নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোঃ হাসানুল হক ...
  • এফ ইউ শিমুল
  • বিপ্লব পাল
  • দিন মজুর
  • নুর নবী দুলাল
  • সাম্যের সাধক

নতুন যাত্রী

  • আহসান_পাপ্পু
  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ

আপনি এখানে

হাবিজাবি গল্পকার এর ব্লগ

কে কার অধীনস্থ?


আমার মাকে আমি কোন দিন দেখিনি আমার বাবাকে নাম ধরে ডাকতে। শুধু মা নয়, চাচী, জেঠি, ভাবি, পড়শী কাউকেই না। সবাইকে দেখেছি তাঁদের স্বামীকে প্রভু হিসেবেই মানতে, সম্মান করতে। এমনকি স্বামীর সাথে ঝগড়া করলেও কোন দিন নাম ধরে ডাকার সাহস দেখায়নি। এটি যে শুধু আমার পরিবার বা আমার এলাকার দৃশ্য তা নয়। আমাদের বাঙালি বা ভারতীয় নারীরা নিজেদের এতো বেশি দূর্বল ভাবেন যে ভুল করেও স্বামীর নাম মুখে আনেন না। যদি স্বামীর অমঙ্গল হয়, যদি স্বামীর অসম্মান হয়, যদি স্বামীর নাম নেয়াতে আল্লা ভগবান অসন্তুষ্ট হয়!

ভালো পুরুষ খারাপ নারী


বিশ্বাস খুবই ভয়ঙ্কর একটা ভাইরাস। এটি মানুষকে না দেয় যুক্তি মানতে না দেয় প্রমাণে আস্তা রাখতে। তেমনি পুরুষতন্ত্র মানুষের জীবনে এমন ভাবে লেপ্টে আছে যে এ থেকে বের হবার উপায় খোঁজে পাওয়া কঠিন। এটি বিশ্বাসের মতো ভাইরাসে আক্রান্ত। এ ভাইরাস এমনই কঠিন ভাইরাস যে এটিই এখন এন্টিভাইরাস বলে মানুষ বিশ্বাস করে।

নারীকে কেন সাজতে হবে পুরুষের রুচিতে?


নারীর খোলা বাহু পুরুষকে উত্তেজিত করে। খোলা পেট, টাইট পোশাক, ওড়না ছাড়া স্তন পুরুষের কাম জাগায়। লোলুপ দৃষ্টি ফেলে খোলা বাহু, খোলা পেট, নিতম্বের উঠা নামা, স্তনের আকৃতি দেখে। মনে মনে হিসেব কষে স্তনের ওজন, নিতম্বের সাইজ, পেটের চর্বির পরিমাণ, যৌনির গভীরতা মাপে! মেপে মেপে সুখ নেয়।

ইসলামী মৌলবাদ ও আমাদের নতজানু সরকার


ন্যায়বিচারের প্রতীক সরূপ বিশ্বের অনেক দেশের বিচারিক আদালতে গ্রিক দেবী থেমিসের ভাস্কর্য ব্যবহৃত হয়। শুধু অমুসলিম দেশে না অনেক মুসলিম দেশেও এটি ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের দেশের সুপ্রিম কোর্টে মোটামুটি বাঙালী কালচারের আদলে নান্দনিক এই শিল্পকর্মটি সম্প্রতি স্থাপন করা হয়েছে। শাড়ি পরা ভাস্কর্যটি দেখে মনেই হবেনা এটি গ্রিক দেবী থেমাসের। তবুও এই ভাস্কর্যটি সুপ্রিম কোর্টের সৈন্দর্য অনেকটাই বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু ধর্মকে পুঁজি করে বেঁচে থাকা কিছু গোরা মানুষ এই ভাস্কর্যটির বিরুদ্ধে উষ্কানী দিয়ে সাধারণ মুসলমানদের লেলিয়ে দিয়ে ফায়দা তুলতে চাইছে।

প্রেমিকা


তোমাকে ভুলে যাওয়া খুব কঠিন কিছু না,
আরও কত প্রেমিকাকেই তো ভুলে গেছি।
এক সময় যারা শুধু প্রেমিকাই ছিলো না,
ছিলো একেকটা স্বপ্ন,
একেকটা গল্প,
একেকটা জীবন!

তোমার মতো ওদের নিয়েও কাব্য করেছি,
স্বপ্ন বুনেছি,
জীবনের ক্যানভাস পেড়িয়ে হেঁটে গেছি দূর থেকে বহু দূরে।
যেখানে জীবন নিষিদ্ধ,
বেঁচে থাকা দুস্কর,
কেবল স্বপ্ন বেঁচে খাওয়া প্রেমিকদের বাস!

স্যানিটারি ন্যাপকিন ও একটি ট্যাবু ভাঙ্গার গল্প


পিরিয়ড একজন নারীর জন্যে যতই স্বাভাবিক ঘটনা হউক না কেন আদতে নারী পুরুষ কেউই এটাকে স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারেনা। প্রায় সবাই পিরিয়ড, স্যানিটারি ন্যাপকিন বা প্যাড নিয়ে এক ধরনের হীনমন্যতায় ভোগে। অশুচি, খারাপ, লজ্জার, অত্যন্ত গোপণ কোন 'রোগ' বলে মনে করে। আর পিরিয়ড যদি হয় পরিবারের কোন টিনএজ সদস্যের তবে তো কথাই নেই। তারা মনে করে পিরিয়ডের কথা প্রকাশ পেলে ইজ্জত চলে যাবে, পরিবারে অন্যান্যদের সামনে মুখ দেখাতে পারবে না, অন্যরা কী মনে করবে বলে নিজেকে প্রায় লুকিয়ে রাখে। পেটে ব্যথা শুরু হলেও কাউকে বলতে পারে না। মারাত্মক পেট ব্যথায় অস্থির হয়ে বিছানায় গড়াগড়ি খাবে, পেটে চাপ দিয়ে রেখে ব্যথা সয়ে নেবার চেষ্টা করবে

মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদের ফতোয়া ও তার উত্তর


মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদের প্রকাশিত ফতোয়ার ১০টি প্রশ্ন ও কোরান, হাদিসের আলোকে তার উত্তরঃ

১. মহান শান্তির ধর্ম ইসলাম কি সন্ত্রাস ও আতঙ্কবাদী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে?

উত্তরঃ আচ্ছা মোহাম্মদ ও তার সাহাবীরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন যুদ্ধে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে ও তাদের মালামাল লুট করেছে সেটাকে কী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলা যায় না? আসেন হাদীস দেখি, "সুতরাং যুদ্ধে তোমরা যা কিছু গনিমতরূপে লাভ করেছো তা হালাল ও পবিত্ররূপে ভোগ করো, আর আল্লাহকে ভয় করো, নিঃসন্দেহে আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু"। —(সূরা আনফাল ৮ আয়াত ৬৯)

বেঁচে থাকুক সাবিরা'রা


আচ্ছা জীবনের মূল্যের চেয়ে কষ্টের তীব্রতা বেশি ভয়ঙ্কর হয় কি করে? কষ্ট তো ক্ষনস্থায়ী। আজ আছে কাল নাও থাকতে পারে। হয়তো বছরের পর বছরও থাকতে পারে তাই বলে বেঁচে থাকার আনন্দের চেয়ে কষ্টের তীব্রতা বেশি ভয়ঙ্কর হবে? আমি তা মনে করি না। আমি মনে করি নতুন কোন সুখ এসে কষ্টকে মুছে দিতে বাধ্য। হয়তো সুখের জন্যে অপেক্ষায় থাকতে হবে। সুখ দিয়ে কষ্টকে অতিক্রম করার অপেক্ষা।

আমি এবং আমার মা


আমার মা'র এখন ঘুম হয় না। প্রায়ই মধ্যরাতে চিৎকার দিয়ে জেগে উঠেন। না, উনি অসুস্থ বলে না। উনি চোখ বন্ধ করলেই দেখতে পান সন্তানের রক্তমাখা বিভৎস ছবি। দেখতে পান একের পর এক চাপাতির কোপে তাঁর সন্তানকে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে কিছু অস্পষ্ট চেহারার "মানুষ"। আধো মানুষ বলা যায় কিনা আমি জানিনা। তিনি মধ্য রাতে ঘুমন্ত বাবার পাশে বসে গুমড়ে কাঁদেন। এমন ভাবে কাঁদেন যেনো বাবা শুনতে না পায়। যদি কখনো কান্না শুনে জেগে উঠে বাবা জিজ্ঞেস করেন, "কি হয়েছে", মা তাঁর কান্নার কারণ বলতে পারেন না। বলেন, কোমর ব্যথাটা আবার বেড়েছে। মা জানে বাবাকে সত্যি কথাটা বলা যাবেনা। বললে যদি সন্তানকে ত্যাজ্য করে দেয়, যদি তাঁর সন্তানের ভরণপো

তসলিমা নাসরীন


২০০৩-৪ এর দিকে যখন তসলিমা নাসরীনের "ক" বইটি নিয়ে ব্যপার কথাবার্তা হচ্ছিল তখনই প্রথম উনার নাম শুনি। তার আগে কখনো শুনিনি। হয়তো শুনেছি কিন্তু ছোট ছিলাম বলে মনে করতে পারছিনা। স্কুলের লাইব্রেরিতে ছোট বড় হাজার লেখকের বই ছিলো কিন্তু উনার কোন বই ছিলো না। কেন ছিলো না সেটা পরে বুঝতে পেরেছি। হয়তো উনার উপর নিষিদ্ধ ট্যাগ লেগে গিয়েছিল বলে লাইব্রেরিতে উনার বই রাখা নিষিদ্ধ আর সেই লাইব্রেরিতে যদি শিশুদের আনাগোনা থাকে তবে তো কথায় নেই।
.

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

হাবিজাবি গল্পকার
হাবিজাবি গল্পকার এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 48 min ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 27, 2013 - 12:39পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর