নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নরসুন্দর মানুষ
  • রাহুল মল্ল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

জহিরুল হক বাপি এর ব্লগ

কোরআন অনুযায়ী ‘আপনি’ অভিশপ্ত


ভারতে উগ্রবাদীরা এক মুসলমান কিশোরকে মারলো। বাংলাদেশে এক ধর্ষক, খুনি হিন্দু ছেলেকে মারলো। কিছু মানুষের কথা শুনে মনে হচ্ছে দুই জায়গায় কোন মানুষ মরে নাই, দুইটা ধর্মের লোক মরছে। দুই কারণই পরস্পরের সাথে অতুলনীয়। এবার আপনাদের ঠিক ধরে, আসেন একটা হিসাব মিলিয়ে দেন।

এ জেহাদ-জেহাদ খেলায় আপনারা মন্দির ভাঙেন। ধরেন প্রতিশোধ স্বরূপ ভারতে মসজিদ ভাঙা শুরু করলো। কি করবেন? ভারতে ১৩০ কোটি জনগণের ১৭ কোটি মুসলিম। বাংলাদেশে ১৬ কোটি। ১৭+১৬= ৩৩ কোটি। দুই দেশের মুসলমান মিলিয়েও তো রক্ষা করতে পারবেন না (যদি ভারতীয় মুসলিমরা যোগ দেয় আপনাদের সাথে।)

স্বাধীনতা কি ফাতরামি


বোমা রানী দিছে বানী
স্বাধীন করছে দেশ
এ কথায় কেটে যায়
জানজুয়ার নরকের আবেশ।

স্বাধীনতা কি ফাতরামি
৩০ লক্ষে কেনা
৭১ এর ক্যান্টনমেন্ট বিবির
এ দেশে মেলা দেনা।

রেজাকাররে সাকার দিছেন
মুক্তিযোদ্ধা জোকার-
ক্ষমতায় এসে আবার ৭১
হিন্দু নারীর হাহাকার।

রেজাকার কলিজার টুকরা
বোমায় পুড়লো মানুষ
ফাঁসি হবে না রেজাকারের
মানুষ পোড়া গন্ধে দিল খুশ।

৭১ এর কোথায় ছিলেন
কোন মোকামের হার্ট
মানুষ এখন জানজুয়ারে চিনে
এক্কেবারে আনকাট।

সামনে আরও নতুন ফাঁদ…. সাধু সাবধান!


দেশে এক ধরনের একটি স্থিতিশীলতা চলছে। সরকারের যেমন কিছু নিয়মতান্ত্রিক ভুল আছে তেমনি জনগনও তেমনি প্রতিবাদ করেছে। সরকার কখনও মেনে নিয়েছে, কখনও বা মধ্যপন্থা অবলম্বন করেছে। আপাত বাহ্যিক শান্তিময় দেখা গেলেও স্বাধীনতা বিরোধীরা অবশ্যই বসে নেই। তারা কয়েক যুগ পার করেছে বাংলাদেশের ভূমী, দর্শনের দখল নেওয়ার জন্য। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা ঢেলেছে তাদের দর্শন এ দেশে স্থাপন করার জন্য। তারা এতসহজে বিলীন হওয়ারতো প্রশ্নই আসেনা ।কতটা সফল আর কতটা বিফল এ নিয়ে তর্ক চলতে পারে। আমার ব্যাক্তিগত মতামত হচ্ছে খুব একটা পারেনি। পারলে তাদের গুরুদের বিচার বন্ধে তারা গণ-জোয়ার বইয়ে দিত। তাদের পক্ষে গভীর মনের এবং সরল বাঙালি খুব একট

কল্যাণপূর রোযা পালন কমিটির শরীয়া পুলিশ



কল্যাণপূর রোযা পালন কমিটি খাবার দোকানে তান্ডব চালাচ্ছে। টং দোকানে ঢুকে তারা চায়ের কেটলিতে বালি ঢেলে দিচ্ছে, বিস্কুট পাউরুটিতে পানি ঢেলে দিচ্ছে। ভাতের হোটেলে ঢুকে ভাত তরকারিতে বালি, পানি ঢেলেতো দিচ্ছেই - কোথাও কোথাও খাবারে পেশাবও করে দিচ্ছে। ফার্স্ট ফুডের দোকানে ঢুকে খাবারে বালু-পানি দিচ্ছে। কোথাও কোথাও দুই এক জায়গায় জনগনকে লাঞ্চিতও করছে।

মুক্তিযোদ্ধা প্রেমাংকুর রায়ের ফিল্ড হাসপাতাল ও যুদ্ধ স্মৃতি



বেশ কিছু দিন ধরেই চেষ্টা করছিলাম মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার প্রেমাংকুর রায়ের সাক্ষ্যাতকার নেওয়ার জন্য। উনি ভালই অসুস্থ। হার্টে সমস্যা। শেষ মেষ ঈদের পরে সময় দিলেন। কিন্তু রোজার ৪/৫ দিন আগে সময় নিলাম। গন্তব্য শায়েস্তাগজ্ঞ গাজীপুরা টি রির্সোট।

কয়টি প্রশ্ন


আমাদের দেশে কিছু বিপ্লবী আছে যারা রাশিয়া বা চীনে বৃষ্টি হলে বাংলাদেশে ছাতা ধরে। আমাদের দেশে কিছু মুমিন আছে যারা সৌদী বা ইরানে বালু ঝড় শুরু হলে বাংলাদেশে নাক মূখ ঢাকে। সৌদী বাদশা বা ইরানের প্রেসিডেন্ট এক মিনিট রাস্তায় হাটলে এটাও ঐ মুমিনদের কাছে ইসলামি নির্দশন, মহত্ব, উদারতা।

হতে পারে এমন? যদি এমন হয় তবে বলা যায় সে সফল হতে যাচ্ছে।


ইমরানের এখন লম্ফ ঝম্প নাই। বেইল নাই। তার পরিচয় মন্ত্রীর জামাই।কয়েকটা টিভি চ্যানেল তাঁকে নেতা বানানোর চেষ্টা করেই যাচ্ছে। শাহবাগ আন্দোলনের ছন্দপতন হওয়ার পিছে এ চ্যানেলগুলো অবদান পরোক্ষ। শাহবাগে দ্বিধাবিভক্তির পর এ চ্যানেলগুলো ইমরানের একপেশে খবর প্রচার করেই যাচ্ছে। এক ইস্যুতে অন্যদের কর্মসূচীর কোন খবরই আসে না। এমনও শুনা গেছে অন্যদের জনসমাবেশের ভিডিও ফুটেজ ইমরানের বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন ভাবেই ইমরাণ জনগনের সমবেদনা বা আস্থার জায়গা হতে পারছে না। তাকে নিয়ে আলোচনাও নেই। যা আছে পুরাটাই সমলোচনা। কখনও কখনও কমেডি। নিজস্ব লোক দিয়ে গণজাগরণ মঞ্চের ঘোষক সাজার প্রচার সাধরণ সচেতন মানুষ বুঝে গেছে।

লেডী জাস্টিসিয়ার রাজনীতি


ধর্ম ব্যবসায়ীরা খুব ভালো ভাবেই আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মৌলবাদীতা ছড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের দেশের জনগোষ্ঠীর বড় অংশই প্রান্তিক জনগন, খেটে খাওয়া মানুষ। আর এ অঞ্চলের অধিবাসীরা ধার্মিক, সে মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান যেই হোক না কেন। এই খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষগুলো ছোট বেলায় মসজিদ, মক্তবে কিছু সুরা মুখস্ত করে, আরবি অক্ষর পড়তে শেখে। কিন্তু অর্থ কিছুই জানে না। শুধু সাধারণ মানুষ না, মাদ্রাসার বেশির ভাগই আরবির অর্থ জানে না। আর তাই আমাদের ধর্ম পালন অন্যের মুখের সিগারেটের ধোঁয়া খাওয়ার মতোই। হুজুরের কাছে বেহেশতের দুয়ার। হুজুর যা বলে, সেটাই ধর্ম। ধর্ম ব্যাবসায়ীরা এ সুযোগ নিয়েছে খোলাখুলি। তাদের যেহেতু মানুষ বিশ্

মাননীয় অর্থ মন্ত্রী একটু বুঝবেন কি.....


আমার বাবা মারা গেছেন ১৯৯৮ সালে। আব্বুর পেনশানের টাকা আর প্রবিডেন্ট ফান্ড থেকে পাওয়া টাকায় সঞ্চয় পত্র করে আমাদের জীবন চলেছে ভালো আর খারাপের মাঝামাঝি। আমরা তিন ভাই বোনই পড়ালেখা করতাম। মা সাদামাটা গৃহিনী। তার বা আমাদের কারো দ্বারা ব্যাবসা করা সম্ভব ছিল না।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জহিরুল হক বাপি
জহিরুল হক বাপি এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 1 week ago
Joined: রবিবার, জুন 22, 2014 - 10:59অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর