নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অনিন্দ্য
  • নুর নবী দুলাল
  • আরণ্যক রাখাল
  • রুদ্র মাহমুদ
  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

সুমিত চৌধুরী এর ব্লগ

আমার কর্পোরেট জীবন


এই লেখাটা তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ অথবা শিক্ষনীয় লেখা নয়, তাই তেমন একটা গুরুত্ব দেবার কিছুই নেই। এই লেখার উদ্দেশ্য বা কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লিখে দিয়েছি। যারা আমার ফেইসবুক ফ্রেন্ডলিস্টে আছেন তারা ক্লিক করে অল্পতেই পড়ে নিতে পারেন লেখার মূল উদ্দেশ্য কি কি। জানিয়ে রাখা ভালো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কারোই হুদা লেখা পড়ার মানেই হয় না। আর সে স্থানে আমার ন্যায় অকাট, মূর্খ মানুষের লেখা পড়ার তো মানেই নাই। শুধু সময় না কাটলে পড়ে দেখতে পারেন।

বাংলাদেশের জান - বাংলাদেশের প্রাণ - সাকিব আল হাসান !!!


একটি প্রচলিত প্রবাদ বাক্য খুবই প্রিয়, আমরা ঘরে বাত্তি জ্বালাই না; জ্বালাই মসজিদে। এই প্রবাদটুকু খুবই বাস্তবসম্মত এবং আমাদের অভ্যাস থেকেই এসেছে। খেয়াল করে দেখুন বিভিন্ন ক্ষেত্রে আপনি বিশ্বাস করেন পরকে আর সন্দিহান থাকেন নিজের বেলায়। এর অর্থ হলো আমরা জাতিগতভাবেই "আত্মবিশ্বাসী" নই। যেকোন ব্যাপারেই আমরা চরম সন্দিহান এবং সেই সাথে চরম নেগেটিভ মনের অধিকারী। এই সমাজে যে কারো নামে যদি একটা সন্দিহান বা গুজব রটানো যায় এবার সেটি থেকে বাচ্চা বের না করা পর্যন্ত আমাদের শান্তি নাই। সেটা বিভিন্ন ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য এমনকি আমি নিজেও এই ধরণের হয়ে থাকি। কিছু উদাহারণ এখানে আগে টেনে আনি এরপর না হয় মূল কথ

মানুষের পরিচয় হবে মানুষ হিসেবে, ধর্ম দিয়ে নয়


পুজোর চাইতে রমযানেই ভালো বিক্রি-বাট্টা হয় চক্রবর্তী রেস্টুরেন্টের। আশে-পাশের এলাকা জুড়ে চক্রবর্তী রেস্টুরেন্টের সুনাম ব্যাপক। রমযান মাসে চক্রবর্তীদের পেঁয়াজু, বেগুনী, চপ, জিলাপী এইসব ছাড়া যেন ইফতার করাটা পূর্ণ হয়ে ওঠে না অনেকেরই। চক্রবর্তীরা ভাবে, ভাগ্যিস ইসলাম ধর্মে অন্যধর্মের হাতের রাঁধা কোন কিছু খাওয়ার নিষেধাজ্ঞা নেই, নইলে তাদের এই বিক্রি বাট্টা সব চলে যেতো মোহাম্মদীয়া রেস্টুরেন্টে। পণ্যের মানের ব্যাপারে চক্রবর্তীদের কোন ছাড় নেই আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে তো কোন কথাই হবে না। তাই তো এলাকাবাসীর ভীষণ পছন্দ চক্রবর্তী রেস্টুরেন্টের পণ্য। এদিকে মোহাম্মদীয়াদের অবস্থার কোন নড়চড় নেই, বন্ধু

দূর্নীতি কে করেছে আর তার দায় কার ঘাড়ে পড়েছে?


দূর্নীতির দায় কার? সরকারের না আমলাদের? নাকি জনগণের? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি প্রায়শই হই নিজে নিজে। আজ একটা প্রমাণাদি হাতে পেলাম যেখান থেকে কিছুটা হলেও পরিষ্কার হওয়া যায় দূর্নীতির দায় আসলে কাদের, কিভাবে দূর্নীতি হয় তৃণমূল থেকে।

আইসিটি আইন নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য এবং আমার কিছু পুরোনো কথা...


ইতোমধ্যেই অনলাইন ব্যাপী ঝড় উঠেছে গতকাল আইসিটি নিয়ে আইনমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য নিয়ে। যেখানে তিনি সরাসরিই বলেছেন আইসিটি আইনে জামায়াতের বিচার সুযোগ নেই। আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতেই হবে, এই জন্যেই দিতে হবে যে, তিনি অন্তত মূলা না ঝুলিয়ে একদম সরাসরিভাবেই বলে দিয়েছেন আইসিটি আইনের ক্ষমতা কতদূর। তবে হাস্যকর হচ্ছে আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রজন্মের বিষোদগার!

প্রজন্ম একটু পেছনে ফিরে তাকান, ফিরে চলুন ২০১৩ সালে। সেই সময়ে কি ঘটেছিল বাংলা জুড়ে, মনে আছে কি ফেব্রুয়ারীর ৫ তারিখের কথা! সেই সময়ে আমরা সকলেই দাঁড়িয়েছিলাম রাজপথে, দাঁড়িয়ে ছিলাম ৪২ বছরের জমে থাকা ক্ষোভের দাবীতে।

যুদ্ধাপরাধী বাবার পরিবেশবাদী কন্যা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান !!!


যুদ্ধাপরাধের দায়ে একসময়ে আত্মগোপনে থাকা প্রয়াত সাবেক প্রতিমন্ত্রী রাজাকার সৈয়দ মহিবুল হাসান এর সুযোগ্য কন্যা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বর্তমান সময়ে তিনি বেশ আলোচিত হলেও চলুন জানি তার সম্পর্কিত কিছু কথা। নিন্মোক্ত তথ্যসমূহ সংবাদপত্র থেকেই জানা।

আলোচিত সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান পেশায় পরিবেশবাদী আইনজীবী হয়েও বাবার '৭১-এ কৃত অপরাধ; হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণ ইত্যাদির ইতিহাস সযত্নে এড়িয়ে ওঠাবসা করেন সমাজের বিশেষ সুশীলদের সঙ্গে। । টিভি টকশোয় পরিবেশ রক্ষার নামে বড় বড় কথা বলা এই নেত্রী ওপরতলার মানুষের সঙ্গেই চলেন-ফেরেন।

আমরা পেছনেই এগোচ্ছি !!!


স্যার হুমায়ুন আজাদকে আমার এতো প্রিয় লাগার একটিই কারণ, তা হলো উনার মতো স্বল্প বাক্যে বৃহৎ কিছু কাঠ-খোট্টাভাবে লিখতে পারি না। যতই দিন যাচ্ছে উনার বইগুলো পড়তে পড়তে কেমন জানি নেশাতুর হয়ে পড়ছি।

প্রিয় এই লেখক যদিও প্রতিক্রিয়াশীলদের কাছে চরম আতঙ্ক স্বরূপ তবুও নিঃসন্দেহে বলতে পারি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এই দেশটাকে গড়ে তুলতে হলে উনার চিন্তাধারার বিকল্প নেই।

জালের ওপারে দেখে এলাম তাদের....


সকালে উঠেই দৌঁড় লাগালাম ছেলেগুলোকে দেখতে। রাহীর পরিবারের সাথে কথা বলে, যোগাযোগ করলাম উল্লাসের পরিবারের সাথে। তারা আসছেন জেনে রওনা হলাম চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে।

জেল গেটে তখনো পৌঁছায়নি তাদের কেউ, বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে পরে অন্যদিকে গিয়ে অপেক্ষা করছিলাম। কিছু পরে রাহীর বাবা কল করে জানালেন তারা এসেছেন। গিয়ে দেখলাম উল্লাসের পরিবারের কেউই আসেনি। চেয়েছিলাম দুই পরিবারকে একসাথে নিয়ে তাদের দুইজনকে একই সাথে দেখা করবো। অগত্যা রাহীর পরিবারের সাথেই গেলাম ভেতরে।

জামিন পায় নি রাহি এবং উল্লাস


জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে লেখা এবং নাস্তিক্যবাদ প্রচারের অভিযোগে গতকাল সকালে চট্টগ্রাম কলেজের দুই ছাত্র রাহি এবং উল্লাসকে ব্যাপক মারধোর করেছে বেজন্মা জামাত-শিবির। সকাল এগারোটা নাগাদ তারা আসন্ন এইচ.এস.সি পরীক্ষার এডমিট কার্ড আনতে গেলে, আগে থেকেই ওঁৎপেতে থাকা বেজন্মা জামাত-শিবিরেরা তাদের ডেকে নিয়ে যায় নির্জনে।

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ফারাবী, বালেরকেল্লা এইসব স্থানে রাহী এবং উল্লাসের করা কিছু মন্তব্য তারা সংগ্রহ করে। প্রায় ৫ থেকে ৬ পাতার একটি প্রচারপত্র তারা বানায়। যেখানে প্রথম মন্তব্যটি যেকোন মানুষকে ভড়কে দিতে যথেষ্টই নয় বরং তার চাইতেও বেশি।

চোখের খিধা


এখানে আগেই বলে রাখি আমি কিন্তু মেয়েদের একটু এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি এবং বলা যায় সেটা স্কুল জীবন থেকে। বলতে পারেন কিছুটা ভয় আবার সংকোচ থেকে এই রকম। কিন্তু মেয়ে দেখলে তাকাতাম না তা কিন্তু না। অনেকেই তাকাই শতকরা ১০০ জন ছেলের মাঝে ৯০ জনই, হ্যা আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলব ৯০ জনই কিন্তু একটু সেক্সি কিনবা ভালো ফিগারের মেয়ে দেখলেই তাকিয়ে থাকে,মনে মনে কি ভাবে বা আকে সেটা ভিন্ন বিষয়।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

সুমিত চৌধুরী
সুমিত চৌধুরী এর ছবি
Offline
Last seen: 2 years 7 months ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 2, 2013 - 5:05অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর