নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

উদয় খান এর ব্লগ

তোমরা যারা দাদু দের প্রশ্ন করো


ড্রোণ বিষয়ক গবেষণা কার্য আজকের দিনের মতো শেষ করে রাতের খাবার খেয়ে ইউনিভার্সিটির গোফওয়ালা একজন টিচার তার নার্সারী পড়ুয়া নাতির সাথে গল্প করছেন।

নাতি হঠাত প্রশ্ন করে বসলো- আচ্ছা দাদু, সেক্স কি?
দাদু ভাবলো এই ছেলে মনে হয় লুকিয়ে কোথাও এই বিষয়ে কিছু দেখেছে কিংবা শুনে ফেলেছে। সো, তার কাছে হাইড করে লাভ নাই। দাদু লাজ লজ্জা ভুলে যথাসাধ্য সহজ করে ম্যাচিউরড নারী-পুরুষের দৈহিক মিলনের বর্ণনা করিয়া মুচকি হেসে বলিলেন- বুঝলে, ইহাকেই বলে সেক্স।

বেগম জিয়া বললেন, আমি দেশ ছেড়ে যাবোনা


রাত ঠিক তিনটা, শেখ হাসিনা অতি গোপনে বেগম জিয়াকে দেখতে জেলের ভিতরে চলে গেলেন,
সঙ্গে অতি বিশ্বস্ত দু'জন প্রহরী।

বেগম জিয়া গভীর রাতে হাসিনাকে দেখেই হঠাৎ প্রথমে হতচকিত ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলেন!

তারপর বেগম জিয়া বললেন:- আপনি এখানে এসেছেন কেন? আরো বড় কোনো ষড়যন্ত্র করতে এসেছেন নাকি ?

শেখ হাসিনা বললেন:- জ্বি না, বিশ্বাস করেন!
আমিও একজন মা, আপনার সমবয়সীও,
আপনার কষ্টটা বুঝতে পারছি,
সত্যি আমার ঘুম হচ্ছে না,
তাই এত রাতে আপনাকে দেখতে ও মুক্ত করতে এসেছি!

বেগম জিয়া বললেন:- আমাকে বিনা দোষে জেল দিলেন,
আমাকে আবার মুক্ত করতে এসেছেন?

পিলখানা ট্রাজেডি থেকে আসন্ন নিরাপত্তা চুক্তি


২০০৯ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারী, দেশপ্রেমিক সিনিয়র সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে স্বাধীন বাংলাদেশের কফিন রচনা করেছিল ভারত। জনগণ তখন "বিডিআর বিদ্রোহ" নামক টেবলেট খেয়ে অচেতন হয়ে পড়েছিল। কফিন রচনার পটভুমি সৃষ্টিকারী দালাল মিডিয়াগুলো ছিল এ টেবলেট বিতরণের দায়িত্বে।
তার আট বছর পর সেই কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিতে আবারো সেনাবাহিনীর দিকে কালো হাত বাড়িয়েছে ভারত। দালালদের রাণী শেখ হাসিনা এই মাসেই ভারত সফরে যাবার কথা ছিল। সেই সফরে ভারতের হাতে দেশটাকে পুরোপুরি তুলে দেবার জন্য যে সকল গোলামী চুক্তি করার কথা রয়েছে, তন্মধ্যে অন্যতম হলো নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি।

রাত পোহাবার কত দেরী পাঞ্জেরী?


সার্বিয় সেনাক্যাম্পে ধর্ষিতা সামিরা তার বড় আপুর কাছে চিঠিতে লিখেছিল, "আপু আমি আর
পারছিনা। ওরা আমার গর্ভে কাফের সন্তান জন্ম দিতে চায়। কিন্তু আমি কোনো খ্রিস্টান সন্তান ভূমিষ্ট হতে দেবনা। প্লিজ আপু আমার জন্য গর্ভপাতের ওষুধ পাঠাও।" সামিরার কলজে ছোঁয়া আর্তনাদ শুনেও আমাদের বিবেক জাগ্রত হয়নি।
ইরাকের আবু গারিব কারাগারে বন্দি নূর এবং ফাতিমা যখন চিৎকার করে বলেছিল, "হে মুজাহিদ ভাইয়েরা তোমরা কোথায়? ওদের প্রতি রাতের অত্যাচার আর সহ্য করতে পারছিনা।" তখনও আমাদের বিবেক জাগ্রত হয়নি।
মুসলিম বিশ্বের গৌরব ড.আফিয়া সিদ্দিকি মার্কিন কারাগারে রাতের পর রাত ধর্ষিতা হয়ে তিলে তিলে নেই

মন্তব্য নিষ্প্রয়োজনঃ আমরা তো স্বাধীন দেশের নাগরিক


আজ রাত ২টার পর মোহাম্মদপুর, তাজমহল রোড, ৮/সি এলাকায় চলন্ত বাসের ভিতর থেকে একটা মেয়ের 'বাঁচাও বাঁচাও' চিৎকার শুনা গেছে... Dash 1
.
সর্বশেষ, বেড়িবাঁধ হয়ে রায়ের বাজার হয়ে ধানমন্ডি-২৭ এর অক্সফোর্ড স্কুলের পাশ দিয়ে গিয়েছে সেই বাসটি। ভোর তখন ৪ টা, তখনো বাসটি থেকে একটি মেয়ের 'বাঁচাও বাঁচাও' চিৎকার শুনা গেছে।
.

কোন শিরোনাম নেই


ব্রিটিশরা এসে অখণ্ড ভারতবাসীর উপর তাদের নিজস্ব ধর্মহীন সমাজব্যবস্থা চাপিয়ে দিল। এর আগে অস্ত্র রাখতে নাগরিকদের লাইসেন্স লাগতো না। ব্রিটিশরা জাতিকে নিবীর্য করতে অধিকাংশ মানুষের হাত থেকে অস্ত্র কেড়ে নিয়ে জনগোষ্ঠীকে সামরিক ও বেসামরিক দুই ভাগে ভাগ করে ফেলল। সামরিক বাহিনীর মূল র‌্যাঙ্কগুলো তাদেরই থাকলো, ভারতীয়রা সেপাই, আর্দালি ইত্যাদি হলো।
.

হরতাল, নাশকতা এবং আমাদের রাজনীতি


তখন ২০০৩ কি ২০০৪ সাল। আমি প্রাইমারী স্কুলে পড়ি। আমাদের বাসাটা ছিলো গুলশান এলাকায়। বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এবং আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে। কি এক ইস্যুকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ হরতালের ডাক দেয়। বেশ কিছুদিন ব্যাপি। আমরা যে ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতাম তার জানালা দিয়ে বড় রাস্তাটা সম্পুর্ন পরিষ্কার দেখা যেত।
হরতালের এমন এক দিনে আমি জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি। দু একটা গাড়ি অবশ্য রাস্তায় চলছিলো। হঠাৎ একদল লোক এসে একটা বাস থামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দিল। আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করি।

জাফর স্যারের অপ্রকাশিত কলামঃ তোমরা যারা গালাগালি করো।


আমি বলেছিলাম পানির প্রতি আমার হঠাত জন্মানো ঘৃনার কথা। এতে তোমরা অনেকেই ভেবেছিলে আমি হয়তোবা হাইড্রোফোবিয়ায় আক্রান্ত। চরম গালাগালি করেছিলে আমাকে। :মাথাঠুকি: কিন্তু কেউ একবারও কি ভেবে দেখেছ কক্সবাজারে বেড়াতে আসা সেই তরুনদের কথা? যারা মারা গিয়েছিলো পানিতে ডুবে। সমুদ্রঃ সে তো বিস্তীর্ন পানির আধার। আচ্ছা, তোমরা কি জাননা, সমুদ্রে এতো পানি আসে কোত্থেকে? এর উৎস হচ্ছে নদী।

বোর্ডিং কার্ড

উদয় খান
উদয় খান এর ছবি
Online
Last seen: 1 ঘন্টা 37 min ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 20, 2014 - 12:21অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর