নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঙালী ফকির চাষী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মাহের ইসলাম
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

শিহাব অনি এর ব্লগ

প্রবাদের অপবাদঃ ০৩


অনেক আগে গ্রামগঞ্জে নিয়মিত যাত্রাপালা হতো। সন্ধ্যা থেকে যাত্রা শুরু হতো, চলতো গভীর রাত পর্যন্ত। রাত বাড়ার সাথে সাথে দর্শক কমতে থাকতো, কিন্তু বাড়তে থাকতো যাত্রার অ্যাডাল্ট ভার্সন পার্ট। এমনই এক রাতে কুদ্দুস গেলো যাত্রা দেখতে। গভীর রাতে শুরু হলো অ্যাডাল্ট ভার্সন। যাত্রার নায়িকা আবেদনময়ী পোশাক পড়ে নাচতে লাগলো। কিছু মানুষ টাকা উড়ানো শুরু করলো। কুদ্দুস যেহেতু টাকাপয়সা কিছু নিয়ে যায়নি, তাই সে নায়িকার নাচে মুগ্ধ হয়ে তালি বাজাতে থাকলো। রাত যত বাড়লো, নায়িকার পোশাক তত কমতে লাগলো। কমতে কমতে পোশাক যখন একেবারেই নুন্যতম, তখন হঠাৎ কুদ্দুসের তালি বন্ধ হয়ে গেলো। কারণ, “এক হাতে তালি বাজে না”।

দুইশো মাইল দূরে


জানিনা তো কাছের মানুষ শেষ দেখেছি কবে,
ফিরে যাওয়ার ক্লান্তি আমার সকল অনুভবে।
অনেক দূরে গানের সুরে আছি মিছেমিছি,
দুইশো মাইল দূরে বসেও সবার কাছাকাছি।

আগের আমি আমায় খুঁজি নতুন আমার মাঝে,
আবেগ যত আটকে থাকে ব্যস্ত আমার কাজে।
দূরত্বকে সঙ্গী করে জীবন পথের দিক হারালে,
দুইশো মাইল জড়িয়ে থাকে দুই জীবনের অন্তরালে।

এইতো আমি! আর কিছুক্ষণ এলেই আমায় পাবে,
অনেক আগের সেই আমাকেই হয়তো নতুন ভাবে।
দূরত্বকে মিথ্যে ভেবে জড়িয়ে ভালোবাসা,
দুইশো মাইলের রাস্তাও যায় এক পলকে আসা।

সিংহ অথবা দেশ, অথবা গণতন্ত্র


একটা সিংহকে মেরে ফেলার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে গুলি করা। কিন্তু এছাড়াও আরো অনেক ভাবে একটা সিংহকে মারা যায়।

রাষ্ট্রপতি মেথডঃ
সিংহ গর্জন করলো। রাষ্ট্রপতি চুপ। সিংহ আরো জোরে গর্জন করলো। রাষ্ট্রপতি এবারো চুপ। এই একই কাহিনী অসংখ্যবার হওয়ার পর সিংহ হতাশায় মারা গেলো।

রাজাকার মেথডঃ
সিংহ গর্জন করলো। রাজাকার বললো, আমাকে যদি একবার সুযোগ দেওয়া হয় তোমাকে খাঁচার ভিতর থেকে বের করার। আমি এক ঘুষিতে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে তোমাকে মেরে ফেলবো। সিংহ অতিরিক্ত হাসি আটকাতে না পেরে হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেলো।

অর্থমন্ত্রী মেথডঃ

প্রবাদের অপবাদঃ ০২


গুপ্তনগর গ্রামের এক লোক বাস করতো, তার নাম ছিলো কালাচান। কিছুটা মাথামোটা হলেও এই লোক সবসময় থাকতো ভাবের উপর। এতসব ভাবের মধ্যে একটাই সমস্যা ছিলো, সেটা হচ্ছে তার একটা বিশেষ শারীরিক সমস্যা। তার খুব কাছের বন্ধুবান্ধব এই ব্যাপারটা জানতো, তাও তার ভাবের কোন কমতি ছিলো না। তো এই কালাচান মিয়ার পরিবারের কেউ যেহেতু এই সমস্যার কথা জানতো না, তাই তাকে মোটামুটি জোরজবরদস্তি করে ২৬ বছর বয়সে বিয়ে করানো হলো। বিয়ের ৫ বছরের মধ্যে সে ৬ সন্তানের জনক হয়ে গেলো!! এর কিছুদিন পর তার স্ত্রী আবার গর্ভবতী হলো। কালাচান মিয়া তো খুশিতে পাগল প্রায়! সে বন্ধুবান্ধবের সাথে আড্ডা দিতে গিয়া ভাব নিয়া বললো, “দ্যাখ ব্যাটারা!

প্রবাদের অপবাদঃ ০১


অনেক অনেক দিন আগের কথা। এক গ্রামে এক লোক ছিলো। তার নাম ছিলো “পাকাউ”। সে নামের ব্যাপারে ছিলো খুব সৌখিন, যদিও তার নামটা সুন্দর ছিলো না। পাকাউ এর যখন বিয়ের বয়স হলো, তখন পাকাউ সিদ্ধান্ত নিলো যে তিনি সেই মেয়েকেই বিয়ে করবেন, যার ডাকনাম “ইচ্ছে”। অনেক খোঁজাখুঁজির পর “ইচ্ছে” নামের মেয়ে পাওয়া গেলো। অনেক ধুমধাম করে বিয়েও হলো। বিয়ের বছরখানেক পরে তাদের একটা কন্যাসন্তান জন্ম নিলো। পাকাউ অনেক চিন্তাভাবনার পরে খুব সখ করে মেয়ের নাম রাখলো “উপায়”। সেই থেকে বাংলা ভাষায় নতুন একটা প্রবাদ যুক্ত হলো,

কমন সেন্স


ধরুন, আপনি প্রাইভেট কার চালিয়ে ঢাকা থেকে সিলেট যাচ্ছেন। গাড়ির নাম্বার “ঢাকা মেট্রো ক-০৩-২৫১৩”। ঢাকা থেকে সিলেটের দূরত্ব ৩৪৬ কি.মি। যেই স্পিডে গাড়ি চালালেন তাতে সকাল ১০টা ২৩ মিনিটে রওনা দিয়ে ওখানে পৌঁছালেন বিকাল ৪টা ৫৪ মিনিটে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ড্রাইভারের নাম কি??

এই প্রশ্নের উত্তর যদি আপনি দিতে পারেন, তাহলে আপনার মধ্যে “কমন সেন্স” বলে আসলেই একটা ব্যাপার অবশ্যই আছে।

রাজাকার হটাও


জামাত শিবির রাজাকার সহ এদের সাপোর্টারদের মাথায় যদি গোবরও থাকতো, তাও তাদের মাথা কিছুটা উর্বর হইতো। এইগুলা যে আসলে কি চিড়িয়া, বুঝা মুশকিল! ৭১ থেকে এই পর্যন্ত আকাম তো করছেই, আজকের কাহিনী করে নিজেদের মারা খাওয়ার পরিমাণ বাড়াইয়া নিলো। সবগুলা “ে-কার” ওয়ালা চাদ।

প্রজন্মের ডাক


আমি তখন খুব সম্ভবত ক্লাস টু তে পড়ি। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসলো, “পাঁচটি গৃহপালিত প্রাণীর নাম লিখো।” এই প্রশ্নটা ছিলো ওই সময়ের মোটামুটি সবচেয়ে সহজ প্রশ্ন। কিছুদিন পর যখন পরীক্ষার খাতা দেওয়া হলো, স্যার এসে ক্লাসের এক ছেলেকে দাড়া করালো। তারপর তার খাতাটা সবাইকে দেখালো। খাতায় ওই প্রশ্নের উত্তর ছিলো, “(১) মুরগী, (২) মুগরী, (৩) মুরগা, (৪) কুকরা, (৫) কুরকা”।

আমার ওই ক্লাসমেট বন্ধুটা যেমন একটা প্রাণীর নামই ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে পাঁচবার লিখেছিলো, ঠিক তেমনি এখন রাজাকার/যুদ্ধাপরাধী/জামায়েত/শিবির/পাকিস্তানের দালাল বলতে ভয়ংকর এবং বিকৃত মস্তিস্কের একটা প্রাণীর কথাই বুঝানো হয়।

আফসোস


আমি চাইনা জামায়েত শিবিরকে রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ করা হোক, কারণ তখন এরা হয়ত অন্য কোন দলে ভিড়বে অথবা অন্য নামে দল গঠন করবে। আমি চাই, এদেরকে একেবারে খতম করে দেওয়া হোক। যারা নিজেদেরকে বাঁচাতে ধর্ম ব্যবহার করে ধর্মের পবিত্রতা নষ্ট করে, তাদের মতো খারাপ লোক আর কে হতে পারে! "ইসলাম" আর "জামায়েতে ইসলাম" যে এক জিনিস না, এটা আর কতভাবে বুঝাতে হবে?

বোর্ডিং কার্ড

শিহাব অনি
শিহাব অনি এর ছবি
Offline
Last seen: 5 years 1 month ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 21, 2013 - 1:35পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর