নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুরুন নেসা
  • সুজন আরাফাত
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক
  • নাস্তিকের আত্মকথা
  • আবীর সমুদ্র
  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক

নতুন যাত্রী

  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র
  • গাজী নিষাদ
  • বেকার
  • আসিফ মহিউদ্দীন
  • সাধনা নস্কর

আপনি এখানে

রাজেশ পাল এর ব্লগ

মন্ত্রী মহোদয়ার ফেসবুক বন্ধ সম্পর্কে মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে


গতকাল আমাদের সম্মানিতা মন্ত্রী মহোদয়া বললেন , যতদিন পর্যন্ত প্রত্যেকটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না যায় , ততদিন ফেসবুক বন্ধ থাকবে।

এখানে দুটি ব্যাপার লক্ষণীয় :

১. প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
২. ফেসবুক বন্ধ রাখা নিরাপত্তার খাতিরে।

আপাদদৃষ্টিতে কথাগুলো যৌক্তিক মনে হলেও ব্যাপারটি সহজে মেনে নেয়া যাচ্ছে না।

সাকা মুজাহিদের ফাসিঁ : বাংলাদেশে হলো যেন নতুন সূর্যোদয়


সাকা মুজাহিদের ফাসিঁর মধ্যে দিয়ে সমাপ্ত হলো অসমাপ্ত মুক্তিযুদ্ধের আরেকটি কলংকজনক অধ্যায়ের্। ৪৪ বছর ধরে বয়ে চলা গঞ্জনা আর চেপে রাখা দীর্ঘশ্বাসের হলো অবসান। হলো মাতৃভূমির কলঙ্কমোচন।

মুজাহিদনামা


আজ জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ডের উপর দায়ের রা রিভিউ আবেদন শুনানি হয়ে গেল মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে।তাই ভাবলাম এক ঝলকে দেখি আসি এই মহান(!) রাজাকারের অতীত সম্পর্কে।মুজাহিদ সাব কে নিয়াই আমার আজকের “সহি মুজাহিদনামা”
১৯৭১ সালে তার জীবন

যেভাবে তিনি "জাইঙ্গা নাই জোনাকি " হয়ে গেলেন


পাড়ায় একদল নব্য মাস্তানের আমদানী হয়েছিল। যখন তখন যারে তারে মারধর করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। পরিস্থিতি এমনি চরমে উঠলো যে , নিজের পাড়া ছেড়ে পাশের পাড়ায় ও হামলা চালাতে লাগলো।

রুখে দাড়াতে হবে মুসলিম বিশ্বকেই


প্যারিস হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হলো কারা?

ইউরোপ ,আমেরিকা , ইজরায়েল , চীন ,ভারত?

মোটেই নয়। এই ধরণের ঘটনাগুলো বরং তাদের মতপার্থক্য ভুলে কাছে আসার পথই সহজ করে দেয়। common enemy তাদের করে unified. যা আমরা দেখেছি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ , ১/১১ পরবর্তী দিনগুলোতে।

তাহলে কারা?

উত্তর নিসন্দেহে মুসলমানরা।

নরকের বর্ণনা


"নরকের বর্ণনা" নামে একটা বই পড়ছিলাম। প্রথমে পেরোতে হবে বৈতরনী নদী। পূণ্যবানরা পার হবেন নৌকায় বা সেতুতে। পাপীদের পার হতে সাতার দিয়ে। তাও যে সে নদী না , একেবারে সাপ ,হাঙর ,কুমীর ,অক্টোপাস সহ যত ধরণের হিংস্র জলজ প্রাণী আছে তাতে পরিপূর্ণ!

কোনরকমে ঐ পারে পৌঁছে গেলে শুরু হবে কোর্ট মার্শাল মানে বিশেষ আদালতে বিচার্। যে বিচারে শাস্তি শতভাগ নিশ্চিত।

তাও যে সে শাস্তি নয়। হাতে পায়ে পেরেক মারা , গরম তেলে ফ্রাই করা , জ্বলন্ত আগুনে কাবাব বানানো , চোখ উপড়ে ফেলা , ক্ষুধা ,তৃষ্ণা কোনকিছুতে এক ফোটা পানি না দেয়া কিছুই বাদ নেই। পড়ে গা শিউড়ে উঠল।

জাসদ ও ৭ ই নভেম্বর


আজ ৭ই নভেম্বর্।

" মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস "

৭৫ সালের এই দিনে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় তিন কিংবদন্তী মুক্তিযোদ্ধা কে ফোর্সের খালেদ মোশাররফ বীরউত্তম , ক্র্যাক প্লাটুনের মাস্টারমাইণ্ড মেজর হায়দার বীরউত্তম , আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী কর্ণেল হায়দার বীরউত্তম কে।

ক্ষমতায় আসেন জিয়াউর রহমান।কালুরঘাটের বেতার কেন্দ্রের মতো ভাগ্য আরো একবার সহায় হলো তার্।

দিনটিকে বিএনপি "সিপাহি জনতার বিপ্লব " নামে বেশ ঘটা করেই পালন করে। কিন্তু , জিয়া কি জড়িত ছিলেন সেই বিপ্লবে? মোটেই নয় ,তিনি তখন বন্দী ক্যাপ্টেন হাফিজের হাতে। নিজ গৃহে অন্তরীণ।

তাহলে কারা ঘটিয়েছিল বিপ্লবের নামে সে হত্যাকাণ্ড?

সেদিনের মীরমদন তাজউদ্দীন আহমেদ


১৬ ই আগষ্ট ,১৯৭৫ ,সকাল ১০ টা।

দ্রুতগতিতে আর্মি জিপটি এসে দাড়ালে তাজউদ্দীনের বাসার সামনে। জিপ থেকে নেমে এল মেজর ডালিম। পরনে পুরোদস্তুর সামরিক ইউনিফর্ম। যদিও সে তখন সামরিক বাহিনী থেকে চাকুরীচ্যুত। চোখে কালো সানগ্লাস ,হাতে স্টেনগান।

গটগট করে এগিয়ে গেল গেইটের দিকে। মোশতাক চক্রের ষড়যন্ত্রে তখন রাজনীতি থেকে যোজন দূরে অবস্থান মুক্তিযুদ্ধের এই অকুতোভয়. সিপাহশালারের্। তাই বাসায় পুলিশ প্রহরাও নেই। সামরিক অফিসার দেখেই বুকের পানি শুকিয়ে গেল দারোয়ানের্। গতরাতের ঘটনা তারাও জেনে গেছে।তাড়াতাড়ি গেইট খুলে দিল সে।

কেমন হবে বাঙলাস্তান?


কেমন হবে বাঙলাস্তান?

লেখক যাবে ,প্রকাশক যাবে , বিক্রেতা যাবে , ক্রেতা যাবে ,পাঠক যাবে , শাহবাগের প্রতিবাদী মুখগুলো যাবে , অনলাইন এক্টিভিস্ট ,প্রতিবাদী সাংবাদিকরা যাবে , একে একে সবাই যাবে।

কেউ যাবে দেশ ছেড়ে ,কেউ যাবে পৃথিবী ছেড়ে।

হয়তো আসবে আরেকটি ১৫ ই আগস্ট। ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা সব লুকিয়ে পরবে গর্তে। অফ হয়ে যাবে সিপি গ্যাং এর বীরত্বেপূর্ণ আইডিগুলো। হেফাজত আর ওলামা লীগ মিতালি পাতাবে জামাতীদের সাথে।ক্ষমতার মসনদে কেউ হবেন শাহানশাহ ,কেউ কাজী ,কেউবা উজিরে আজম।

মানুষের প্রকারভেদ


হেডস্যার ক্লাসে ঢুকতেই হট্টগোল থেমে গেল সবার্। এমনিতেই রাশভারী মানুষ ,তারউপর শ্রদ্ধাজাগানিয়া
মুখমণ্ডল। চশমার আড়ালে হীরার মতো চোখ দুটো জ্বলজ্বল করে প্রতিনিয়ত। চেয়ারে বসে ঝাড়া দুমিনিট তাকিয়ে রইলেন ছাত্রদের দিকে। স্যারের তাকানো দেখে বুক দুরুদুরু করতে লাগলো সবার্। আবার কি নতুন ঝামেলা হলো কে জানে? মাত্র দিন দশেক আগেই হুমায়ূন আর অঞ্জনকে স্কুলের পাশের ইদ্রিস সাহেবের বাড়ির ডাব চুরির অপরাধে বেত দিয়ে বেদম পিটিয়েছেন তিনি। মারের চোটে জ্বর উঠে গেছে দুজনেরই। তাই নতুন আশংকা পেয়ে বসেছে সবাইকে। সারা ক্লাসে পিনপতন নীরবতা।

--"আজ তোমাদের ক্লাস নেবো না। " নীরবতা ভেঙে বলে উঠলেন তিনি।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

রাজেশ পাল
রাজেশ পাল এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 20 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 22, 2014 - 2:54পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর