নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আরণ্যক রাখাল
  • রুদ্র মাহমুদ
  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

স্মৃতিতে বিশ্বকাপ ফুটবল


'৯৮ এর বিশ্বকাপ ফাইনাল। আয়োজক ফ্রান্স।
ফাইনাল খেলছে ব্রাজিল আর ফ্রান্স। ফ্রান্সের তারকা জিদান। আর ব্রাজিলের রোনালদো, কাফু, কার্লোস।
ফুটবল খেলাটা কি তখনো ঠিকমত বুঝিনা। টিভিতে শুধু দেখি কয়েকটা মানুষ বল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছে। টিম বা সাপোর্ট বুঝিনা। তো ফাইনাল খেলার দিন আমি নানুবাসায়। খেলা দেখছি বড়দের পাশে বসে। একসময় নানু জিজ্ঞেস করলো আমি কোন দল??? ব্রাজিলের হলুদ জার্সি, হলুদ মোজা। ফ্রান্সের নীল আর সাদা। বেশ রঙচঙে দেখে বলে দিলাম, "ওইটা..।" ওইটা ছিল "ব্রাজিল।"
সেবার ব্রাজিল রানার্স-আপ হল। ফ্রান্স চ্যাম্পিয়ন।

২০০২ বিশ্বকাপ। আয়োজক জাপান আর কোরিয়া যৌথভাবে।

সেই নামটি


বিশালতা ছাঁড়িয়ে এখন তা
শুধুমাত্র একটি নাম।
অরণ্যের আকাশ ফেলে রেখে
এখন শুধু বেঁচে রয়েছে
সার্চ বাটনের পাশের বাক্সে।
তবুও তা হঠাৎ করে
ব্যস্তদিন শেষে দেখতে পাওয়া
মেঘলা পূর্ণিমার মত।

গানের কথা- ১


♪রবীন্দ্র সংগীত

হঠাৎ মাথায় এল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যদি না আসতেন, রবীন্দ্র সংগীত যদি না-ই থাকত, তবে কি হত...???
সহজ কথায় বললে বলা যায়, ভালবাসা-প্রেম এসব একটু বেশি স্প্যাশাল বা মধুর আর লাগত না। সন্ধ্যার মেঘমালার সাথে প্রিয়জনের তুলনা হত না এখনকার মত কিংবা কখনো মনে প্রশ্ন জাগত না, "সখী ভালবাসা কারে কয়।"
অনেকেই অনেক কথাই বলবে জানি। কেউ হয়ত বলবে কিছুই হত। জীবন ঠিকই চলতে, সন্ধ্যার মেঘ ভাল লাগত। কিন্তু আসলে কি তাই..??? আমার মনে হয় না।

বটগাছ সমাচার


আচ্ছা এককথায় বলতে গেলে আমাদের দেশের সবচেয়ে সুবিখ্যাত গাছগুলো কি কি???
-বটগাছ
-অশ্বথ গাছ...
এইতো নাকি?? আমাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষগুলোর মধ্যে এগুলোই বলা চলে। আর বটতলায় "পহেলা বৈশাখ" কিংবা "বসন্তবরণ" উৎসবের আরেক রীতি আমাদের বাঙলায় চলে আসছে বহু আগে থেকেই। রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান কমবেশি আমাদের সকলের কাছে পরিচিত। সেদিনটায় সবাই যে ওখানেই ছুটে যায় লাল-কমলার বাহার নিয়ে।

উত্তরবঙ্গের ভারত সীমান্ত ঘেঁষে ঠাকুরগাঁও জেলা অবস্থিত। একসময়কার নানা প্রতাপশালী ঠাকুর পরিবারের আবাস ছিল এই জেলা জুড়ে। ঐতিহ্যগত দিক দিয়ে দেশের অন্যান্য জেলা কিংবা অঞ্চলগুলোর থেকে পিছিয়ে নেই।

ওঁম ভক্তি ওঁম


হায়দার বাবা ওরফে ময়লা বাবা ওরফে হাঁটা বাবাকে আমরা সবাই কমবেশি চিনি। মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে তার দরবার। গত মার্চের ১৪ অথবা ১৩ তারিখ তিনি মারা যান।
আজ কিছু কথা বলতে ইচ্ছা করছে তাকে এবং তার মুরিদদের নিয়ে। ময়লা বাবা মারা যাওয়ার পর দেখলাম আমাদের কতিপয় সমাজের মধ্যে নোংরামি আর ভন্ডামিটা কি প্রকট আকারে ধারণ করেছে। লাশ নিয়েও চলে সেইতরকম ব্যাবসা। লোকজন যাকে "বাবা" বলে ডাকে তার লাশ নিয়েই ব্যাবসা। "মাজারী ব্যাবসা।"

শুনেছি, হায়দার বাবার লাশের দাম পাঁচ কোটি টাকা উঠেছিল!!!!!!

এখন মধ্যরাত


আকাশটা কেমন যে লাল
না না গোধুলী নয়,
এখন যে রাত।

সোডিয়ামের আলো
রাজপথ ছাড়িয়ে, মনে হয় যেন
আকাশজুড়ে ফানুসের ক্যানভাস,
এখন যে মধ্যরাত।

হঠাৎ বিরতি দিয়ে
রাতজাগা পাখিগুলো ডাকছেই।
হুতোম প্যাঁচাদের আনাগোনা
বাঁশ ঝাড়ের আড়ালে ঠিক আগেরই মত,
এখন যে মধ্যরাত।

ব্যস্ত দিন পেরিয়ে
মায়ের উষ্ণতায় শিশুটি ঠিকই ঘুমিয়ে আছে।
কিংবা ছোট্ট অভিমান নিয়ে
চোখের কাজল লেপ্টে বালিশে মাথা দিয়ে,
মেয়েটি আশ্চর্য নিরবতা নিয়ে চোখ বুঁজেছে,
এখন যে মধ্যরাত।

সূর্যমুখী ফুলগুলো নুইয়ে আছে-
আলো এলে তবে উঠে দাঁড়াবে।
কাঠালপাতার বাঁশি
নতুন সুর নিয়ে ডাকছে রাখালকে।
ঝি ঝি পোকারাও খেই হাঁরিয়েছে

কতটুকুই বা চেয়েছিলাম


কতটুকুই বা চেয়েছিলাম!
তেমন কিছু তো
চাইনি কখনো।
হালকা ঘ্রাণ বের হওয়া দুটো গোলাপ
লাল, হলুদ কিংবা সাদা
যেটা তোমার পছন্দ, কখনো তো চাইনি।
বলিনি যে, দিতে হবে
জারবালা, গ্ল্যাডিওলাস।

দেবী


ঘাড়ে যখন নিঃশ্বাস
বুঝে পিছে তাকালাম,
দেখি তুমি দাঁড়িয়ে আছো ।
হঠাৎ তোমাকে দেখে
অবাক হয়ে চুপ করে গেলাম ।
মুখে মিটমিট হাসি,
ঠোঁটে লিপস্টিকের কড়া ঘ্রাণ,
কপালে ছোট্ট একটা টিপ আর

কখনো সাধ জাগে


কখনো কখনো সাধ জাগে-
মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা
ভেঙে খান খান করে দিয়ে
কিছু "তুমি"-হীন দীর্ঘশ্বাস ফেলি।

কখনো কখনো সাধ জাগে-
মধ্যরাতে কোন চিলেকোঠায় জ্বালানো
টিমটিমে লন্ঠনটাকে অব্যর্থ-
কোন নিশানা দিয়ে ভেঙে চূড়মার করে,
রাত্রিটাকে আরো গাঢ় অন্ধকারে ডুবিয়ে দিই।

মেঘ-বৃষ্টি


চারপাশটা কেমন জানি স্বপ্নময়। স্বপ্নের মতো ক্ষুধাও আমাদের চারপাশে।“ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী যেন গদ্যময়,পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।” আমাদের প্রতিটা রাজ্য-সামাজ্য এই ক্ষুধা দিয়েই ঘেরা।দুটোই একসুত্রে গাঁথা।
স্বপ্নময়,ক্ষুধাময় একটা সকাল।
অনিচ্ছা স্বতেও শেষবারের মতো চোখ দুটো খুলতে হল। সকালের আলোয় চোখ মিটমিট করে ওঠে। মুখ দিয়ে দুটো বিরক্তিসূচক শব্দ উচ্চারণ করে কমদামি চায়না মুঠোফোনটাতে একবার চোখ বুলালো ইমরান। সকাল ১০টা।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 3 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 31, 2013 - 10:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর