নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • নগরবালক
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

সালেহ মুহাম্মাদ এর ব্লগ

শেখের বাড়ির পথে শূড়িখানা: ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি


হোটেল এরামের ব্যাপারটা ঠিক ঠাক মত প্রথম জানতে পারি ২০১৬ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে।
সকাল দশটার মত বাজে। ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বারে ফুল প্রদানের পরে উল্টোদিকের রাস্তায় এসে দাড়িয়েছি। প্রচন্ড ভীড়ের ভেতরে প্রায় এক দেড় ঘন্টা যাবত অপেক্ষা করে ফুল দেয়ার পর শরীর ক্লান্ত এবং তৃষ্ণার্ত। আশেপাশের সব দোকান বন্ধ। দাড়িয়ে থাকা দুই ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম এদিকে পানি পাওয়া যেতে পারে কোথায়। দুজনের মধ্যে একজন কেমন রসিকতার ভঙ্গিতে একদিকে ইশারা করে বললেন
" ঐদিকে যান খুব ভাল পানি পাওয়া যায়, হেঃ হেঃ... "

বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি (৩)



চিকাটা কইতে গেলে বইপত্র পড়েই না একদম। আসলে, খেলাধূলার পত্রিকা আর জাঙ্ক মেইল ছাড়া আর কিছু আমি ওরে পড়তে দেখি নাই। তথাপি, সময় নাশের লাইগা আমি যেসব বই পড়ি সেগুলিরে লয়ে অর সব সময় খুব কৌতুহল। মাছি যেমন কৌতুহল লয়ে মাছি মারার লাঠির পানে চায়, অমনেই অয় উঁকি মারত আমার বইগুলার দিকে।
" তুমি বই পড় ক্যান্?" অয় জিগাইল

বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি (২)



এই,কাহিনীর শুরু হইসে ৮ই আগস্ট ১৯৭০, আর শেষ হইসে আঠারদিন পরে- অন্য কথায় একই বছরের আগস্টের ২৬ তারিখে।

দ্যা মিনিস্ট্রি অফ র্আটমোস্ট হ্যাপিনেস: অরুন্ধতী রয় (প্রথম অধ্যায়)


মানে, আমি বলতেসি যে পুরো বিষয়টাই তো আপনার হৃদয়ঘটিত
- নাজিম হিকমাত


বুড়ো হওয়া পাখিগুলি মৃত্যুর উদ্দেশ্যে কোথায় যায়?

গুলশানের আলিয়া


খেছেনঃ সালেহ মুহাম্মাদ (তারিখঃ ৬ মে ২০১৭, ২:৫৪ পূর্বাহ্ন)
মাঝরাতে মোবাইল বাজতেশিল। আমি ধইরা বললাম
- কে?
- বেবি ঘুমাইশ?
একজন হাসতেসেন। তিনি নারীকন্ঠ। আমার ঘুম চইলা যায়। তাই ঘড়ি দেখি। রাত সাড়ে তিনটার পরে দুই তিন ঘর গেছে। ঘড়ির নীচে ফেসবুক। নীল রঙের অক্ষরে পাঁচজন আমারে হ্যাপি বার্থডে জানাইশেন। লেখাগুলার পাশে ছোট ছোট কেক। কেকে মোমবাতি জ্বলতেশে। মোমবাতির আলোতে ঘরে কমলা কমলা অন্ধকার। নোটিফিকেশনের বক্সটার উপ্রে সবুজ রঙের একটা পিচ্চি ফোন। পাশে লেখা ইন কল। 00: 37 m। নারীকন্ঠের লগে সাইত্রিশ সেকেন্ড হইছে। কেকগুলা থিকা ভ্যানিলার গন্ধ আসে। আমি নারীকন্ঠরে বললাম

খোরশেদের বাসায়


আমরা যাচ্ছিলাম খোরশেদের বাসায়। পথে দাড়ালাম। একটা বাড়ি দেখিয়ে আমার ছোটভাই বলছিলেন,
- এই বাড়িটা অনেকটা খোরশেদ সাহেবের বাড়িটার মত। কিন্তু এটা খোরশেদ সাহেবের বাড়ি না।
আমাদের খুব চিন্তা হয়। এই বাড়ির তিনতলায় খোরশেদের মত একটা লোক আছে বলে আমাদের মনে হতে থাকে। আমরা রাস্তা পার হয়ে দারোয়ান পানে যাই। আমাদের দেখে দারোয়ান খুব খুশি হয়। বলে,
- তারপর কেমন আছেন আপনারা?
- আপনি অনেকটা খোরশেদ সাহেবের বাড়ির দারোয়ানের মত।
- হতে পারে। আপনারা কি উপরে যাবেন ?

ড্যাডি


১.
মধ্যরাতে আমার খুব অস্থির লাগছিল। মনে হচ্ছিল আমার তো কোন সন্তান নেই। একটা চন্চল ছোট্ট সন্তানের জন্যে আমি ঘামতে লাগলাম। আমি ফোন দিলাম ডাক্তারকে। ডাক্তার ফোন ধরে বললেন
- কি খবর , আছ কেমন?
- স্যার আমার সমস্যা হইতাছে।
- যেমন?
- আমার তো কোন সন্তান নাই। আমার খুব খারাপ লাগতেছে। আমার কি হইব?
আমি কাঁদছি দেখা যাচ্ছে। আর ডাক্তার বলল
- তুমি সকাল হলে নীল ক্ষেত যাবা। একটা বিড়ালের বাচ্চা কিনে আইনা কিছুদিন পালবা। আশা করি কিছুটা ঠিক হবে।
- সকালের আগ পর্যন্ত কি করব?
- বাসার ছাদে যাও। দেখো বৈশাখের আকাশ তারায় তারায় ভরা।

এইসব গোলাপের দিন(২২-২৫)


২২.
সখী যাতনা কাহারে বলে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নার্সটি বলল,
- এবার পহেলা ফাগুনে আপনি ঘুরতে গিয়েছিলেন?
- নাহ্।
- জানেন আমিও যাই নাই।
সে ঠোঁট বাঁকাল। ঠোঁটই তো। কিন্তু বাকঁলে সমস্ত ব্রক্ষান্ড সমেত বেঁকে ওঠে। আমাদের ঘরটি রোদহীন। তাই নার্সের কামিজটি এখন গাঢ় সবুজ।
সে আমার হাত থেকে লেবুগুলো নিল। বলল
- শরবত খাবেন?
- জ্বি।
- আপনাদের রান্নাঘর কোথায় দেখেছি। চিনি খুঁজে পাই নি। চিনি কোথায় রাখেন আপনারা বলুন ত।
- আমি ঠিক জানি না। আমার ওয়াইফ জানে।
- অ
আমি ফোন দিলাম স্ত্রীকে। সে ফোন ধরে বলল
- কি ?
- আই লাভ ইউ সো মাচ বেবি।
- দেন হোয়াই ডু ইউ টর্চার মি? কেন এত কষ্ট দাও।

সমুদ্র


আর একসাথে না থাকার সিদ্ধান্ত তারা নেয়। কোন একদিন কেনইবা যে এক অপরের সাথে থাকা শরু করেছিল ভেবে তাদের বিস্ময় হয়। তারা নীরিক্ষণ করে একজন আরেকজনকে। আকর্ষিত হবার মত কোন বিষয় তারা পরস্পরে খুঁজে পায় না। কিন্তু সকল ভাঙনের সাথেই দুঃখের যোগ থাকে কোন এক প্রকারে। তাই তাদের দুঃখ দুঃখ হয়। ঘরের নীল দেয়ালে, তাদের সমুদ্রের ধারে পরস্পরে জড়াজড়ি করা একটা ছবি। সমুদ্রটিও ঝিকঝিকে নীল। তাদের মনে হল শেষ একবার সমুদ্র থেকে তারা ঘুরে আসুক।

২.

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সালেহ মুহাম্মাদ
সালেহ মুহাম্মাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 1 week ago
Joined: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 8, 2015 - 7:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর