নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

মোহাম্মদ আসাদ আলী এর ব্লগ

হুজুর একটা প্রশ্ন ছিল (০৩)


- হুজুর একটা কথা বলতে চাই। যদি আপনি অভয় দেন।

- ভয়ের কী আছে বাপু? তুমি তো আর কাফের মুশরিক না যে, মু’মিন মুসলমান দেইখা ভয় পাইবা।

- তা বটে! তারপরও ভয় পাচ্ছি, কারণ আমার কথাটাকে আপনি কীভাবে নিবেন বুঝতে পারছি না।

- আরে কও না, হুনি আগে।

- বিষয়টা হচ্ছে হুজুর, আমি একটা বই পড়তেছি। বইয়ের নাম ‘ধর্মব্যবসার ফাঁদে’। হেযবুত তওহীদের বই। হেযবুত তওহীদের নাম শুনেছেন তো হুজুর?

- হুম।

হুজুর একটা প্রশ্ন ছিল (০২)


- শোনো হে মুসল্লিগণ! ইসলামে শবে বরাত নাই। এইটা নিঃসন্দেহে বেদাত।

- হুজুর বেদাত আবার কী বস্তু?

- বেদাত হইল ইসলামের মধ্যে নতুন কালচার চালু করা।

- নতুন কালচার মানে?

- আল্লাহর রসুল যেই ইসলাম নিয়া আসছেন সেইটা হইল পরিপূর্ণ ইসলাম। নতুন করে ওইটাতে কিছু যোগ করনের সুযোগ নাই। আল্লাহর রসুল সারাজীবন যেই কাজ কইরা গেছেন, তাঁর আসহাবরা কইরা গেছেন, সেইটা ছাড়াও নতুন কিছু চালু করলে সেইটাই বেদাত।

- ও আচ্ছা আচ্ছা।

হুজুর একটা প্রশ্ন ছিল (০১)


- হুজুর, একটা সিরিয়াস প্রশ্ন আছে। জবাবটা দিলে আমার বহুত ফায়দা হইত।

- মাশা’আল্লাহ! বলো বলো। আমি জবাব দিচ্ছি।

- হুজুর, আমরা মুসলমানরা আল্লাহর সবচাইতে প্রিয় বান্দা- কথাটা কি ঠিক?

- ঠিক মানে? মহাঠিক।

- কিন্তু আমার তা বিশ্বাস হয় না। মনে হয় কথাটা মিথ্যা।

- নাউজুবিল্লাহ। শোনো বাবা, এর চাইতে বড় সত্য আসমান-জমিনে নাই। অন্য সমস্ত জাতি নরকে যাবে, আমরাই আল্লাহর খাস বান্দা, মরণের সাথে সাথে জান্নাতে দাখিল। জান্নাতের অগণিত রহমত-নেয়ামত সব আল্লাহ কাদের জন্য সাজায়ে রাখছেন? আমাদেরই জন্য। সবাই বলো সুবহানাল্লাহ।

ইসলামের ছায়াতল


- আসেন ইসলামের ছায়াতলে।

- কেন ভাই, কুপাকুপি করতে?

- এইটা কী বলেন ভাইজান? কুফরি কথাবার্তা!

- দেখুন ধর্মের নামে কুপাকুপি হচ্ছে তো, নাকি মিথ্যা বলছি?

- তা হচ্ছে।

- হচ্ছে মানে ভালোমতই হচ্ছে। আপনারা শিয়া হয়ে সুন্নি মারেন, নয়ত সুন্নি হয়ে শিয়া মারেন। এক দল আরেকদলকে বোম মারেন। এক ফেরকা আরেক ফেরকার উপর হামলা করেন। এক পীরের মুরিদ আরেক পীরের মুরিদকে রাস্তায় ফেলে পিটান- তাতে কিছু হচ্ছে না, আমি সত্যটা বললেই কুফরি কথা হয়ে গেল?

- ভাইজান ইসলামে কুপাকুপি নাই। ইসলামের ছায়াতলে আসেন। দেখবেন ইসলাম কত শান্তির ধর্ম।

- তাহলে শান্তি নেই কেন?

তওহীদী জনতা


অফিসার তাকিয়ে দেখলেন মঞ্চে কেউ নেই। তওহীদী জনতা যে যেদিকে পারছে ছুটে পালাচ্ছে। একটি ছেলে পড়ে আছে, তার কপালে চাপ চাপ রক্ত। সাদা টুপি লাল হয়ে গেছে। হন্তদন্ত হয়ে পালাতে গিয়ে প্যান্ডেলের খুঁটির সাথে ধাক্কা খেয়েছে মনে হয়। সমাবেশ মাঠে এখন কোনো তওহীদী জনতা নেই। তবে শত শত স্যান্ডেল পড়ে আছে।

নাস্তিকতার ব্যানারে জঙ্গিবাদের আদর্শ প্রচার কেন?


আমি যদি কোনোদিন নাস্তিকবিদ্বেষী হই তার জন্য নাস্তিকরাই দায়ী থাকবে, আমি বা অন্য কেউ নয়। শুনেছি মুক্তমনা নাস্তিকরা দেশ ও মানবতার জন্য লড়াই করে। কই? আমি তো তাদের লেখায়, বক্তৃতায়, কর্মকাণ্ডে মানতার কিছু দেখলাম না। ধর্মের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো ও ধর্মপ্রবর্তককে অপমান করে লেখালেখি করার মধ্যে মানবতার কী আছে আমার বুঝে আসে না।

জঙ্গিবাদ, ধর্মবিশ্বাসের অপব্যবহার ও সরকারের তেল থেরাপি


জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ হবার জন্য সরকার দুইবেলা বিনামূল্যে উপদেশ বিলি করে বেড়াচ্ছে। হয়ত প্রধানমন্ত্রীর ঘুম হারাম হয়ে গেছে এতদিনে। ওদিকে পশ্চিমারা এই প্রথম বাংলাদেশকে কব্জা করতে পেরে মহাখুশি। সহযোগিতার ঝাপি খুলে বসেছে তারা। সরকারও চাচ্ছে না তাদেরকে বেজার করতে।

জঙ্গিরা শয়তান, আমরা সব দরবেশ!


জঙ্গিরা নিরীহ মানুষ হত্যা করেছে, যা নিঃসন্দেহে অন্যায় ও অতি গর্হিত কাজ। কিন্তু এই গর্হিত কাজ করে নি এমন রাজনৈতিক দল আমাদের দেশে একটাও নেই। জঙ্গি হামলার কয়েকদিনের মাথায় যে দলনেত্রী বললেন, কে ক্ষমতায় থাকবে আর কে ক্ষমতায় যাবে সেটা এখন দেখার বিষয় নয় সেই দলটিই মাত্র একবছর আগে ক্ষমতার নেশায় অন্ধ হয়ে কতজন নিরীহ মানুষকে পেট্রল বোমার আগুনে পুড়িয়ে কাবাব বানিয়েছে, সারা দেশে জ্বালাও-পোড়াওয়ের মহোৎসব চালিয়েছে তা কি সবাই ভুলে গেল? নাকি প্রেট্রল বোমায় পুড়ে মরা মানুষগুলো বিদেশি ছিল না বলে সেটা জায়েজ হয়ে গেছে? আজ তারাই কিনা জঙ্গিবিরোধী জাতীয় ঐক্যের ছবক দেয়। নৈতিক অধঃপতন কত গভীরে পৌঁছলে শত শত নিরীহ মানুষের দগ্ধ লাশের উপর দাঁড়িয়ে এমন বলিষ্ঠ কণ্ঠে কথা বলা যেতে পারে!

জঙ্গিবাদ ইসলাম সমর্থিত কিনা?


জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে চাইলে সবার আগে আপনাকে একটি মৌলিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, জঙ্গিবাদ ইসলাম সমর্থিত কিনা?

যদি আপনি মনে করেন জঙ্গিবাদ ইসলামসমর্থিত, তাহলে জঙ্গিদের পিছনে না ছুটে ধর্মবিশ্বাস নির্মূল করতে হবে। সোজা কথা কোটি কোটি আস্তিককে নাস্তিক বানাতে হবে। তাদেরকে বিশ্বাস করাতে হবে- আল্লাহ বলে কেউ নাই, পরকাল, জান্নাত-জাহান্নাম নাই, কোর’আন মিথ্যা ইত্যাদি। যতক্ষণ একজনও আস্তিক থাকবে ততক্ষণ জঙ্গিবাদের ঝুঁকি থেকেই যাবে। পারবেন দেশের ১৫ কোটি মুসলমানকে নাস্তিক বানাতে?

আর যদি মনে করেন জঙ্গিবাদ ইসলামসমর্থিত নয়, ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে কিছু মানুষকে জঙ্গি বানানো হচ্ছে, তাহলে লাইনের কথা বলতে হবে, লাইনের কাজ করতে হবে, বে-লাইন হওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে সবার আগে ব্যাপকভাবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় যুক্তি-প্রমাণ-তথ্য প্রচার করতে হবে। কে করবে সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হচ্ছে ওই ধর্মীয় যুক্তি-প্রমাণগুলো এতটা শক্তিশালী হতে হবে যার সামনে জঙ্গিবাদের পক্ষের সমস্ত যুক্তি মাঠে মারা যায়।

ঈদের নামে এই পাশবিক উল্লাসকে ধিক্কার জানাই


মুসলমানরা প্রথম ঈদ উদযাপন করে মদীনায়, মদীনা সনদের ভিত্তিতে সকল ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ নিরাপদ রাষ্ট্র ঘোষিত হবার পর। মুসলিম, খ্রীস্টান, ইহুদী, পৌত্তলিক ও অন্যান্য সম্প্রদায় ধর্মীয় ব্যাপারে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবে, কেউ কারো ধর্মীয় কাজে কোন রকম হস্তক্ষেপ করতে পারবে না- এই ছিল আল্লাহর রসুলের প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের অন্যতম নীতি।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মোহাম্মদ আসাদ আলী
মোহাম্মদ আসাদ আলী এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 34 min ago
Joined: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 3, 2015 - 3:31অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর