নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নাগিব মাহফুজ খান
  • মোঃ যীশুকৃষ্ণ

নতুন যাত্রী

  • রৌদ্র
  • তানভীর জনি
  • জাফর মিয়া
  • প্রোফেসর পিনাক
  • কৃষ্ণেন্দু দেবনাথ
  • রাশেদুজ্জামান কবির
  • পিনাক হালদার
  • ফ্রিডম
  • অ্যানার্কিস্ট
  • আশোক বোস

আপনি এখানে

জহিরুল হক বাপি এর ব্লগ

হতে পারে এমন? যদি এমন হয় তবে বলা যায় সে সফল হতে যাচ্ছে।


ইমরানের এখন লম্ফ ঝম্প নাই। বেইল নাই। তার পরিচয় মন্ত্রীর জামাই।কয়েকটা টিভি চ্যানেল তাঁকে নেতা বানানোর চেষ্টা করেই যাচ্ছে। শাহবাগ আন্দোলনের ছন্দপতন হওয়ার পিছে এ চ্যানেলগুলো অবদান পরোক্ষ। শাহবাগে দ্বিধাবিভক্তির পর এ চ্যানেলগুলো ইমরানের একপেশে খবর প্রচার করেই যাচ্ছে। এক ইস্যুতে অন্যদের কর্মসূচীর কোন খবরই আসে না। এমনও শুনা গেছে অন্যদের জনসমাবেশের ভিডিও ফুটেজ ইমরানের বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন ভাবেই ইমরাণ জনগনের সমবেদনা বা আস্থার জায়গা হতে পারছে না। তাকে নিয়ে আলোচনাও নেই। যা আছে পুরাটাই সমলোচনা। কখনও কখনও কমেডি। নিজস্ব লোক দিয়ে গণজাগরণ মঞ্চের ঘোষক সাজার প্রচার সাধরণ সচেতন মানুষ বুঝে গেছে।

লেডী জাস্টিসিয়ার রাজনীতি


ধর্ম ব্যবসায়ীরা খুব ভালো ভাবেই আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মৌলবাদীতা ছড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের দেশের জনগোষ্ঠীর বড় অংশই প্রান্তিক জনগন, খেটে খাওয়া মানুষ। আর এ অঞ্চলের অধিবাসীরা ধার্মিক, সে মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান যেই হোক না কেন। এই খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষগুলো ছোট বেলায় মসজিদ, মক্তবে কিছু সুরা মুখস্ত করে, আরবি অক্ষর পড়তে শেখে। কিন্তু অর্থ কিছুই জানে না। শুধু সাধারণ মানুষ না, মাদ্রাসার বেশির ভাগই আরবির অর্থ জানে না। আর তাই আমাদের ধর্ম পালন অন্যের মুখের সিগারেটের ধোঁয়া খাওয়ার মতোই। হুজুরের কাছে বেহেশতের দুয়ার। হুজুর যা বলে, সেটাই ধর্ম। ধর্ম ব্যাবসায়ীরা এ সুযোগ নিয়েছে খোলাখুলি। তাদের যেহেতু মানুষ বিশ্

মাননীয় অর্থ মন্ত্রী একটু বুঝবেন কি.....


আমার বাবা মারা গেছেন ১৯৯৮ সালে। আব্বুর পেনশানের টাকা আর প্রবিডেন্ট ফান্ড থেকে পাওয়া টাকায় সঞ্চয় পত্র করে আমাদের জীবন চলেছে ভালো আর খারাপের মাঝামাঝি। আমরা তিন ভাই বোনই পড়ালেখা করতাম। মা সাদামাটা গৃহিনী। তার বা আমাদের কারো দ্বারা ব্যাবসা করা সম্ভব ছিল না।

ট্রাম্প তলে তলে মুসলমান হয়ে গেছে


আমি আর মাসুম দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। এর মধ্যে দুইজনেরই মেজাজা মুহূর্তেই খিচ্চা গেল। দাড়িওয়ালা বুদ্ধিজিবী আসছে। মাসুমের সামনের এলাকার কোন একটা কারখানায় কাজ করে। আমি আর মাসুম একটা দোকানের সামনের চেয়ারে বসে আছি। বন্ধের দিনে এখানে বাঙালিরা আসে। সব পুরুষ। কোন পরিবার নাই। আমি মাঝে মাঝে মাসুমের এখানে বেড়াতে আসি। ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও ঘন ঘন আসা যায় না। অনেক খরচ।

মাসুম: শালার পুতে আইজ খুশি খুশি মনে হয়।
আমি : এটা মূখে মূখে কয় আওয়ামী লীগ, কিন্তু কথাবার্তায় আমার জামাতি মনে হয়। চল ফাটি। কোক নিয়া ব্রীজে গিয়া বসি।

এলিট বিপ্লবীর কবলে. . . . .


এলিট শিক্ষিত সমাজের হাতে এদেশের ইতিহাস চিরদিনই বিকৃত ভাবে লেখা হবে। শুধূ এলিট শিক্ষিত শ্রেণী যত দিন বিভিন্ন বিপ্লবে, প্রতিবাদে লিড নিবে ততদিন বিপ্লব বেচাকেনা হবে। বর্তমানের কথাই ধরি। বনানী শব্দটাই এলিট। এলইডি টিভিতে, দামী ক্যামেরায় বনানী বিপ্লব কেবল। টকশোয়াররা মনিটর ভেঙ্গে ফেলছে। ধর্ষকের বিচার হচ্ছে আমাদের ঘরে ঘরে উৎসব। কিন্তু গত তিনদিন অজপাড়াগায়ের অন্তত তিনটি শিশু ধর্ষিত হয়েছে। ৮ বছরের আয়েশা আর তার বাপতো আত্নহত্যাই করলো। আসামী কয়জন গ্রেফতার হলো??

তোমরা ছাএ সংগঠন.......


ছাএলীগ, ছাএমৈত্রী, জাসদ ছাএলীগ তোমরা কোন ছাত্র সংগঠন নও। তোমরা ছাএ সংগঠন।
বনানীর নির্যাতিতরা ছাত্র,
আজ প্রধান শিক্ষক দ্বারা প্রথম শ্রেণীর ধর্ষিতা মেয়েটি ছাত্র,
আট বছর আয়েশা-যার দরিদ্র পালক বাপ তার যৌণ নির্যাতনের বিচার না পেয়ে তারে নিয়ে আত্নহত্যা করেছে সেও ছাত্র,
বাসাবো মূখে স্কচ টেপে বেধে মাদ্রাসার হুজুর দ্বারা ধর্ষণ হওয়া আট বছরের ছেলেটিও ছাত্র,
গ্রামের মসজিদে আরবী শিখতে এসে ঈমাম দ্বারা মসজিদের ভিতর ধর্ষিত মেয়েটিও ছাত্র।

গত কয়েক দিনের ধর্ষন নিয়ে কয়টা চিন্তা/খটকা......


**** ০
যারা বারবার বলার চেষ্টা করছে মেয়েগুলো অনুষ্ঠানে যাওয়াতে বনানীর ঘটনায় ধর্ষন হয় নাইই। তাদের সাথে কয় খান কথা।

কেউ কি আছো আমায় চাঁদের আলো ফিরিয়ে দেবে?......আমরা কু-শিক্ষায় শিক্ষিত – ৩


তোর এত সাহস তুই আমার ফোন ধরস না. . . তিন লাখ খাওয়াতে হবে. . . বিচ্ছেদের বাজারে গিয়া তোমার প্রেম বিকি দিয়া করবো না প্রেম আর যদি কেউ কয়- টুং টাং। দুই পথিকের মোবাইল কথোপকথন আর রিকশাওয়ালার গানের ঝংকার। গানের বিচ্ছেদের ব্যবচ্ছেদ করলে তিনজনই “বিচ্ছেদ ভুবনেই” আছে। রাস্তার পাশে তিনটা কুকুরের বাচ্চা আমার পায়ে পায়ে হাঁটে। আমি চাঁদের দিকে তাকিয়ে হাঁটি।

আধুনিক শহরে আসলে বলা উচিত অসভ্যতার শহরে চাঁদের আলো পরাস্ত। মানুষ মনে হয় প্রকৃতির এই একটা ব্যাপারকে অস্বীকার করতে পেরেছে সোডিয়াম, হ্যালোজেন, এলইডি বাত্তির নিরাপত্তায়।

কিন্তু তারা শত কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করতে পারছে না কেন?


কখনও কখনও গরম কেটে বাতাস বেরিয়ে আসে। শরীর শীতল হতে পারতো, কিন্তু হয়না মনের জ্বলুনিতে।

কি হচ্ছে আমাদের চারপাশে? কি হচ্ছে তাতো দেখতেই পাচ্ছি। এখনতো আর এমন হওয়ার কথা না। কিন্তু হচ্ছে!

মনে হচ্ছে মচ্ছব শুরু হয়েছে। মচ্ছব যেমন চলছে সিনসিয়ারিটির, তেমনি চলছে অসততারও।

দুই দিন আগে ঝিনাইদহে জঙ্গি পাওয়া গেল। কয়েক জন পুলিশ আহত হলেন। গত কয়েক মাসে আহত নিহত পুলিশের সংখ্যা কম না। বিশেষ করে স্পেশাল বাহিনীগুলো মনে হয় বুলেটের আগায় ঘুমায়। যখন তখন ডাক আসতে পারে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জহিরুল হক বাপি
জহিরুল হক বাপি এর ছবি
Offline
Last seen: 8 ঘন্টা 30 min ago
Joined: রবিবার, জুন 22, 2014 - 10:59অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর