নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ফারজানা সুমনা
  • মিনহাজ

নতুন যাত্রী

  • অরুণাভ দে
  • পাহাড়ের উপমানুষ
  • পুরানো ঘড়ি
  • স্বর্ণ সুমন
  • হেজিং
  • মং চিং প্রু
  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

কিছু স্বপ্ন অথবা স্বপ্নভঙ্গের গান


"আছে বইয়ের ভেতর ভূত,
আছে মোঘল আর রাজপুত
ছেড়ে দিন প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন..."
গানটা ওপার বাংলার, আমাদের খুব পরিচিতই বলা চলে। আজ গান নিয়ে কথা বলব না। একটু আবেগের কথা বলব। ভালবাসার না, স্বপ্নের।

আসলে আমি জানি শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় আমার এখনো আসেনি। অত মহান বা বিখ্যাত কেউ আমি নই। বিখ্যাত হতাম যদি আমি ঢাবি বা বুয়েটের (!!!) একজন স্নাতক হতাম। তবুও কিছু বলার থেকে যায়, ভিতর থেকে অস্ফুট আর্তনাদ হিসেবে বেরিয়ে আসে। আমি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গালাগালিও করব না। পড়াশুনা করে যদি খুব ভাল অবস্থায় যেতাম তবেই তা করার যোগ্যতা আমার হত। একটু সিস্টেম নিয়ে কথা বলি।

তুমি এবং অন্ধকার


কখনো পড়েছো অন্ধকারের পদাবলী?
তোমারগুলোর কথা বলছি না,
না না, আমার গুলোর কথাও না।
হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার সুর শুনতে পাও?
ওটা কিন্তু জঞ্জাল ভাগানোর!
আর এ অন্ধকার?
মনে করো, উউমম-
হাতে থাকা পানির গ্লাসটা ভেঙে দিলে আঁছড়ে!
ভাঙা কাচে পা কেঁটেছে?
ও কিছু না।
আমার চোখ জ্বলছিল
তোমার আচলের ভাব তবু নেয়া হয়নি,
নাকি দাওনি?

হিজলের বনে রাতের আলো খেলা করে
কুয়াশা বাতাসে ম্লান হয়ে যায় নিস্তব্ধতা,
ক্লান্ত ঠোঁট খোঁজে নিকোটিন।
দম বন্ধ হয়ে আসে তবু,
দম বন্ধ হয়ে আসে আজকাল।

নীল আকাশ অথবা গিটারের ছ'টি তার


: এই নে তোর কফি। এবার ওঠ তো বিছানাটা থেকে
: উমমম মা... উঠতে ইচ্ছে করে না তো
: ভার্সিটিতে গেলি না কেন? কিছু হয়েছে নাকি!
: কিসু না। ইম্পর্টেন্ট ক্লাস নাই কোন।
: হয়েছে এবার ওঠ। কফি ঠাণ্ডা হয়ে গেল।
: হুম উঠছি......
গরম কফির মগটা হাতে নিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল অপর্ণা। শীত আসছে। হালকা ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগছে। বারান্দায় সকালের মিষ্টি রোদের হালকা আভা। গোলাপের গাছটায় নতুন দু'টো ফুল ফুটেছে। ফুল দু'টোর কাছে গিয়ে ঘ্রাণ নিল ও। পুরো ঢাকা শহরে সারাদিন ভীড়ভাট্টা থাকলেও ধানমন্ডি ১৫ এর ভিতর পাশটা বেশ নিরিবিলিই থাকে। গাছপালাও আছে অনেক। চারপাশে একধরণের স্নিগ্ধতা আছে। খুব সুন্দর একটা সকাল।

কিছু চিৎকার এবং শেষ


সেই কবে শেষ কবিতা লেখার
খাতাটা খুলেছিলাম,
মনে নেই।
শেষ গল্প লেখার খাতাটা!
উহু, তাও মনে নেই।
কবিতার শব্দগুলো আগের মত
রোজ রোজ ধরা দেয় না,
কিংবা আমিই খুঁজি না হয়ত।

বয়কট Nestle! নাকি Israel???


"হারিয়েছে মানবতা
ছেঁড়া, অর্ধনগ্ন রক্তাক্ত বসনে
মোড়ানো শিশু আজ গাজা প্রান্তরে..."
হঠাৎ যে ইজরায়েলের কি হল বুঝতে পারছি না। হঠাৎ কেন তারা রক্তাক্ত খেলায় মেতে উঠল! ফিলিস্তিনের উপর ইজরায়েলের এই অত্যাচারটা সবসময়ই ছিল। আজ নতুন কিছু নয়। ইজরায়েল ছোট্ট একটা দেশ। কিন্তু আম্রিকা সাম্রাজ্যবাদী চক্রের সহায়তায় আজ বিশ্বের পরাশক্তিদের সাথে ইজরায়েলের নামটাও উচ্চারিত হয়। আজ ইজরায়েল নিজেরাই গোলাবারুদ তৈরি করতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশ তাদের বয়কট করার পরওও তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন থেমে নেই।

...


আজ নীলিমা'র মন খারাপ।
মেঘলা দিন। পড়ন্ত বিকেলের আকাশটা তখন কাল বর্ণ ধারণ করেছে। অবাক বিস্ময়ে মেঘেরা ছুটোছুটি করছে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। কাল বোশেখীর ঝড়ের মত না হলেও এই বাতাসটাকে ঝড়ই বলা চলে।
ছ'তলার বড় জানলাটা থেকে ওর একজোড়া শান্ত চোখ দেখছে বাতাসের আন্দোলন। মাঠের কোণের ইউক্যালিপটাস গাছটা বেশ দোল খাচ্ছে। শূন্য মাঠে ঝড়ে পরা পাতাদের ছুটোছুটি যেন, হাই প্রোফাইল ফুটবল ম্যাচ।

আজ ওর মনটা একটু বেশিই খারাপ।

ট্রয় যুদ্ধ


[প্যারিস পর্ব]
ট্রয়ের রাজা ছিলেন প্রায়াম। রাণীর নাম হেকুবা।
তাঁদের কোলজুড়ে জন্ম নিল দ্বিতীয় রাজপুত্র। প্রথম পুত্র বিখ্যাত তীরন্দাজ হেক্টর। দ্বিতীয় সন্তান জন্মানোর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে রাণী হেকুবা স্বপ্নি দেখলেন, "এই শিশুটি ট্রয় নগরীতে একটি অগ্নিশিখা আনতে যাচ্ছে।" জোতির্বিদদের কাছে সম্ভাব্য পরিণতির কথা জানতে পেরে রাজা ও রাণী সন্তানটিকে ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেন, কিন্তু তাকে হত্যা করতেও দ্বিধান্বিত ছিলেন। তাই রাজা প্রায়াম সন্তানটিকে "আইডা পর্বতে" রেখে এলেন। এক কৃষক সন্তানটিকে পান। সে আকর্ষণীয় ও সুদর্শন এই শিশুটিকে লালন-পালন করতে থাকে। শিশুটির নাম হয় "প্যারিস।"

"আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হব" (দ্বিতীয় পর্ব)


তারাও ছিল। গোয়েন্দা বিভাগের চাকুরে মাহমুদের কথাগুলো তেমনই ছিল- "যাকগে আমাদের ওসব নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। কর্তারা যা করার করবে। যদি বলে ধরো, ধরব। যদি বলে ছাড়ো, ছাড়ব। যদি বলে মারো, মারব। আমাদের কি ভাই, টাকা পাই-চাকরি করি।"

"আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হব" (পর্ব ১)


"শহরে তখন গভীর উত্তেজনা। লালবাগে সিপাহীরা যেকোন মুহূর্তে বিদ্রোহ করবে। যে কয়টি ইংরেজ পরিবার ছিল তারা স্বভয়ে আশ্রয় নিল বুড়িগঙ্গার তীরে গ্রীনবোটে।
খবর পেয়ে যথাসময়ে বৃটিশ মেরিনের সেনারা এসে পৌঁছেছিল। তারা শহরের এ অংশটা দখল করে তাবু ফেলেছিল এখানে। সে থেকে এর নাম হয়েছিল আন্ডারগোরা ময়দান। লোকে বলত আন্ডারগোরার ময়দান।
শেষ রাতে লালবাগে নিরস্ত্র সেপাহীদের ওপর অতর্কিতে আক্রমণ করেছিল তারা। মানুষের রক্তে লালবাগের মাটি লাল হয়ে উঠে। কিছু সেপাহী মার্চ করে পালিয়ে যায় ময়মনসিংহের দিকে। যারা ধরা পড়ে, তাদের ফাসি দেয়া হয় আন্ডারগোরার ময়দানে। মৃত দেহগুলো ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল গাছের ডালে ডালে।"

এক বৈশাখে


বৈশাখের কোন এক সন্ধ্যা।
আকাশটা কেমন জানি লাল হয়ে আছে। কালবোশেখি ঝড় উঠেছে। অল্প না, ভাল রকমই ঝড় হচ্ছে। কালবোশেখির সময়গুলো বেশ সুন্দর। বছরে ক'টা দিনই বা এমন দেখা যায়!!!
ক্লাস শেষে ওরা কয়েকজন বন্ধু একসাথে আড্ডা দিচ্ছে ক্যাম্পাসে।

: তুই কি তাহলে ফাইনাল ডিসিশন নিয়ে নিয়েছিস?
: হুম
: অনন্য, এখনও সময় আছে, আরেকটু ভেবে দেখ। তোর এত ঠেকা পড়েনি যে তোকে দেশের বাইরে যেতেই হবে।
: আমি আর ভাবতে চাচ্ছি না।
: কেন?
: সুমন দেখ, আমি এই অবস্থায় থাকতে পারছি না। আমি পারব না।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 2 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 1, 2013 - 4:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর