নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথু স্যন্যাল
  • শ্যাম পুলক
  • ইকারাস
  • চূড়ান্ত
  • তায়্যিব
  • মোঃ মেজবাহ উদ্দিন
  • রাফিন জয়
  • নীল জোনাকি

নতুন যাত্রী

  • ষঢ়ঋতু
  • এনেক্স
  • আরিফ ইউডি
  • গলা বাজ
  • হুসাইন
  • তারুবীর
  • অন্তরা ফেরদৌস
  • শেখ সাকিব ফেরদৌস
  • প্রাণ
  • ফেরদৌস সজীব

আপনি এখানে

আশিস মজুমদার এর ব্লগ

নদীর নাম কচা।


শান্তিবালা আজ অনেকদিন পর বাড়ির বাইরে বের হয়েছে। বাড়িতে বসে থেকে থেকে একটু অলস লাগছে। প্রতিদিন নিয়ম করে মন্দির যেত একসময়। এখন মন্দির নেই পূজা-পাঠও নেই। মন্দিরের অনেক খানি অংশ এখন নদীর ভাঙ্গনে তলিয়েছে। একটু একটু করে ভেঙ্গে পড়তে দেখেছে। কিছু করতে পারেনি কেউ। কেউ চেষ্টা করেছে বলে দেখেনি কাউকে। এই সব ভাবতে ভাবতে কখনযে নদীর পারে কাছে চলে এসেছে খেয়ালই ছিলনা।

পিতামহী


জলের উপর জল পড়ে যায় ক্রমশ। আমার শৈশব ঘিরে আছে গোলপাতার চালা, টিনের বেড়ার ঘর। মাটির মেঝেতে নাচে ফনিমনসা। মুদি খানায় চালের বদলে আটা নিয়ে ফিরি। কেরোসিন শিশির দড়ি ছিড়ে পড়ে যায় রাস্তায়, আলো জ্বলেনা। পিঠে বাজারের ব্যাগ আমার থেকেও লম্বা, ভিতরে শোল মাছ লাফায়, আমিও। আমি, আমার মস্তিস্কে ঘোরে কুড়ি ঘর নামতা, লাঠি-গুলি, লাটাই। সস্তার বিস্কুটে দিদির প্রেমিক বিদায়, মুখ ভার হয়ে থাকে সন্ধ্যা। হাস-মুরগী, বাচ্চা-নেরি গাদাগাদি করে বসে থাকে বারান্দায়। গোলপাতার চালায় জল ধরে না, চুইয়ে চুইয়ে পরে, মাটিতে টুপটাপ গর্ত। বৃদ্ধ বাবা, চোখ বুজে থাকে হাট-খোলা জানালায়। শীতের সময় এক কাথায় গুটি মেরে শুয়ে

কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।


ঢাকার শাহবাগে ফেব্রুয়ারী মাসের ৫ তারিখ থেকে যে আন্দোলন চলছে তা একটি দিক নির্দেশনা। একাত্তরের ক্ষত মুছে দেবার কঠিন প্রত্যয়ে এ যেন এক নতুন লড়াই। এই তরুণদের অনেকেই মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, কিন্তু সকলেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে মনে প্রাণে। কলকাতা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সবথেকে বড় সহোদর, এ শহর জানে মুক্তিযুদ্ধের সবকিছু। এ শহর আগলে রেখেছিলো ওপার থেকে ভেসে আসা সব হারা স্বজনদের।

মনের মানুষ


আমি প্রতি রাতে বরিশাল ফিরে যাই, পদ্মায় লঞ্চে ভেসে ভেসে দেখতে থাকি ইলিশের নৌকার দিগন্ত বিস্তৃত আলোকমালা। সকালের আলোয় স্নান করি কীর্তনখোলায়। জীবন ছেড়ে ঢুকে পড়ি মাতৃগর্ভে, আমার মা ছুটছেন নাটমন্দির, উঠোন, ঘাটবাঁধানো পুকুর, গোয়াল ঘর। খুঁজে ফিরি সেই কবেকার আলো, ঠাকুমার চামড়া কোচকানো গাল, অস্পষ্ট দৃষ্টি। প্রতি সন্ধ্যায় কৃষ্ণপ্রেমে বিভোর হয়ে কাঁদতেন তিনি। ভোর কীর্তনে জেগে উঠে যেত মনের মানুষ, ভজ গৌরাঙ্গ লহ গৌরাঙ্গ। আমায় নিয়ে চল মন, আমি যেতে চাই আমার আপন মন্দিরে। যেখানে আমি বেঁচে ছিলাম বহুযুগ ধরে। শরীরে কাঁচা ধানের গন্ধ, খর-কুটো নিয়ে খেলতে খেলতে দিন গড়িয়ে রাত। মোটা ভাতের গরম ওম, কাঠাল ক

ঘাতকের পরিচয় - ৬ : ফাদার অফ অল রাজাকারস - মাওলানা আবুল কালাম মোহাম্মদ ইউসুফ।


মাওলানা ইউসুফের বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রাজৈর গ্রামে। জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আবুল কালাম মোহাম্মদ ইউসুফ একজন কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী। একাত্তরে তিনিই প্রথম খুলনায় প্রতিষ্ঠা করেন রাজাকার বাহিনী। শান্তি কমিটিরও তিনি ছিলেন খুলনা জেলার আহ্বায়ক।

ঘাতকের পরিচয় - ৫ : যুদ্ধাপরাধী ঘাতক দালাল রাজাকার - ফরিদউদ্দিন চৌধুরী।


মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এমসি কলেজে স্নাতক শ্রেনীতে অধ্যায়নরত ফরিদউদ্দিন চৌধুরী ছিল সিলেট জেলা ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি। এক সময় সারাদেশে বদরবাহীনির কার্যক্রম শুরু হলে তিনি ৩১ পাঞ্জাব রেজিমেন্টে সভা করে সিলেট বদর বাহিনীর কার্যক্রমের সুচনা করেন।

ঘাতকের পরিচয় - ৪ : শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস - বাগেরহাটের কুখ্যাত রাজাকার।


জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস। মুক্তিযুদ্ধকালে ছিলেন কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটির সদস্য। তিনি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার আমাদি গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের পুত্র। ১৯৬৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে তিনি সমগ্র পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের সাধারন সম্পাদক ছিলেন। এই ছাত্রসংঘেরই বর্তমান পরিমার্জিত রুপ ইসলামী ছাত্র শিবির।

ঘাতকের পরিচয় - ৩ : মাওলানা আব্দুল খালেক মন্ডল - সাতক্ষীরায় গনহত্যার নেতৃত্বদানকারী কুখ্যাত রাজাকার।


123

মহান মুক্তিযুদ্ধকালে সাতক্ষীরা জেলা শান্তি কমিটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল খালেক মন্ডল। সদর উপজেলার খলিলনগর গ্রামের লুতফর রহমান মন্ডলের(লালচাঁদ মন্ডল) পুত্র খালেক স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি বিরোধিতা করা ছাড়াও মেতে উঠেছিলেন বাঙালি নিধনে।

ঘাতকের পরিচয় - ২ : মাওলানা হাবিবুর রহমান - চুয়াডাঙ্গার কুখ্যাত রাজাকার।


a

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য মাওলানা হাবিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। হাবিবুরের নেতৃত্বে এখানে ছিল পাকবাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটি।

রাজাকার হাবিবুরের নেতৃত্বেই কয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাককে হাসাদহ ক্যাম্পে নিয়ে হত্যা ও পরে তার লাশ গুম করে ফেলা হয়। এ ছাড়া এলাকায় পাকবাহিনীর বিভিন্ন দুষ্কর্মের নির্দেশদাতা ছিলেন এই রাজাকার।

ঘাতকের পরিচয় - ১ : মাওলানা রিয়াছাত আলি বিশ্বাস - সাতক্ষীরা আশাশুনির কুখ্যাত রাজাকার।


ঘাতক-১

মুক্তিযুদ্ধকালে রিয়াছাত আলি বিশ্বাস ছিলেন সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার শান্তি কমিটির সেক্রেটারি। রাজাকার রিয়াছাত আলি নির্বিচারে হত্যা করতে থাকেন মুক্তিযোদ্ধাদের। এছাড়া লুটপাট, অগ্নিসংযোগেরও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। কালীগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা ইউনুস, প্রতাপনগরের খগেন্দ্রানাথ সরকার, সোহরাব ও আলী হত্যামিশনের হোতা ছিলেন রিয়াছাত।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আশিস মজুমদার
আশিস মজুমদার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 year 5 months ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 2, 2013 - 7:49পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর