নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আরণ্যক রাখাল
  • রুদ্র মাহমুদ
  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

মন্ত্রী সুখটান দিলেই দোষ আর বাপে টান মারলে সাধু


গত দু'দিন থেকে একটি ব্যাপার ফেসবুকসহ সব মিডিয়াতে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে ।
"সংবর্ধনায় এসে সমাজকল্যান মন্ত্রির প্রকাশ্যে ধুমপান"
মন্ত্রির নাম সৈয়দ মহসিন আলী । তিনি মৌলভীবাজার-৩ আসনের সাংসদ ।

বিষন্ন প্যারিস


তুমি বরং আমাকে নিভিয়ে দাও
রাত্রির অন্ধকারের মত ।
আর জ্বালিয়ো না আগুন
আমি ফানুস নয়, মানুষ ।

আমার হাতে সামান্য একটা
গীটারের পিক-
আমি শুধু টুং-টাং শব্দ করতে পারি ।
বাঁশিতে ফু দিয়ে আনতে পারি

দালালি যখন ক্রিকেটেও


আজ থেকে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট পুরোপুরি বর্জন করলাম ...
ব্যাক্তিগত ভাবে আমি ইন্ডিয়ান ক্রিকেট এবং ইন্ডিয়ান ক্রিকেটিয়ো অ্যাটিচিয়ুড প্রচন্ড অপছন্দ করতাম করি । বাংলাদেশের ক্রিকেটকে প্রথম থেকেই গোনায় ধরতো না । এমনকি তাদের বেশকিছু খেলোয়াড় এই ব্যাপারটা পরিষ্কার করেছে ইতোমধ্যে । উদাহারণ হিসেবে বিরেন্দর শেবাগের নাম আমাদের সবার কাছেই পরিচিত । বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম নিয়ে তার সেই কুখ্যাত বক্তব্যের পরপরই আমাদের টিম ভারতকে বাঁশ দিয়েছিল উপহার হিসেবে ।

একটি কাল্পনিক প্রস্থান


সাদা কাপড়ের উপর মাথা রেখে তৃণা এখনো খুব কাঁদছে । কাপড়ের ভিতর আরেকটা আমি । ঘুমন্ত, চিরঘুমন্ত । পার্থিব ভাষায় যেটাকে বলে লাশ, মৃতদেহ সেটা । না না, জীবন্ত লাশ না । ওটা সত্যিকারের লাশ । ওই আমি আর কথা বলবো না । ওই আমি আর নিকোটিন হাতে বিপ্লবের কথা বলবো না, আর কবিতা লিখবোনা । মধ্যরাতে হঠাৎ জেগে উঠে অবাক হয়ে পঞ্চমীর চাঁদ দেখবো না আর । ওই আমি আর বৃষ্টিস্নানে যাব না, বৃষ্টিভেজা কদম তুলতে যাব না । ওই আমি পার্থিব ছেড়ে এখন অপার্থিবের দ্বারে । আমার সব উল্লাস কেড়ে নিয়েছে ওই ঐশ্বরিক শক্তি ।

চাদর মোড়া শীত আর আমি (পর্ব ২)


#নানুবাড়ি
খুব বেশি হয়তো নয় তবু আমার প্রায় সব শীতের কোনো না কোন অংশ কেটেছে নানুবাড়িতে । আটোয়ারির রসেয়া । জেলা পঞ্চগড় । হিমালয় কন্যা । সাইকেল কিংবা মোটরসাইকেল নিয়েই এখান থেকে হিমালয় যাওয়া সম্ভব । তাই এখানে শীতকালটা কেমন তা সহজেই অনুমতি হওয়ার কথা ।

সেই ছোটবেলা থেকে প্রতি শীতেই যেতাম নানুবাড়িতে । আর শীতের আকর্ষন, পিঠা তো প্রতিদিনই থাকতো । মামা খালামণিরা সেসময় আসতো নানুবাড়িতে । সকালে ঘুম থেকে উঠিয়ে পিঠা খাওয়ার জন্য সবাই যুদ্ধ লাগিয়ে দিত । পাটিসাপটা পিঠা আমার খুব পছন্দের । নানু সবসময় আমার জন্য আলাদা করে রেখে দিত ।

চাদর মোড়া শীত আর আমি (পর্ব ১)


‬কুয়াশার চাদর গায়ে দিয়ে আসে শীত ।
শীত আর শীতরাতের সাথে আমার কিছু বিশেষ ভালবাসা আছে ।শীতের রাত আর ভোরগুলো আমার কাছে অন্যরকম । খুব নিবিড় সম্পর্ক । অন্যান্য ঋতুর স্মৃতিগুলো খুব কম মনে আছে । কিন্তু শীতের স্মৃতিগুলো ঠিকঠাক মনে আছে । কিছু স্মৃতি রোমন্থন করি । তবে বেশি পুরনোতে গেলাম না ।

‪#‎শীত_ভোর

ফানুস


যাদুর শহরে অগোছালো ফানুস ভাসে
নিয়ন ভেজা পথে কখনও;
এসে স্পর্শ করে যায়,
শরীরে,নিউরনে ধাক্কা মেরে যায়-
কখনও সরে যেতে বলে পথ থেকে,
দৈত্য পাজেরো বা মার্সিডিজের হর্ণ এর মত ।
যেন বসুন্ধরা গেট অথবা
বিজয় স্মরণীর জ্যামে আটকা পড়েছি ।
যাদুর শহরে অগোছালো ফানুস ভাসে
সাত নাম্বার গাড়ির মত ক্ষণে ক্ষণে ।

তবে অনেক চোখের আড়ালে কিছু ফানুস
লুকিয়ে রেখেছি সন্তর্পনে, খুব সন্তর্পনে ।
একদিন ভাসিয়ে দেবো তোমার কাজল্মাখা চোখের সামনে দিয়ে ।
চাইলে তোমাকেও এনে দিতে পারি একশ ফানুস
তুমিও পারো ওড়াতে
অথবা পারো তোমার ঘর আলো করে রাখতে ।

আমি পারিনা ফানুসে ঘর সাজাতে

নতুন যুদ্ধ


চোখ মেলে অন্ধকার দেখলাম ।
আমরা এখনও নৌকায় । চাঁদের আলোয় নদীর পানি চিকচিক করছে । দূরের একপাশটা লাল হয়ে আছে । ওটা আমাদের গ্রাম । আগুনে জ্বলছে । শান্তিবাহিনীর লোকেরা পুড়িয়ে দিয়েছে । ওরা মানুষ নয়,পশু রাজাকার ।
আপুর কাঁধে মাথা রেখে আছি । কাল রাতের দৃশ্যগুলো এখনও চোখের সামনে ভাসছে । খেতে বসেছিলাম বাবা-মা,আপু সহ । হঠাৎ বাইরে থেকে কে যেন বাবার নাম ধরে ডেকে উঠলো । গলার স্বর শুনে বুঝতে পারলাম ওটা কলিম চাচা । দরজা খুলে বাবা বাইরে গেল । বাবা বের হওয়ার পর কিছু কথা শোনা গেল আর তারপর শোনা গেল একটা পরিচিত আওয়াজ । ঠাঠা...ঠা...ঠা...ঠা... গুলির আওয়াজ । তারমানে বাবাকে ওরা......

বিজয় দিবস আর নগ্নতার পদধূলি


দেখতে দেখতে আরেকটা বিজয় দিবস এসে কড়া নাড়ছে । ৪৩ তম বিজয় দিবস পার করেই ফেললাম । কিন্তু প্রাণ ভরে বিজয়ের স্বাদ এখনো নিতে পারলাম না । এখনও রাজাকারেরা এই বাংলার মাটিতে জুতার ছাপ ফেলে হেঁটে বেড়ায় স্বদর্পে । এখনো জামাত-শিবির বীরদর্পে এদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশিষ্টতার পরিচয়ে হানা দেয় । আজো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটা সংবিধান প্রতিষ্ঠা করতে পারলাম না ।
প্রথম বিজয়ের মাসে আমরা মোটামুটি সুন্দর একটা সংবিধান তৈরি করে নতুন এক বিজয় পেয়েছিলাম । কিন্তু বেশিদিন ধরে রাখতে পারলাম না । ‘৭৫ সালে বিজয়টাকে আরেকটু নিচে নামানো হল । ঘাতক দল এদেশ তৈরির কারিগর বঙ্গবন্ধুকে ফিরিয়ে দিল পাতালপুড়িতে ।

জোৎস্নাস্নান


:কি ব্যাপার ! চুপ করে আছো কেন ? কিছু বল !
:কি বলবো ? সুমন্ত আমি আর পারছি না । বাসা থেকে বিয়ের জন্য পচুর চাপ দিচ্ছে । কিছু একটা করো না প্লিজ ।
:কি করবো আমি বল ! তোমার বাবা মা আমাকে মানছে না । আর তুমি ভালমতই জানো এরচেয়ে ভালো চাকুরি করা আমার পক্ষে এখন সম্ভব নয় ।
:বাবা মা কে কিছুতেই রাজি করাতে পারছি না । ওই ছেলেকে না দেখেই তাদের পছন্দ ।
:নীলা ! একটা বুদ্ধি দেই ?
:'কি ?'-নীলার চোখ চকচক করে উঠলো ।
:তুমি ওই ছেলেকেই বিয়ে করে ফেল ।
:হুহ...তুমি মানুষ হলে না । আমি এদিকে টেনশনে মরে যাচ্ছি । আর তুমি !
:হা হা হা ...
:তোমার হাসিও পাচ্ছে !
:কাঁদবো নাকি !

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 3 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 31, 2013 - 10:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর