নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

শহিদুজ্জামান সরকার এর ব্লগ

অপচয় কারী শয়তানের ভাই


অপচয় কারীকে ইসলামে শয়তানের ভাই হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই কারনে আমরা কোন জিনিস নষ্ট করি না। এমনকি আমাদের গৃহপালিত ভক্ষ পশু-পাখিগুলোও অপচয় রোধের হাত থেকে রেহাই পায় না। আমাদের বাড়িতেই একটা বুড়ো গরু ছিল। এক দিন শুনলাম সেটাকে জবাই করা হবে। কারন সেটা বুড়ো হয়ে গিয়েছে, কদিন পড়ে সে এমনিতেই মরে যাবে। তাই তাকে মেরে খেয়ে ফেলা হবে। একটা গৃহপালিত গরুও স্বাভাবিক ভাবে মরতে পারে না! কারন মরা গরু খাওয়া হারাম! আর সেটা খুব বড় একটা অপচয়!

৫৭ ধারা বাতিল কর


মানুষ সামাজিক জীব।
সমাজের রীতিনীতি ও নিয়মের প্রতি তাকে অনুগত থাকতে হয়। এই অনুগত্যই সুশৃঙ্খল জীবন নিশ্চিত করে। সামাজ মানুষেরই সৃষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন হচ্ছে রাষ্ট্র।
রাষ্ট্রীয় জীবনে উন্নতি ও সুশৃঙ্খল নিশ্চিত করার জন্য নিয়ম-কানুন, বিধি-বিধান প্রণীত হয়। সৃষ্ট হয় আইন। আইন বলতে নিয়ম-কানুন, বিধি বিধানকে বুঝায়। সাধারন ভাবে সমাজে যে বিধি-বিধান মানুষ মেনে চলে তা হল সামাজিক আইন। আর সমাজের মানুষের আচার-আচরনকে নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার যে সকল বিধি বিধান চালু করে সেগুলোকে বলে রাষ্ট্রীয় আইন। আইন মানুষের বাহ্যিক আচরন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিটি আইন রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত।

নারী নেতৃত্ব এবং গনত্বত্র ইসলামে হারাম


কুরান এবং হাদিস থেকে কিছু তথ্য দিলে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যায়। লক্ষ্য করুন আল-কোরআনের বাণী ও গণতন্ত্রের ধারণার মধ্যে পার্থক্য:
আল-কুরআন: “যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য।” [২:১৬৫], কিন্তু গণতন্ত্র বলে: জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস।
আল-কুরআন: “আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান দেবার ক্ষমতা নেই।” [১২:৪০], কিন্তু গণতন্ত্র বলে, আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগণ, সংসদ, মন্ত্রী-এমপির।
আল-কুরআন: আল্লাহ তাআলা সার্বভৌমত্বের মালিক। [৩:২৬], কিন্তু গণতন্ত্র বলে, সার্বভৌমত্বের মালিক জনগণ।

কে অপরাধী নাস্তিক নাকি আস্তিক তথা ধার্মিক


একজন মানুষ যখন ধর্ম পালন করে থাকে, তা তার ব্যাক্তি স্বাধীনতা বা ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আবার কেউ যদি ধর্ম না মেনে থাকে, সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস না করে থাকে, তাহলে সে ধর্ম পালন করবেনা, তাও তার একান্তই ব্যাক্তিগত ব্যাপার। সমস্যা ততক্ষন পর্যন্তই উদ্ভব হবেনা, যতক্ষন পর্যন্ত না কেউ কারো ব্যাক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে।
এখন লক্ষ্য করার বিষয় এই দুই গ্রুপের মধ্যে কে কার ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে।
যে গ্রুপটা ধর্ম পালন করে থাকে অথবা ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে তাদের সহজ করে আস্তিক বলে।এদের বিশ্বাসটা গোড়া যুক্তিহীন।
আর দ্বিতীয় গ্রুপটাকে বলা হয় নাস্তিক।

ধর্মে শান্তি খোজাটা কালের সবথেকে বড় বোকামি


আরবী ' ইসলাম' শব্দের আক্ষরিক অর্থ 'আত্মসমর্পণ';বাংলা একাডেমীর ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে (৮ম পুনর্মুদ্রণ: জানুয়ারী ২০০৭)
যদিও বাঙালী মুসলমানরা ইসলাম মানেই জানে শান্তি।
কোন মো-লোভীকে আপনি এইটা প্রমাণ দিয়ে যদি জানতে চান। প্রশ্নটা এড়িয়ে গিয়ে তিনি বললেন আসলে ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম।
যাই হোক, কিছু হাদিস এবং কোরানের আয়াত বিশ্লেষণ  করলে তো বুঝা যাবে আসলে ইসলাম কতটা শান্তির ধর্ম।

যাহাই হুবাল তাহায় আবাল


আল্লার রহমত ছাড়া কারো ঈমানদার হওয়ার ক্ষমতা নেই।
সে মুহাম্মদ হোক অথবা আবু জাহেল অথবা মুরগিব।
কুরানে অসংখ্য আয়াত আছে যেগুলোতে আল্লা নিজেই বলেছে আমার রহমত ছাড়া কারো আমার ঈমানদ্বার হওয়া সম্ভব নয়।
সুরা ফাতেহার এই আয়াতটা দেখলেই আপনার বুঝতে অনেক সুবিধা হবে।
সে সমস্ত লোকের পথ,যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ।তাদের পথ নয়,যাদের প্রতি তোমার গজব নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
সুরা ফাতিহা আয়াত ৭.
কুরানের এই সামান্য আয়াতটা বিশ্লেষণ করলেই অনেক কিছুই আমারা বুঝতে পারবো।

নামেই ডিজিটাল, বাস্তবে অ্যানালগ!


সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা॥

লেখক: পরিচালক বার্তা, একাত্তর টেলিভিশন

বলা হয়েছিল, সাময়িক কিন্তু দুসপ্তাহ পার হয়ে গেছে। বাংলাদেশে বন্ধ রয়েছে ফেসবুক, ভাইবার, হোয়্টসঅ্যাপসহ বেশ কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় বাস্তবায়নের প্রাক্কালে এগুলো বন্ধ করা হয়।

ফেসবুক বন্ধ করাটা স্বৈরাচারি মনোভাব


গত দুইদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধ আছে বাংলাদেশে।
সাধারন ভাবে ফেসবুকে ঢুকা না গেলেও অনেকে প্রক্সি দিয়ে, ভিপিএন দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করতেছে।
এর আগেও ২০১০ সালে একবার ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল ধর্মনুভুতিতে আঘাত দেয়ার বিষয়টাকে ইস্যু করে।
কিন্তু এবারের বিষয়টা আলাদা সরকার বিরোধী এবং যুদ্ধপরাধীর দোশরা যাতে কোন প্রকার ভুল প্রচরনা না চালাতে পারে দেশে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না করতে পারে এই কারনে ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
তবে এই কারনটা বড়ই অমুলক আর গাজাখুরি ঠেকলো।
ফেসবুক বন্ধ করে দিলেই কি তারা তাদের প্রচরনা বন্ধ করে দিবে?
সমস্যা হয়তো তাদের জন্য সাময়িক কোন না কোন প্লাটর্ফম তারা দেরি করবেই।

”দেশে কোন জঙ্গি নেই”


দেশে আসলে কোন জঙ্গি নাই, কোন উগ্র মোল্লা নাই, কোন মৌলবাদী নাই, কোন দাড়ি টুপি ওয়ালা কল্লা ফেলানোর মানুষ নাই। এই দেশ শান্তির দেশ এই দেশে কোন হিন্দুর বাড়ি আগুনে পুড়া হয়না। কোন হিন্দুর মন্দির ভাঙ্গা হয় না। কোন রামুর মন্দিরও ভাঙ্গা হয়নি। কোন মন্দিরের সামনে কখনো গরু কুরবানী দেয়া হয়নি। এই দেশ শান্তির দেশ এই দেশ মুসলিমের দেশ। এই দেশ আরবের দেশ এই দেশ মুহাম্মদের দেশ এই দেশ আল্লার এই দেশে তাই কোন জঙ্গি নাই কোন অন্যায় হয় না। এই দেশে কোন লেখক ব্লগার খুন হয়নি। এসব মিডিয়ার সৃষ্টি। হুমায়ন আজাদ এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, আবার অভিজিৎ রায়, ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত বিজয়, নীলয় নীল, কলেজ ছাত্র আশরাফুল ইসলাম, রাজ

শান্তি কমিটির শান্তিপূর্ন কাজ


১৯৭১ সালে আমরা দেখেছিলাম মৌলবাদীরা একটি শান্তি কমিটি গঠন করেছিল শান্তি প্রতিষ্ঠা প্রতিষ্ঠা করার জন্য।তাদের কাজ ছিল দেশের নারীদের পাকিদের হাতে তুলে দেয়া,হিন্দুদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া,বাংলার নীরিহ মানুষদের হত্যা করা যাবতীয় শান্তিপূর্ন কাজ করে শান্তিপূর্ন শান্তির আবাস প্রতিষ্ঠা করা।যুদ্ধের পরও এরা এখানে শান্তিপূর্ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তা আমরা দেখতেই পারতেছি।এই শান্তি কমিটির প্রধান একটা শান্তির উপদান আছে সেটাও একটা শান্তির ধর্ম।যে শান্তির ধর্মের প্রতিটা বিজয়ে লেগে আছে শান্তির রক্ত নীরিহ মানুষের রক্ত।তাদের এই শান্তিপূর্ন কাজে আপনি বাধা দিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করলে আপনাকেও শান্তি দেয়া হবে চিরতরে।সেটা যদ

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

শহিদুজ্জামান সরকার
শহিদুজ্জামান সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, মার্চ 1, 2015 - 1:49অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর