নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুরুন নেসা
  • সুজন আরাফাত
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক
  • নাস্তিকের আত্মকথা
  • আবীর সমুদ্র
  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক

নতুন যাত্রী

  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র
  • গাজী নিষাদ
  • বেকার
  • আসিফ মহিউদ্দীন
  • সাধনা নস্কর

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

দালালি যখন ক্রিকেটেও


আজ থেকে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট পুরোপুরি বর্জন করলাম ...
ব্যাক্তিগত ভাবে আমি ইন্ডিয়ান ক্রিকেট এবং ইন্ডিয়ান ক্রিকেটিয়ো অ্যাটিচিয়ুড প্রচন্ড অপছন্দ করতাম করি । বাংলাদেশের ক্রিকেটকে প্রথম থেকেই গোনায় ধরতো না । এমনকি তাদের বেশকিছু খেলোয়াড় এই ব্যাপারটা পরিষ্কার করেছে ইতোমধ্যে । উদাহারণ হিসেবে বিরেন্দর শেবাগের নাম আমাদের সবার কাছেই পরিচিত । বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম নিয়ে তার সেই কুখ্যাত বক্তব্যের পরপরই আমাদের টিম ভারতকে বাঁশ দিয়েছিল উপহার হিসেবে ।

একটি কাল্পনিক প্রস্থান


সাদা কাপড়ের উপর মাথা রেখে তৃণা এখনো খুব কাঁদছে । কাপড়ের ভিতর আরেকটা আমি । ঘুমন্ত, চিরঘুমন্ত । পার্থিব ভাষায় যেটাকে বলে লাশ, মৃতদেহ সেটা । না না, জীবন্ত লাশ না । ওটা সত্যিকারের লাশ । ওই আমি আর কথা বলবো না । ওই আমি আর নিকোটিন হাতে বিপ্লবের কথা বলবো না, আর কবিতা লিখবোনা । মধ্যরাতে হঠাৎ জেগে উঠে অবাক হয়ে পঞ্চমীর চাঁদ দেখবো না আর । ওই আমি আর বৃষ্টিস্নানে যাব না, বৃষ্টিভেজা কদম তুলতে যাব না । ওই আমি পার্থিব ছেড়ে এখন অপার্থিবের দ্বারে । আমার সব উল্লাস কেড়ে নিয়েছে ওই ঐশ্বরিক শক্তি ।

চাদর মোড়া শীত আর আমি (পর্ব ২)


#নানুবাড়ি
খুব বেশি হয়তো নয় তবু আমার প্রায় সব শীতের কোনো না কোন অংশ কেটেছে নানুবাড়িতে । আটোয়ারির রসেয়া । জেলা পঞ্চগড় । হিমালয় কন্যা । সাইকেল কিংবা মোটরসাইকেল নিয়েই এখান থেকে হিমালয় যাওয়া সম্ভব । তাই এখানে শীতকালটা কেমন তা সহজেই অনুমতি হওয়ার কথা ।

সেই ছোটবেলা থেকে প্রতি শীতেই যেতাম নানুবাড়িতে । আর শীতের আকর্ষন, পিঠা তো প্রতিদিনই থাকতো । মামা খালামণিরা সেসময় আসতো নানুবাড়িতে । সকালে ঘুম থেকে উঠিয়ে পিঠা খাওয়ার জন্য সবাই যুদ্ধ লাগিয়ে দিত । পাটিসাপটা পিঠা আমার খুব পছন্দের । নানু সবসময় আমার জন্য আলাদা করে রেখে দিত ।

চাদর মোড়া শীত আর আমি (পর্ব ১)


‬কুয়াশার চাদর গায়ে দিয়ে আসে শীত ।
শীত আর শীতরাতের সাথে আমার কিছু বিশেষ ভালবাসা আছে ।শীতের রাত আর ভোরগুলো আমার কাছে অন্যরকম । খুব নিবিড় সম্পর্ক । অন্যান্য ঋতুর স্মৃতিগুলো খুব কম মনে আছে । কিন্তু শীতের স্মৃতিগুলো ঠিকঠাক মনে আছে । কিছু স্মৃতি রোমন্থন করি । তবে বেশি পুরনোতে গেলাম না ।

‪#‎শীত_ভোর

ফানুস


যাদুর শহরে অগোছালো ফানুস ভাসে
নিয়ন ভেজা পথে কখনও;
এসে স্পর্শ করে যায়,
শরীরে,নিউরনে ধাক্কা মেরে যায়-
কখনও সরে যেতে বলে পথ থেকে,
দৈত্য পাজেরো বা মার্সিডিজের হর্ণ এর মত ।
যেন বসুন্ধরা গেট অথবা
বিজয় স্মরণীর জ্যামে আটকা পড়েছি ।
যাদুর শহরে অগোছালো ফানুস ভাসে
সাত নাম্বার গাড়ির মত ক্ষণে ক্ষণে ।

তবে অনেক চোখের আড়ালে কিছু ফানুস
লুকিয়ে রেখেছি সন্তর্পনে, খুব সন্তর্পনে ।
একদিন ভাসিয়ে দেবো তোমার কাজল্মাখা চোখের সামনে দিয়ে ।
চাইলে তোমাকেও এনে দিতে পারি একশ ফানুস
তুমিও পারো ওড়াতে
অথবা পারো তোমার ঘর আলো করে রাখতে ।

আমি পারিনা ফানুসে ঘর সাজাতে

নতুন যুদ্ধ


চোখ মেলে অন্ধকার দেখলাম ।
আমরা এখনও নৌকায় । চাঁদের আলোয় নদীর পানি চিকচিক করছে । দূরের একপাশটা লাল হয়ে আছে । ওটা আমাদের গ্রাম । আগুনে জ্বলছে । শান্তিবাহিনীর লোকেরা পুড়িয়ে দিয়েছে । ওরা মানুষ নয়,পশু রাজাকার ।
আপুর কাঁধে মাথা রেখে আছি । কাল রাতের দৃশ্যগুলো এখনও চোখের সামনে ভাসছে । খেতে বসেছিলাম বাবা-মা,আপু সহ । হঠাৎ বাইরে থেকে কে যেন বাবার নাম ধরে ডেকে উঠলো । গলার স্বর শুনে বুঝতে পারলাম ওটা কলিম চাচা । দরজা খুলে বাবা বাইরে গেল । বাবা বের হওয়ার পর কিছু কথা শোনা গেল আর তারপর শোনা গেল একটা পরিচিত আওয়াজ । ঠাঠা...ঠা...ঠা...ঠা... গুলির আওয়াজ । তারমানে বাবাকে ওরা......

বিজয় দিবস আর নগ্নতার পদধূলি


দেখতে দেখতে আরেকটা বিজয় দিবস এসে কড়া নাড়ছে । ৪৩ তম বিজয় দিবস পার করেই ফেললাম । কিন্তু প্রাণ ভরে বিজয়ের স্বাদ এখনো নিতে পারলাম না । এখনও রাজাকারেরা এই বাংলার মাটিতে জুতার ছাপ ফেলে হেঁটে বেড়ায় স্বদর্পে । এখনো জামাত-শিবির বীরদর্পে এদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশিষ্টতার পরিচয়ে হানা দেয় । আজো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটা সংবিধান প্রতিষ্ঠা করতে পারলাম না ।
প্রথম বিজয়ের মাসে আমরা মোটামুটি সুন্দর একটা সংবিধান তৈরি করে নতুন এক বিজয় পেয়েছিলাম । কিন্তু বেশিদিন ধরে রাখতে পারলাম না । ‘৭৫ সালে বিজয়টাকে আরেকটু নিচে নামানো হল । ঘাতক দল এদেশ তৈরির কারিগর বঙ্গবন্ধুকে ফিরিয়ে দিল পাতালপুড়িতে ।

জোৎস্নাস্নান


:কি ব্যাপার ! চুপ করে আছো কেন ? কিছু বল !
:কি বলবো ? সুমন্ত আমি আর পারছি না । বাসা থেকে বিয়ের জন্য পচুর চাপ দিচ্ছে । কিছু একটা করো না প্লিজ ।
:কি করবো আমি বল ! তোমার বাবা মা আমাকে মানছে না । আর তুমি ভালমতই জানো এরচেয়ে ভালো চাকুরি করা আমার পক্ষে এখন সম্ভব নয় ।
:বাবা মা কে কিছুতেই রাজি করাতে পারছি না । ওই ছেলেকে না দেখেই তাদের পছন্দ ।
:নীলা ! একটা বুদ্ধি দেই ?
:'কি ?'-নীলার চোখ চকচক করে উঠলো ।
:তুমি ওই ছেলেকেই বিয়ে করে ফেল ।
:হুহ...তুমি মানুষ হলে না । আমি এদিকে টেনশনে মরে যাচ্ছি । আর তুমি !
:হা হা হা ...
:তোমার হাসিও পাচ্ছে !
:কাঁদবো নাকি !

আম ছিলে খাওয়া যায় আবার জুস করেও খাওয়া যায়


গত ১২ তারিখ কুখ্যাত রাজাকার কাদের মোল্লার ফাসি হয়েছে । ট্রাইব্যুনাল পেয়েছে তাদের প্রথম জয়, ৯০ এর পরে আমরাও পেয়েছি আরেক জয় ।
৭১ এ মুক্তিযোদ্ধারা যেমন ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল, ঠিক তেমনি গত ফেব্রুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা ১০ মাস আপোষহীন আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরাও আরেকটি যুদ্ধে জয়ী হলাম । তবে পথ এখনো অনেক বাকি ।
খেলায় এক পক্ষ হারলে আরেক পক্ষ কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক । এখানেও তেমন হল । মোল্লার ফাসি নিয়ে আবার স্বাধীনতা বিরোধীরা নেমে পড়লো নানা নোংরা খেলা আর নানা রকম নোংরা বচন নিয়ে । শুরু হল নানা আন্তর্জাতিক চাপ আর ষড়যন্ত্র ।

প্রবারণা


:এই যে ম্যাডাম
:জ্বি ! আমাকে বলছেন ?
:হ্যাঁ । আর তাছাড়া এখানে আপনি ছাড়া আশেপাশে আর কেউ নেই ।
:ওহ...তো কিছু বলবেন ?
:ক্যামেরাটা আমাকে দিন । আমি ছবি তুলে দিচ্ছি ।
:থেঙ্কস । কিন্তু আমি কি আপনার হেল্প চেয়েছি ?
:না চাননি । কিন্তু আপনার অসুবিধা হচ্ছে দেখে এলাম ।
:সরি লাগবে না ।
:ভয় নেই । আমি চোর না ।
প্রিয়তা দেখলো আশে পাশে কেউ নেই । জায়গাটা অপরিচিত । ছেলেটাও অপরিচিত । দেখে অবশ্য ভালই মনে হচ্ছে । তারপরও এত সুন্দর একটা জায়গায় ছবি তুলতে পারছে না দেখে ক্যামেরাটা দিল ।
:নিন । ধন্যবাদ ।
:ওপাশটায় চলুন । জোয়ার আসছে । পানি ভয় পান নাকি ?
:হা হা । ভয় পেলে কি এখানে আসতাম !

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 12 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 31, 2013 - 10:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর