নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 12 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মওদুদ তন্ময়
  • অপ্রিয় কথা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু
  • মিশু মিলন
  • দেবজ্যোতিকাজল
  • সৈয়দ আহসান
  • ফারজানা সুমনা
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

জংশন এর ব্লগ

পাহাড়ি জনগণের প্রতি একজন প্রাক্তন বাঙালির খোলা চিঠি


পাহাড়ে আমার ভাইয়েরা-বোনেরা,

আপনাদের উপর দুদিন পরপর নানা অত্যাচার হয় শুনি। দেখি বলতে পারলাম না, তা কেউ দেখায় না। কারণ কর্পোরেট মিডিয়া, সরকারের তাবেদার। সেখানে ঐ জলপাই বাহিনীর কি পরিণাম নজরদারি, তা কিছুটা হলেও দেখার সুযোগ হয়।

ইসলামি সংস্কৃতি কোনটা আর ইসলামিক ঐতিহ্যই বা কি?



যে কোন অনুষ্ঠান আসলেই ইসলামি মোল্লারা মাতম শুরু করে, ইহা ইসলামি সংস্কৃতির সাথে সাংঘর্ষিক, উহা ইসলামি ঐতিহ্যের সাথে মানানসই না। তারপর তো আরো আছে, এমন করলে শিরক হবে, অমনটা করলে আমার ধর্মানুভূতিতে লাগবে। কিন্তু আমার মনে আসলে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে ইসলামি সংস্কৃতি আসলে কি? কি কি করা যায় সেখানে? ইসলামি ঐতিহ্যটাই বা কেমন?

সহি ইসলাম, সহি মুসলিম, সহি কোরআন এর সন্ধানে


কোরআন একটা ডিলেমা! যতভাবেই এর ব্যাখ্যা করেন একপক্ষ হাজির হয়ে যাবে যে, সেটা সঠিক না। ভাষা হিসাবে আরবি অনেক প্রাচীন আর কাব্যিক ভাষা হিসাবে এর বেশ সুনামও আছে। আমরা যারা আরবি ভাষা জানিনা আবার মাতৃভাষা ছাড়া অন্য ভাষায় সাহিত্য পাঠের মত তেমন দক্ষতা অর্জন করে উঠতে পারিনি, তাদের জন্য মাতৃভাষায় কোরআন পাঠ কি গ্রহণযোগ্য নয়? আমি যতদূর জানি তা গ্রহনযোগ্য করা হয়েছে। অবশ্য আইএস নেতারা, এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের বহু বুজুর্গ ইসলামি চিন্তাবিদ, এমন কি বাংলাদেশের বহু আলেম বলে থাকেন, কোরআন সম্পূর্ণরূপে বুঝতে হলে আরবিতেই পড়তে হবে। ভাল কথা। আমিও অনেক সাহিত্যের অনুবাদ পড়ে তেমন মজা পাইনি। কিন্তু কোরআন কি শুধু সাহিত্য?

ধর্মানুভূতি কারে কয়?


এই উপমহাদেশের লোকের ধর্মানুভূতি এত প্রবল কেন? বড় অদ্ভুত অদ্ভুত কারণে তাদের ধর্মানুভূতি খাড়া হয়, আবার কখনও কখনও কিছুতেই খাড়া হয় না। অনেকটা কিছু পুরুষের sexual appetite এর মত। কখনও অতীব সুন্দরী নারী দেখলেও তার যৌনাকাঙ্ক্ষা জাগে না, আবার রাস্তাঘাটে জরিনা-ছখিনারে দেখলেই দাড়ায়ে যায়!

কে আসলে ধর্মান্ধ


আমাদের আশেপাশের বেশির ভাগ মুমিন মুসলমানেরা ইসলামের কোন ত্রুটি দেখেনা। যদি বলা হয়, অমুসলিমদের সাথে এমন এমন ব্যবহারের বিধান কোরআনে আছে। এসব মুমিনরা নিজেরা তো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোরআন তো পড়েননি, চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও তারা মানতে চান না। তবে কি তারা কোরআনের কিছু কিছু বিষয় মানেন না? বা পরিবর্তন-পরিবর্ধন চান? সেটার তো প্রশ্নই উঠে না! তাহলে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে তাদের মতামত কি, সেটা জানা হয়না।

ঘৃণার রাজনীতি


​ঠিক কি কারণে দেশ ভাগ হইছিলো, এটা আমাকে বহুত ভাবাতো, এখনো ভাবায়। কিন্তু এখন আর ইতিহাসের ইতি-উতি খুঁজি না। যতটুকু অনুমান করতে পারি, সেখানে বর্ণ হিন্দু আর সম্ভ্রান্ত মুসলমান দুপক্ষেরই যথেষ্ট ভূমিকা আছে। কিন্তু ভারত ভাগ আর বাংলা ভাগ কিন্তু অনেকটাই আলাদা। ভারতের সীমানা বার বার বদলেছে। ভারত আলাদা খন্ড খন্ড দেশ হতে পারতো। অপরদিকে একই ভাষাবাসি, একই জাতিগোষ্ঠীর বাঙালিদের আলাদা দেশ হতেই পারতো। সেটাই স্বাভাবিক ছিল। তা তো হয়ইনি বরং বৃটিশরাজ এ দুই ধর্মীয় সম্প্রদায়কে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করতে করতে এতটাই দূরে সরিয়ে দিয়েছে যে, আজও বাঙালী ভুগছে। আবার সব দোষ বৃটিশদের দিয়ে নিজেদেরকে সাধু ভাবারও কোন কারণ নে

বোর্ডিং কার্ড

জংশন
জংশন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 13 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, এপ্রিল 6, 2015 - 11:42অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর