নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • শাম্মী হক
  • সলিম সাহা

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

গাজী ফাতিহুন নূর এর ব্লগ

আস্তিক-নাস্তিক 'মানুষ' ধারণার বিনির্মাণ


গত এক বছরে আমি সবচেয়ে আলোচিত ব্যপার দেখেছি আস্তিক নাস্তিক প্রসঙ্গে। রাজনীতি, খেলা, বিনোদন, অবদমন, অরণ্যেরোদন অন্যান্য সবকিছু এক ঝলক এলেও, আস্তিক নাস্তিক প্রসঙ্গ এবং দ্বন্দ্ব বাংলাদেশ অনলাইনে একটা চিরস্থায়ী আসন দখল করে আছে। এমন কোন দিন নেই যে আমি এ ব্যপারে কোন পোস্ট দেখি নি। আস্তিক নাস্তিক প্রসঙ্গের মূল ব্যপারটা নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার লড়াই। পূর্বে নাস্তিকরা যুক্তির মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠার লড়াই চলত, এখন অবস্থার একটা পরিবর্তন হয়েছে। এখন বাড়ছে মিলিট্যান্সি। এখন আর ছোট ছোট পোস্টে কোন যুক্তির বিষয় থাকে না; থাকে স্যাটায়ার আর আঘাত। বিষয়টা ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক তা আমি জানি না। এতটুকু বলতে পারি না

পরিচয়


কলেজের একটা ফর্মের সামনে আমি স্তব্ধ হয়ে বেশকিছুক্ষণ বসে রইলাম। গুটি গুটি করে আমার নাম লিখার পর আমার মনে হলো লিখার কিছু নেই। হয়তো লিখার অনেক কিছু ছিল কিন্তু আমি কিছু লিখতে পারছিলাম না। এরপর লিখতে হবে পিতার নাম, তারপর মাতার নাম।

স্কুলের ফরম ও বিভিন্ন ধরণের কাগজ পূরণের জন্যে আমার মায়ের নামটা জানা খুব জরুরী হয়ে গিয়েছিল । ছোটবেলা অনেক সময় পর্যন্ত জেনেছি আমার মায়ের নাম 'মা' । সুলতানা রহমান নামটা অপরিচিত লাগতো । স্কুলের কোন কাগজে যখন মায়ের নামটা লিখতাম আমার মনে হতো অন্য একটা মানুষকে বসিয়ে দিয়েছি আমার মায়ের জায়গায় ।

একটি সাইকেলের গল্প


তার সাথে আমার পরিচয় ফেসবুকে। একদিন হুট করে ম্যাসেজে এসে বললেন, আমার ভাই হবে? হয়েও গেলাম। ম্যাসেজে টানা সেরকম কথা হতো না ওনার সাথে। এই টুকটাক হালকা কথাবার্তা। তিনি বলতেন আমার গল্প উনি খুব পছন্দ করতেন। আপুটার চেহারা খুব মিষ্টি, চোখগুলো স্ফটিকের মত স্বচ্ছ। উত্তরাতেই থাকতেন। একদিন হুট করে ফোন দিয়ে বললেন,
- পুলক আমার সাথে দেখা করতে পারবে?
- হ্যাঁ, কেন ?
- এমনি। একটা ঘটনা বলবো।
- আচ্ছা। ঠিক আছে।

হুমায়ুন আহমেদের প্রকৃতি বনাম করণীয়


হুমায়ুন আহমেদের একটা সাক্ষাৎকারের কয়েকটা লাইন দিয়ে শুরু করা যাক। আমার বক্তব্য হবে সে কথাগুলোকে কেন্দ্র করেই। আমি কোন লেখককের অসম্মান করতে লিখছি না লিখাটি। তবে কিছু কিছু ভুল মতামত যখন প্রভাব তৈরি করে সেটি ধরিয়ে দেয়া প্রয়োজন এবং দায়িত্বের ভেতর পরে।

আমাদের মেধাশূন্য পাঠ্যবই


বাংলাদেশে যাঁরা পাঠ্যবই লিখছেন তাঁরা প্রকৃতপক্ষে প্রতিভাশূন্যতায় ভুগছেন। তাই বইগুলোও হচ্ছে রুগ্ন। এর প্রথম উদাহরণ হিসেবে আসবে গাজী আজমলের প্রানীবিজ্ঞান বইটি। এই বইটি যে মৌলবাদিদের বই তা বইয়ের ভূমিকা দেখলেই স্পষ্ট করে বুঝা যায়। লেখক যেভাবে পেরেছেন সেখানেই গোপণ অভিসন্ধি প্রমাণ করতে চেয়েছেন অবৈজ্ঞানিকভাবে । উনি বেশ কিছু জায়গায় বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে বেশ অবৈজ্ঞানিক কথা বলেছেন যেটাকে আমি অন্যায় বলে মনে করি কারণ উনি কোন সুযোগ্য তত্ত্ব তুলে ধরেন নি । আমার হাতের কাছে বইটা নেই তাই ধরিয়ে ধরিয়ে দেখাতে পারছি না। উনি যে আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে ইচ্ছে করে অপরিচিত হতে চাচ্ছেন সেটা ওনার নিজের জন্যে ক্

আমার প্রবচনসমূহ


অনেক দিন পর ইস্টিশনে লিখছি। অনেক দিন লিখা বন্ধ থাকলে যা হয় হাত ঠিকঠাক কাজ করে না, সাথে মাথাটাও না। তাই নিজেকে সমর্পণ করলাম পুরোনো কিছু লিখার সাথে। প্রবচন আমার খুবই প্রিয় একটা জিনিষ তাই আমিও মাঝে মাঝে নিজের মনে প্রবচন বানিয়ে ফেলি একটা দুটো। এখানে আমার লিখা আমার প্রিয় কিছু প্রবচন তুলে ধরছিঃ

* প্রত্যেকটা ধর্মে মৌলবাদ থাকে, নাস্তিক্য ধর্মে ও মৌলবাদ আছে । আমি যেহেতু মৌলবাদি হতে চাই না তাই হয়েছি অধার্মিক ।

* জ্ঞানীদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ । তাঁদের সাথে কথা বললে অনেক কিছু শেখা যায়, নিজেকে অনেক তুচ্ছ মনে হয় যা আমাকে বাড়তে সাহায্য করে ।

বিবাহ বহির্ভুত শারিরীক সম্পর্ক ও একটি সমালোচনা


আমরা যখন সমাজিক নিয়ম কি রকম হবে তা নিয়ে আমাদের মতবাদ দেই তাহলে আমরা মনে করতে পারি এই নিয়মটা আইন করলে এটা মেনে চলতে বাধ্য হবে এবং এটা মেনে সমাজের কোন অপকার হবে না। আবার আমরা যখন মতবাদ দিব দেখতে হবে এটি যদি সবাইও মেনে চলে তাহলে এটি সমাজ তথা পরিবারকে অপকার করবে কিনা। এবং সচেতন থাকা উচিত ঠিক এই নিয়ম ব্যাবহার করেই কোন বিশৃংখলা সৃষ্টি করছে কিনা। আবার দেখা যায় ঠিক সেই নিয়মটাই এক জন ব্যাবহার করলে ঠিক থাকে আবার আরেকজন ব্যাবহার করলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সভ্যতা- তখন টানতে হয় একটা সীমারেখা । যেমন আমি যদি নির্মোহ ভাবে বলি, আমরা যখন মানুষিকভাবে স্বীকার করব বাক স্বাধীনতার অধিকারের কথা আমাদের বুঝতে হবে এ

বাস্তবতা বনাম ভার্চুয়ালিটি ও আমি


আপনি ফেসবুকে একটি ভাল মানুষ দেখলেন, উনি খুব সাম্যের কথা প্রচার করেন, উনি বলেন নারীর অধিকারের কথা, উনি করতে পারেন ঘৃনা অশালীনতাকে, মোটকথা উনি হচ্ছেন চেতনার একটা আধার এবং বিস্ফোরক। সেই মানুষটিকেই আপনি বাস্তবে দেখতে পারেন- ভাড়ার জটিলতা নিয়ে রিক্সাওয়ালা পিটাচ্ছেন, বাসায় বৌ পিটাচ্ছে, নারীর দেহ গবেষনা করছেন আড্ডায়, মোটকথা উনি হতে পারেন একটা ভন্ডামীর আধার।

আমি ফেসবুক থেকে বাস্তবতায় দেখা করি না এই ভয়ে। মাঝে মাঝে দেখা করেছি। আর হতাশ হয়েছি বেশিরভাগ সময়ে।

আমাদের বিবর্তন ও ভাল লাগা


আমাদের মন মানুষিকতা এরকম কেন? এই যে আমাদের ভাল লাগে খারাপ লাগে এর পেছনের কারনটি কি? একটা সময় ঢালাও ভাবে এটা বলা হত যে, আমার ভাল লাগে তাই ভাল লাগে। এটা কিন্তু বিজ্ঞানের জগতে একটা বাজে কথা। বিজ্ঞান বিশ্বাস করে যেকোন কিছু হওয়ার আগে একটা প্রক্রিয়ার ভেতর যায়। আমাদের মনের ভাল লাগা- চাহিদা আজ আমাদের সমাজে এই অবস্থায় এর ভেতর ছিল সুদীর্ঘ একটা প্রক্রিয়া। আজ হয়তো আমি বনের ভেতর সবুজের ভেতর দিয়ে হাটলে অনেক প্রশান্তি আসে মনে, এটাকে আমি বলতে পারি না শুধু শুধু আমার ভাল লাগছে। এর পেছনে একটা অবশ্যই কারন থাকবে। এই যে দেখুন আমাদের মিষ্টি খেতে ভাল লাগে, কেন ভাল লাগবে?

গালি ও তার ইতিবৃত্ত


আমরা একটা প্রশ্ন কিন্তু খুব সহজেই করতে পারি ! প্রশ্নটা হচ্ছে, “আমরা কি জিততে চাই? নাকি, হারাতে চাই?” । প্রশ্নটা অনেক সাদামাটা মনে হতে পারে। কিন্তু আমার কাছে প্রশ্নটা অনেক গভীর এবং বিভ্রান্তিপূর্ণ। প্রশ্নটা সাদামাটা নয় মোটেও। আমরা কি জেতার আনন্দ উপভোগ করার জন্যেই হারাই নাকি হারাতে চাই দেখেই জেতার আনন্দটা আমরা নিই? আমার কাছে মনে হয় উত্তর হবে ঃ আমরা আসলে হারাতে চাই। আমরা হারাতে চাই দেখেই প্রোডাক্ট হিসেবে এসেছে জেতার আনন্দ।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

গাজী ফাতিহুন নূর
গাজী ফাতিহুন নূর এর ছবি
Offline
Last seen: 4 years 3 weeks ago
Joined: বুধবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2013 - 9:39অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর