নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঙালী ফকির চাষী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মাহের ইসলাম
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

অয়ন টোকাই এর ব্লগ

ক্রোধের সবকটা রঙ্গ - রাফীফ জাইয়াদা


রাফীফ জাইয়াদা, ফিলিস্তিনের ভাষা তার কবিতায় ফুটে উঠে। তার কবিতা বলে অত্যাচারিতের কথা, আগ্রাসনের কথা, গণহত্যার কথা। ফিলিস্তিনি এই কবি তার কবিতা দিয়ে ফিলিস্তিনে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলে যাচ্ছেন, তার প্রতিবাদ করে জাচ্ছেন। সেরকমই একটি কবিতা এটি। ইসরায়েল, তথা মার্কিন আগ্রাসনের জবাব দিতে যখন আমরা সারা দেশে নানান ভাবে নিজেদের প্রতিবাদী অবস্থান জানিয়ে যাচ্ছি। তখন এই কবিতার বাংলায় অনুবাদ করাটাও একটা প্রতিবাদেরই অংশ।

ক্রোধের সবকটা রঙ্গ
রাফীফ জাইয়াদা

ভাষান্তরঃ যারিফ মুহিব অয়ন

ওরা আমার ভাষা ছিনিয়ে নেবার আগেই আমাকে আরবী ভাষায় কথা বলে নিতে দাও,

সাম্প্রদায়িকতার কারণ আমাদের বিচ্ছিন্নতা; আসুন এই ছুটিতেই সেটা কমানো শুরু করি।


ঘটনা ১
বাড়িতে এসেছি, ছোটা খাটো ভাইবোনগুলো সব সময় ঘিরে থাকে আসেপাশে, তাই ফেসবুক ব্যবহারও মাঝে মাঝেই সবাই কে নিয়েই করতে হয়। এমন একটি পরিস্থিতিতে নিউজ ফিড দেখছি, এক দাদার দেয়া দুর্গা প্রতিমার ছবিতে লাইক দিয়েছি, অমনি ক্লাশ ত্রিতে অধ্যয়নরত মামাতো ছোট বোন প্রশ্ন করে উঠল কেন আমি এই ছবিতে লাইক দিলাম? এমন প্রশ্নের জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না, তাই পালটা প্রশ্ন করে বসলাম , কেন আপু কি হইল ? সে উত্তর দিল এটা তো পোলিয়া দের মুর্তির ছবি... !!! হাসলাম শুধু। তাৎক্ষণিক কি ধরণের প্রতিক্রিয়া করা উচিৎ ছিল বুঝে উঠতে পারি নি। তাই হাসলাম একটু।
ঘটনা ২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পাঠঃ প্রশাসন ও নিরাপত্তা।


ক্লাশ করে বের হচ্ছি বন্ধুর সাথে আলাপ করতে করতে। শহীদুল্লাহ কলা ভবনের গেটে এসেই চমকে উঠলাম। অবশ্য খুব যে একটা আতকে উঠেছিলাম তাও নয়। কিছুটা চমকেছিলাম ঠিকই। দেখি, সামনে আমতলায় যেখানে সুমনের চায়ের দোকান সেটাকে ঘিরে চার ভ্যান পুলিশ। হুট করেই মনে হল যেন আমি মতিহার থানার সামনে চলে এসেছি! ঘটনা কি? পুলিশ এখানে কেন?

বৈশাখ অথবা জ্বরের গল্প।


দিনটা ঠিক কি ছিল মনে নাই। ধরি শনিবার। শনিবারে শনি আছে তাই। পয়লা বৈশাখ। দারুণ পরিবেশ। উপজেলা কোয়াটার এলাকাটা নিজের মাঝেই বেশ চমৎকার। পরিপাটি। রাস্তাগুলো এমনিতেই দারুণ লাগে মুহিবের। সবসময় ভাবে একটা সাইকেল হলে সে প্রতিদিন এই পিচের উপরে সাইকেল চালাবে। আজকে তো আবার পয়লা বৈশাখ। একটু অন্যরকম করেই সেজেছে সবকিছু।

পুরানা কাসুন্দীঃ বিকল্প মিডিয়া/ব্লগ/প্রধান গণমাধ্যম একটি খসড়া!


বাংলাদেশের প্রধান ও সম্মুখ মিডিয়াগুলোতে কেমন “নিরপেক্ষ” সংবাদ-কলাম প্রকাশিত হয়ে থাকে তা জানেন না এমন মানুষ এখন কমই আছে। কোনটা আওয়ামীপন্থী, কোনটা জামাতপন্থী, অথবা বিএনপিপন্থী, নয় সুশীলপন্থী। বামপন্থীদের প্রকাশিত কাগজ কখনই সেভাবে জনপ্রিয় হয় নি। জনগন জানার জন্য অনেক সময়ই প্রায় বাধ্য হয়ে আবার অনেক সময় অভ্যাসের বসে, মাঝে মাঝে প্রকৃত রাজনৈতিক জ্ঞানের অভাবে কিনে যায় কালেরকন্ঠ, প্রথমআলো, নয়াদিগন্ত, আমারদেশ, যুগান্তর এর মত সংবাদপত্র। ফলত প্রকৃত সংবাদ আর মত প্রকাশের মাধ্যমের অভাব মনেই হয় এই সংবাদ মাধ্যমগুলোর হাউস পলিসির কারণে।

হয়তো আমিও মাতাল হয়েছিলাম!!!!


আমাদের মাঝে শুধু আমিই চুপচাপ ছিলাম। এর মানে কখনই এটা নয় যে আমি এরকমই। সেদিন মনটা খানিক খারাপ ছিল। ভাবনাগুলোও জড়িয়ে যাচ্ছিল। নানান কাব্যিক আলোচনা, শব্দ নিয়ে বাক্যালাপ, শুনেই যাচ্ছিলাম। সেদিন একা একা হাঁটতে হাঁটতে একবার ড্রেনেও পড়ে গেছিলাম। পা ভাঙ্গেনি কপাল ভালো। বিকেল সরিয়ে আঁধার নামতেই আমাদের বাক্যগুলো আলাদা হতে লাগল। আমৃত আসল, শুধা আসল। না জানি আরও কত বিশেষণ চলে আসল। কাজলায় দাঁড়িয়ে নানা আবেশে ঢুকে নানা সৃষ্টির পথ বিশ্লেষণ হল। হল, অনেক কিছুই হল। আমি বাদে বাকী সব কনক্রিটই লাগছিল। ফলত প্রশ্নটা আমার কাছেই আসল। আমি যেতে চাই কিনা?

দামিনী ও প্রতিদিনের গল্প।


আজকের খবরের কাগজটা উল্টে-পাল্টে দেখে মনে কয়গুচ্ছ আবছা কালো মেঘ জমে গেল শারমিন জাহানের। আজ কয়দিন হল বেশ উৎকন্ঠায় ছিলেন। বুঝতে পারছিলেন না বাঁচবে কিনা। কিন্তু আজ সব আশা শেষ করে মারা গেলে মেয়েটি। দামিনী আর পারল না। প্রথম-আলো একটা দিন শুধু এটা জানতেই দেখেছেন দামিনী বেঁচে উঠে কিনা?

ধান গাছ আর কীটনাশকের গল্প ...... আমার ছত্রাক।


অনেক দিন আগের পরিচয় ওর সাথে। যখন বীজ ছিল, তখনই চিনতো।

কে চিনতো?

ধান গাছ। মানে ধান গাছটা।

এখন বয়স হয়েছে ওর। তরতাজা সবুজ। কিন্তু আগের পরিচয়টা এখন গলায় কাটা হয়ে দাড়িয়েছে। আগে কতো সুন্দর কথা হতো ওর সাথে । হয়তো একটু বেশিই ভাব দেয়া হয়ে গেছে ওটাকে। এখন পিছাই ছাড়েনা। "ছত্রাক"টা। খুবিই বেয়াদব।

সেই ভ্রুনাবস্থা থেকে পরিচয়। এই কটা মাস একটু ভাল করে কথা কি বলা হল, তাতেই একদম মাথায় উঠে জেতে হবে নাকি? আজিব!

শালার এতো সুন্দর করে লাগানো গাছটাতে "ছত্রাক" ধরল। দারা তোর ব্যাবস্থা কেমনে করতে হয় জানা আছে।(জমির মালিক)

প্রেম ভালোবাসা বিষয়ক কিছু প্রশ্ন?


প্রেম, ভালোবাসা এই বিষয়গুলো কি? কিভাবে হয়? কেন হয়?
আবেগের প্রশ্ন থাকে, বাস্তবতার প্রশ্ন থাকে, যুক্তি থাকে আবার কোন কিছুই থাকে না। মাঝে মাঝে স্বপ্ন থাকে আবার মাঝে মাঝে কিছুই খুজে পাওয়া যায় না।
কোন একদিক থেকে এই বিষয়টা নিয়ে লিখতে গেলে কিছুই পরিষ্কার ভাবে লেখা যায় না।
তাই খাপছাড়া ভাবে শুরু করা যাক।

মাতৃ ভাষা বাংলা চাই!


মাতৃভাষা বাংলা চেয়েছিলাম বায়ান্নতে। আসলেই কি তা চেয়েছিলাম আমি? মনে হয় না। তাহলে কি আমি পাকিস্তানি হয়ে গেলাম? মোটেই না, এটুকু হলাম- যে রাষ্ট্র পাকিস্তান মুক্ত হলেও পুনরায় পাকিস্তান হয়ে উঠে, তার ভেতরে থেকে নতুন করে বিদ্রোহী হলাম। ভাষা আন্দোলনকারী হলাম। নতুন করে হাতে রফিকের মত প্ল্যাকার্ড নিলাম। উর্দুর কাছ থেকে নিজের মায়ের কাছ থেকে শেখা ভাষার অধিকার চেয়েছিলাম সেদিন। আজো তাই চাচ্ছি। সকল ভাষার, সকল ভিন্ন ভাষার যেই মায়েরা তাদের সন্তানদের এখনও তার মায়ের কাছ থেকে শেখা মুখের বুলিটি শেখান সেই শেখানো ভাষার অধিকার চাইছি। এই ২০১৩ তে, এই ফেব্রুয়ারীতে। এই একুশে।

বোর্ডিং কার্ড

অয়ন টোকাই
অয়ন টোকাই এর ছবি
Offline
Last seen: 3 years 10 months ago
Joined: বুধবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2013 - 3:47পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর