নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুজন আরাফাত
  • অর্বাচীন উজবুক
  • নুরুন নেসা
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক
  • নাস্তিকের আত্মকথা
  • আবীর সমুদ্র
  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র
  • গাজী নিষাদ
  • বেকার
  • আসিফ মহিউদ্দীন
  • সাধনা নস্কর

আপনি এখানে

রাজেশ পাল এর ব্লগ

মেঘে ঢাকা তারা : একটি অনবদ্য চলচ্চিত্রের কথকতা


কিংবদন্তী পরিচালক ঋত্বিক ঘটকের জীবন আর কর্মকে
উপজীব্য করে নির্মাণ করা হয়েছে মেঘে ঢাকা তারা
ছবিটি।বিগত ১০ বছরের মধ্যে আমার দেখা শ্রেষ্ঠ
বাংলা ছবি এটি।ছবিটির মূল মেসেজ অনুধাবন করতে
হলে ঋত্বিক ঘটকের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে ধারণা থাকা
প্রয়োজন।ছবির মূল চরিত্র নীলকন্ঠ বাগচি এক
ভাগ্যতাড়িত সৃষ্টির নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা মানুষ।অত্যধিক
অবসাদ আর এলকোহল আসক্তির কারণে যাকে ভর্তি করা
হয় মানসিক হাসপাতালে।সেখানে তার পরিচয় ঘটে
ডাক্তারের সাথে।এই ডাক্তারের হয়ে ওঠেন নীলকন্ঠের
ফেলে আসা দিনের নীরব দর্শক।চোখের সামনে একে

রাজাকারদের পেইড এজেন্ট জাতির দুলাভাই ডেভিড বার্গম্যান


সাকা চৌধুরীর পক্ষে জাতির দুলাভাই ডেভিড বার্গম্যানের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার কথা আজ সবার মুখে মুখে।হেন কোন অপততপরতা বাকি নেই যা এদেশের মাটিতে বসে করছেন না যুদ্ধাপরাধীদের এই পেইড এজেন্টটি।এদেশের রাজনীতিতে বার বার পল্টি খাওয়া আমার শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ডঃ কামাল হোসেনের মেয়ে ব্যারিষ্টার সারাহ হোসেনের স্বামী হওয়ার সুবাদে তিনি আজ জাতির দুলাহভাই।মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি সাধারণ মানুষের স্বপ্নসৌধ আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালকে বিশ্বের চোখে বিতর্কিত করার নিরলস অপচেস্টা করে চলেছেন এই লোকটি।যার সর্বশেষ সংযোজন ৫ পাকিস্তানী সাক্ষী আনার পক্ষে সাফাই গাওয়া।

কে এই বার্গম্যান?

একটি সত্য ঘটনা


--ছার একডা কথা কমু ?

--বলেন।

--আফনার লাইগা মাঝে মাঝে বড় দুঃখ হয়।

--কেন?

--আফনে মানুষডা খুউব বালা।আমার পোলাডারে মিছা মামলাটা থেইকা খালাস কইরা দিলেন।কিন্তুক
আফনে বেহেস্ত পাইবেন না।

--আপনি জানলেন কি করে?

--কিতাবে আছে মালাউনেরা বেহেস্ত পাইবো না।

--তো কিতাবে কি এটা লেখা আছে যে আমি দোজখে যাব?বেহেস্তে যাবনা এটাই তো লেখা আছে?
--তো ছার বেহেস্তে না গেলে দোজখেই তো যাইবেন ?

--নারে ভাই বেহেস্ত ছাড়াও স্বর্গ ,নরক,HEAVEN,HELL বলেও কিছু জায়গা আছে।ওখানেও যেতে পারি।

--এই জায়গাগুলার কথা কই আছে?

--কেন অন্য কিতাবে?

--হেইগুলাও কি আসমানী কিতাব?

আফগান কমিউনিস্ট চে গুয়েভারা !!!!!


সবেমাত্র ৩য় বর্ষে উন্নীত হয়েছি।ভার্সিটি লাইফের স্বর্ণালী সময় তখন।উদ্যমতা আর আবেগে ভরপুর।
একদিন দেড়টার ট্রেনে ক্যাম্পাস থেকে শহরে আসি।উদ্দেশ্য টি শার্ট কেনা।সাথে সোহেল আর দীপ্ত বটতলী থেকে পায়ে হেঁটে নিউমার্কেটের বিখ্যাত দোকান রেভলনে গেলাম তিনজনে।

ঘুরে ঘুরে টি শার্ট,জিনস,বেল্ট,মানিব্যাগ বাছাই করছি।হঠাৎ দৃষ্টি গেল কালো রংয়ের টি শার্টটির দিকে।এক রঙা টি শার্টের উপর জ্বলজ্বল করছে এক মহামানবের হাস্যোজ্বল প্রতিকৃতি।প্রথম দর্শনে যীশু খ্রিষ্ট বলে ভ্রম হয়।পরমুহুর্তেই মাথার তারকাখচিত
টুপিটি দেখে সম্বিত ফিরে পাই।তিনি ঈশ্বরের সন্তান যীশু নন,তিনি হলেন শোষিতের বন্ধু চে গুয়েভারা।

ভারতে বৌদ্ধ ধর্মের অন্ধকার যুগ


মৌর্য সম্রাট অশোক বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করার পর হিন্দু ধর্মাম্বলীদের পুরুষমেধযজ্ঞ (ইশ্বরতুষ্টির জন্য নরবলি) ও অশ্বমেধযজ্ঞ (ইশ্বরতুষ্টির জন্য ঘোড়াবলি) নিষিদ্ধ করে দেয়।
হিন্দু সমাজ ক্ষেপে উঠলেও প্রতাপশালী সম্রাট অশোকের ভয়ে কেউ উচ্চবাচ্য করার সাহস করেনি।
মৌর্য-পরবর্তী শাসক পুষ্যমিত্র শুঙ্গ বৌদ্ধদের উপর মারাত্মক অত্যাচার শুরু করে। তার শাসনামলে বহু বৌদ্ধ মঠ ধ্বংস করা হয়,বৌদ্ধদের উচ্ছেদ করা হয়, বৌদ্ধদের গণহত্যা করা হয়, বৌদ্ধ ধর্মপন্ডিতের হত্যা করা হয় ও তাদের ধর্মীয় পুস্তক পুড়িয়ে ফেলা হয়।

সব চরিত্র কাল্পনিক


শরীফ ভাই আমাদের সহকর্মী।হেফাজতে র হার্ডকোর সমর্থক।সম্ভব হলে আজকেই ফ্যাসিবাদী জালেম সরকারের পতন ঘটিয়ে আইএস এর পতাকা তুলে ফেলেন।সাধারণ কথাও বলেন অতি আবেগের সাথে জিহাদী জোশে।
অনেকটা লালদিঘির মাঠে বক্তৃতার আদলে।নতুন করে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হওয়ার খবর পাওয়ার পর হতেই অত্যন্ত উল্লসিত তিনি।এবার যে আর বাকশালীদের রক্ষা নেই সে ব্যাপারে মোটামুটি শতভাগ
নিশ্চিত।আজ দুপুরে ক্যান্টিনে লাঞ্চ করতে গিয়ে দূর্ভাগ্যবশতঃ শরীফ ভাইয়ের টেবিলে বসলাম।যথারীতি শুরু
হলো উনার বক্তৃতার মিসাইল এটাক।

--বুঝলেন ভাইজান,এবার আর হাম্বালীগের রক্ষা নাই।যৌন
জাগরণরে রক্ষা করার মজা এবার
হাড়ে হাড়ে টের পাবে।

স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতা পরবর্তীতে চীন ও চৈনিক পন্থীদের ভূমিকা


ষাটের দশকের শুরুতে আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনে ভাঙনের জের ধরে কমিউনিস্ট পার্টি মস্কো ও পিকিংপন্থী তে বিভক্ত হয়ে যায়। চীনের সাথে পাকিস্তানের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্কের কারণে চৈনিক পন্থী অংশটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরোধিতা করে। ৬ দফা আন্দোলনের সময়ে কমরেড তোয়াহা একে সরাসরি সিআইএ প্রণীত দলিল বলে আখ্যায়িত করেন। চীনের প্রতি আনুগত্যের অবস্থান থেকে সরে এসে রাশেদ খান মেনন ,হায়দার আকবর খান রনো ,কাজী জাফর এর মতো কেউ কেউ স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেন। ক্র্যাক প্লাটুনের বীর যোদ্ধা রুমী ও তাদের একজন। কিন্তু সিংহভাগ অংশই পাকিস্তানের প্রতি অনুগত থাকেন। সিরাজ সিকদার ,মানস ঘোষদের মতো কেউ কেউ আবার পাকবাহি

জিয়াউর রহমানকে কেন মুক্তিযোদ্ধা বলতে রাজী নই?


৭ ই নভেম্বর তথাকথিত সিপাহি জনতার বিপ্লব করে জাসদ। হত্যা করা হয় এদেশের মুক্তিযুদ্ধের তিন অকুতোভয় বীর সন্তান মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ , ক্র্যাক প্লাটুনের প্রতিষ্ঠাতা মেজর হায়দার ও আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী কর্ণেল হুদাকে।

নাটকীয়ভাবেই ক্ষমতায় আসেন জেনারেল জিয়া। কালুরঘাটের বেতার কেন্দ্রের মতো আরো একবার ভাগ্য হলো তার পরম সহায়। জিয়া ক্ষমতা পেয়েই প্রথমে চরম গাদ্দারী করে বসেন ৭ ই নভেম্বরের কুশীলবদের উপর্। বন্দী করা হয় কর্ণেল তাহের ,মেজর জলিলি ,মেজর জিয়াউদ্দিন সহ শত শত সিপাহী ও অফিসারদের্। প্রহসনের কোর্ট মার্শালে রাতের অন্ধকারে ফাসিঁতে হত্যা করা হয় তাদের বেশীরভাগকে।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

রাজেশ পাল
রাজেশ পাল এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 20 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 22, 2014 - 2:54পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর