নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নরসুন্দর মানুষ
  • রাহুল মল্ল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

জহিরুল হক বাপি এর ব্লগ

রমেল চাকমা, সেনাবাহিনী ও কানার হাটবাজার


রমেল চাকমার মৃত্যু নিয়ে ক্ষুব্ধ সবাই। আমিও ক্ষুব্ধ। তার মৃত্যু নিয়ে পরস্পরবিরোধী খবর জানি। আমরা কথা যেই অপরাধ করুক তার বিচার হোক। সেটা যেই হোক। সবাই বিচার চান। কিন্তু অবাক বিষয় বিচার চাওয়ার চেয়ে দুইটা বিষয়ে মানুষ অনেক বেশি সোচ্চার। কিছু মানুষ জেনে বুঝেই এ বিষয়ে সোচ্চার তাদের ইস্যু নিয়ে। বাকীরা সম্ভবত রাজনৈতিক কূটচাল বুঝেন না বলেই স্বাভাবিক, মানবিক কারণে জানা বোঝা দলটি দ্বারা ব্যাপকভাবেই প্রভাবিত।

১) বিচারের চেয়ে বেশি সোচ্চার পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাবাহিনী সরানোর বিষয়ে।
২) পুরো সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার বিষয়ে।

গান ( হাওড়া বন্ধু


মরতেছে মাছ পচতেছে ধান গাছ
বছর জুড়ে পালন করা ঘাম আর আশ।
দামী পানি স্বভাবগুনে ভাসায়ে দিল
মধ্য রাতে অবেহালর বাঁধ হলো সর্বনাশ।

কেউ কি আছো পাশে দাড়াবার
কেউ কি আছো স্বপ্ন দেখাবার ।

বানের ঢেউ এ ডুবে গেল ধান গাছের ঢেউ
গভীর টানে সবই গেল কিছু পেলনা কেউ
ধান গেল, ঈদ গেল, স্বপ্ন গেল গেল সুখের ডাক
যুগে যুগে হাওড়া জীবন এমনই, আসেনা অবাক।

কেউ কি আছো পাশে দাড়াবার
কেউ কি আছো স্বপ্ন দেখাবার

আমরা হয়তো কেউ না


১)
হওয়ার কথা ছিল শাপলা ফুল, হয়ে গেল শাপলার শাক
হওয়ার কথা ছিল একলা চরের লাঠিয়াল, হয়ে গেল রাজবাড়ি খোজা-
চার লনের সড়কে দুইটা বাস পাশাপাশি গল্প করতে করতে যাচ্ছিল. . . . .

২)
জানালার গ্রীলে দাড়িয়েছে মেঘের ঝিলিক
ঘরের ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় ছিল কাল বৈশাখীর প্রতিবিম্ব।
গ্রীল আর আয়না গুড়িয়ে গেল দীর্ঘশ্বাসের ফুঁতে......

৩)
একদিন সূর্য জাগবে না-
সেই রাতে প্রথম কারো কারো ভোর হবে

৪)
ইদানীং আর রাত দেখতে ভালো লাগে না, রাত্রিই হতে ইচ্ছে করে
ইদানীং আর বৃষ্টি দেখতে ভালো লাগে না, মেঘ হতে ইচ্ছে করে

জ্ঞান বলে, সমৃদ্ধি এলেও শান্তি আসবে না


অনেকে বলেন, বলছেন শেখ হাসিনা তাঁর বাবাকেও ছাড়িয়ে গেছেন। কথা কেউ নিজের যুক্তি থেকে বলেন, কেউ শুনে বলেন, কেউ তেল দেওয়ার জন্য বলেন। শেখ হাসিনা আজ নিজের প্রজ্ঞা আর মেধা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে উচ্চ আসনে বসেছেন। গত কয়েক বছরে বিদেশি যারা বিভিন্ন লবিস্ট ফার্মের প্রচারের কারণে বর্তমান সরকারের ঘোর বিরুদ্ধে, হাসিনার বিরুদ্ধে তারাও উন্নয়ন দেখে বাংলাদেশকে সম্মান দিতে বাধ্য হয়েছে। এটা নি:সন্দেহে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞারই অংশ। কিন্তু তবুও বলতে পারছি না যে তিনি বঙ্গবন্ধুকে ছাড়িয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু একটি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য তৈরি করেছেন, প্রাণ দিতে প্রস্তুত করেছেন মানসিকভাবে, তাদের জ্ঞান চক্ষু উন্মোচন কর

বুঝি না- ১


জনগন যদি রাষ্ট্রের মালিক হয় তবে রাষ্ট্রের কর্মচারীদের কাছে কোন দরখাস্ত লিখতে স্যার/মহোদয় / বিনীত নিবেদক/ আপনার একান্ত বাধ্য ইত্যাদি সম্বোধন / লিখতে হয় কেন? এছাড়াও - আমার আবেদন "দয়া/অনুগ্রহ" করে মঞ্জুর করবেন ইত্যাদি । এসব ক্ষেত্রে শব্দগুলো কি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক না?!
এছাড়াও এ ধরনের সম্বোধন যে কর্মচারীর মধ্যে রাজসিক অহংকার, ব্যাবহার তৈরি করে তাতো আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখছি। সরকারী কর্মচারী-কর্মকর্তার আত্নীয়ও রাজার বংশ।

বর্ণমালা ভয় শিখায়................... আমরা কুশিক্ষায় শিক্ষিত - ১


অনেক দিন তুমুল বৃষ্টিতে ভেজা হয় না। স্রোতস্বিনী নদীতে সাঁতার দেওয়া হয় না। শরতের কাশবনে ঢুকে অকারণ চিৎকার দিয়ে নীরবতা আরও বাড়িয়ে দিই না। না দেখলাম বৃষ্টি, না দিলাম সাতার, নাই বাড়ালাম নীরবতা, কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধার সাথে পরিচয় হবে কম কি? দেই ছুট। দুধের সাধ দুধেই মিটাই!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জহিরুল হক বাপি
জহিরুল হক বাপি এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 1 week ago
Joined: রবিবার, জুন 22, 2014 - 10:59অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর