নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ
  • নুর নবী দুলাল
  • সাজ্জাদুল হক
  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
  • হাসান নাজমুল
  • নরমপন্থী

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

শব্দ সমগ্র ০২


পঙতি ১০

কখনো মাঝরাতে বেড়ে যাচ্ছে বন্ধুত্ত্বের আহাজারি গুলো,
আসলে দেখতে দেখতে বড় হয়ে যাচ্ছি সবাই।
ঋজু পদক্ষেপের শিশুরাও আজ মাথা তুলে দাঁড়িয়ে বাঘ তাড়ায়
পূর্ণিমা রাতের হারিয়ে যাওয়া আজ বাতিলের খাতায় উপস্থিতি দেয় আর বন্ধুত্ত্ব, বন্ধু, বন্ধুরা
হারিয়ে গিয়ে নগ্ন হয়ে ভুলে যাচ্ছে একসাথে থাকার প্রতিশ্রুতি,
হারিয়ে যাও সবাই, হারিয়ে যাও.....

(একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলতে চাই। কিন্তু ছোট্ট সেই জায়গাটিরও বড্ড অভাব। অন্ধকার আজকাল ভয় দেখায় না। আহাজারি দেয়)

পঙতি ১১

স্বপ্নের ব্যর্থতা, পরাজয় অথবা
ইচ্ছাশক্তির বিরুদ্ধে দু'পা এগুলেই
শুরু হচ্ছে রোজ রোজ,
হাহাকার
আর্তনাদ

শব্দ সমগ্র ০১


পঙতি ১
এমনই কিছু বাতাস বয়ে যাক
গাছের পাতাগুলো এভাবেই শিরশিরিরে যাক
দূরের টিমটমে জ্বলা লন্ঠনটার ছায়া এভাবেই নেচে যাক
বৃষ্টির ফোঁটাগুলো এভাবেই ঝরে যাক
এ শহরে কিছু ভালবাসা এভাবেই পড়ে থাক..
পঙতি ২
এবং তখন সেইসব আকাশ ভেঙে পড়ে
একবার, দুইবার, বারবার, আবার।
শুকনো সেগুন পাতার মত মড়মড় করে
ঝড়ে পরে, বেরিয়ে আসে কঙ্কাল।
ছলকে ওঠা চায়ের কাপের
উষ্ণতাও মিলিয়ে যায় কর্পূরের মতন।
পঙতি ০৩
সবশেষে বেজে ওঠে পুরাতন ঘন্টাটি
মরচে ধরা হাতল যোগ করে বাড়তি শব্দ।
ক্লান্ত পদক্ষেপে নিচে নেমে আসে আদিম ছায়াটি
দু'আনার নিকোটিনে ভুলে যায় ক্লান্তি।

উপত্যকা উপাখ্যান


ভালবাসার শব্দগুলো একটু অদ্ভুত-
মাঝ রাতেও জেগে উঠে, হঠাৎ যেমন
নিঃস্তব্ধ রাত ভেঙে ডেকে ওঠে রাতপাখি।
নিজেকে উষ্ণতায় ডুবিয়ে রেখে
সে হতে চায় অমর প্রেমকাহিনী।
ভালবাসার রাতে শীতের হিমেল হাওয়াও
রূপ নেয় কার্তিকের লিলুয়া বাতাসে।

ভালবাসার শব্দগুলো একটু অদ্ভুত-
হতে পারে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ
অথবা নতুন, হঠাৎ করে কিংবা চোখের
গাঢ় কাজল দেখে, চুল দেখে, ওষ্ঠ দেখে।

ভালবাসার শব্দগুলো কেমন অদ্ভুত-
হতে পারে মৃত উপত্যকার পঙ্গুত্ব ছেড়ে বেরিয়ে আসা
ছোট্ট ঘাসফুলটার মত মায়ায় জড়ানো।

কিছু স্বপ্ন অথবা স্বপ্নভঙ্গের গান


"আছে বইয়ের ভেতর ভূত,
আছে মোঘল আর রাজপুত
ছেড়ে দিন প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন..."
গানটা ওপার বাংলার, আমাদের খুব পরিচিতই বলা চলে। আজ গান নিয়ে কথা বলব না। একটু আবেগের কথা বলব। ভালবাসার না, স্বপ্নের।

আসলে আমি জানি শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় আমার এখনো আসেনি। অত মহান বা বিখ্যাত কেউ আমি নই। বিখ্যাত হতাম যদি আমি ঢাবি বা বুয়েটের (!!!) একজন স্নাতক হতাম। তবুও কিছু বলার থেকে যায়, ভিতর থেকে অস্ফুট আর্তনাদ হিসেবে বেরিয়ে আসে। আমি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গালাগালিও করব না। পড়াশুনা করে যদি খুব ভাল অবস্থায় যেতাম তবেই তা করার যোগ্যতা আমার হত। একটু সিস্টেম নিয়ে কথা বলি।

তুমি এবং অন্ধকার


কখনো পড়েছো অন্ধকারের পদাবলী?
তোমারগুলোর কথা বলছি না,
না না, আমার গুলোর কথাও না।
হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার সুর শুনতে পাও?
ওটা কিন্তু জঞ্জাল ভাগানোর!
আর এ অন্ধকার?
মনে করো, উউমম-
হাতে থাকা পানির গ্লাসটা ভেঙে দিলে আঁছড়ে!
ভাঙা কাচে পা কেঁটেছে?
ও কিছু না।
আমার চোখ জ্বলছিল
তোমার আচলের ভাব তবু নেয়া হয়নি,
নাকি দাওনি?

হিজলের বনে রাতের আলো খেলা করে
কুয়াশা বাতাসে ম্লান হয়ে যায় নিস্তব্ধতা,
ক্লান্ত ঠোঁট খোঁজে নিকোটিন।
দম বন্ধ হয়ে আসে তবু,
দম বন্ধ হয়ে আসে আজকাল।

নীল আকাশ অথবা গিটারের ছ'টি তার


: এই নে তোর কফি। এবার ওঠ তো বিছানাটা থেকে
: উমমম মা... উঠতে ইচ্ছে করে না তো
: ভার্সিটিতে গেলি না কেন? কিছু হয়েছে নাকি!
: কিসু না। ইম্পর্টেন্ট ক্লাস নাই কোন।
: হয়েছে এবার ওঠ। কফি ঠাণ্ডা হয়ে গেল।
: হুম উঠছি......
গরম কফির মগটা হাতে নিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল অপর্ণা। শীত আসছে। হালকা ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগছে। বারান্দায় সকালের মিষ্টি রোদের হালকা আভা। গোলাপের গাছটায় নতুন দু'টো ফুল ফুটেছে। ফুল দু'টোর কাছে গিয়ে ঘ্রাণ নিল ও। পুরো ঢাকা শহরে সারাদিন ভীড়ভাট্টা থাকলেও ধানমন্ডি ১৫ এর ভিতর পাশটা বেশ নিরিবিলিই থাকে। গাছপালাও আছে অনেক। চারপাশে একধরণের স্নিগ্ধতা আছে। খুব সুন্দর একটা সকাল।

কিছু চিৎকার এবং শেষ


সেই কবে শেষ কবিতা লেখার
খাতাটা খুলেছিলাম,
মনে নেই।
শেষ গল্প লেখার খাতাটা!
উহু, তাও মনে নেই।
কবিতার শব্দগুলো আগের মত
রোজ রোজ ধরা দেয় না,
কিংবা আমিই খুঁজি না হয়ত।

বয়কট Nestle! নাকি Israel???


"হারিয়েছে মানবতা
ছেঁড়া, অর্ধনগ্ন রক্তাক্ত বসনে
মোড়ানো শিশু আজ গাজা প্রান্তরে..."
হঠাৎ যে ইজরায়েলের কি হল বুঝতে পারছি না। হঠাৎ কেন তারা রক্তাক্ত খেলায় মেতে উঠল! ফিলিস্তিনের উপর ইজরায়েলের এই অত্যাচারটা সবসময়ই ছিল। আজ নতুন কিছু নয়। ইজরায়েল ছোট্ট একটা দেশ। কিন্তু আম্রিকা সাম্রাজ্যবাদী চক্রের সহায়তায় আজ বিশ্বের পরাশক্তিদের সাথে ইজরায়েলের নামটাও উচ্চারিত হয়। আজ ইজরায়েল নিজেরাই গোলাবারুদ তৈরি করতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশ তাদের বয়কট করার পরওও তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন থেমে নেই।

...


আজ নীলিমা'র মন খারাপ।
মেঘলা দিন। পড়ন্ত বিকেলের আকাশটা তখন কাল বর্ণ ধারণ করেছে। অবাক বিস্ময়ে মেঘেরা ছুটোছুটি করছে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। কাল বোশেখীর ঝড়ের মত না হলেও এই বাতাসটাকে ঝড়ই বলা চলে।
ছ'তলার বড় জানলাটা থেকে ওর একজোড়া শান্ত চোখ দেখছে বাতাসের আন্দোলন। মাঠের কোণের ইউক্যালিপটাস গাছটা বেশ দোল খাচ্ছে। শূন্য মাঠে ঝড়ে পরা পাতাদের ছুটোছুটি যেন, হাই প্রোফাইল ফুটবল ম্যাচ।

আজ ওর মনটা একটু বেশিই খারাপ।

ট্রয় যুদ্ধ


[প্যারিস পর্ব]
ট্রয়ের রাজা ছিলেন প্রায়াম। রাণীর নাম হেকুবা।
তাঁদের কোলজুড়ে জন্ম নিল দ্বিতীয় রাজপুত্র। প্রথম পুত্র বিখ্যাত তীরন্দাজ হেক্টর। দ্বিতীয় সন্তান জন্মানোর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে রাণী হেকুবা স্বপ্নি দেখলেন, "এই শিশুটি ট্রয় নগরীতে একটি অগ্নিশিখা আনতে যাচ্ছে।" জোতির্বিদদের কাছে সম্ভাব্য পরিণতির কথা জানতে পেরে রাজা ও রাণী সন্তানটিকে ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেন, কিন্তু তাকে হত্যা করতেও দ্বিধান্বিত ছিলেন। তাই রাজা প্রায়াম সন্তানটিকে "আইডা পর্বতে" রেখে এলেন। এক কৃষক সন্তানটিকে পান। সে আকর্ষণীয় ও সুদর্শন এই শিশুটিকে লালন-পালন করতে থাকে। শিশুটির নাম হয় "প্যারিস।"

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 1, 2013 - 4:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর