নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিজ্ঞানী ইস্বাদ
  • মূর্খ চাষা
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • সৈকত চৌধুরী
  • রুদ্র মাহমুদ
  • মিশু মিলন
  • কিন্তু
  • সুব্রত শুভ
  • রেবেল ওয়ারিয়র ব...

নতুন যাত্রী

  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য
  • নেইমানুষ
  • পরাজিত শুভ
  • এম আরিফুল ইসলাম
  • উর্বি
  • আবু সাঈদ সাব্বির
  • তাইয়েব হোসেন জনি
  • আনিকেত সবুছ

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

কখনো সাধ জাগে


কখনো কখনো সাধ জাগে-
মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা
ভেঙে খান খান করে দিয়ে
কিছু "তুমি"-হীন দীর্ঘশ্বাস ফেলি।

কখনো কখনো সাধ জাগে-
মধ্যরাতে কোন চিলেকোঠায় জ্বালানো
টিমটিমে লন্ঠনটাকে অব্যর্থ-
কোন নিশানা দিয়ে ভেঙে চূড়মার করে,
রাত্রিটাকে আরো গাঢ় অন্ধকারে ডুবিয়ে দিই।

মেঘ-বৃষ্টি


চারপাশটা কেমন জানি স্বপ্নময়। স্বপ্নের মতো ক্ষুধাও আমাদের চারপাশে।“ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী যেন গদ্যময়,পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।” আমাদের প্রতিটা রাজ্য-সামাজ্য এই ক্ষুধা দিয়েই ঘেরা।দুটোই একসুত্রে গাঁথা।
স্বপ্নময়,ক্ষুধাময় একটা সকাল।
অনিচ্ছা স্বতেও শেষবারের মতো চোখ দুটো খুলতে হল। সকালের আলোয় চোখ মিটমিট করে ওঠে। মুখ দিয়ে দুটো বিরক্তিসূচক শব্দ উচ্চারণ করে কমদামি চায়না মুঠোফোনটাতে একবার চোখ বুলালো ইমরান। সকাল ১০টা।

মন্ত্রী সুখটান দিলেই দোষ আর বাপে টান মারলে সাধু


গত দু'দিন থেকে একটি ব্যাপার ফেসবুকসহ সব মিডিয়াতে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে ।
"সংবর্ধনায় এসে সমাজকল্যান মন্ত্রির প্রকাশ্যে ধুমপান"
মন্ত্রির নাম সৈয়দ মহসিন আলী । তিনি মৌলভীবাজার-৩ আসনের সাংসদ ।

বিষন্ন প্যারিস


তুমি বরং আমাকে নিভিয়ে দাও
রাত্রির অন্ধকারের মত ।
আর জ্বালিয়ো না আগুন
আমি ফানুস নয়, মানুষ ।

আমার হাতে সামান্য একটা
গীটারের পিক-
আমি শুধু টুং-টাং শব্দ করতে পারি ।
বাঁশিতে ফু দিয়ে আনতে পারি

দালালি যখন ক্রিকেটেও


আজ থেকে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট পুরোপুরি বর্জন করলাম ...
ব্যাক্তিগত ভাবে আমি ইন্ডিয়ান ক্রিকেট এবং ইন্ডিয়ান ক্রিকেটিয়ো অ্যাটিচিয়ুড প্রচন্ড অপছন্দ করতাম করি । বাংলাদেশের ক্রিকেটকে প্রথম থেকেই গোনায় ধরতো না । এমনকি তাদের বেশকিছু খেলোয়াড় এই ব্যাপারটা পরিষ্কার করেছে ইতোমধ্যে । উদাহারণ হিসেবে বিরেন্দর শেবাগের নাম আমাদের সবার কাছেই পরিচিত । বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম নিয়ে তার সেই কুখ্যাত বক্তব্যের পরপরই আমাদের টিম ভারতকে বাঁশ দিয়েছিল উপহার হিসেবে ।

একটি কাল্পনিক প্রস্থান


সাদা কাপড়ের উপর মাথা রেখে তৃণা এখনো খুব কাঁদছে । কাপড়ের ভিতর আরেকটা আমি । ঘুমন্ত, চিরঘুমন্ত । পার্থিব ভাষায় যেটাকে বলে লাশ, মৃতদেহ সেটা । না না, জীবন্ত লাশ না । ওটা সত্যিকারের লাশ । ওই আমি আর কথা বলবো না । ওই আমি আর নিকোটিন হাতে বিপ্লবের কথা বলবো না, আর কবিতা লিখবোনা । মধ্যরাতে হঠাৎ জেগে উঠে অবাক হয়ে পঞ্চমীর চাঁদ দেখবো না আর । ওই আমি আর বৃষ্টিস্নানে যাব না, বৃষ্টিভেজা কদম তুলতে যাব না । ওই আমি পার্থিব ছেড়ে এখন অপার্থিবের দ্বারে । আমার সব উল্লাস কেড়ে নিয়েছে ওই ঐশ্বরিক শক্তি ।

চাদর মোড়া শীত আর আমি (পর্ব ২)


#নানুবাড়ি
খুব বেশি হয়তো নয় তবু আমার প্রায় সব শীতের কোনো না কোন অংশ কেটেছে নানুবাড়িতে । আটোয়ারির রসেয়া । জেলা পঞ্চগড় । হিমালয় কন্যা । সাইকেল কিংবা মোটরসাইকেল নিয়েই এখান থেকে হিমালয় যাওয়া সম্ভব । তাই এখানে শীতকালটা কেমন তা সহজেই অনুমতি হওয়ার কথা ।

সেই ছোটবেলা থেকে প্রতি শীতেই যেতাম নানুবাড়িতে । আর শীতের আকর্ষন, পিঠা তো প্রতিদিনই থাকতো । মামা খালামণিরা সেসময় আসতো নানুবাড়িতে । সকালে ঘুম থেকে উঠিয়ে পিঠা খাওয়ার জন্য সবাই যুদ্ধ লাগিয়ে দিত । পাটিসাপটা পিঠা আমার খুব পছন্দের । নানু সবসময় আমার জন্য আলাদা করে রেখে দিত ।

চাদর মোড়া শীত আর আমি (পর্ব ১)


‬কুয়াশার চাদর গায়ে দিয়ে আসে শীত ।
শীত আর শীতরাতের সাথে আমার কিছু বিশেষ ভালবাসা আছে ।শীতের রাত আর ভোরগুলো আমার কাছে অন্যরকম । খুব নিবিড় সম্পর্ক । অন্যান্য ঋতুর স্মৃতিগুলো খুব কম মনে আছে । কিন্তু শীতের স্মৃতিগুলো ঠিকঠাক মনে আছে । কিছু স্মৃতি রোমন্থন করি । তবে বেশি পুরনোতে গেলাম না ।

‪#‎শীত_ভোর

ফানুস


যাদুর শহরে অগোছালো ফানুস ভাসে
নিয়ন ভেজা পথে কখনও;
এসে স্পর্শ করে যায়,
শরীরে,নিউরনে ধাক্কা মেরে যায়-
কখনও সরে যেতে বলে পথ থেকে,
দৈত্য পাজেরো বা মার্সিডিজের হর্ণ এর মত ।
যেন বসুন্ধরা গেট অথবা
বিজয় স্মরণীর জ্যামে আটকা পড়েছি ।
যাদুর শহরে অগোছালো ফানুস ভাসে
সাত নাম্বার গাড়ির মত ক্ষণে ক্ষণে ।

তবে অনেক চোখের আড়ালে কিছু ফানুস
লুকিয়ে রেখেছি সন্তর্পনে, খুব সন্তর্পনে ।
একদিন ভাসিয়ে দেবো তোমার কাজল্মাখা চোখের সামনে দিয়ে ।
চাইলে তোমাকেও এনে দিতে পারি একশ ফানুস
তুমিও পারো ওড়াতে
অথবা পারো তোমার ঘর আলো করে রাখতে ।

আমি পারিনা ফানুসে ঘর সাজাতে

নতুন যুদ্ধ


চোখ মেলে অন্ধকার দেখলাম ।
আমরা এখনও নৌকায় । চাঁদের আলোয় নদীর পানি চিকচিক করছে । দূরের একপাশটা লাল হয়ে আছে । ওটা আমাদের গ্রাম । আগুনে জ্বলছে । শান্তিবাহিনীর লোকেরা পুড়িয়ে দিয়েছে । ওরা মানুষ নয়,পশু রাজাকার ।
আপুর কাঁধে মাথা রেখে আছি । কাল রাতের দৃশ্যগুলো এখনও চোখের সামনে ভাসছে । খেতে বসেছিলাম বাবা-মা,আপু সহ । হঠাৎ বাইরে থেকে কে যেন বাবার নাম ধরে ডেকে উঠলো । গলার স্বর শুনে বুঝতে পারলাম ওটা কলিম চাচা । দরজা খুলে বাবা বাইরে গেল । বাবা বের হওয়ার পর কিছু কথা শোনা গেল আর তারপর শোনা গেল একটা পরিচিত আওয়াজ । ঠাঠা...ঠা...ঠা...ঠা... গুলির আওয়াজ । তারমানে বাবাকে ওরা......

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 7 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 1, 2013 - 4:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর