছিল।

মূর্তি ভাঙতে মুসলমান পারদর্শী


কিছুদিন আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের মুসলমানেরা দফায় দফায় হিন্দুদের বাড়িঘর ও মন্দির ভেঙে ইসলামিক পুণ্য হাসিল করে। ফেসবুকের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে ইসলামিক বান্দারা মূর্তি ভেঙে ও পোস্টদাতার ফাঁসি চেয়ে দেশের বিভিন্নপ্রান্থে আন্দোলন করে।

মুসলমানদের মানবতা প্রদর্শিত হয় প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে


পৃথিবীর যে প্রান্তেই একটি মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে তার জন্য পৃথিবীর সকল প্রান্ত খুলে দেয়া হোক। কাঁটাতার দিয়ে বর্ডার বানিয়ে মানুষের মাঝে মানুষের যে পার্থক্য সৃষ্টি, দেশের সাথে দেশের শত্রুতা এসব বন্ধ করা হোক।

পৃথিবী ডানদিকে ঝুকে পড়ছে


আমেরিকার নির্বাচনের ফলাফল দেখে অনেকেই হতভম্ব হয়েছেন। কারণ আমরা আমেরিকাকে যে চোখে দেখতাম কিংবা আমেরিকানদের সম্পর্কে যা কল্পনা করতাম- নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বিপরীত ঘটেছে। আমেরিকা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ বলে তাদের চিন্তাধারা সব সময় উৎকৃষ্টমানে, প্রগতিশীল হবে এমন কল্পনা করাও যে বোকামি তা নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

কিছু সময়ের জন্য আমেরিকার নির্বাচনের কথা ভুলে গিয়ে নিজ বাঙলাদেশের কথা একটু ভেবে দেখি না! ভাবতে শুরু করলে কি আমরা তাদের সাথে খুব বেশি পার্থক্য খুঁজে পাই?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অনন্য আজাদ
অনন্য আজাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 4 দিন ago
Joined: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 4, 2015 - 4:56অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর