নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

গোলাম রব্বানী এর ব্লগ

বাংলাদেশের সমাজে মুক্তচিন্তা: একটা খসড়া মডেল



মুক্তচিন্তার মানুষগুলো কি এভাবেই খুন হতে থাকবে? সমাজ ও রাষ্ট্র যখন তাঁদেরকে শত্রু মনে করছে, তখন এক্ষেত্রে তাঁদের করনীয় কি?

তাফসীর ইবনে ড. জাফর ইকবাল


১. ধর্ম ও বিজ্ঞানের বিশ্লেষণ প্রকৃয়া:
গোঁজামিলের উপরেই সব ধর্মকে টিকে থাকতে হয়। ইসলামকেও। কুরআনের একটা আয়াত নিয়ে বিভিন্ন ভাষার, বিভিন্ন তাফসীরকারকের ব্যাখ্যার ভিতরে বিশাল বিশাল পার্থক্য রয়েছে। এই পার্থক্য তাফসীরকারকদের পড়াশুনা, জীবন যাপন এবং ব্যক্তিগত চিন্তার মিশ্রনের পার্থক্যের কারনে হয়ে থাকে। সুন্নীরা যে চারটি ঈমামকে মেনে চলেন বা আহলে হাদীসের লোকজন যে এদের সবাইকে নাকচ করে দিয়ে থাকেন, বা শিয়া-সুন্নী-কাদিয়ানিদের ভিতরকার তফাত: এসব সব ঘটে এই মিশ্রনের পার্থক্যের কারনেই।

বাংলাদেশে ইসলামী জলসাকেন্দ্রিক আন্তঃগোষ্ঠীয় ঘৃণা ও বিভেদের চর্চা।


সিলেটের জৈন্তাপুরে গত সোমবার ৪৫টি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া কোন হঠাত ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়। সেখানে ধর্মীয় জলসা চলাকালে বক্তা গোষ্ঠিভিত্তিক ঘৃণা ছড়াচ্ছিলেন। স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই ঘৃণা মানতে না পেরে জলসার উপর চড়াও হয় এবং মারামারির এক পর্যায়ে এক কিশোর নিহত হয়। আহত হয় পঞ্চাশ জনের উপর মানুষ। সিলেট থেকে র্যাব গিয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রনে আনে। স্থানীয় এবং জাতীয় দৈনিকে এই খবর প্রকাশিত হয়। এরকম ঘটনা প্রায় দেড়শো বছর থেকে ঘটে আসছে। শীতকাল বা রোজা এলে মুসলিম পাড়াগুলোতে বিশাল জলসার আয়োজন করা হতো।

একজন অভিজিত ও সময়ের ঘণ্টি


অভিজিৎ এমন একটা দেশে এমন একটা সময়ে বেড়ে উঠেছেন যখন প্রত্যেক সরকার প্রগতি, মুক্তচিন্তা, হিন্দু-মুসলমানের সহাবস্থানের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বরং ধর্ম-ব্যাবসায়ীদের(কেউটে সাপের) মুখে চুমু খেয়ে এরা সবাই ক্ষমতায় এসেছে, দুধ-কলা দিয়ে বড় করেছে। অন্যদিকে যাঁরা প্রগতি, মুক্তচিন্তা বা ধর্মীয় সহাবস্থানের কথা মনে করিয়ে দিতে কলম তুলে নিয়েছে তারা-ই বলির পাঁঠা হয়েছেন। খুন হয়েছেন হুমায়ুন আযাদ, মোহাম্মদ ইউনুস, এম তাহের, এ কে এম শফিউল ইসলাম, জিয়াউদ্দীন জাকারিয়া, রাজিব হায়দার, আশরাফুল আলম, আরিফ রায়হান দ্বীপ, জগতজ্যোতি তালুকদার, জাফর মুন্সী এবং সাম্প্রতিক অভিজিত রায়। এছাড়া অনেকেই হুমকির মুখে রয়েছেন, কেউবা দেশ ত্যাগ করেছেন। প্রত্যেক সরকার এইসব হত্যার বিচার হবে, অপরাধী ধরা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ব্যাস, ও পর্যন্তই। সবাই জানে কারা খুন হয়, কে খুন করে, এমনকী কবে নাগাদ করা হয়ে থাকে। মানুষ এটাও জানে এসব খুনের বিচার হবে না।

নতুন ভবিষ্যতের পথে সৌদি আরব: বাংলায় তার প্রভাব।


গত পঞ্চাশ বছরে তেল বিক্রির টাকা দিয়ে সৌদি আরব ইসলামকে শক্তিশালী করেছে।
সেই ইসলাম থেকে কামিয়েছে টাকা এবং ঘৃনা দুটোই। কিন্তু সেই তেল হঠাত তলানিতে। তাছাড়া তেলের বাজার বড্ড খারাপ। এখন উপায়? তেল শেষ হলে ইসলাম টিকবে? ইসলাম বাংলাদেশে টিকে আছে সৌদি আরবের জোরে। তার কি উপায় হবে?

কালিবাবু সড়কের পরিবেশগত সমীক্ষা কিভাবে করা সম্ভব।


জমিদার বাড়ির সকাল বেলা। সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত। জমিদার কালিপদ পোদ্দার মানুষের সুখ দুঃখ শুনছেন। পাইক পেয়াদাদের প্রয়োজনমত নির্দেশ দিচ্ছেন। হটাত বুড়ো মা ঘর থেকে ছেলেকে ডেকে পাঠালেন। বললেন, বাবা: গঙ্গাস্নানে যাবো। কালিবাবু শুনে হেসে বললেন যাবে তো যাও। কবে যাবে বল, ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। মা শুনে বিরক্ত হয়ে বললেন, কিন্তু যে রোদ রে বাবা!! কালিবাবু বললেনঃ বছর দুয়েক পরে গেলে হবে? মা শুনে বললেন, ক্যান কি করবি তুই? কেন, গাছ লাগিয়ে দেবো। শিরিশ গাছ। বছর দুয়েক যেতে না যেতেই ছায়া দেবে। তোমার কষ্ট কমবে। মা ছেলেকে কাছে টেনে মাথায় হাত বুলিয়ে আশীর্বাদ করলেন।

বাঙালি: দ্বিধান্বিত একটি আত্মপরিচয়ের নাম


লেখাটি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারকে উতসর্গ করা হলো।

ভারত ভাগের আগের বাংলা আর এখনকার বাংলাদেশ কিন্তু এক নয়। যদিও বাংলাদেশ: বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনেরই ফসল। তাহলে কী হওয়া উচিত এই অঞ্চলের মানুষের জাতিসত্ত্বার পরিচয়?

প্রামাণ্যচিত্র ‘ফিরে দেখা ৪৭’ এর সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা।


সাড়ে আটান্ন মিনিটের প্রামাণ্যচিত্রটি এক টানে উচ্ছাসের সাথে দেখে ফেলা যায়। একাধিক বার দেখা যায় এবং নিঃসঙ্কচে সবাইকে দেখতে অনুরোধ করা যায়। জহির রায়হানের পরে বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা ও আবেগের সুষম গাঁথুনিতে এরকম প্রামাণ্যচিত্র আমার চোখে পড়েনি। ফিরে দেখা ৪৭ এর শুধুমাত্র নির্মানশৈলি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা।

সুন্দরবনের উপর ইউনেস্কো'র খসড়া প্রতিবেদন


ইউনেস্কো ৪১তম মিটিংএ সুন্দরবনের উপর যে প্রতিবেদন দিয়েছে, তার উপর ভিত্তি করে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে মিথ্যে কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু মূল রিপোর্টে আসলে কী ছিল তা জানতে অনেকে আগ্রহী হলেও ইনেস্কোর ওয়েবসাইট ঘেঁটে ইংরেজীতে পড়ে বুঝে ওঠা কঠিন। তাঁদের কথা মাথায় রেখে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা:

পাহাড়ে 'নাকি' শ' দেড়েক প্রাণী মাটি চাপা পড়েছে?


বাঙালিদের কাছে উপজাতীরা ঊনমানুষ।

ডিসকোর্স: পাহাড় তো চাকমা মাগীদের থাকার জায়গা। পাহাড় তো কুমিল্লা, নোয়াখালি, চাঁদপুরের সেটেলারের ছাতার তলায় 'হলিডে হোমস'। ঢাকার নব্য ধনীর দুলালদের কাছে প্রথম ল্যাসভাগাস। রাজনীতিকদের 'গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়া'।

প্রতিবছর জুন-জুলাইয়ে পাঁচ ছয় বার প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। প্রত্যেকবার বৃষ্টিতে মাটির পাহাড়ের মাথায় পানি জমে। দ্বিতীয় সপ্তাহে সেই জমে থাকা পানি চিটাগাং শহরের উপর দিয়ে গিয়ে সমুদ্রে পড়ে। দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহের দিকে হয় ভূমিধ্বস।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

গোলাম রব্বানী
গোলাম রব্বানী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 11 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, জুলাই 7, 2015 - 7:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর