নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ওয়াহিদা সুলতানা
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • নগরবালক
  • উদয় খান
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • আশিকুর রহমান আসিফ
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • কাঙালী ফকির চাষী

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

সালেহ মুহাম্মাদ এর ব্লগ

বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি (৩)



চিকাটা কইতে গেলে বইপত্র পড়েই না একদম। আসলে, খেলাধূলার পত্রিকা আর জাঙ্ক মেইল ছাড়া আর কিছু আমি ওরে পড়তে দেখি নাই। তথাপি, সময় নাশের লাইগা আমি যেসব বই পড়ি সেগুলিরে লয়ে অর সব সময় খুব কৌতুহল। মাছি যেমন কৌতুহল লয়ে মাছি মারার লাঠির পানে চায়, অমনেই অয় উঁকি মারত আমার বইগুলার দিকে।
" তুমি বই পড় ক্যান্?" অয় জিগাইল

বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি (২)



এই,কাহিনীর শুরু হইসে ৮ই আগস্ট ১৯৭০, আর শেষ হইসে আঠারদিন পরে- অন্য কথায় একই বছরের আগস্টের ২৬ তারিখে।

দ্যা মিনিস্ট্রি অফ র্আটমোস্ট হ্যাপিনেস: অরুন্ধতী রয় (প্রথম অধ্যায়)


মানে, আমি বলতেসি যে পুরো বিষয়টাই তো আপনার হৃদয়ঘটিত
- নাজিম হিকমাত


বুড়ো হওয়া পাখিগুলি মৃত্যুর উদ্দেশ্যে কোথায় যায়?

গুলশানের আলিয়া


খেছেনঃ সালেহ মুহাম্মাদ (তারিখঃ ৬ মে ২০১৭, ২:৫৪ পূর্বাহ্ন)
মাঝরাতে মোবাইল বাজতেশিল। আমি ধইরা বললাম
- কে?
- বেবি ঘুমাইশ?
একজন হাসতেসেন। তিনি নারীকন্ঠ। আমার ঘুম চইলা যায়। তাই ঘড়ি দেখি। রাত সাড়ে তিনটার পরে দুই তিন ঘর গেছে। ঘড়ির নীচে ফেসবুক। নীল রঙের অক্ষরে পাঁচজন আমারে হ্যাপি বার্থডে জানাইশেন। লেখাগুলার পাশে ছোট ছোট কেক। কেকে মোমবাতি জ্বলতেশে। মোমবাতির আলোতে ঘরে কমলা কমলা অন্ধকার। নোটিফিকেশনের বক্সটার উপ্রে সবুজ রঙের একটা পিচ্চি ফোন। পাশে লেখা ইন কল। 00: 37 m। নারীকন্ঠের লগে সাইত্রিশ সেকেন্ড হইছে। কেকগুলা থিকা ভ্যানিলার গন্ধ আসে। আমি নারীকন্ঠরে বললাম

খোরশেদের বাসায়


আমরা যাচ্ছিলাম খোরশেদের বাসায়। পথে দাড়ালাম। একটা বাড়ি দেখিয়ে আমার ছোটভাই বলছিলেন,
- এই বাড়িটা অনেকটা খোরশেদ সাহেবের বাড়িটার মত। কিন্তু এটা খোরশেদ সাহেবের বাড়ি না।
আমাদের খুব চিন্তা হয়। এই বাড়ির তিনতলায় খোরশেদের মত একটা লোক আছে বলে আমাদের মনে হতে থাকে। আমরা রাস্তা পার হয়ে দারোয়ান পানে যাই। আমাদের দেখে দারোয়ান খুব খুশি হয়। বলে,
- তারপর কেমন আছেন আপনারা?
- আপনি অনেকটা খোরশেদ সাহেবের বাড়ির দারোয়ানের মত।
- হতে পারে। আপনারা কি উপরে যাবেন ?

ড্যাডি


১.
মধ্যরাতে আমার খুব অস্থির লাগছিল। মনে হচ্ছিল আমার তো কোন সন্তান নেই। একটা চন্চল ছোট্ট সন্তানের জন্যে আমি ঘামতে লাগলাম। আমি ফোন দিলাম ডাক্তারকে। ডাক্তার ফোন ধরে বললেন
- কি খবর , আছ কেমন?
- স্যার আমার সমস্যা হইতাছে।
- যেমন?
- আমার তো কোন সন্তান নাই। আমার খুব খারাপ লাগতেছে। আমার কি হইব?
আমি কাঁদছি দেখা যাচ্ছে। আর ডাক্তার বলল
- তুমি সকাল হলে নীল ক্ষেত যাবা। একটা বিড়ালের বাচ্চা কিনে আইনা কিছুদিন পালবা। আশা করি কিছুটা ঠিক হবে।
- সকালের আগ পর্যন্ত কি করব?
- বাসার ছাদে যাও। দেখো বৈশাখের আকাশ তারায় তারায় ভরা।

এইসব গোলাপের দিন(২২-২৫)


২২.
সখী যাতনা কাহারে বলে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নার্সটি বলল,
- এবার পহেলা ফাগুনে আপনি ঘুরতে গিয়েছিলেন?
- নাহ্।
- জানেন আমিও যাই নাই।
সে ঠোঁট বাঁকাল। ঠোঁটই তো। কিন্তু বাকঁলে সমস্ত ব্রক্ষান্ড সমেত বেঁকে ওঠে। আমাদের ঘরটি রোদহীন। তাই নার্সের কামিজটি এখন গাঢ় সবুজ।
সে আমার হাত থেকে লেবুগুলো নিল। বলল
- শরবত খাবেন?
- জ্বি।
- আপনাদের রান্নাঘর কোথায় দেখেছি। চিনি খুঁজে পাই নি। চিনি কোথায় রাখেন আপনারা বলুন ত।
- আমি ঠিক জানি না। আমার ওয়াইফ জানে।
- অ
আমি ফোন দিলাম স্ত্রীকে। সে ফোন ধরে বলল
- কি ?
- আই লাভ ইউ সো মাচ বেবি।
- দেন হোয়াই ডু ইউ টর্চার মি? কেন এত কষ্ট দাও।

সমুদ্র


আর একসাথে না থাকার সিদ্ধান্ত তারা নেয়। কোন একদিন কেনইবা যে এক অপরের সাথে থাকা শরু করেছিল ভেবে তাদের বিস্ময় হয়। তারা নীরিক্ষণ করে একজন আরেকজনকে। আকর্ষিত হবার মত কোন বিষয় তারা পরস্পরে খুঁজে পায় না। কিন্তু সকল ভাঙনের সাথেই দুঃখের যোগ থাকে কোন এক প্রকারে। তাই তাদের দুঃখ দুঃখ হয়। ঘরের নীল দেয়ালে, তাদের সমুদ্রের ধারে পরস্পরে জড়াজড়ি করা একটা ছবি। সমুদ্রটিও ঝিকঝিকে নীল। তাদের মনে হল শেষ একবার সমুদ্র থেকে তারা ঘুরে আসুক।

২.

ব্রেকিং ব্যাড


আমি ছাদ থেকে দেকতেসিলাম নীচে আর নীচে অনেক ফুল ছিল। অতটা সকাল হয় নাই। যেন ভোর এখনও। ফুলে থেকে গন্ধ আসে বুঝার জন্যে আমি শুকব ভাবসিলাম। কিন্তু শুকলে আমার এলার্জি হয়। তাই চায়ের দোকানে গিয়ে সিগারেট ধরালে দেখি রিক্সায় করে আংকেল যাচ্ছে একটা। উনি দেখলেন কিন্তু দেখলেন না যেন এমন একটা ভাব নিয়ে থাকলেন।

আমি মনে করলাম আজকে কুয়াশা। তাইলে হাটব প্রচুর। ভার্শিটির দিকে যামু নাকি। কিন্তু ভার্সিটিতে ফুল ফোটে না। নিউমার্কৈট থেকে একটা মুরগী এনে দুপুরে রাঁধব ভাবলাম। তিনমাস আগে চিংড়ি রানসিলাম। চায়ের দোকানে সিগারেটটা শেষ হয়।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সালেহ মুহাম্মাদ
সালেহ মুহাম্মাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 8, 2015 - 7:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর