নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • জীহান রানা
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • জয়বাংলা ১৯৭১

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

ট্রয় যুদ্ধ


[প্যারিস পর্ব]
ট্রয়ের রাজা ছিলেন প্রায়াম। রাণীর নাম হেকুবা।
তাঁদের কোলজুড়ে জন্ম নিল দ্বিতীয় রাজপুত্র। প্রথম পুত্র বিখ্যাত তীরন্দাজ হেক্টর। দ্বিতীয় সন্তান জন্মানোর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে রাণী হেকুবা স্বপ্নি দেখলেন, "এই শিশুটি ট্রয় নগরীতে একটি অগ্নিশিখা আনতে যাচ্ছে।" জোতির্বিদদের কাছে সম্ভাব্য পরিণতির কথা জানতে পেরে রাজা ও রাণী সন্তানটিকে ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেন, কিন্তু তাকে হত্যা করতেও দ্বিধান্বিত ছিলেন। তাই রাজা প্রায়াম সন্তানটিকে "আইডা পর্বতে" রেখে এলেন। এক কৃষক সন্তানটিকে পান। সে আকর্ষণীয় ও সুদর্শন এই শিশুটিকে লালন-পালন করতে থাকে। শিশুটির নাম হয় "প্যারিস।"

"আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হব" (দ্বিতীয় পর্ব)


তারাও ছিল। গোয়েন্দা বিভাগের চাকুরে মাহমুদের কথাগুলো তেমনই ছিল- "যাকগে আমাদের ওসব নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। কর্তারা যা করার করবে। যদি বলে ধরো, ধরব। যদি বলে ছাড়ো, ছাড়ব। যদি বলে মারো, মারব। আমাদের কি ভাই, টাকা পাই-চাকরি করি।"

"আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হব" (পর্ব ১)


"শহরে তখন গভীর উত্তেজনা। লালবাগে সিপাহীরা যেকোন মুহূর্তে বিদ্রোহ করবে। যে কয়টি ইংরেজ পরিবার ছিল তারা স্বভয়ে আশ্রয় নিল বুড়িগঙ্গার তীরে গ্রীনবোটে।
খবর পেয়ে যথাসময়ে বৃটিশ মেরিনের সেনারা এসে পৌঁছেছিল। তারা শহরের এ অংশটা দখল করে তাবু ফেলেছিল এখানে। সে থেকে এর নাম হয়েছিল আন্ডারগোরা ময়দান। লোকে বলত আন্ডারগোরার ময়দান।
শেষ রাতে লালবাগে নিরস্ত্র সেপাহীদের ওপর অতর্কিতে আক্রমণ করেছিল তারা। মানুষের রক্তে লালবাগের মাটি লাল হয়ে উঠে। কিছু সেপাহী মার্চ করে পালিয়ে যায় ময়মনসিংহের দিকে। যারা ধরা পড়ে, তাদের ফাসি দেয়া হয় আন্ডারগোরার ময়দানে। মৃত দেহগুলো ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল গাছের ডালে ডালে।"

এক বৈশাখে


বৈশাখের কোন এক সন্ধ্যা।
আকাশটা কেমন জানি লাল হয়ে আছে। কালবোশেখি ঝড় উঠেছে। অল্প না, ভাল রকমই ঝড় হচ্ছে। কালবোশেখির সময়গুলো বেশ সুন্দর। বছরে ক'টা দিনই বা এমন দেখা যায়!!!
ক্লাস শেষে ওরা কয়েকজন বন্ধু একসাথে আড্ডা দিচ্ছে ক্যাম্পাসে।

: তুই কি তাহলে ফাইনাল ডিসিশন নিয়ে নিয়েছিস?
: হুম
: অনন্য, এখনও সময় আছে, আরেকটু ভেবে দেখ। তোর এত ঠেকা পড়েনি যে তোকে দেশের বাইরে যেতেই হবে।
: আমি আর ভাবতে চাচ্ছি না।
: কেন?
: সুমন দেখ, আমি এই অবস্থায় থাকতে পারছি না। আমি পারব না।

গানের কথা- ২ অঞ্জন দত্ত


"পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোঁড়া করে দেবো/বলেছে পাড়ার দাদারা
অন্য পাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই/রঞ্জনা আমি আর আসব না..."
অতি পরিচিত দুটো প্রিয় গানের কলি। আমার একারই না অনেকেরই।
গায়কের নামটা আরো পরিচিত। "অঞ্জন দত্ত"

""১৯৯৮-৯৯ সালের কথা। হঠাৎ একদিন আব্বু নতুন কম্পিউটার নিয়ে গেল বাসায়। উদ্দেশ্য ব্যাবসার কাজ সহজ করার জন্য। আমার বয়স তখন ৫ কি ৬। কম্পিউটার আনা হল ঠিকই, কিন্তু তা ব্যাবসার কাজে না এসে, সারাদিন ভর চলত গানবাজনা। বাপ সৌখিন মানুষ। তারওপর সংগীত-চলচ্চিত্র নিয়ে ব্যাপক জ্ঞান।

স্মৃতিতে বিশ্বকাপ ফুটবল


'৯৮ এর বিশ্বকাপ ফাইনাল। আয়োজক ফ্রান্স।
ফাইনাল খেলছে ব্রাজিল আর ফ্রান্স। ফ্রান্সের তারকা জিদান। আর ব্রাজিলের রোনালদো, কাফু, কার্লোস।
ফুটবল খেলাটা কি তখনো ঠিকমত বুঝিনা। টিভিতে শুধু দেখি কয়েকটা মানুষ বল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছে। টিম বা সাপোর্ট বুঝিনা। তো ফাইনাল খেলার দিন আমি নানুবাসায়। খেলা দেখছি বড়দের পাশে বসে। একসময় নানু জিজ্ঞেস করলো আমি কোন দল??? ব্রাজিলের হলুদ জার্সি, হলুদ মোজা। ফ্রান্সের নীল আর সাদা। বেশ রঙচঙে দেখে বলে দিলাম, "ওইটা..।" ওইটা ছিল "ব্রাজিল।"
সেবার ব্রাজিল রানার্স-আপ হল। ফ্রান্স চ্যাম্পিয়ন।

২০০২ বিশ্বকাপ। আয়োজক জাপান আর কোরিয়া যৌথভাবে।

সেই নামটি


বিশালতা ছাঁড়িয়ে এখন তা
শুধুমাত্র একটি নাম।
অরণ্যের আকাশ ফেলে রেখে
এখন শুধু বেঁচে রয়েছে
সার্চ বাটনের পাশের বাক্সে।
তবুও তা হঠাৎ করে
ব্যস্তদিন শেষে দেখতে পাওয়া
মেঘলা পূর্ণিমার মত।

গানের কথা- ১


♪রবীন্দ্র সংগীত

হঠাৎ মাথায় এল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যদি না আসতেন, রবীন্দ্র সংগীত যদি না-ই থাকত, তবে কি হত...???
সহজ কথায় বললে বলা যায়, ভালবাসা-প্রেম এসব একটু বেশি স্প্যাশাল বা মধুর আর লাগত না। সন্ধ্যার মেঘমালার সাথে প্রিয়জনের তুলনা হত না এখনকার মত কিংবা কখনো মনে প্রশ্ন জাগত না, "সখী ভালবাসা কারে কয়।"
অনেকেই অনেক কথাই বলবে জানি। কেউ হয়ত বলবে কিছুই হত। জীবন ঠিকই চলতে, সন্ধ্যার মেঘ ভাল লাগত। কিন্তু আসলে কি তাই..??? আমার মনে হয় না।

বটগাছ সমাচার


আচ্ছা এককথায় বলতে গেলে আমাদের দেশের সবচেয়ে সুবিখ্যাত গাছগুলো কি কি???
-বটগাছ
-অশ্বথ গাছ...
এইতো নাকি?? আমাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষগুলোর মধ্যে এগুলোই বলা চলে। আর বটতলায় "পহেলা বৈশাখ" কিংবা "বসন্তবরণ" উৎসবের আরেক রীতি আমাদের বাঙলায় চলে আসছে বহু আগে থেকেই। রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান কমবেশি আমাদের সকলের কাছে পরিচিত। সেদিনটায় সবাই যে ওখানেই ছুটে যায় লাল-কমলার বাহার নিয়ে।

উত্তরবঙ্গের ভারত সীমান্ত ঘেঁষে ঠাকুরগাঁও জেলা অবস্থিত। একসময়কার নানা প্রতাপশালী ঠাকুর পরিবারের আবাস ছিল এই জেলা জুড়ে। ঐতিহ্যগত দিক দিয়ে দেশের অন্যান্য জেলা কিংবা অঞ্চলগুলোর থেকে পিছিয়ে নেই।

ওঁম ভক্তি ওঁম


হায়দার বাবা ওরফে ময়লা বাবা ওরফে হাঁটা বাবাকে আমরা সবাই কমবেশি চিনি। মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে তার দরবার। গত মার্চের ১৪ অথবা ১৩ তারিখ তিনি মারা যান।
আজ কিছু কথা বলতে ইচ্ছা করছে তাকে এবং তার মুরিদদের নিয়ে। ময়লা বাবা মারা যাওয়ার পর দেখলাম আমাদের কতিপয় সমাজের মধ্যে নোংরামি আর ভন্ডামিটা কি প্রকট আকারে ধারণ করেছে। লাশ নিয়েও চলে সেইতরকম ব্যাবসা। লোকজন যাকে "বাবা" বলে ডাকে তার লাশ নিয়েই ব্যাবসা। "মাজারী ব্যাবসা।"

শুনেছি, হায়দার বাবার লাশের দাম পাঁচ কোটি টাকা উঠেছিল!!!!!!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 1 দিন ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 1, 2013 - 4:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর