নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • শাম্মী হক
  • সলিম সাহা

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ব্লগ

২০১৪ সনের প্রথম দিনে ইহুদী-মুসলিম শান্তিচুক্তি (৪র্থ পর্ব) এখানে শেষ পর্ব


ধর্মীয় ব্যাপারে ইহুদীদের সাথে মুসলমানের সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্য দৃশ্যমান। ইহুদীরা খাতনা করে, টুপি-দাঁড়ি রাখে, শুকর খায়না, চুরিতে হাত-কাটা, পাথর মেরে হত্যা সবই তাওরাতে বিদ্যমান। ইহুদীদের সিনাগাগে কারো মূর্তি থাকেনা। ২-গ্রুপই নিরাকার ইশ্বরের উপাসনা করে। কিন্তু তারপরও মুসলমানদের সঙ্গেই আমাদের চির বিবাদ কেন?

২০১৪ সনের প্রথম দিনে ইহুদী-মুসলিম শান্তিচুক্তি (৩য় পর্ব)


ফিলিস্তিনি এটোর্নীর প্রথম পর্বের বক্তব্য শেষে ইসরাইলী এটোর্নী ড. ইসরাইল ওয়েলফিন্সন ঝরঝরে অনাবিলতায় তার সূচনা বক্তব্যে বলেন- নবী ইয়াকুবের অপর নাম ছিল ইসরাইল এর অর্থ ‘আল্লাহর বান্দা’ ইয়াকুবের সস্তানরাই বনী-ইসরাইল। ইয়াহুদীরা তাওরাত পাঠের সময় দুলতে থাকে বিধায় এদের ‘ইয়াহুদ’ বলে। ইয়াকুব কেনান তথা ফিলিস্তিনে বসবাস করতেন। ইয়াকুবের ১২-ছেলের ১-ছেলের নাম ইয়াহুদা হিসেবে ‘ইহুদী’ শব্দটি আসে। ফেরাউন থেকে মুক্তিদাতা হিসেবে নবী মুসাকে বনী ইসরাইলীদের ভেতরে প্রেরণ করা হয় ও তাঁরা ফিলিস্তিনে ফিরে আসে।

২০১৪ সনের প্রথম দিনে ইহুদী-মুসলিম শান্তিচুক্তি (২য় পর্ব)


১৯৪৮ সনে আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইহুদীরা ফিলিস্তিনী ‘দাইর ইয়াসিন’ গ্রামে ৬০০-জন অধিবাসীর মধ্যে ১২০-জন মুসলমানকে হত্যা করে। ইহুদীরা ফিলিস্তিনের ৫০০-গ্রামের মধ্যে ৪০০-টি জনশূন্য করে ফেলেছিল। এই যুদ্ধে সকল আরব মিলে ৬৮,০০০ ও ইসরাইল একাই প্রায় ৯০,০০০ সৈন্য সমাবেশ ঘটায়, তাদের সকল যুবকের যুদ্ধ যোগদান বাধ্যতামূলক ছিল। ১৯৪৮-এর যুদ্ধে ইসরাইলী ৮০০০ ও আরব ৮০০০-১৫০০০ সৈন্য নিহত হয় ও ৪-লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থী হয়ে পাশের দেশে যায়। পক্ষান্তরে ইসরাইল তার সীমানা সুরক্ষিত করে নানাভাবে। ১৯৬৭-সনে ইসরাইলী আক্রমনে ৪,০০,০০০ ফিলিস্তিনি বাস্তুহারা হয়। এ যুদ্ধে ইসরাইল সিরিয়ার গোলান, জর্দান নদীর পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা, জের

২০১৪ সনের প্রথম দিনে ইহুদী-মুসলিম শান্তিচুক্তি (সূচনা : ১ম পর্ব)


স্বপ্নময় বিশ্ব নাগরিক হিসেবে পৃথিবীর সকল দেশেই আজ উৎসবের আমেজ। মহাকাশে আলোকজ্জ্বল রাতে নক্ষত্রের চাঁদেরা শুরু করেছে আনন্দ কেলি। আগামীকাল পহেলা জানুয়ারি সকল দেশেই পালিত হবে হবে এক অনন্য নববর্ষ। বিশ্বশান্তির জন্যে এ নববর্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। দীর্ঘ ৬৩-বছর ব্যাপি ফিলিস্তিন-ইসরাইলী তথা ইহুদী-মুসলমানরা নিজেদের মানবিক রাক্ষসকে ঝেড়ে ফেলে শুভ্রতায় ফিরে আসছে আজ এক মায়াবতী জ্যোৎস্নায়। যা করাতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে সকল সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে একান্ত আন্তরিকতায় কাজ করতে হয়েছে। ইহুদী-মুসলমান ২-পক্ষই নিজেদের সন্তানদের ভবিষ্যত শান্তির পৃথিবী গড়ার মানসে সব অতীত ক্লেদ ভুলে একটি শান্তিচুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্য হয়েছ

দু'টো কৌতুকপূর্ণ মজার গল্প


প্রথম গল্প : ‘কাবিলা’ আর ‘হুরমাতুন’-এর বিয়ে

‘ক’ গ্রামের বিয়ে রেকর্ডধারী পুরুষ ‘কাবিলা’ কোন নারীকে বিয়ে করার পর বাসর যাপনের রাতেই স্ত্রী মারা যেত ভোর হওয়ার আগেই। বহুদূরের ‘খ’ গাঁয়ের নারী ‘হুরমাতুন’ও ছিল ভীষণ অপয়া। সোহাগ রাত ভোর হওয়ার আগেই স্বামী বেচারা মরে পড়ে থাকতো বাসর-বিছানাতেই। ‘ক’ ও ‘খ’ গাঁয়ের বর্ণিত নারী ও পুরুষ অনেকবার বিয়ে করেও স্বামী-স্ত্রী নিয়ে ২-দিনও ঘর করতে পারেনি একত্রে। বদনাম কুড়িয়েছে দু’গাঁয়ে প্রচুর। এখন কেউ-ই আর তাদের কাছে বিয়ে বসতে বা করতে চায়না মৃত্যু ভয়ে। দু’জনেই মারাত্মক অসুখি ও কষ্টে যাপন করছে স্ত্রী-স্বামীহীন জীবন।

চলুন মুক্তিসন কিংবা স্বাধিনতা সন ব্যবহার শুরু করি


অদ্ভুত সপ্তপদী মন-মানসিকতার এদেশে বর্তমানে পঞ্জিকা বা ক্যালেন্ডারে মোট ৩-টি সন গণনা পদ্ধতি চালু আছে। বাংলা, ইংরেজি এবং আরবি। ইংরেজি সনটি খ্রীস্টীয় বা গ্রেগোরিয়ান সন হিসেবে বিশ্বের অধিকাংশ দেশে পরিচালিত হয় অনেকটা আন্তর্জাতিক ইংরেজি ভাষার রীতিতে। এদেশে অফিস আদালত রোমান বা বৃটিশ আইনে পরিচালিত বিধায়, রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলা সনের কথা বলা থাকলেও, আসলে সর্বত্রই প্রতিপালিত হয় ইংরেজি বা গ্রেগোরিয়ান সনটি। যিশু খ্রীস্টের জন্ম তারিখ হিসেব করে গণনাকৃত এ সৌর ক্যালেন্ডারে লিপিয়ারসহ বিজ্ঞানভিত্তিক গণনা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় বলে, বিশ্বের প্রায় সর্বত্র এ সনটি নানা সংস্কারের মাধ্যমে এখন অনেকটা আধুনিক ও বিশ্বের অধি

ক্রুশবিদ্ধ ৪-দ্রোহী : স্পাটাকাস, মুজিব, কর্নেল তাহের আর হুমায়ুন আজাদ


খ্রী. পূর্ব প্রথম শতাব্দীতে ইতালীর শোসিত আর বঞ্চিত দাসগণ মানবাধিকার, অনাচার আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রচন্ড সাহস, শক্তি আর বুদ্ধিমত্তাসহ বলকান অঞ্চলে বিদ্রোহ করে। এদের নেতৃত্ব দেন দ্রোহ ও সাহসিকতার বিশ্বপ্রতীক দাস ‘স্পাটাকাস’। মুক্তি আর স্বাধীনতার জন্যে ‘স্পাটাকাস’-এর নেতৃত্বে দাসরা উচুঁ আর বিশাল খাড়া পাহাড়ে আশ্রয় নিয়ে বিশাল রোমান বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় ও প্রাথমিকভাবে রোমকদের পরাজিত করে। জলপ্রণালী পার হওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়াতে ‘স্পাটাকাস’ বাহিনী ইতালীয় ভাড়াটে ‘রাজাকার’ কর্তৃক প্রতারণার শিকার হলে অসীম সাহসী ও মুক্তিপাগল এই বাহিনী দাসনেতা ‘স্পাটাকাস’-এর অনুপ্রেরণায় কেবল হাতে তৈরী ‘ভেলা’ নিয়ে ‘সিসিলি’ পৌঁছার পরিকল্পনা করে।

ইতালির ফ্রান্সিসকা আর বাংলাদেশি নাবিলার বিস্ময়কর উপহারের গল্প


আমার কুড়ি বর্ষীয়া একমাত্র কন্যা নাবিলা গ্রীম্মের ছুটিতে যখন দেশে এলো আমার কর্মস্থল ঢাকায়, তখন তার ভার্সিটি আর হোস্টেলের বিদেশী বন্ধুদের গল্প শুনতে শুনতে আমার কান ঝালাপালা প্রায়। রাশিয়ান সরকারের একটি স্কলারশিপ নিয়ে আমার মেয়ে ‘মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন’ বিষয়ে পড়তে গিয়েছিল মস্কো থেকে প্রায় ৭-ঘন্টার বিমান পথের দূরত্বের ছোট্ট শহর ‘টমস্কে’ প্রায় ৩-বছর আগে। টমস্ক রাশিয়ার সাইবেরীয় এলাকার উত্তরাঞ্চলের তুষারমত নিরিবিলি শান্ত শহরগুলোর অন্যতম। যেখানে বছরের ৮-৯ মাসের বেশী সময় থাকে বরফে ঢাকা। শহরবাসীরা ফ্রিজের পরিবর্তে তাদের খাবার পলিথিনে ভরে জানালার সাথে ঝুলিয়ে রাখে তাজা রাখার মানসে। টমস্ক নদীতে পালতোলা নৌ

রাজনৈতিক আর অর্থনৈতিক মুক্তির যুদ্ধ # চীনকে অনুকরণ করতে পারে বাংলাদেশ


:তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute: :তুইরাজাকার: :salute:

একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে একাত্তরের ভূমিকার কারণে চীন বিদ্বেষী ছিলাম আমি। ঘটনাক্রমে ২২-বার চীন ভ্রমণ ও তাদের স্বাধীনতার ইতিহাস পাঠে দেশটি সম্পর্কে শ্রদ্ধা বেড়েছে আমার! সে কথাই বলতে চাইছি এ নিবন্ধে!

পদ্মা নদীর মাঝির ‘কুবের’ আর ‘কপিলা’র শেষ জীবনের কেতুপুরের গল্প


কুয়াশার ঘোমটা দেয়া মাঘের প্রচণ্ড শীতে স্বপরিবারে সাগরপালিতা ‘নিঝুমদ্বীপে’ বেড়াতে এসে ‘কেতুপর’ গ্রামের নাম শুনে মনটা কেমন মোচড় দিয়ে উঠলো! হৃদয়ে আলোড়ন তোলা আগ্রহ নিয়ে বিকেলে বেরিয়ে পড়লাম অচেনা কেতুপুরের উদ্দেশ্যে। স্থানীয় জেলে আর নদীর পারে ঘোরা অবোধ প্রকৃতির শিশুরা জানালো, এ গাঁয়ের সবচেয়ে পুরণো বয়বৃদ্ধ বাসিন্দার নাম ‘কুবের মাঝি’, সে-ই নাম রেখেছে এ গাঁয়ের ‘কেতুপুর’, বয়সের ন্যূজতায় তেমন কাজ করতে পারেনা সে। নদীর পারে একটি ছোট চায়ের দোকান চালায় এখন, আগে মাছ ধরতো আর অবসরে কৃষি কাজ করতো সরকারি খাস জমিতে। এখন জীবনের ভারে পরিশ্রান্ত কুবের!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 16 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর