নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • অনিমেষ অধিকারী

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

রাজেশ পাল এর ব্লগ

জাসদ ও ৭ ই নভেম্বর


আজ ৭ই নভেম্বর্।

" মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস "

৭৫ সালের এই দিনে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় তিন কিংবদন্তী মুক্তিযোদ্ধা কে ফোর্সের খালেদ মোশাররফ বীরউত্তম , ক্র্যাক প্লাটুনের মাস্টারমাইণ্ড মেজর হায়দার বীরউত্তম , আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী কর্ণেল হায়দার বীরউত্তম কে।

ক্ষমতায় আসেন জিয়াউর রহমান।কালুরঘাটের বেতার কেন্দ্রের মতো ভাগ্য আরো একবার সহায় হলো তার্।

দিনটিকে বিএনপি "সিপাহি জনতার বিপ্লব " নামে বেশ ঘটা করেই পালন করে। কিন্তু , জিয়া কি জড়িত ছিলেন সেই বিপ্লবে? মোটেই নয় ,তিনি তখন বন্দী ক্যাপ্টেন হাফিজের হাতে। নিজ গৃহে অন্তরীণ।

তাহলে কারা ঘটিয়েছিল বিপ্লবের নামে সে হত্যাকাণ্ড?

সেদিনের মীরমদন তাজউদ্দীন আহমেদ


১৬ ই আগষ্ট ,১৯৭৫ ,সকাল ১০ টা।

দ্রুতগতিতে আর্মি জিপটি এসে দাড়ালে তাজউদ্দীনের বাসার সামনে। জিপ থেকে নেমে এল মেজর ডালিম। পরনে পুরোদস্তুর সামরিক ইউনিফর্ম। যদিও সে তখন সামরিক বাহিনী থেকে চাকুরীচ্যুত। চোখে কালো সানগ্লাস ,হাতে স্টেনগান।

গটগট করে এগিয়ে গেল গেইটের দিকে। মোশতাক চক্রের ষড়যন্ত্রে তখন রাজনীতি থেকে যোজন দূরে অবস্থান মুক্তিযুদ্ধের এই অকুতোভয়. সিপাহশালারের্। তাই বাসায় পুলিশ প্রহরাও নেই। সামরিক অফিসার দেখেই বুকের পানি শুকিয়ে গেল দারোয়ানের্। গতরাতের ঘটনা তারাও জেনে গেছে।তাড়াতাড়ি গেইট খুলে দিল সে।

কেমন হবে বাঙলাস্তান?


কেমন হবে বাঙলাস্তান?

লেখক যাবে ,প্রকাশক যাবে , বিক্রেতা যাবে , ক্রেতা যাবে ,পাঠক যাবে , শাহবাগের প্রতিবাদী মুখগুলো যাবে , অনলাইন এক্টিভিস্ট ,প্রতিবাদী সাংবাদিকরা যাবে , একে একে সবাই যাবে।

কেউ যাবে দেশ ছেড়ে ,কেউ যাবে পৃথিবী ছেড়ে।

হয়তো আসবে আরেকটি ১৫ ই আগস্ট। ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা সব লুকিয়ে পরবে গর্তে। অফ হয়ে যাবে সিপি গ্যাং এর বীরত্বেপূর্ণ আইডিগুলো। হেফাজত আর ওলামা লীগ মিতালি পাতাবে জামাতীদের সাথে।ক্ষমতার মসনদে কেউ হবেন শাহানশাহ ,কেউ কাজী ,কেউবা উজিরে আজম।

মানুষের প্রকারভেদ


হেডস্যার ক্লাসে ঢুকতেই হট্টগোল থেমে গেল সবার্। এমনিতেই রাশভারী মানুষ ,তারউপর শ্রদ্ধাজাগানিয়া
মুখমণ্ডল। চশমার আড়ালে হীরার মতো চোখ দুটো জ্বলজ্বল করে প্রতিনিয়ত। চেয়ারে বসে ঝাড়া দুমিনিট তাকিয়ে রইলেন ছাত্রদের দিকে। স্যারের তাকানো দেখে বুক দুরুদুরু করতে লাগলো সবার্। আবার কি নতুন ঝামেলা হলো কে জানে? মাত্র দিন দশেক আগেই হুমায়ূন আর অঞ্জনকে স্কুলের পাশের ইদ্রিস সাহেবের বাড়ির ডাব চুরির অপরাধে বেত দিয়ে বেদম পিটিয়েছেন তিনি। মারের চোটে জ্বর উঠে গেছে দুজনেরই। তাই নতুন আশংকা পেয়ে বসেছে সবাইকে। সারা ক্লাসে পিনপতন নীরবতা।

--"আজ তোমাদের ক্লাস নেবো না। " নীরবতা ভেঙে বলে উঠলেন তিনি।

মেঘে ঢাকা তারা : একটি অনবদ্য চলচ্চিত্রের কথকতা


কিংবদন্তী পরিচালক ঋত্বিক ঘটকের জীবন আর কর্মকে
উপজীব্য করে নির্মাণ করা হয়েছে মেঘে ঢাকা তারা
ছবিটি।বিগত ১০ বছরের মধ্যে আমার দেখা শ্রেষ্ঠ
বাংলা ছবি এটি।ছবিটির মূল মেসেজ অনুধাবন করতে
হলে ঋত্বিক ঘটকের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে ধারণা থাকা
প্রয়োজন।ছবির মূল চরিত্র নীলকন্ঠ বাগচি এক
ভাগ্যতাড়িত সৃষ্টির নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা মানুষ।অত্যধিক
অবসাদ আর এলকোহল আসক্তির কারণে যাকে ভর্তি করা
হয় মানসিক হাসপাতালে।সেখানে তার পরিচয় ঘটে
ডাক্তারের সাথে।এই ডাক্তারের হয়ে ওঠেন নীলকন্ঠের
ফেলে আসা দিনের নীরব দর্শক।চোখের সামনে একে

রাজাকারদের পেইড এজেন্ট জাতির দুলাভাই ডেভিড বার্গম্যান


সাকা চৌধুরীর পক্ষে জাতির দুলাভাই ডেভিড বার্গম্যানের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার কথা আজ সবার মুখে মুখে।হেন কোন অপততপরতা বাকি নেই যা এদেশের মাটিতে বসে করছেন না যুদ্ধাপরাধীদের এই পেইড এজেন্টটি।এদেশের রাজনীতিতে বার বার পল্টি খাওয়া আমার শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ডঃ কামাল হোসেনের মেয়ে ব্যারিষ্টার সারাহ হোসেনের স্বামী হওয়ার সুবাদে তিনি আজ জাতির দুলাহভাই।মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি সাধারণ মানুষের স্বপ্নসৌধ আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালকে বিশ্বের চোখে বিতর্কিত করার নিরলস অপচেস্টা করে চলেছেন এই লোকটি।যার সর্বশেষ সংযোজন ৫ পাকিস্তানী সাক্ষী আনার পক্ষে সাফাই গাওয়া।

কে এই বার্গম্যান?

একটি সত্য ঘটনা


--ছার একডা কথা কমু ?

--বলেন।

--আফনার লাইগা মাঝে মাঝে বড় দুঃখ হয়।

--কেন?

--আফনে মানুষডা খুউব বালা।আমার পোলাডারে মিছা মামলাটা থেইকা খালাস কইরা দিলেন।কিন্তুক
আফনে বেহেস্ত পাইবেন না।

--আপনি জানলেন কি করে?

--কিতাবে আছে মালাউনেরা বেহেস্ত পাইবো না।

--তো কিতাবে কি এটা লেখা আছে যে আমি দোজখে যাব?বেহেস্তে যাবনা এটাই তো লেখা আছে?
--তো ছার বেহেস্তে না গেলে দোজখেই তো যাইবেন ?

--নারে ভাই বেহেস্ত ছাড়াও স্বর্গ ,নরক,HEAVEN,HELL বলেও কিছু জায়গা আছে।ওখানেও যেতে পারি।

--এই জায়গাগুলার কথা কই আছে?

--কেন অন্য কিতাবে?

--হেইগুলাও কি আসমানী কিতাব?

আফগান কমিউনিস্ট চে গুয়েভারা !!!!!


সবেমাত্র ৩য় বর্ষে উন্নীত হয়েছি।ভার্সিটি লাইফের স্বর্ণালী সময় তখন।উদ্যমতা আর আবেগে ভরপুর।
একদিন দেড়টার ট্রেনে ক্যাম্পাস থেকে শহরে আসি।উদ্দেশ্য টি শার্ট কেনা।সাথে সোহেল আর দীপ্ত বটতলী থেকে পায়ে হেঁটে নিউমার্কেটের বিখ্যাত দোকান রেভলনে গেলাম তিনজনে।

ঘুরে ঘুরে টি শার্ট,জিনস,বেল্ট,মানিব্যাগ বাছাই করছি।হঠাৎ দৃষ্টি গেল কালো রংয়ের টি শার্টটির দিকে।এক রঙা টি শার্টের উপর জ্বলজ্বল করছে এক মহামানবের হাস্যোজ্বল প্রতিকৃতি।প্রথম দর্শনে যীশু খ্রিষ্ট বলে ভ্রম হয়।পরমুহুর্তেই মাথার তারকাখচিত
টুপিটি দেখে সম্বিত ফিরে পাই।তিনি ঈশ্বরের সন্তান যীশু নন,তিনি হলেন শোষিতের বন্ধু চে গুয়েভারা।

ভারতে বৌদ্ধ ধর্মের অন্ধকার যুগ


মৌর্য সম্রাট অশোক বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করার পর হিন্দু ধর্মাম্বলীদের পুরুষমেধযজ্ঞ (ইশ্বরতুষ্টির জন্য নরবলি) ও অশ্বমেধযজ্ঞ (ইশ্বরতুষ্টির জন্য ঘোড়াবলি) নিষিদ্ধ করে দেয়।
হিন্দু সমাজ ক্ষেপে উঠলেও প্রতাপশালী সম্রাট অশোকের ভয়ে কেউ উচ্চবাচ্য করার সাহস করেনি।
মৌর্য-পরবর্তী শাসক পুষ্যমিত্র শুঙ্গ বৌদ্ধদের উপর মারাত্মক অত্যাচার শুরু করে। তার শাসনামলে বহু বৌদ্ধ মঠ ধ্বংস করা হয়,বৌদ্ধদের উচ্ছেদ করা হয়, বৌদ্ধদের গণহত্যা করা হয়, বৌদ্ধ ধর্মপন্ডিতের হত্যা করা হয় ও তাদের ধর্মীয় পুস্তক পুড়িয়ে ফেলা হয়।

সব চরিত্র কাল্পনিক


শরীফ ভাই আমাদের সহকর্মী।হেফাজতে র হার্ডকোর সমর্থক।সম্ভব হলে আজকেই ফ্যাসিবাদী জালেম সরকারের পতন ঘটিয়ে আইএস এর পতাকা তুলে ফেলেন।সাধারণ কথাও বলেন অতি আবেগের সাথে জিহাদী জোশে।
অনেকটা লালদিঘির মাঠে বক্তৃতার আদলে।নতুন করে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হওয়ার খবর পাওয়ার পর হতেই অত্যন্ত উল্লসিত তিনি।এবার যে আর বাকশালীদের রক্ষা নেই সে ব্যাপারে মোটামুটি শতভাগ
নিশ্চিত।আজ দুপুরে ক্যান্টিনে লাঞ্চ করতে গিয়ে দূর্ভাগ্যবশতঃ শরীফ ভাইয়ের টেবিলে বসলাম।যথারীতি শুরু
হলো উনার বক্তৃতার মিসাইল এটাক।

--বুঝলেন ভাইজান,এবার আর হাম্বালীগের রক্ষা নাই।যৌন
জাগরণরে রক্ষা করার মজা এবার
হাড়ে হাড়ে টের পাবে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রাজেশ পাল
রাজেশ পাল এর ছবি
Offline
Last seen: 3 months 3 weeks ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 22, 2014 - 8:54পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর