নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জলের গান
  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ সিদ্দিকী

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

নীল কষ্ট এর ব্লগ

আলোচনা, সমালোচনা ও পর্যালোচনা.........।


বাংলাদেশের বিখ্যাত সুবিধাবাদী দার্শনিক, পর্যালোচক, সমালোচক পিনাকি ভট্টাচার্যের মতে রংপুরের ঘটনার জন্য দায়ী হিন্দু ও প্রশাসন। তিনি টিটু রায়ের এফবি আইডি থেকে জানতে পেরেছেন যে তিতু রায় মারাত্মক রকমের উসকানি দিয়েছিল। কিন্তু তিনি এটা বুঝতে পারে নি এটা তার আইডি কিনা? টিটুর এফবি আইডির নাম Md titu. এই আইডি থেকে অনেক অশ্লীল ছবি আবার পারিবারিক ছবিও শেয়ার করা হইছে। জানি না তার মানসিক সমস্যা আছে কিনা?

বাঙালি মডারেট মুসলিমের মন...........................।।


দেশে কোন জঙ্গি হামলা হলেই মডারেট মুসলিমদের চিৎকার শুরু হয়ে যায়- জঙ্গিদের কোন জাত পাত, ধর্ম নেই। আসলেই কি জঙ্গিদের ধর্ম নেই? অবশ্যই আছে এবং তাদের ধর্ম হল ইসলাম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সাম্প্রদায়িকতার লালনকারী বলা যাবে না কেন???????


বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এদেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে যার অবদান অসামান্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম দিয়েছে এদেশের অনেক সূর্য সন্তানদের। বাহান্ন থেকে শুরু করে একাত্তর এবং পরবর্তীতেও দেশের সংকটময় অবস্থায় পালন করেছে অগ্রণী ভুমিকা। তাই বাংলাদেশ কখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঋণ শোধ করতে পারবে না।

ইসলাম, জঙ্গিবাদ, সহী মুসলিম, সরকার ও আমার কিছু কথা...........................।।


গুলশান হামলার পর সরকারের জঙ্গি বিরোধী ম্যারাথন অভিযানের ফলে কিছু দিন জঙ্গি কার্যক্রম স্তমিত হয়ে পড়লেও, আবারো তারা বীর বিক্রমে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। এতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। হয়তোবা তারা এখনও তাদের পূর্ণ শক্তির পরিচয় দেয় নি। জানি না সামনের দিনগুলোতে কি অপেক্ষা করছে?

ফিরে দেখাঃ ২০১৬ এর গায়ে জঙ্গিবাদের কালো থাবা...............।।


আবারো দেখতে দেখতে চলে গেল একটি বছর। আসছে নতুন বছর নতুন কিছু নিয়ে। ২০১৬ সালে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল জঙ্গিবাদ। বিগত বছরগুলতে জঙ্গিদের কার্যক্রম চোরাগোপ্তা হামলাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। এবার দেখা দেয় নতুন রুপে পুরোপুরি ওয়েস্টার্ন স্টাইলে জিম্মি করে হামলা চালানো হয়। এ বছর কার্যত দুই ধরনের হামলা লক্ষ্য করা যায়। চোরাগোপ্তা হামলাকারী গ্রুপটি তো আগে থেকেই সক্রিয় ছিল। এবার তারা হামলার ধরন পাল্টে ফেলে নতুন রুপে অর্থাৎ জিম্মি করে, প্রকাশ্য জনসমাবেশে হামলা করা শুরু করে। এ হামলা তারা তখনেই শুরু করে যখন সরকার খুব বড় মুখ নিয়ে বলতেছিল বাংলাদেশে কোন জঙ্গি নেই।

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিষিদ্ধ কিছু উপাখ্যান...


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। একে এখানকার ছাত্ররা গর্ব করে বলে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড। এখন কোটি টাকার প্রশ্ন- একে কেন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলা হয়। অনেক ঘাটাঘাটি করে জানলাম, একে অক্সফোর্ডের সাথে তুলনা করা হয় দুটি কারনে। প্রথমত, দুটি প্রতিষ্ঠানই ছিল পুরনাঙ্গ আবাসিক। এতে করে ছাত্ররা তাদের ডিপার্টমেন্টের পূর্বে তাদের হলের সাথে সংযুক্ত হতে হয়। হলের মাধ্যমেই সব অফিশিয়াল কাজকর্ম করতে হয়। দ্বিতীয়ত, অক্সফোর্ডের মতো ঢাবিতেও ছিল তিন বছর মেয়াদী অনার্স কোর্স। তাছাড়া একাডেমিক ক্ষেত্রে অক্সফোর্ডের সিলেবাস অনুসরন করে পরানো হত। এই দুটি কারনেই ঢাবিকে অক্সফোর্ডের সাথে তুলনা করা হত। কিন্তু এগুল

মানবতা কি? ইহা কোথায় পাওয়া যায়...........................


মানবতা কি? মানবতা কার জন্য? এগুলা কোটি টাকার প্রশ্ন।

যদিও মানবতা কথাটার অনেক গভীর তাৎপর্য আছে, তবুও সাধারন দৃষ্টিতে মানবতা হলো মানুষের ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য যার দ্বারা একজন মানুষ পুর্নাঙ্গ মানুষে পরিনত হতে পারে। এক কথায় মানবতা হলো- মানুষের জন্য মানুষের ভালোবাসা,স্নেহ, মায়া, মমতা। সেটা হোক পাশের বাড়ীর কিংবা হাজার মাইল দুরের অপরিচিত কোন মানুষ।

গল্প অথবা বাস্তব...................


আজকাল আমার সর্বক্ষনের সঙ্গী এই জানালার গ্রিলটা। অদ্ভুদ এক ভালোবাসা জন্মে গেছে এই প্রানহীন জিনিসটার প্রতি। অথচ আমি একেও ভালোবাসতে চাই নি। সামনের ঐ ধানক্ষেতটার জন্যও মায়া জন্মে গেছে। অথচ আমি এটাও চাই নি। সকালের উদিয়মান সূর্যের মৃদু লাল আভা খুব গায়ে মাখতে ইচ্ছে করে। প্রতিদিন সূর্যাস্ত দেখি আর ভাবি- কোন একদিন আমিও ডুব দেব কালের অতল গহ্বরে। কিন্তু আমি ভালোবাসতে চাই নি কাউকে, এমনকি নিজেকেও না। তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়াই ছিল একমাত্র উদ্দেশ্য। একেবারে শূন্যে মিলিয়ে যেতেও চেয়েছিলাম কিন্তু পারিনি। হয়তোবা আত্মহত্যা করার মতো সাহসও আমার নেই। অথচ মৃত্যুই আমার একমাত্র লক্ষ্য। হ্যাঁ আমি বাঁচতে চেয়

দেশে গত ৫০ বছরে কোন দাঙ্গা হয় নি....................


পক্ষকাল আগে মাননীয় প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বলেছেন- বিগত ৫০ বছরে দেশে কোন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে নি। আমি উনার সাথে সম্পূর্ন একমত। সত্যিই তো বাংলাদেশে কোন দাঙ্গা হয় নি। বাংলাদেশে যা হয়েছে সেটাকে আমরা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলতে পারি। কোথাও প্রতিমা ভাংচুর, ধর্ষন অথবা নির্যাতনের মতো ঘটনা তো বিচ্ছিন্ন ঘটনাই। যেসব উপাদান থাকলে আমরা একটা ঘটনাকে দাঙ্গা বলতে পারি, তা কখনোই উপস্থিত ছিল না। দুটি পৃথক গোষ্ঠীর নির্মমতা, নৃশংসতার রুপ যখন পরস্পরের বিরুদ্ধে চরম পর্যায়ে পৌছায়, তখনই এটাকে দাঙ্গা বলা হয়। উপমহাদেশের ইতিহাস অনেক দাঙ্গার স্বাক্ষী। হিন্দু মুসলমানের রক্তে লেখা দাঙ্গার ইতিহাস। মানুষকে কচুকাটা করা, জীব

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

নীল কষ্ট
নীল কষ্ট এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: শনিবার, আগস্ট 22, 2015 - 4:59পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর