নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

ফারুক এর ব্লগ

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (৭)


একাডেমিক ও প্রত্নতত্ববিদরা মিশর এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনে প্রাচীন ধ্বংশাবশেষ বা কোন পুরানিদর্শন (relics) খুজে না পেয়ে বাইবেলে বর্ণীত বণী ইস্রাইলের ইতিহাসকে মিথ - কল্পকথা বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের যুক্তির দুর্বলতা হলো , বণী ইস্রাইল দাবীদার নামে এক জাতি বর্তমানেও বিদ্যমান। তারা তো আর মিথ নয়। একাডেমিকরা কেন ভাবছেন না , এমন ও তো হতে পারে তারা ভুল জায়গায় খুজছেন।

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (৬)


ফেরাউন একজন নাকি অনেকজন

এখনকার সাধারন জ্ঞানমতে মিশরের রাজাদের টাইটেল ছিল ফেরাউন। এর অর্থ দাড়ায় রাজা নারমার থেকে শুরু করে ক্লিওপেট্রা পর্যন্ত প্রায় শত খানেক ফেরাউন ছিল। এসব আপাতত ভুলে, কোরানে বর্ণীত ফেরাউন সম্পর্কে জানার জন্য চলুন কোরানের আয়াতগুলো নিয়ে গভিরভাবে পর্যালোচনা করি।

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (৫)


মুহাম্মদের সময় আরবের মানুষ নীল নদের দেশকে যে কিব্‌ত নামে জানত , তা আমরা আরো জানতে পারি মারিয়া আল-কিবতিয়া এই নামের মাধ্যমে। ইসলামি গল্প অনুযায়ী মুহাম্মদকে নীল নদের দেশ থেকে মারিয়া নামের একটি দাসী উপঢৌকন হিসাবে পাঠানো হয়েছিল , যাকে পরে মুহাম্মদ বিয়ে করেছিলেন। মারিয়ার দেশের নাম অনুসারে তার টাইটেল বা নামকরন করা হয় আল-কিবতিয়া।

তাহলে কোরানে বর্নীত মিস্‌র/ মিশর দেশ বা জায়গাটি কোথায় এবং এই নামটিই বা কোথা থেকে আসলো ? এর উত্তর খুঁজে বের করা আমাদের প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর একটি।

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (৪)


২ )কোরানের তফসির

মুসলমানদের সামগ্রিক জ্ঞানের একটি অন্যতম উৎস হলো বিভিন্ন তফসির গ্রন্থ। মনে রাখতে হবে এই সব গ্রন্থের লেখকগণ(ইবনে কাথির, জালালাইন এবং আরো অনেকে) যত বড় ইমামই হন না কেন , তারা আমাদের মতোই মানুষ ছিলেন এবং তাদের কেউই নবীর সমসাময়িক ছিলেন না বা কোন সাহাবি বা সাহাবিদের শিষ্যদের সাথে ও তাদের সাক্ষাৎ হয়নি বা তাদের কাছে আল্লাহর ওহি ও আসত না। তারা তাদের চিন্তা ভাবনা থেকেই এই সব গ্রন্থ লিখেছেন। সুতরাং এই সকল তাফসির গ্রন্থকে কোরানের সাথে এক কাতারে ফেলা যাবে না।

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (৩)


প্রথম অধ্যায়

বিশ্ব সচেতনতা থেকে লুকিয়ে রাখা সত্যের সন্ধানে

সুদুর অতীতে সংঘটিত যে জালিয়াতির ফলে আজো প্যালেস্টাইনে রক্ত ঝরছে , সেই জালিয়াতির স্বরুপ উদ্ঘাটনের দীর্ঘ যাত্রা শুরু করব ছোট একটি প্রশ্নের উত্তর খোঁজার মাধ্যমে। মূসার জীবদ্দশায় ফিরাউন (Pharaoh) কে ছিল?

প্রাচীন ইহুদি প্রিষ্টরা যে সকল ইতিহাস বিকৃতি ইহুদিদের সাথে সাথে মুসলমান সহ সারা বিশ্বের মানুষের চেতনায় সফলভাবে ঢুকিয়ে দিতে সমর্থ হয়েছে , তার অন্যতম মূসার ফিরাউনের পরিচয় (Identity) পরিবর্তন। কোরানে নির্দিষ্টভাবে নৃশংশ , নিজেকে ইলাহ দাবীদার এই ফিরাউনের বর্ণনা আছে।

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (২)


পবিত্র জালিয়াতি

"এবং এমন এক সময় আসবে যখন আমাদের ছেলে মেয়েরা (আমেরিকান রেডইন্ডিয়ান) উপলব্ধি করবে যে তারা বনী ইস্রাইলের বংশধর, এবং তারা আল্লাহর সন্তান (children of God); তখন তারা জানবে তাদের পূর্বপুরুষরা তাদের জন্য কি সম্পদ রেখে গেছে , এবং এতে তারা আনন্দিত হবে।"
(The book of Mormon- 14:15)

কোরানের আলোকে ইসলামের ইতিহাস (১)


১ নং বই - ফেরাউনের সন্ধানে

যারা সত্যকে সত্যের মানদন্ড না ভেবে প্রসিদ্ধ লোকের কথাকে সত্যের মানদন্ড ভাবে , তাদের পক্ষে সত্য জানা কষ্টকর••• জেরাল্ড ম্যসি , মিশর বিশেষজ্ঞ।

ভূমিকা••••

আমরা মুসলমানেরা বিশ্বাস করি কোরান আল্লাহর বই। আল্লাহর বাণী যেহেতু মিথ্যা হতে পারেনা , সেকারনে এই বইয়ে কোরানের আয়াতকে আমরা সত্যের মানদন্ড ভেবে নিয়ে ইসলামের সত্য ইতিহাস জানার চেষ্টা করব।

কোরানে যুদ্ধের আয়াতসমূহ


আর তাদেরকে হত্যা কর যেখানে পাও সেখানেই.....। ২:১৯১

কোরানের পূর্ন আয়াতের এই ভগ্নাংশটি বহু ইসলাম বিরোধী প্রকাশনা ও প্রচারনায় অসংখ্যবার ব্যবহৃত হয়েছে , ইসলামকে বর্বর ও নিষ্ঠুরভাবে দেখানোর জন্য। যুদ্ধের ব্যপারে কোরানের নির্দেশনা -

১) শুধুমাত্র আক্রমনকারী ও অত্যাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

"আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না। ২:১৯০ "

স্বাধীন ইচ্ছা / Free Will


বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে শুরু থেকে এই পৃথিবীতে ভাল মন্দ বিভৎস যা কিছু ঘটছে , ঘটেছে ও ঘটবে , তার সবকিছুই আল্লাহ ঘটিয়েছেন , ঘটাচ্ছেন ও ঘটাবেন। আমাদের নিজস্ব কোন ইচ্ছা নেই বা কোন কিছু করার ক্ষমতা নেই। বুদ্ধিমানরা একটু চিন্তা করলেই একথাগুলো যে কত সত্য তা বোধগম্য হওয়ার কথা। আমাদের নিজস্ব কোন ইচ্ছাই নেই। আমরা সকলেই আল্লাহর হাতের পুতুল। সুতরাং নিঃসন্দেহে এই উপসংহারে আসা যায় যে আস্তিক কর্তৃক নাস্তিকের চাপাতির আঘাতে মৃত্যু ও আল্লাহর ইচ্ছায়ই ঘটেছে।

চিন্তা করি বলেই আমি Cogito , ergo sum


সত্য কি একটা , নাকি অনেক? ব্লগে যখন আস্তিক ও নাস্তিক এবং ভিন্ন ধর্ম ও গোষ্ঠির মাঝে তর্ক বিতর্ক করতে দেখি , তখন ধান্দায় পড়ে যাই। সকলেইতো দৃঢ়তা ও আস্থার সাথে যার যার বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। কার যুক্তি সঠিক সে বিচার পরে করি। আমার কাছে যেটা আশ্চর্যকর লাগে , সেটা হলো ঈশ্বরের অস্তিত্বের পক্ষ ও বিপক্ষ উভয় দলের সুদৃঢ় বিশ্বাস , সেই সঠিক। মনে হয় না - জেনে শুনে , জান বুঝ করে কেউ মিথ্যা বলছে বা একদল অপরদলকে প্রতারিত করছে। তাহলে সত্য কোনটা? ঈশ্বর আছে ? নাকি নেই? একি সাথে ঈশ্বর আছে এবং নেই , তা তো হতে পারে না।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

ফারুক
ফারুক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, জুলাই 29, 2015 - 9:16অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর