নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মোঃ রাব্বি সাহি...
  • কিন্তু

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

সুষুপ্ত পাঠক এর ব্লগ

পুত্রশোক


-এই যে দ্যাখ, মক্কা শরীফের মাটি!

কাপড়ের পুটলির মধ্যে মুলতানি মাটির মত কিছু একটা দেখা যায়। মোকসদা ভুরু কুঁচকে পুটলির দিকে চেয়ে থাকে। লোকমানের চোখে-মুখে পবিত্র জিনিস ধরে থাকার বিনম্র গর্ব। মোকসদা বারোমাসী আমাশয় রোগী, সে জন্যই কিনা কে জানে তার ভক্তিটক্তি একটু কম। মেজাজটা সব সময় খিটিমিটি। স্বামীর দিকে চেয়ে ধারালো গলায় বলল, মক্বা শরীফের মাটি দিয়া আমি কি করুম?

লোকমান দ্বিতীয় চমক দেখানোর মত করে পানি ভর্তি একটা প্লাস্টিকের বোতল দেখায়। এই দেখ জমজমের পানি। সাবে নিজে আইয়া আমারে দিলো। কইছে, বিকালে আহিছ, জায়নামাজ আর টুপি দিমুনে…

হযরত মুহাম্মদের আগমনী বার্তা কি ইহুদী-খ্রিস্টানদের কিতাবে উল্লেখ আছে?


ছোটবেলায় বড়দের মুখে শুনতাম গৌতম বুদ্ধ তার শিষ্যদের কাছে হযরত মুহাম্মদের আগমনের সংবাদ পৌঁছে দিয়ে বলেছিলেন তিনি যা করতে বলবেন তা শুনতে কিন্তু বুদ্ধের মৃত্যুর পরে শিষ্যরা সেটা না করে নিজেদের মত ধর্ম চালাতে থাকে। …এখন জানি গৌতম বুদ্ধ ঈশ্বর, স্বর্গ, নরক বিবর্জিত একটি নাস্তিক্য মতবাদ প্রচার করেছিলেন। উনার “ধর্মে” ঈশ্বর পরকালের কোন স্থান নেই। সেখানে কেমন করে মুহাম্মদের আগমন বার্তা তিনি প্রচার করেন এখন ভাবলে হাসিই পায়। একজন সাধারণ মুসলিম জ্ঞান হবার পর থেকে কিছু কমন বিষয়ে বিশ্বাস রাখে যেমন- শুধুমাত্র মুসলিমরাই বেহেস্তে (এখন জান্নাত বলার চর্চা দেখছি!) যাবে, বাকী অমুসলিমরা সব দোযগে প্রবেশ করবে। হযরত ম

মসজিদুল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনা ও নিধিরাম সর্দার!


মসজিদুল হারামে যখন ক্রেন ভেঙ্গে শতাধিক মানুষ মারা যায় তখন আল্লাহ কি করছিলেন? সাধারণ প্রচলিত ধর্মীয় ব্যাখ্যা হচ্ছে, পাপের ফল বা আল্লাহ ঈমানের পরীক্ষা নিচ্ছেন ইত্যাদি। এগুলো হচ্ছে মোটা দাগে বহুল প্রচলিত ধার্মীকদের মধ্যে জনপ্রিয় ধর্মীয় ব্যাখ্যা। তবে শিক্ষিত ধার্মীক, বিশেষত বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিত ধার্মীকরা অন্যভাবে এর ব্যাখ্যা করেন (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মনগড়া!) যেমন, দশতলা থেকে লাফ দিলে আপনি যে নিচে পড়ে যাবেন এটা আপনি জানেন, তাহলে জেনেশুনে এতে আল্লাহকে টেনে আনছেন কেন?

ঈশ্বর কেন্দ্রিক বিজ্ঞান বনাম ধর্ম কেন্দ্রিক নাস্তিকতা


অনেকেই বলেন ধর্মের ভুলগুলো নিয়ে লিখুন কিন্তু তাতে ঘি-মধু ঢেলে লিখুন যেন বিশ্বাসীরা রেগে না উঠে। তারা বলতে চান বিজ্ঞান দিয়ে, সাহিত্য দিয়ে, আড়ে-ঠাড়ে অনির্দিষ্টভাবে ধর্মের অসাড়তা ও ভয়ংকর দিকটি তুলে ধরতে। তারা মনে হয় এই গল্পটা জানে না। এক বাচ্চা তিতা ট্যাবলেট খেতে চায় না বলে বাবা তাকে রসগোল্লার মধ্যে ঢুকিয়ে খেতে দিলো। বাবা পরে ছেলেকে জিজ্ঞেস করছেন, মিষ্টিটা পুরোটা খেয়েছো তো? ছেলে বলল, খেয়েছি তবে মিষ্টির ভিতরে একটা বিচি ছিল সেটা ফালাই দিছি…।

এই মুহূর্তে ব্লগার, ব্লগ মডারেটর, অনলাইন নিউজ পোর্টাল সম্পাদকদের নিরাপত্তার প্রথম পদক্ষেপ


যেদিন নিলয়কে হত্যা করা হয় সেদিনই ছোট একটা নিউজ চোখে পড়েছিল, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে এক মোবাইল ব্যবসায়ীকে বাস থামিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আজ সেই নিউজের আপডেট হচ্ছে- পুলিশ অস্ত্রসহ সেই ঘটনায় জড়িত ৯ জনকে গ্রেফতার করে ফেলেছে! আজকেই অভিজিৎদার বাবা শ্রদ্ধেয় অজয় রায়ের একটা সাক্ষাৎকার নিলো ইন্ডিপেডেন্ট টিভি। অজয় স্যার সেখানে বললেন, গোয়েন্দারা তাঁকে জানিয়েছে অভিদার হত্যায় জড়িত ৭ জনকে তারা ছবিসহ সনাক্ত করতে পেরেছে।… আশ্চর্য যে তবু তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না!

ইসলামের উদার ভদ্রস্ত ব্যাখ্যায় আমাদের কি উপকার হবে?


একটা জিনিস সব জায়গায় দেখেছি, ইসলামী উদার পন্ডিতদের সমস্ত প্রচেষ্টা নবীজির ইমেজকে রক্ষা করা- সাধারণ মুসলমানদের জন্য তাদের কোন দায় নেই বোধহয়। যেমন ইসলামে স্ত্রীকে প্রহার করা, ব্যভিচারিকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা, মুরতাদকে (ইসলাম ত্যাগীকে) হত্যা করা, গণিমতের মাল লুন্ঠন বা বিধর্মীর সম্পত্তিকে দখল করার মত ইসলামী বিতর্কগুলোতে নবীজিকে রক্ষা করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে। তারা বলতে চান- এসব কুরআনে নেই এবং হাদিসে যা আছে তার কোন বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। এরকম কিছু লেখা আগেও পড়ে দেখেছি যেখানে সুনির্দিষ্ট কোন প্রমাণ তাদেরও হাতে নেই। প্রথম কথা হচ্ছে জাল ও সহি হাদিস দুটোই নবীজির মৃত্যুর ২৫০ বছর পর সংগ্রহিত। স্রেফ কি

ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধ


ওলামা লীগ “মুক্তিযুদ্ধের চেতনার” ধর্মীয় সংগঠন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্যে কি আছে তাহলে? অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষতা… সত্যি কথা বলতে কি, এদেশের মুসলমানদের ইসলাম নিয়ে কোনদিনই সমস্যা ছিল না। কিছু হিন্দু-মালাউনের জন্য খামখা কেন ধর্মনিরপেক্ষ বা সেক্যুলারের মত কুফরিকে তারা গ্রহণ করতে যাবে? যে দেশের মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠই মুসলমান- তারা ধর্মনিরপেক্ষ হতে যাবে কোন দু:খে?

“সালাফী সেক্যুলার” ও “সুফি সেক্যুলার” দ্বন্দ্ব: ইসলামকে উদারভাবে প্রচার করে মৌলবাদ-জঙ্গিবাদকে ঠেকানো যাবে?


আজকের বিশ্বে ইসলাম ধর্ম নিয়ে যত লেখালেখি হয়, যতখানি ভাবতে হচ্ছে, সেমিনার, সম্মেলন, গবেষণা করে জানতে চাওয়া হচ্ছে ইসলামকে কিভাবে উগ্রতা থেকে উদার ও সহনশীল করে তরুণ-যুবাদের কাছে পৌঁছে দেয়া যায়- তার এক পার্সেন্টও অন্য কোন ধর্মকে নিয়ে করার প্রয়োজন পড়েনি। ইসলাম ধর্মের উদারপন্থি যেমন আছে তেমনি কট্টরপন্থিও আছে। অন্য ধর্মেও এরকম বিভক্তি দেখা যায়। তবে তারা একে অপরকে “অখ্রিস্টান” বা “অহিন্দু” টাইপ কিছু ঘোষণা করেন না। একে অপরকে হত্যার উদ্দেশ্যে রক্তাক্ত করেন না। ইসলামে এটা নিত্য সহা এক সত্য। রোজ এক দল নিজেদেরকে প্রকৃত ইসলাম অনুসারী ও বিপক্ষকে ইসলাম থেকে খারিজ বলে দাবী করেন। ইসলামের হাজারো পন্থির সকলের

ব্লগ ও ব্লগার: জাকির তালুকদারদের গাত্রদাহের কারণ


দেশভাগের পর বাংলাদেশের যত ইতিহাসের মোড় ঘুরানো আন্দোলন সংগ্রামের সূচনা হয়েছে তাতে সেই দশকের কবি-সাহিত্যক লেখকদের ভূমিকা ব্যাপক। ৯০ দশকে এরশাদের পতন পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকে। তারপরেই পৃথিবী জুড়ে নতুন যুগের সুচনা ঘটে যার নাম “ইন্টারনেটের যুগ”। ইন্টারনেট গোটা দুনিয়াকে পাল্টে দিলো। লেখালেখির জগতে কাগজ-কলমের জায়গায় স্থান করে নিলো কম্পিউটার-কি-বোর্ড। ম্যাগাজিন-খবরের কাগজ-লিটল ম্যাগের জায়গায় ব্লগ-ফেইসবুক। জাকির তালুকদাররা এমন একটা জেনারেশন এই নতুন মাধ্যম গিলতেও পারল না, ফেলতেও পারল না। অনলাইন লেখকরা ততদিনে একটা জায়গা তৈরি করে ফেলেছেন। অফলাইনের তুলনায় বিপুল সংখ্যক পাঠক তাদের লেখা পড়ে। অফলাইনে মু

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সুষুপ্ত পাঠক
সুষুপ্ত পাঠক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: শনিবার, ডিসেম্বর 21, 2013 - 3:33অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর