নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মোঃ রাব্বি সাহি...
  • কিন্তু

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

সুষুপ্ত পাঠক এর ব্লগ

রাজাকাররা ও তাদের সন্তানেরা


ক্লাশ এইটে পড়ার সময় আমি প্রথম রাজাকার দেখি। মোটামুটি বড় ধরনের রাজাকার।ইয়াহিয়ার সঙ্গে একদল লোকের মাঝে একজন জিন্না টুপি পরা লোককে আমার বন্ধু আঙ্গুল দিয়ে দেখালো, এইটা আমার দাদা! সে চাপা গলায় বিব্রতভাবে বলল, আমার দাদা, বাবা দুজনেই রাজাকার ছিলেন…।

একদিন টিফিনের সময় স্কুল থেকে রাতুলদের (ইচেছ করেই নামটা পাল্টে দিলাম) বাসায় গিয়েছিলাম ভাত খেতে। রাতুলই খুব পিড়াপিড়ি করে আমাদের কয়েকজনকে ডেকে নিয়ে যায়। ফটোগ্রাফটা অবশ্য সে আমাকে একা ডেকে নিয়ে গিয়ে দেখায়।যেন গোপন একটা পাপকে সে আমার কাছে প্রকাশ করছে এমনভাবে দেয়ালের ফটোটাকে দেখালো। আমাকে বলল, কাউকে বলবি না কিন্তু…।

চটি লেখা হাতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখার দরকার নাই


একজন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে শক্তির সমর্থক, ব্লগিয় ছাগু ফাইটার, যিনি মুক্তিযুদ্ধে ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমহানীর জন্য রাজাকার-আল বদর মুজাহিদ, নিজামী, গোলাম আযমদের ক্ষমা করতে পারেন না, তিনিই যদি ব্যক্তিগত জীবনে এ দেশের মেয়েদেরকে অনলাইনে ¯্রফে পণ্য হিসেবে প্রকাশ করেন তখন তাতে কি বলবো আমরা?

রাষ্ট্রর নাস্তিকতা ভিন্ন সমাধান নাই


আমার প্রতি অভিযোগ আমি নাকি ধর্ম নিয়ে লিখি। কথাটা আমি স্বীকার করি না। ব্লগে ধর্ম নিয়ে যে ধরনের পোস্ট আসে আমি সেরকম লেখার যোগ্যতা রাখি না। আমি কোরআন-হাদিস, বেদ-বাইবেল বিষয়ে কোন জ্ঞান রাখি না। কাজেই এইসব গ্রন্থে কোথায় কি গন্ডগোল, কোন অবতার বদমাশ আর ভন্ড সেসব নিয়ে সরাসরি আমার কোন লেখা নেই। তবু যেহেতু সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, মৌলবাদীতার বিরুদ্ধে লিখি কাজেই ধর্ম নিয়ে লিখি এই সরলীকরণে পড়তে হবে জানা কথাই। আমি সব সময় সাম্প্রদায়িকতার মূল কোথায় চিহ্নিত করতে চেষ্টা করি, তালেবান উৎপাদনের কারখানাকে দেখানোর চেষ্টা করি। বলতে চেষ্টা করি, বেড়ায়ই ধান খাচ্ছে...। এই লেখাটির ট্যাগেও ধর্ম লেখা আছে। এই সাম্প্রদ

“বাংলাদেশ” চেতনায় ইসলামী ফ্লেভার মেশালেই আমরা সবাই স্বাধীনতার পক্ষশক্তি


মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ সেজে কৌশলে ইসলামী রাষ্ট্রর গান গাওয়া অনেক সুবিধাজনক। আওয়ামী লীগের প্রশংসা করে দু-চার কথা বলে শেখ হাসিনাকে হযরত ওমরের মত দেশ চালানোর আহবান যে রাজনীতির মধ্যে ইসলামী ফ্লেভার কৌশলে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে সেটা খুব সচেতন না হলে বুঝা কিন্তু খুব মুশকিল। নির্লজ্জ পাকিস্তানী প্রেমিক সেজে যে হালে পানি পাবে না এটা তারা বুঝে গেছে। কাজেই পাকিস্তানের মায়া ছেড়ে “বাংলাদেশকে” মেনে নিয়ে যা করার করতে হবে। হেফাজত মতিঝিলে এসেছিল জাতীয় পতাকা উড়িয়ে উড়িয়ে। হুজুরদের মাথায় জাতীয় পতাকা পট্টির মত বেঁধে ইসলামী রাষ্ট্রর দাবী দশ বছর আগেও দেখা যেতো না। লাল সবুজের পতাকা উড়িয়ে খেলাফতের ডাক আগামীতে যখন রাজপথে দে

মির্জা জোওয়ারদার বখতের একঘেয়েমি


মির্জা জোওয়ারদার বখত স্কুলঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলেন কোমড়ে হাত দিয়ে। দূর থেকে দেখতে পেলেন জমির আল বেয়ে তার দুই অপদার্থ সান্ত্রী এইদিকেই এগিয়ে আসছে। সান্ত্রী দুটোর সামনে পিছে দুজন স্থানীয় দালাল। এদের হাবভাবে মনে হয় কোন ব্যাপারে তারা খুব উত্তেজিত। স্কুলঘরটা উঁচু জমিতে। ক্যাম্প ফেলা হয়েছে এখানে আজ দুইদিন। এখনো জায়গাটা ভাল বুঝে উঠতে পারেননি। স্থানীয় মুসলিম লীগের নেতাকর্মীরা চোখ-কান হয়ে কাজ করছে। যদিও এই বেজন্মা জাতটাকে তার পুরোপুরি বিশ্বাস হয় না। কে যে জয়বাংলার লোক বুঝবে কি করে?

অঘোর চন্দ্রর নাগরিত্ব


অনেক খুঁজেটুজে ভোটার আইডি কার্ডটা পেলো অঘোর। খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস অঘোর জানে। সরকারী কিছু করতে গেলেই লোকে কার্ডটা চায়। তুমি যে এই দেশের নাগরীক তার প্রমাণ কি? এনজিও অফিসের মঞ্জুর স্যার বলেছিল ঋণ দেয়ার সময়। অঘোর ক্যাবলা হয়ে গিয়েছিল প্রশ্ন শুনে। সকলে তাকে চেনে, এই গ্রামে তার চৌদ্দ পুরুষের বাস...কি প্রমাণ দিবে সে? কিন্তু পঁচিশ হাজার টাকা ঋণ নেয়ার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রটা তার দেখাতে হয়েছে। শ্রী অঘোর চন্দ্র বিশ্বাস, পিতা: স্বর্গীয় মলয় চন্দ্র বিশ্বাস...

হে গণতন্ত্র প্রেমি শোনো...


হে গণতন্ত্র প্রেমি...
বাংলাদেশে যারাই রাজনীতি করবে তারা সবাই স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি হবে, স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি আবার কি? কিন্তু গণতন্ত্র যদি বাংলাদেশের চেতনা বিরোধী শক্তিকেই ক্ষমতায় বসাতে চায় তো আর কি করার? হাতের আঙ্গুল কামড়ানো ছাড়া উপায় কি? হুজুররা প্রায়ই হুংকার দেন, পারলে গণভোট দেন, দেশের মানুষ কোরনিক শাসন চায় কি চায় না?

দলকানা-মঞ্চকানা নিপাত যাক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুক্তি পাক...


শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ যখন তৈরি হলো খালেদা জিয়া ও তার দল সতর্ক আর কাঁটা হয়ে রইলেন কিছুদিন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জাগরণ বিএনপিকে ভাবনায় ফেলে দিল। কারণ তাকে (বিএনপিকে) এন্টি মুক্তিযুদ্ধ চেতনার রাজনীতি করেই এতকাল পেট চালাতে হয়েছে। হঠাৎ বুক হিম করা তারুণ্যের জাগরণ দেখে খালেদা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন আর তার দলের বাচাল নেতাদের মঞ্চ সম্পর্কে বুঝে শুনে কথা বলতে নির্দেশ দিলেন।

শেখ হাসিনা মঞ্চ আর তারুণ্যের জাগরণ দেখে আপ্লুত হয়ে বললেন, আমার মন ছুটে যায় শাহবাগে। তিনি গণভবনে মঞ্চ নির্দেশিত কর্মসূচী পালন করলেন প্রদীপ জ্বালিয়ে। (পরবর্তীতে মঞ্চর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে তিনি সন্দিহান হয়ে যান!)

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সুষুপ্ত পাঠক
সুষুপ্ত পাঠক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: শনিবার, ডিসেম্বর 21, 2013 - 3:33অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর