নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • শাম্মী হক
  • সলিম সাহা

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সোহাগ সকাল এর ব্লগ

ইস্টিশন ব্লগ নিয়ে কিছু কথা; ইস্টিশন ব্লগের যেইসব ফিচারের পরিবর্তন আনা দরকার (আলোচনায় সকল ব্লগারের অংশগ্রহণ একান্ত কাম্য)


ইস্টিশন ব্লগের যাত্রা কেবল শুরু। এই ব্লগ নতুন হলেও জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে অতি দ্রুত এগুচ্ছে। এর অন্যতম কারন, অনলাইনের বেশিরভাগ ব্লগ প্ল্যাটফরমই যখন শুধুমাত্র মুখে মুখে "রাজাকার বিরোধিতা" বুলি আউড়িয়ে তলে তলে ঠিকই "জামাতী" লালন-পালনের মাধ্যমে হিট বজায় রাখেন, অথবা সরকারের তোষামোদি করে বিশেষ সুবিধা ভোগ করেন, তখন ইস্টিশন ব্লগ পরিস্কার ভাবে জামাতী রাজাকারদের প্রকাশ্যে বয়কট এবং সরকারের মনোরঞ্জনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আসছে। বাংলার তরুন প্রজন্ম এখন অনেক সচেতন। যারা আমাদের স্বাধীনতাই চায়নি, তাঁরা কিভাবে এই স্বাধীন দেশে রাজনীতি করতে পারে?

অনুগল্প সমগ্র - ১


১.
জীবনে প্রথমবারের মতো গেলাম এক খালার বাসায় বেড়াতে। খালাতো বোন সুন্দরী তরুণী। সারাদিন বাসার সবাই আমার প্রতি খুব আগ্রহ দেখালো, খালাতো বোন ছাড়া। দূর সম্পর্কের সুন্দরী খালাতো বোন আমাকে দেখে হলো বিরক্ত। বিরক্ত হয়ে বিকেল বেলা আমার সামনে এসে জিজ্ঞেস করলো, “আপনার নাম কি মফিজ?” আমি অবাক হয়ে বললাম, “মফিজ হবে ক্যান!” সুন্দরী বললো, “তাহলে আপনার পেছনে মফিজ লেখা ক্যান?” পরক্ষনেই বুঝতে পারলাম, কেও একজন মোটা কালিতে সুন্দর করে মফিজ লিখে শার্টের পেছনে আমার অজান্তেই লাগিয়ে দিয়েছে। হলাম বিব্রত। ফোস করে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ার শব্দ পেয়ে রুমে ঢুকলেন খালা।

গল্প : বিব্রতকর বিবাহ


আহ শান্তি! মেয়ে মানুষের মুখে গালি খেলেও শান্তি!

আমি লজ্জা লজ্জা মুখে মেয়েটাকে বললাম, “আরেকটা গালি দেবেন? প্লিজ!”

মেয়েটা ভ্রু কুঁচকে তাকালো। অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলো। তারপর কি না কি ভেবে আরেকটা গালি দিল,
“কুত্তা!”
আবারও শান্তি পেলাম। শান্তিতে চোখ বুজে ছিলাম অনেকক্ষণ। চোখ খুলে দেখি মেয়েটা লাপাত্তা। আমি বাসায় চলে আসলাম। এসে দেখি বাসায় অনেক শোরগোল। অনেক মানুষ। ভয়ে ভয়ে নিজের রুমে এসে বসলাম। মা এসে বললো, “হারামজাদা! মেয়ের বাড়ি থেইকা মেহমান আসছে সেই কখন, তুই কই ছিলি?” আমি পানির বোতলে একটা চুমুক দিয়ে মা-কে সহজ গলায় উত্তর দিলাম, “আমি বিয়া-টিয়া করতেছি নাহ”। মা আমার চুল টেনে ধরে বললেন,

আমার ছেলেবেলা অথবা সোনালীবেলা, আর আমার মা


ছোটবেলা অকাম-কুকাম করার পর মা আমাকে যেইসব শাস্তি দিতেন, তাঁর মধ্যে প্রধান শাস্তি হলো কান ধরে টেনে আমাকে একহাত উপরে তুলে ফেলার চেষ্টা আর পিঠের ওপর ধুরুম-ধারুম কিল। নাওয়া নাই খাওয়া নাই, সারাদিন ঘুড়ি আর লাটিম নিয়ে সারা গ্রাম ছুটে বেড়ানো, তারপর সন্ধ্যায় বাড়িতে ফেরা, এইটা ছিলো আমার সাপ্তাহিক অভ্যাস। মানে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার, একদিনের জন্য হলেও উধাও হয়ে যেতাম আমার ঘুড়ি অথবা লাটিমকে সঙ্গে নিয়ে। তারপর, সন্ধ্যায় লাফাতে লাফাতে বাড়িতে ফিরতাম। মা কিছু বলার আগেই হাত-পা ধুয়ে ঘরের মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে ভদ্র ছেলের মতো পড়তে বসে যেতাম। মা মাগরিবের নামাজ পড়ার পর আমার হাত ধরে টেনে আবারও টিইবওয়েলে নিয়ে যেতেন

ভাই থামেন! অনেক হয়েছে দাড়ি-টুপিওয়ালা হুজুরদের একহাত দেখে নেয়া


ভাই থামেন! অনেক হয়েছে বাকস্বাধীনতার নামে বড় বড় বুলি কপচানো। অনেক হয়েছে অশ্লীলদের লক্ষ্য করে আপনার সুশীলতা প্রদর্শন। অনেক হয়েছে আপনার দাড়ি-টুপি ওয়ালাদেরকে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি হিসেবে পরিচিত করন। আজকে মসজিদ থেকে কাওকে বের হতে দেখলেই আপনি প্রশ্ন করে বসেন, ভাই আপনি কি জামাত-শিবির? অন্যদিকে যারা লুঙ্গি খুলে মুসলমান-অমুসলমান চেক করছে, তাদেরকে এক হাত দেখে নিচ্ছেন। ভাই! আপনার কি একবারও মনে হয়না, ঐসব চেকিংবাজ আর আপনার মাঝে কোনোরকম পার্থক্য নাই? ঐসব চেকিংবাজদের ভয়ে হিন্দুরা রাস্তায় বের হবে না। অন্যদিকে আপনার মতো সুশীলদের ভয়ে মানুষ দাড়ি-টুপি পড়তে পারবে না।

আজকে আমার জন্মদিন


আজকে আমার জন্মদিন। আজ থেকে আঠারো বছর আগের কোনো এক বৃষ্টির রাতে, বলা নেই কওয়া নেই, অনেকটা হুট করেই জন্ম নিয়ে ফেললাম। রাতের বেলা ওয়া ওয়া কান্নার আওয়াজ শুনে আশে-পাশের প্রতিবেশিরা আমাদের বাড়িতে এসে দেখে, বাড়িতে আনন্দের খই ফুটছে। বাড়ির প্রথম ছেলেসন্তান জন্মের খবর পেয়ে আমার মায়ের মতে দুনিয়ার সবাই খুশি। জন্মের প্রায় দের সপ্তাহ পর নিজ সন্তানের জন্মের খবর পেয়ে আমার বাবা খুশি হলেন, সুদূর দুবাই থেকে। তারপর এক এক করে কেটে গেছে আঠারোটি বছর। জীবনের আঠারোটি বছর যে হেলায় খেলায় কাটিয়ে দিতে পারলাম, এতে আমি মহা খুশি। জন্মের পরপর যদি মরে যেতাম? অথবা মায়ের পেট থেকেই মরা হয়ে বের হতাম?

[sb]স্মৃতিকথা : আমার মুসলমানী(সুন্নতে খৎনা), ভয়ে খাটের তলে পলায়ন এবং ধরা খাওয়া অতঃপর প্রিয় জিনিসের মাথা হারানো [/sb] :(


আমারে যেদিন মুসলমানী করানো হইলো, সেদিন আমি জানতামই না, আজই আমার নুনু কাটানো হইবো। সকাল থেইকা আমাদের বাড়ি ভরা মেহমান। এত্ত মানুষ দেইখা একটু পরপরই মা’র কাছে গিয়া জিগাই,
“মা আইজকা কি কারও বিয়া? বাড়ি ভরা এত্ত মানুষ ক্যান?”
মা, চাচি, দাদি আর বড় বইনেরা সবাই আমার কথা শুইনা খালি হাসে। আমারে লক্ষ্য কইরা কয়,
“হ। আইজ তোর বিয়া।” Wink
আব্বা একটু পরপর আইসা বাসার মহিলাদের ঝারি মারে,
“এখনও কত্ত কাম বাকী! রান্না-বান্না শুরুই হয়নাই। ওইদিকে হাসেম ভাই(যিনি নুনুর গলা কাটে :P) আইসা পড়লো বোধহয়!” X((

গল্প: টুশি একটি নক্ষত্রের নাম


দক্ষিণ কোনার নারিকেল গাছের পাতায় শেষ দুপুরের রোদের টুকরো গুলো ঝলমল করে আছড়ে পড়ছে। একটু পরপর প্রচন্ড বাতাসে লম্বা নারিকেল গাছের মাথাটা তিন-চার হাত এদিক-সেদিক সরে যাচ্ছে। আমার পেছনের বুড়ো আমগাছের শুকনো পাতা গুলো ঝরে ঝরে পড়ছে। পাতা গুলো উড়তে উড়তে আমার পায়ের কাছ দিয়ে ঘুরে ফিরে কয়েক হাত দূরে গিয়ে নিস্তেজ হয়ে থমকে যাচ্ছে। তারপর আরেকটু বাতাসের ছোঁয়া পেয়ে আরেক জায়গায় গিয়ে থমকে যাচ্ছে। মা মুখে আঁচল দিয়ে শব্দ করে কাঁদছে। মার কান্নার শব্দ আমি শুনতে পাচ্ছিনা। হয়তোবা আমি শুনতে পাচ্ছি, কিন্তু আমার অজান্তেই আমার মন সেই কান্নার শব্দ গুলো আমার কানে প্রবেশ করতে দিচ্ছেনা। মার চোখ দিয়ে জলের ফোটা গুলো টুপটুপ কর

মওদূদীবাদ তথা জামায়াত-শিবির সম্পর্কে দেশের প্রখ্যাত কিছু আলেমের অভিমত


জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ’লা মওদূদী। ১৯০৩ সালে ভারতের হায়দারাবাদ প্রদেশের আওরঙ্গবাদ জেলা শহরের আইন ব্যবসায়ী আহমদ হাসান মওদূদীর ঔরসে তাঁর জন্ম। আজকের জামায়াত-শিবির তাঁর আদর্শেই পরিচালিত। জামায়াত-শিবির কোনো ইসলামী দল নয় এবং তাদের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো যেকোনো উপায়ে, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে ক্ষমতায় যাওয়া, তা বাঙালি জাতি অনেক আগেই জেনে গেছে। একাত্তরে তাদের কর্মকান্ডের কথা আমরা সবাইই জানি। এত খুন, এত অন্যায়ের পরেও তারা আজও টিকে আছে বাঙলার মাটিতে। এমনকি দলীয় ভাবে! যারা এদেশের স্বাধীনতাই চাইনি, তারা কিভাবে স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনীতি করার সাহস পায়?

এই মাতৃভাষা দিবসকে আর কদ্দিন বাঁচিয়ে রাখা যাবে?


বিশাল সম্মানিত 'মাতৃভাষা দিবস'
উপলক্ষে বাসার পাশে বিশাল এক শহীদ
মিনার নির্মান করছে আমাদের বিশাল
এলাকার বিশাল যুবসমাজ। রঙ-বেরঙের
বিশাল বিশাল লাইট লাগানো হইছে। বিশাল
শহীদ মিনারের বিশাল বেদীর ওপর বিশাল বিশাল ফুল দেয়া হইতেছে। সে এক বিশাল
আড়ম্বরপূর্ণ অবস্থা! বিশাল
আয়োজনে অংশগ্রহনকারী বিশাল যুবগোষ্ঠীর

বোর্ডিং কার্ড

সোহাগ সকাল
সোহাগ সকাল এর ছবি
Offline
Last seen: 4 years 11 months ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 2, 2013 - 4:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর