নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ
  • নুর নবী দুলাল
  • সাজ্জাদুল হক
  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
  • হাসান নাজমুল
  • নরমপন্থী

আপনি এখানে

রাজেশ পাল এর ব্লগ

সেদিনের মোহনলাল কর্ণেল জামিল


১৫ ই আগস্ট শুধু মোশতাকের মতো মীরজাফর, ফারুক রশীদদের মতো মোহাম্মদী বেগ বা শফিউল্লাহর মতো অপদার্থদেরই জন্ম দেয়নি। জন্ম দিয়েছিল কর্ণেল জামিল বা কর্তব্যরত পুলিশের ডিএসপি সাহেবের মতো মীর মদন , মোহনলালদের ও।

রক্তভেজা ১২ই জুলাইঃ ভুলে যাওয়া একটি জ্বলন্ত দিন


আজ সেই ভয়াল ১২ ই জুলাই .এইট মার্ডার দিবস।

আজ থেকে ১৬ বছর আগে ২০০০ সালের এইদিনে চট্টগ্রাম গভঃ কমার্শিয়াল ইন্সটিটিউটে ছাত্রলীগের কর্মী সম্মেলনে যাওয়ার পথে আচমকা নেতাকর্মী ভর্তি একটি মাইক্রোবাসেকে বহদ্দারহাট মোড়ে ঘিরে ফেলে ছাত্রশিবিরের কিলিং স্কোয়াড। চারদিক থেকে ঘিরে "নারায়ে তাকবীর ,আল্লাহ আকবর" শ্লোগান দিয়ে ak 47 আর m 16 রাইফেল থেকে শুরু করে ব্রাশফায়ার্। গাড়িতেই বুলেটে বুলেটে ঝাঁঝড়া হয়ে লুটিয়ে পড়েন ছাত্রলীগের ৮ জন নেতাকর্মী। আমার বন্ধু হেলাল ও সেদিন শহীদ হন। হেলাল সে সময়ে কমার্শিয়াল ইন্সটিটিউট এর ভিপি ছিলো। বয়সে আমার বড় হলেও আমাদের বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে সেটা কখনোই বাধা ছিলো না।

আমাদের বামাতিগণ


প্রথমেই বলে রাখি , এই লেখাটা আমার বামপন্থী বন্ধুদের উদ্দেশ্যে নহে। আমার ছাত্রজীবনের অধিকাংশ বন্ধুই বামরাজনীতি বিশেষত: ছাত্রইউনিয়নের সাথে জড়িত ছিলেন। আর অনলাইনে যাদের লেখা আমি খুব খুব পছন্দ করি Muhammad Golam Sarowar Akal Kushmando রাহাত মুস্তাফিজ এরা প্রত্যেকেই ছিলেন ,আছেন বামপন্থী রাজনীতির সাথে জড়িত।

রাজাকারের মৃত্যু আমাদের ব্যথিত করেনা



তোমরা অনেকেই দেখলাম নিজামীর ফাঁসিতে ব্যথিত। কারো কারো মায়াকান্নায় ভেসে যাচ্ছে সারা শরীর। কেউবা তুলছো বয়সের ধুয়ো। কেউবা তুলছো আদর্শিক আনুগত্যের অজুহাত। কেউবা বলছো মৃত্যুদণ্ড অমানবিক। নিত্যনতুন যুক্তিতে কাপিয়ে বেড়াচ্ছো অনলাইন, অফলাইনের আকাশ বাতাস।

প্রতাপশালী প্রতাপাদিত্যঃ ইতিহাসের বিস্মৃত এক মহাবীরের কাহিনী


প্রতাপাদিত্য ছিলেন যশোরের রাজা ও ষোড়শ শতকের বাংলার একজন বিখ্যাত ভূঁইয়া বা জমিদার। তাঁর পিতা বিক্রমাদিত্য শ্রীহরি (শ্রীধর) ছিলেন কায়স্থ এবং সুলতান দাউদ খান কররানীর অধীনে একজন প্রভাবশালী রাজকর্মচারী। দাউদ খানের পতনের পর শ্রীহরি তাঁর নিকট রক্ষিত সরকারি ধনসম্পদ নিয়ে পালিয়ে যান। অতঃপর তিনি খুলনা জেলার দক্ষিণ প্রান্তে জলাভূমি অঞ্চলে এক রাজ্য গড়ে তোলেন (১৫৭৪) এবং মহারাজা উপাধি গ্রহণ করেন। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতাপাদিত্য পিতার রাজ্যের উত্তরাধিকারী হন।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রাজেশ পাল
রাজেশ পাল এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 5 দিন ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 22, 2014 - 8:54পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর