নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নগরবালক
  • নুর নবী দুলাল
  • শ্মশান বাসী
  • মৃত কালপুরুষ
  • গোলাপ মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

শহিদুজ্জামান সরকার এর ব্লগ

ধর্ম একটি সামাজিক ব্যাধি



মিথ ও আমরা



ধর্মের উৎপত্তি



পৃথিবীতে ধর্মের কি ভাবে শুরু কিংবা উৎপত্তি হয়েছিল তার ব্যাখ্যা ও ইতিহাস বিস্তর।
এনিয়ে শত শত পুস্তক লিখা যাবে।
কিন্তু মূল সত্যকে জানতে হলে থাকতে হবে গভীর ও তীক্ষ্ণ অনুমান।
থাকতে হবে কল্পনার প্রখর শক্তি।
জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছিলেন { ইমাজিনেশন ইজ মোওর ইমপোরটেন্ট দ্যান নলেইজ } কারণ আজ থেকে হাজার হাজার বৎসর আগে মানুষ যে ‘প্রাকৃতিক পরিবেশে’ বসবাস করতো, সেই পরিবেশটাকে বুঝতে হবে কল্পনা ও অনুমানের কঠিন সত্য দিয়ে।

ব্যক্তির জ্ঞান চর্চা ও ভয়ের সংস্কৃতি


জ্ঞানচর্চার স্পৃহা কখনও কখনও ‘অপরাধ’ হয়ে ওঠে। প্রচল রাষ্ট্র ও সমাজের কাছে ওই ব্যক্তি শত্রু হয়ে ওঠে, যে কিনা কেবলই প্রশ্নের উত্তর হাতড়ে বেড়ায়, কেবলই যুক্তি দিয়ে বুঝতে চায় সব কিছুকে। অথচ ব্যক্তির সেই স্পৃহা হয়ত জেগে ওঠে অন্তর্গত নিষ্পাপ বিহ্বলতা থেকে। জাগতে পারে অসহায় বিস্ময় ও ক্রন্দন থেকে। যেমন জেগেছিল আরজ আলী মাতুব্বরের ভেতর। সে ঘটনা সকলেরই জানা। ‘মাকে আমি আর কোনওদিনই দেখতে পাব না!

অপচয় কারী শয়তানের ভাই


অপচয় কারীকে ইসলামে শয়তানের ভাই হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই কারনে আমরা কোন জিনিস নষ্ট করি না। এমনকি আমাদের গৃহপালিত ভক্ষ পশু-পাখিগুলোও অপচয় রোধের হাত থেকে রেহাই পায় না। আমাদের বাড়িতেই একটা বুড়ো গরু ছিল। এক দিন শুনলাম সেটাকে জবাই করা হবে। কারন সেটা বুড়ো হয়ে গিয়েছে, কদিন পড়ে সে এমনিতেই মরে যাবে। তাই তাকে মেরে খেয়ে ফেলা হবে। একটা গৃহপালিত গরুও স্বাভাবিক ভাবে মরতে পারে না! কারন মরা গরু খাওয়া হারাম! আর সেটা খুব বড় একটা অপচয়!

৫৭ ধারা বাতিল কর


মানুষ সামাজিক জীব।
সমাজের রীতিনীতি ও নিয়মের প্রতি তাকে অনুগত থাকতে হয়। এই অনুগত্যই সুশৃঙ্খল জীবন নিশ্চিত করে। সামাজ মানুষেরই সৃষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন হচ্ছে রাষ্ট্র।
রাষ্ট্রীয় জীবনে উন্নতি ও সুশৃঙ্খল নিশ্চিত করার জন্য নিয়ম-কানুন, বিধি-বিধান প্রণীত হয়। সৃষ্ট হয় আইন। আইন বলতে নিয়ম-কানুন, বিধি বিধানকে বুঝায়। সাধারন ভাবে সমাজে যে বিধি-বিধান মানুষ মেনে চলে তা হল সামাজিক আইন। আর সমাজের মানুষের আচার-আচরনকে নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার যে সকল বিধি বিধান চালু করে সেগুলোকে বলে রাষ্ট্রীয় আইন। আইন মানুষের বাহ্যিক আচরন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিটি আইন রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত।

নারী নেতৃত্ব এবং গনত্বত্র ইসলামে হারাম


কুরান এবং হাদিস থেকে কিছু তথ্য দিলে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যায়। লক্ষ্য করুন আল-কোরআনের বাণী ও গণতন্ত্রের ধারণার মধ্যে পার্থক্য:
আল-কুরআন: “যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য।” [২:১৬৫], কিন্তু গণতন্ত্র বলে: জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস।
আল-কুরআন: “আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান দেবার ক্ষমতা নেই।” [১২:৪০], কিন্তু গণতন্ত্র বলে, আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগণ, সংসদ, মন্ত্রী-এমপির।
আল-কুরআন: আল্লাহ তাআলা সার্বভৌমত্বের মালিক। [৩:২৬], কিন্তু গণতন্ত্র বলে, সার্বভৌমত্বের মালিক জনগণ।

কে অপরাধী নাস্তিক নাকি আস্তিক তথা ধার্মিক


একজন মানুষ যখন ধর্ম পালন করে থাকে, তা তার ব্যাক্তি স্বাধীনতা বা ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আবার কেউ যদি ধর্ম না মেনে থাকে, সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস না করে থাকে, তাহলে সে ধর্ম পালন করবেনা, তাও তার একান্তই ব্যাক্তিগত ব্যাপার। সমস্যা ততক্ষন পর্যন্তই উদ্ভব হবেনা, যতক্ষন পর্যন্ত না কেউ কারো ব্যাক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে।
এখন লক্ষ্য করার বিষয় এই দুই গ্রুপের মধ্যে কে কার ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে।
যে গ্রুপটা ধর্ম পালন করে থাকে অথবা ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে তাদের সহজ করে আস্তিক বলে।এদের বিশ্বাসটা গোড়া যুক্তিহীন।
আর দ্বিতীয় গ্রুপটাকে বলা হয় নাস্তিক।

ধর্মে শান্তি খোজাটা কালের সবথেকে বড় বোকামি


আরবী ' ইসলাম' শব্দের আক্ষরিক অর্থ 'আত্মসমর্পণ';বাংলা একাডেমীর ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে (৮ম পুনর্মুদ্রণ: জানুয়ারী ২০০৭)
যদিও বাঙালী মুসলমানরা ইসলাম মানেই জানে শান্তি।
কোন মো-লোভীকে আপনি এইটা প্রমাণ দিয়ে যদি জানতে চান। প্রশ্নটা এড়িয়ে গিয়ে তিনি বললেন আসলে ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম।
যাই হোক, কিছু হাদিস এবং কোরানের আয়াত বিশ্লেষণ  করলে তো বুঝা যাবে আসলে ইসলাম কতটা শান্তির ধর্ম।

যাহাই হুবাল তাহায় আবাল


আল্লার রহমত ছাড়া কারো ঈমানদার হওয়ার ক্ষমতা নেই।
সে মুহাম্মদ হোক অথবা আবু জাহেল অথবা মুরগিব।
কুরানে অসংখ্য আয়াত আছে যেগুলোতে আল্লা নিজেই বলেছে আমার রহমত ছাড়া কারো আমার ঈমানদ্বার হওয়া সম্ভব নয়।
সুরা ফাতেহার এই আয়াতটা দেখলেই আপনার বুঝতে অনেক সুবিধা হবে।
সে সমস্ত লোকের পথ,যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ।তাদের পথ নয়,যাদের প্রতি তোমার গজব নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
সুরা ফাতিহা আয়াত ৭.
কুরানের এই সামান্য আয়াতটা বিশ্লেষণ করলেই অনেক কিছুই আমারা বুঝতে পারবো।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

শহিদুজ্জামান সরকার
শহিদুজ্জামান সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 5 দিন ago
Joined: রবিবার, মার্চ 1, 2015 - 1:49অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর