নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মারুফুর রহমান খান
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সৌরভ দাস এর ব্লগ

ইভাকে হল থেকে বের করে দেয়ার নেপথ্যের ঘটনা


সর্বোপরি আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর পরিস্থিতি খুবই খারাপ। প্রত্যেক হলেই কোন না কোন ভাবে ক্ষমতাসীনদের দখলদারিত্ব রয়েছে। হলের সিটগুলো অনেক সময় তারা ছাত্র ছাত্রীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাদের কাছে বিক্রি পর্যন্ত করে। শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন করার জন্য এখানে থাকে পৃথক টর্চার সেলের মত ব্যবস্থা। যে টর্চার সেলের নির্যাতন সইতে না পেরে বাকৃবিতে ২০১৪ সালে সাদ ইবনে মমতাজ নামের এক শিক্ষার্থীর জীবন পর্যন্ত বলি হয়।

জঙ্গিবাদের আস্ফালন এবং নির্বাক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়


জঙ্গিবাদ নিয়ে দেশ এখন বড্ড বেশি চিন্তিত। জঙ্গিবাদ নামক অভিশাপটি পুরো দেশকে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে। দেশের কোণায় কোণায় তারা আস্তানা গেড়ে বসে আছে। একটু সার্চ করলেই ফস করেই জঙ্গি বেরিয়ে আসছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বুক ফুলিয়ে এতদিন বলতো- আমরা আগাগোড়া অরাজনৈতিক। অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের ভর্তি করিয়ে তাই তৃপ্তির ঢেকুর তুলে তুলে বাসায় ফিরতেন। সেখানে সার্চ করার আগেই জঙ্গি বেরিয়ে এসেছে। এর সাথে অবশ্য দু একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও উঠে এসেছে। এসব কিছুর সাথে সম্প্রতি গুলশানের ঘটনা, শোলাকিয়ার ঘটনা হিসেব করলে গত কয়েক সপ্তাহ জুড়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের প্রধান সংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে- জঙ্গিবাদ। কোন দিকে তাহলে

বাকৃবির একটি বাস্তব নির্মম চিত্র


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃষিশিক্ষার পীঠস্থান। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এক সময় সত্যিই শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অন্যতম একটি কৃষি বিষয়ক জ্ঞান সম্বলিত বিশাল এক গবেষণাগারে পরিণত হয়েছিলো। যে আকর্ষণের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা পড়ার জন্য পাড়ি জমাতো এই বাকৃবিতে। কিন্তু বর্তমানে সে গৌরব ধসে পড়তে পড়তে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। কী কারণ এর পেছনে? কারণ খুঁজতে গেলে পর্দার সামনের কিংবা পর্দার পেছনের অসংখ্য কারণ খুজে পাওয়া যায়।

একটি ভিনদেশী জাতির আগমন


শুরুটা করা যাক একটি ভিনদেশী জাতির ভারতবর্ষে আগমনের কাহিনী দিয়ে। সে অনেক অনেক বছর আগের কথা।
স্থানটি গান্ধার রাজ্যের তক্ষশীলা।
ইতিহাসকে খুঁজতে খুঁজতে আমরা যদি ১৮০০ খ্রিষ্ট পূর্বে তক্ষশীলায় ভ্রমণ করতে যাই তাহলে একটি জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব পাবো সেখানে। যাদের গায়ের রং ধবধবে সাদা। প্রকৃতির নানান প্রতিকূল পরিস্থিতি এদের করে তুলেছিলো বেশ পরিশ্রমী ও শক্তিশালী। প্রকৃতির এই প্রতিকূলতার কারণেই এদের জীবন যাত্রা ছিলো পুরোপুরি যাযাবর প্রকৃতির। একেক সময় একেক জায়গায় নিজেদের আশ্রয় খোঁজার এক নিরন্তর সংগ্রামের মধ্যে তাদের ব্যস্ত থাকতে হতো।

প্রবাসীর প্রত্যাবর্তনঃ অল্প স্বল্প


(প্রকাশনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে উপন্যাসটির অল্প স্বল্প আপনাদের সামনে তুলে ধরছি)....
ভদ্রলোকটির পুরো নাম ইকবাল হাসান। বিশ্ববিদ্যালয়ে সবার পরিচিত ইকবাল ভাই। চেহারাটা নিতান্তই কুৎসিত। এখনো উনার নামে ডজন খানেক মামলা থানায় ঝুলে আছে। ধর্ষণ, লুটপাট, মাতলামি, সংঘাত, খুন কোনো কিছুই বাদ নেই। সবকিছুতেই ইকবাল ভাই সর্বেসর্বা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে দেখলেই ইকবাল ভাইয়ের সবকটা আঙুল গরম হতে থাকে। তার আঙুলের থাবায় পুরো ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় লাভ করে তার চিরাচরিত পরিবেশ।

ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের মূল্য মাত্র ত্রিশ হাজার টাকা!


একজন ছাত্র এবং শিক্ষকের মধ্যে যে সম্পর্ক সেটার মূল উদ্দেশ্য হলো জ্ঞানের পারস্পরিক বিনিময়। যদি প্রশ্ন করা হয় এই মূল্য এক্সজেক্টলি কত হবে যদি আমরা সেটাকে টাকার অংকে প্রকাশ করতে চাই? এই কিছুদিন আগেও আমরা জানতাম এই বিনিময় অর্থ আকারে প্রকাশযোগ্য নয়। কিন্তু ইদানিং তা অর্থ আকারে প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে এবং তা মাত্র ৩০,০০০ টাকা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরো কম। তবে সম্প্রতি আমি নিজে একজন শিক্ষককে দেখেছি মাত্র ৩০,০০০ টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে যেতে।

মহামান্য শিক্ষকদের একটি আন্দোলন ও কিছু কথা : প্রসঙ্গ বাকৃবি


আমরা অনেকে দেখেছি, প্রশাসন ভবনের সামনে বসে আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন। আন্দোলনের বিষয়বস্তুও বেশ যুক্তি সংগত (শিক্ষকদের ভাষায়!)- ৮ম বেতন কাঠামো বাতিল ও স্বতন্ত্র পে স্কেল দাবিতে আন্দোলন। লাইব্রেরীর আশেপাশে পরিচিত দু্ই এক জন বড় ভাই ও কিছু ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলছিলাম এ ব্যাপারে যে তারা কী ভাবছে। বেশির ভাগই মুখ বেঁকিয়ে খুব সুন্দর করে বলেছিলেন, “এখন নিজের পকেটে টান পড়েছে তো তাই ঠিকই আন্দোলনে নেমেছেন। ছাত্রদের পকেট ধরে টান দেয়ার সময় এগুলো মনে থাকে না?”
ছাত্রদের পকেট ধরে টান দেয়ার বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করা দরকার।

ধিক্কার জানাই জাফর স্যারের এই লেজুরবৃত্তি


ছাত্রলীগের ক্যাডাররা যখন শিক্ষকদের পেটানো শুরু করে তার পরবর্তী জাফর ইকবাল স্যারের মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার পুরো দেশ জুড়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে। স্যার বললেন- এরকম ছাত্র বানিয়েছেন দেখে উনার নাকি গলায় দড়ি দিতে ইচ্ছে করছে। তাছাড়া যে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো সেই জয় বাংলা শ্লোগানের এত বড় অপমান উনি উনার জীবনে দেখেন নি।
জাফর ইকবাল স্যারের এই বোমা ফাটানো স্টেটমেন্টে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যেও সমালোচনার বন্যা বয়ে যায়।

প্রাইভেট ভার্সিটির শিক্ষা বাণিজ্য এর দায় কার?


বাংলাদেশের ছাপোষা খেটে খাওয়া মানুষ যাদের জন্য আমরা কোনো প্রকার চিন্তা করি না তাদের মনের ভেতরও রয়েছে নানান স্বপ্ন। যেটা আমরা জানি না কিংবা জানলেও বুঝার চেষ্টা করি না। অথচ তারাও স্বপ্ন দেখে উন্নত জীবনের। যেখানে তাদের কোনো অভাব-অনটন থাকবে না।

বাকৃবির ৯৬ জন হতভাগা কর্মচারি ও একটি নিয়োগ বাণিজ্য


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৬ জন কর্মচারির নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে নিউজটা গতকাল রাতেই পেয়েছিলাম। ৩১০ জন কর্মচারি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠায় তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সাপেক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তদন্ত কমিটি তাদের তদন্তে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পায়। যে দুর্নীতির শিরোমণি ছিলেন বাকৃবির সাবেক ভিসি (যিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন ও সহযোদ্ধার লাশ বহন করেছিলেন!) প্রফেসর ড.

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সৌরভ দাস
সৌরভ দাস এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 2 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, আগস্ট 13, 2015 - 8:18অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর