নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

শহিদুজ্জামান সরকার এর ব্লগ

নারীবাদ এবং বাঙালী নারী


নারী মাত্রেই নারীবাদী নন। নারীবাদী মাত্রেই নারী নন। পিতৃতান্ত্রিক সমাজবাস্তবতায় নারীবাদ নারীর অন্তিম অর্জন না প্রাথমিক শর্ত সেই নিয়ে বিতর্ক চলতে পারে, কিন্তু এটা খুব সত্যি, নারীবাদ পিতৃতন্ত্রের বিরুদ্ধে নারীর অন্যতম প্রতিরোধ। কিন্তু বর্তমান ধনতান্ত্রিক পুঁজিবাদী বিশ্বে নারীবাদ কি আদৌ নারীর রক্ষাকবচ হয়ে উঠতে পেরেছে? এই প্রশ্নগুলির সাথে আমরা কতটুকু পরিচিত। আমাদের প্রতিদিনের জীবনযাপনের সাথে এই প্রশ্নগুলিই বা কতটুকু সংশ্লিষ্ট? আমি বলছি আমাদের সাধারণ জনসাধারণের কথা। আমাদের দৈনন্দিন পারিবারিক জীবনচর্চার সামাজিক পরিসরে নারীবাদের প্রাসঙ্গিকতাই বা কতখানি?

ধর্ষণ এবং ধর্ষণবিষয়ক আইন প্রক্রিয়া


বাংলাদেশে নারী ও শিশু ধর্ষণের বহু ঘটনা ঘটছে কিন্তু তার বিচার এবং শাস্তি হচ্ছে খুবই কম। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন ধর্ষণের বেশিরভাগ ঘটনাই ধামাচাপা পড়ে যায়।
ধর্ষণের শিকার নারীকেই দোষী করার একটা প্রবণতা এদেশের সমাজে আছে সেটিও এ ভিকটিমের অভিজ্ঞতা হয়েছে।
ধর্ষণের শিকার মেয়েদের সারাদেশে ৮টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে কাউন্সেলিং, পুলিশি ও আইনি সহায়তা দেয়া হয়। ২০০১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠিত এসব কেন্দ্র থেকে ৪ হাজার ৩শ ৪১টি যৌন নির্যাতনের মামলা হয়েছে যার মধ্যে ৫শ ৭৮টি বিচার হয়েছে এবং সাজা হয়েছে মাত্র ৬৪টি ঘটনার।

ফেসবুক-গুগলে নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করুন



ফেসবুকের কোটি কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য তাদের অজান্তে 'ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা' চুরি করেছে বলে প্রকাশ পাওয়ার পর এখন তীব্র বিতর্ক চলছে 'ডাটা প্রাইভেসি' নিয়ে।

প্রায় পাঁচ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর প্রোফাইল ঘেঁটে, তাদের অনুমতি ছাড়াই সেখান থেকে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা একটি সিস্টেম দাঁড় করিয়েছিল। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় তারা ব্যবহারকারীদের সাইকোলজিক্যাল প্রোফাইলের ভিত্তিতে তাদের টার্গেট করে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন পাঠাতে থাকে।

ধর্ম আর নৈতিকতা


ধর্মের ভিত্তি, শুনতে সুখকর না লাগলেও, লালসা ও ভীতি।

ধর্ম, আমার মনে হয়, প্রথমত ও প্রধানত দাড়িয়ে আছে ভয়ের ওপর ভিত্তি করে। এর অংশবিশেষ হচ্ছে এমন বোধ যে আমার রয়েছে এক জ্যেষ্ঠভ্রাতা, যে বিপদাপদে আমার পাশে এসে দাড়াবে। সম্পূর্ণ ব্যাপারটির ভিত্তি হচ্ছে ভয়—অলৌকিকের ভয়, পরাজয়ের ভয়, মৃত্যুর ভয়। ভয় নিষ্ঠুরতার জনক, এবং এতে বিস্ময়ের কিছু নেই যে নিষ্ঠুরতা ও ধর্ম এগিয়েছে হাতে-হাত ধ’রে।

নারীর প্রতি যৌন নিগ্রহ আর আমাদের সাহিত্য


যৌন নিগ্রহ বা নির্যাতন নারীদের জীবনে প্রাত্যহিক ঘটনা, অহরহ ঘটছে; কিন্তু আমাদের শিল্পসাহিত্যে বিষয়টি খুব বেশি এসেছি কি? সাহিত্যে কতটা উঠে এসেছে এই নিগ্রহ?

সভামধ্যে দুঃশাসন কর্তৃক দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ নারীর প্রতি যৌন নিগ্রহের চরম দৃষ্টান্ত হয়ে রইবে চিরকাল।

রামচন্দ্র সীতার জন্য ভয়ানক যুদ্ধ বাধিয়ে দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু যুদ্ধজয়ের পর সীতার চরিত্র হয়ে দাঁড়াল প্রশ্নের সম্মুখীন। পুরো ঘটনার জন্য সীতা যদিও এতটুকুও দায়ী নন, কিন্তু সমাজ, এমনকি রামও গ্রহণ করলেন না তাঁকে। আঙুল তোলা হলো নারীর দিকেই। এই প্রবৃত্তি সমাজে এখনো সমানভাবে বিরাজমান।

জাতীয়তাবাদ একটা ধর্মের নাম


বাংলাদেশীরা ধর্মভীরু। ইসলাম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ও জাতীয়তাবাদ নামক ধর্মগুলোর প্রতি বাঙ্গালীর দুর্বলতা নতুন কিছু নয়। আমরা যারা মুক্ত-চেতনাকে প্রয়োজনীয় মনে করি, যুক্তিকে ধর্মের ওপরে স্থান দেই তাদের অনেকেই ধর্মের মতই সামনে আসা অন্যান্য প্রতিটি ধারনা ও প্রস্তাবনাকেই যুক্তি দিয়ে বুঝতে চাই, খতিয়ে দেখতে চাই। এই অবস্থান থেকে অন্ধ ধার্মিকের অনেকগুলো সমস্যা আমাদের চোখে পড়ে। যেমন ধর্মের প্রতি নিঃশর্ত বিশ্বাস রেখে যুক্তির পথে হাঁটার উপায় নেই, একথা সত্য জেনেও তারা ধার্মিক। জন্মসূত্রের মত একটি কাকতালীয় ঘটনা তাদেরকে একটি বিশ্বাসের প্রতি অনুরক্ত করতে যথেষ্ট। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে সেই মানুষটির নিজের ধর্মকেই একম

একটি বিরহের কবিতা


আমি বিরহের কবিতাই পছন্দ করি।
পানসে প্রেমের কবিতা আমার পছন্দ নয়।
আমি ভালোবাসছি, তুমি বাসছো না
আমি কাছে আসছি, তুমি আসছো না
তা দিয়ে ভয়াবহ প্রেমের কবিতা লেখা হয় না
আর পানসে প্রেমের কবিতা আমার এক্কে বারে পছন্দ নয়।
তার চেয়ে একপেশে বিরহই ভাল
“আমি তারে ভালোবাসলাম, সে আমাকে বাসলোনা”
অন্তত এই রকম একটা গড়ান অনুভূতিও
একফোঁটা বিরহ বোধকে ভয়াবহ উসৃঙ্খল করে দিতে পারে!
এই রকম একটা সস্তা অনুভূতির খাতিরেও
একটা নিতান্ত ভদ্র ছেলে দাড়ি-গোঁফ-বাবরী রেখে
রাস্তায় রাস্তায় বছরের পর বছর ঘুরে বেড়াতে পারে

ধর্মীয় কুযুক্তি


মাঝে মাঝে ধর্মীয় চ্যানেল গুলো দেখি। না আমি ধার্মিক না যে ধর্ম জানার জন্য দেখি। আমি দেখি যে ধর্ম প্রচারকরা কত টুকু অযুক্তিক যুক্তি দিতে পারেন আর মানুষ কিভাবে কুযুক্তি গুলো গ্রহণ করে। ধর্ম প্রচারকরা আজকাল ধর্মকে বিজ্ঞান সম্মত প্রমান করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কে কতটুকু বিজ্ঞান সম্মত প্রমান করতে পারেন তা নিয়া তাদের মাঝে প্রতিযোগিতা চলছে। আর এ কাতারে তাদের প্রধান হাতিয়ার হলো বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। আমরা জানি যে আজ বিজ্ঞান সব রহস্যের সমাধান করতে পারে নাই। বিজ্ঞান আজ অনেক অনেক কিছু জানে না। আর এটাকেই ধর্ম প্রচারক রা তাদের কাজে লাগান। আজ বিবর্তনবাদ যদিও পরিক্ষিত ভাবে প্রমানিত যে প্রকৃতির সবকিছ

গল্পটি কোন পুরুষের কিন্ত কোন পুরুষ বুঝবে না


আপনি কী লেখেন? একটি নারীকণ্ঠ পেছন থেকে মৃদুস্বরে জানতে চাইল।আমার হাতে তখন টনি মরিসনের কয়েক পৃষ্ঠা বাকি আছে, যাত্রাপথে শেষ করে ফেলা যাবে ভেবে হাতে রেখেছি। বইটা দেখে হয়তো আমাকে লেখক বলে মনে হয়েছে। কিংবা প্রশ্নটা অন্য কাউকে উদ্দেশ করেও হতে পারে, আন্দাজ করে উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করলাম না। আপনি লেখক, তাই না?

ধর্মীয় যুক্তির ভুলগুলো


সভ্যতার প্রায় আদিকাল থেকেই একের পর এক ধর্মের উৎপত্তি হয়ে চলেছে। মজার ব্যাপার, এই ধর্ম গুলির আচার আচরণের মধ্যে বিভিন্ন পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও এদের যুক্তিগুলি সেই শুরু থেকে একই রকম রয়ে গেছে, তা সে ধর্মীয় তাত্ত্বিক আলোচনার ক্ষেত্রেই হোক বা কোনো সামাজিক সংস্কারের ইস্যুতে। যে ধরনের যুক্তি কোন হিন্দু ধর্মীয় বই তে পাওয়া যায়, একই ধরনের যুক্তি পাওয়া যায় ইসলাম ও খ্রিস্ট ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে। যুক্তিগুলি যতই ভ্রান্ত হোক না কেন, সাধারণ মানুষের অজ্ঞতা এবং চাতুর্যপূর্ণ পরিবেশনের কারণে সেই আদি কাল থেকেই বেশিরভাগ মানুষকে অল্প বিস্তর প্রভাবিত করে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

শহিদুজ্জামান সরকার
শহিদুজ্জামান সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 5 দিন ago
Joined: রবিবার, মার্চ 1, 2015 - 1:49অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর