নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অনন্য আজাদ
  • নুর নবী দুলাল
  • নগরবালক

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

শহিদুজ্জামান সরকার এর ব্লগ

কে অপরাধী নাস্তিক নাকি আস্তিক তথা ধার্মিক


একজন মানুষ যখন ধর্ম পালন করে থাকে, তা তার ব্যাক্তি স্বাধীনতা বা ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আবার কেউ যদি ধর্ম না মেনে থাকে, সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস না করে থাকে, তাহলে সে ধর্ম পালন করবেনা, তাও তার একান্তই ব্যাক্তিগত ব্যাপার। সমস্যা ততক্ষন পর্যন্তই উদ্ভব হবেনা, যতক্ষন পর্যন্ত না কেউ কারো ব্যাক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে।
এখন লক্ষ্য করার বিষয় এই দুই গ্রুপের মধ্যে কে কার ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে।
যে গ্রুপটা ধর্ম পালন করে থাকে অথবা ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে তাদের সহজ করে আস্তিক বলে।এদের বিশ্বাসটা গোড়া যুক্তিহীন।
আর দ্বিতীয় গ্রুপটাকে বলা হয় নাস্তিক।

ধর্মে শান্তি খোজাটা কালের সবথেকে বড় বোকামি


আরবী ' ইসলাম' শব্দের আক্ষরিক অর্থ 'আত্মসমর্পণ';বাংলা একাডেমীর ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে (৮ম পুনর্মুদ্রণ: জানুয়ারী ২০০৭)
যদিও বাঙালী মুসলমানরা ইসলাম মানেই জানে শান্তি।
কোন মো-লোভীকে আপনি এইটা প্রমাণ দিয়ে যদি জানতে চান। প্রশ্নটা এড়িয়ে গিয়ে তিনি বললেন আসলে ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম।
যাই হোক, কিছু হাদিস এবং কোরানের আয়াত বিশ্লেষণ  করলে তো বুঝা যাবে আসলে ইসলাম কতটা শান্তির ধর্ম।

যাহাই হুবাল তাহায় আবাল


আল্লার রহমত ছাড়া কারো ঈমানদার হওয়ার ক্ষমতা নেই।
সে মুহাম্মদ হোক অথবা আবু জাহেল অথবা মুরগিব।
কুরানে অসংখ্য আয়াত আছে যেগুলোতে আল্লা নিজেই বলেছে আমার রহমত ছাড়া কারো আমার ঈমানদ্বার হওয়া সম্ভব নয়।
সুরা ফাতেহার এই আয়াতটা দেখলেই আপনার বুঝতে অনেক সুবিধা হবে।
সে সমস্ত লোকের পথ,যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ।তাদের পথ নয়,যাদের প্রতি তোমার গজব নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
সুরা ফাতিহা আয়াত ৭.
কুরানের এই সামান্য আয়াতটা বিশ্লেষণ করলেই অনেক কিছুই আমারা বুঝতে পারবো।

নামেই ডিজিটাল, বাস্তবে অ্যানালগ!


সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা॥

লেখক: পরিচালক বার্তা, একাত্তর টেলিভিশন

বলা হয়েছিল, সাময়িক কিন্তু দুসপ্তাহ পার হয়ে গেছে। বাংলাদেশে বন্ধ রয়েছে ফেসবুক, ভাইবার, হোয়্টসঅ্যাপসহ বেশ কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় বাস্তবায়নের প্রাক্কালে এগুলো বন্ধ করা হয়।

ফেসবুক বন্ধ করাটা স্বৈরাচারি মনোভাব


গত দুইদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধ আছে বাংলাদেশে।
সাধারন ভাবে ফেসবুকে ঢুকা না গেলেও অনেকে প্রক্সি দিয়ে, ভিপিএন দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করতেছে।
এর আগেও ২০১০ সালে একবার ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল ধর্মনুভুতিতে আঘাত দেয়ার বিষয়টাকে ইস্যু করে।
কিন্তু এবারের বিষয়টা আলাদা সরকার বিরোধী এবং যুদ্ধপরাধীর দোশরা যাতে কোন প্রকার ভুল প্রচরনা না চালাতে পারে দেশে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না করতে পারে এই কারনে ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
তবে এই কারনটা বড়ই অমুলক আর গাজাখুরি ঠেকলো।
ফেসবুক বন্ধ করে দিলেই কি তারা তাদের প্রচরনা বন্ধ করে দিবে?
সমস্যা হয়তো তাদের জন্য সাময়িক কোন না কোন প্লাটর্ফম তারা দেরি করবেই।

”দেশে কোন জঙ্গি নেই”


দেশে আসলে কোন জঙ্গি নাই, কোন উগ্র মোল্লা নাই, কোন মৌলবাদী নাই, কোন দাড়ি টুপি ওয়ালা কল্লা ফেলানোর মানুষ নাই। এই দেশ শান্তির দেশ এই দেশে কোন হিন্দুর বাড়ি আগুনে পুড়া হয়না। কোন হিন্দুর মন্দির ভাঙ্গা হয় না। কোন রামুর মন্দিরও ভাঙ্গা হয়নি। কোন মন্দিরের সামনে কখনো গরু কুরবানী দেয়া হয়নি। এই দেশ শান্তির দেশ এই দেশ মুসলিমের দেশ। এই দেশ আরবের দেশ এই দেশ মুহাম্মদের দেশ এই দেশ আল্লার এই দেশে তাই কোন জঙ্গি নাই কোন অন্যায় হয় না। এই দেশে কোন লেখক ব্লগার খুন হয়নি। এসব মিডিয়ার সৃষ্টি। হুমায়ন আজাদ এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, আবার অভিজিৎ রায়, ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত বিজয়, নীলয় নীল, কলেজ ছাত্র আশরাফুল ইসলাম, রাজ

শান্তি কমিটির শান্তিপূর্ন কাজ


১৯৭১ সালে আমরা দেখেছিলাম মৌলবাদীরা একটি শান্তি কমিটি গঠন করেছিল শান্তি প্রতিষ্ঠা প্রতিষ্ঠা করার জন্য।তাদের কাজ ছিল দেশের নারীদের পাকিদের হাতে তুলে দেয়া,হিন্দুদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া,বাংলার নীরিহ মানুষদের হত্যা করা যাবতীয় শান্তিপূর্ন কাজ করে শান্তিপূর্ন শান্তির আবাস প্রতিষ্ঠা করা।যুদ্ধের পরও এরা এখানে শান্তিপূর্ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তা আমরা দেখতেই পারতেছি।এই শান্তি কমিটির প্রধান একটা শান্তির উপদান আছে সেটাও একটা শান্তির ধর্ম।যে শান্তির ধর্মের প্রতিটা বিজয়ে লেগে আছে শান্তির রক্ত নীরিহ মানুষের রক্ত।তাদের এই শান্তিপূর্ন কাজে আপনি বাধা দিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করলে আপনাকেও শান্তি দেয়া হবে চিরতরে।সেটা যদ

শুয়োরের প্রধান অস্ত্র চাপাতি


কলমের সংঙ্গে না পেরে ওরা হাতে তুলে নিয়েছে চাপাতি।
এত দিন জানতাম দুর্বলের একমাত্র অস্ত্র গালি আর এখন দেখতেছি শুয়রের একমাত্র অস্ত্র চাপাতি।
ওয়াশিকুর,অভিজিৎ দা,রাজিব হায়দারের পর আজ মুক্তমনার অনন্ত বিজয় দাস।
অভিজৎ দাকে যখন হত্যা করা হচ্ছিল পুলিশ অদুরে দাড়িয়ে হত্যা উপভোগ করতেছিল।আমরা মজার কোন ঘটনা দেখে খুব মজা করে উপভোগ করি।
আর শুয়োররা হত্যা উপভোগ করে।হত্যাকে সার্পোট করার জন্য একটা শব্দ ব্যবহার ব্লগার।
যেন ব্লগার হত্যা করা একদম জায়েজ।আরও একটা শব্দ ব্যবহার করা হয় হত্যাকে সার্পোট করার জন্য নাস্তিক ব্লগার।

একটি হাদিস/ইসলামে হত্যা জায়েজ


রাসুলুল্লা (সা:)বলেছেন,কিয়ামতের পূর্বক্ষনে হারজ দেখা দিবা।
সাহাবা গন বললেন:হারজ কি?
রাসুল সাল্লালুহু আলাইহিম ওয়া সাল্লাম বললেন:অত্যাধিক হত্যা কান্ড।
সাহাবা গন বললেন:এখন আমরা যা হত্যা করেছি তার চাইতেও বেশি?আমরা তো হত্যা করেছি প্রতি বছর সওর হাজারের ও বেশি লোক।
রাসুল(সা:)বললেন: মুশরিকদের হত্যা করা নয়।তখন তোমরা হত্যা করবে নিজেরা একে অপরকে।
সাহাবা গন বললেন:তখন কি আমাদের বিবেক বুদ্ধি সচল থাকবে?

বাঁশ যোগ্য নগরী গড়তে অংশ নিতে চায় না বি এন পি


অত্যাধিক মাত্রাই ভোট কেন্দ্র দখল আর কারচুপিতে অতিষ্ট হয়ে বি এন পি সমর্থিত প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়েছে।
দেশ কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বুঝতেছি না।এই বিষয়ে এক বন্ধুকে বলাতে বন্ধুটির সহজ উওর।দেশে এগিয়ে যাচ্ছে বাঁশ বাগানের দিকে।
কিন্তু দুঃখ লাগতেছে এই বিষয়টা ভেবে হাজার হাজার বাস পুড়ে বাস মার্কায় নির্বাচন করতে এসে শহর গুলোকে বাঁশ যোগ্য হিসাবে গড়ে নেয়ার দ্বায়িত্বটা হেলাই ছেড়ে দিল।
এদিকে কেউ কেউ আওয়াজ তুলতেছে এটা রাজ তন্ত্র নাকি গনতন্ত্র?
আমি মনে মনে বলি এটা বাঁশতন্ত্র।
এই জোরে বলা যাবে না চুপ।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

শহিদুজ্জামান সরকার
শহিদুজ্জামান সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: রবিবার, মার্চ 1, 2015 - 1:49অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর