নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

ফারুক এর ব্লগ

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (১৬)


* ইস্রাইলিদের সংখ্যা কত ছিল?

বাইবেল থেকে আমরা জানতে পারি যে ইয়াকুবের উত্তরপুরূষের সংখ্যা ছিল ৭০ জন।[Exodus 1:5] তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম ইয়াকুবই ছিলেন ইস্রাইল (যদিও কোরানে এব্যাপারে কিছু বলা নেই) , তাহলে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে ইয়াকুব থেকে মূসার সময়কাল প্রায় ১৫০ বছরের ব্যবধানে ইস্রাইলিদের সংখ্যা মাত্র ৭০ জন থেকে কিভাবে ৬ লক্ষ হলো? তাও মাত্র ৪ প্রজন্মে? (কোন কোন ভাষ্যকার এমন দাবীও করেছে যে মূসার সাথে সিনাই উপদ্বীপে পালিয়ে গিয়েছিল ২০ লক্ষ ইস্রাইলি) এখানে বলে রাখা ভাল বাইবেলে ইয়াকুবের আরেক নাম ইস্রাইল এবং ইয়াকুবের বংশধররাই ইস্রাইলি সম্প্রদায়।

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (১৫)


তাহলে আমরা এই উপসংহারে আসতে পারি যে , ইউসুফ মিস্‌র নামের যে বানিজ্য কাফেলার স্টেশন ও নগর দূর্গের রাজকর্মচারী ছিলেন সেখান থেকে তার বাবা ইয়াকুব যে গ্রামে বাস করতেন ,সেটা খুব বেশি দুরে ছিল না এবং আল-আজিজের (জুলেখার স্বামী) গ্রাম ও এই মিস্‌রের কাছেই ছিল। সেই প্রাচীন কালে পায়ে হেটে তার ভাইরা কয়েকবার মিস্‌রে এসে খাদ্য শস্য নিয়ে গেছে , এমনকি বুড়ো বাবা ইয়াকুব ও হেটেই মিস্‌র গেছে। একি ধারাবাহিকতায় বলা যায় এই গ্রামেই বা এর আশে পাশে ইয়াকুবের বাবা ইসহাক ও দাদা ইব্রাহিম বসতি স্থাপন করেছিলেন এবং এখানেই বাস করতেন ও এখানেই মারা গিয়েছেন। এই সকল গ্রাম ও নগরকে কোরানে বলা হয়েছে "আল-কুরা"। এই সকল গ্র

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (১৪)


কোরানে বর্ণীত ইউসুফের গল্প থেকে এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে , যে মিস্‌রের রাজাকে ইউসুফ স্বপ্নের ব্যখ্যা করেছিলেন , সেই মিস্‌রের মানুষ ফসল ফলানোর জন্য বৃষ্টির উপরে নির্ভরশীল ছিল। এটা ইজিপ্টের আবহাওয়ার সাথে মেলে না । কারন ভুগোলের প্রথম বর্ষের ছাত্র ও জানে , প্রাগঐতিহাসিক যূগ থেকেই ইজিপ্ট ফসলের জন্য নীল নদের পানি ও বন্যার উপরে নির্ভরশীল। ইজিপ্টে বছরে গড়ে বৃষ্টিপাতের পরিমান ৩০ মিমির বেশি নয়। ( বাংলাদেশে গড়ে ২০০০মিমি বৃষ্টি)। বৃষ্টির বেশির ভাগই হয় ভূমধ্যসাগর তীরবর্তি এলাকায় এবং যত দেশটির ভিতরে যাওয়া যায় , ততই বৃষ্টির পরিমান কমতে কমতে সুদান ও লিবিয়া সীমান্ত এলাকায় প্রায় শুন্য। মোদ্দা

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (১৩)


৩য় অধ্যায়

কোরানের মিস্‌র কোনটা?

* ইউসুফের মিস্‌রঃ প্রথম খাদ্য গুদাম

কোরানে মিস্‌র শব্দটির প্রথম দেখা পাওয়া যায় সূরা ইউসুফে (১২) নবী ইউসুফের গল্পে। মিস্‌র সত্যিই কী , সেই রহস্য সমাধানের প্রথম সুত্র পাওয়া যায় নিচের আয়াতেঃ

{তাদের মধ্য থেকে একজন বলল, তোমরা ইউসুফ কে হত্যা করো না, বরং ফেলে দাও তাকে অন্ধকূপে যাতে কোন কাফেলা তাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়, যদি তোমাদের কিছু করতেই হয়। ১২:১০}

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (১২)


আঁদি ওল্ড টেস্টামেন্ট আরামিক ভাষায় লিখিত। এখানে আরামিক ভাষা সম্পর্কে একটু বলে রাখা ভাল। আরামিক , আরবি ও তথাকথিত হিব্রু সমগোত্রিয়। আরামিক ও ডান থেকে বামে লেখে। এই সব ভাষায় লিখিত রুপগুলি স্বরবর্ণ বা ভাওয়েল ছাড়া লেখা হয়। এইজন্য এই সব ভাষাকে নীরব (silent) ভাষা বলা হয় এবং লিখিত রুপটি অনুচ্চারিত (unvocal).

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (১১)


কিন্তু আরবরা এমনটি করল কেন? কেন তারা নীল নদের দেশকে মিশর নামে ডাকা শুরু করল এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বিভ্রান্তি সৃষ্টি করল? এর উত্তর জানতে চলুন আরো পড়ি।

ইবনে মঞ্জুর তার লেখা "লিসান'উল আরব" (আরবের জিহ্ববা/ভাষা) বইতে 'মিস্‌র' শব্দকে সাধারন বিশেষ্য হিসাবে এভাবেই বর্ণনা করেছেন-

‎"مصرواالمكانتمصيراً،أيجعلوه ِمصراًفتمصر"

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (১০)


২য় অধ্যায় বিভ্রমের উৎস

আমরা এখনো ফিরাউনের হারিয়ে যাওয়া পরিচিতি খুজতেছি এবং খুজতে থাকব যতক্ষন না সত্য প্রকাশ পায়।

* আরবদের ইজিপ্ট জয়

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (৮)


এই প্রসঙ্গে ইজিপ্টের প্রাচীন ধ্বংশাবেশ কাউন্সিলের জেনারেল সেক্রেটারী ও প্রাক্তন ভ্রমন ব্যাবস্থা মন্ত্রী প্রফেসর জাহি হাওয়াস তার অনেক সেমিনারে বলেছেন , ইজিপ্টের প্রাচীন শাসকদের মধ্যে কে যে মুসার সময়ের রাজা ছিলেন , তা এখনো সনাক্ত করা সম্ভব হয় নি। ২২/৫/১৯০৫ সালে বাহরাইনের আয়াম পত্রিকায় এক সাক্ষাৎকারে তাকে যখন প্রশ্ন করা হয় কোন কোন ফরাসি বিজ্ঞানি দাবী করেছেন রামসেস২ কোরান ও বাইবেলে বর্ণীত ফেরাউন , তখন জবাবে তনি বলেন , "অবশ্যই না"। মুসার ফেরাউন সমুদ্রে ডুবে মারা গিয়েছিল , আর রামসেস২ এর মমিতে ডুবে মরার কোন আলামত পাওয়া যায় নি। প্রায় সকল রাজকীয় মমির ফরেন্সিক পরীক্ষার পরে , এখন পর্যন্ত এদ

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (৭)


একাডেমিক ও প্রত্নতত্ববিদরা মিশর এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনে প্রাচীন ধ্বংশাবশেষ বা কোন পুরানিদর্শন (relics) খুজে না পেয়ে বাইবেলে বর্ণীত বণী ইস্রাইলের ইতিহাসকে মিথ - কল্পকথা বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের যুক্তির দুর্বলতা হলো , বণী ইস্রাইল দাবীদার নামে এক জাতি বর্তমানেও বিদ্যমান। তারা তো আর মিথ নয়। একাডেমিকরা কেন ভাবছেন না , এমন ও তো হতে পারে তারা ভুল জায়গায় খুজছেন।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

ফারুক
ফারুক এর ছবি
Offline
Last seen: 3 months 1 week ago
Joined: বুধবার, জুলাই 29, 2015 - 9:16অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর