নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুরুন নেসা
  • সুজন আরাফাত
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক
  • নাস্তিকের আত্মকথা
  • আবীর সমুদ্র
  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক

নতুন যাত্রী

  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র
  • গাজী নিষাদ
  • বেকার
  • আসিফ মহিউদ্দীন
  • সাধনা নস্কর

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

বহুরূপী রবী'দা


"ক্ষুদ্র আশা নিয়ে রয়েছে বাঁচিয়ে না মানে স্বান্তনা
যা কিছু পাই, হারায়ে যায়, না মানে স্বান্তনা"

আজ কবিগুরুর জন্মদিন। বাঙলাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটা বিশেষণের নাম। একটা প্রতীকের নাম। সমসাময়িক সমাজে রবীন্দনাথ ঠাকুরের নানান রূপ বিদ্যমান রয়েছে। কখনো সেটা প্রশংসনীয় কখনো আবার নিন্দনীয়।

যেমন, একটা কথা আমরা সবাই জানি যে, বঙ্গভঙ্গের সময় কতিপয়দের সাথে রবী ঠাকুরও সেটার বিরোধীতা করেছিলেন। এছাড়া তার নোবেল পুরষ্কার গ্রহণ করা। তারপর কাদম্বিনী দেবীর সাথে তার সম্পর্ক। এমন অনেক সমালোচনার বিষয়বস্তু রবী ঠাকুর।

কাঠপেন্সিল এবং কিছু শৈশব


ছোটবেলায় ইশকুলে পেন্সিল দিয়ে লিখতে হত। মানে জীবনে শিক্ষার হাতেখড়ি কাঠপেন্সিল দিয়ে। সম্ভবত 'কেজি' পর্যন্ত লিখতে হয়েছে কাঠপেন্সিল দিয়ে। তারপর এসেছে বলপয়েন্ট। কাঠপেন্সিলের ব্যাপারটা আমার কাছে একটু বিশেষ কিছু ব্যাপার। অনুভূতিও বলা চলে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং একটি স্বাধীনতার বিতর্ক


প্রতিবছর ২৬ শে মার্চ এলেই আমি খুব দুশ্চিন্তায় থাকি। আর অপেক্ষা করি সময়টা কখন! সময় বলতে ঝগড়াঝাঁটির সময়। এই লাগল এই! না না মার্চ পাস্টে কোন স্কুল জিতলো বা গার্লস গাইড হারলো কি না সেটা নিয়ে আমার কোন চিন্তা নেই।

সময় পাল্টে দেয়ার কারসাজি বা ওয়ার্ম হোল


ওয়ার্ম হোল ব্যাপারটা আমাদের অনেকের কাছেই অজানা। অনেকের কাছে হয়ত নামটা প্রথম শোনা। কিন্তু আসলে এটা একটা চমৎকার ব্যাপার। সবকিছু বিবেচনায় নিলে খুব কঠিন হতে পারে। তাই আমরা এটাকে একটা সায়েন্স ফিকশন গল্পই মনে করি।

শব্দ সমগ্র ০২


পঙতি ১০

কখনো মাঝরাতে বেড়ে যাচ্ছে বন্ধুত্ত্বের আহাজারি গুলো,
আসলে দেখতে দেখতে বড় হয়ে যাচ্ছি সবাই।
ঋজু পদক্ষেপের শিশুরাও আজ মাথা তুলে দাঁড়িয়ে বাঘ তাড়ায়
পূর্ণিমা রাতের হারিয়ে যাওয়া আজ বাতিলের খাতায় উপস্থিতি দেয় আর বন্ধুত্ত্ব, বন্ধু, বন্ধুরা
হারিয়ে গিয়ে নগ্ন হয়ে ভুলে যাচ্ছে একসাথে থাকার প্রতিশ্রুতি,
হারিয়ে যাও সবাই, হারিয়ে যাও.....

(একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলতে চাই। কিন্তু ছোট্ট সেই জায়গাটিরও বড্ড অভাব। অন্ধকার আজকাল ভয় দেখায় না। আহাজারি দেয়)

পঙতি ১১

স্বপ্নের ব্যর্থতা, পরাজয় অথবা
ইচ্ছাশক্তির বিরুদ্ধে দু'পা এগুলেই
শুরু হচ্ছে রোজ রোজ,
হাহাকার
আর্তনাদ

শব্দ সমগ্র ০১


পঙতি ১
এমনই কিছু বাতাস বয়ে যাক
গাছের পাতাগুলো এভাবেই শিরশিরিরে যাক
দূরের টিমটমে জ্বলা লন্ঠনটার ছায়া এভাবেই নেচে যাক
বৃষ্টির ফোঁটাগুলো এভাবেই ঝরে যাক
এ শহরে কিছু ভালবাসা এভাবেই পড়ে থাক..
পঙতি ২
এবং তখন সেইসব আকাশ ভেঙে পড়ে
একবার, দুইবার, বারবার, আবার।
শুকনো সেগুন পাতার মত মড়মড় করে
ঝড়ে পরে, বেরিয়ে আসে কঙ্কাল।
ছলকে ওঠা চায়ের কাপের
উষ্ণতাও মিলিয়ে যায় কর্পূরের মতন।
পঙতি ০৩
সবশেষে বেজে ওঠে পুরাতন ঘন্টাটি
মরচে ধরা হাতল যোগ করে বাড়তি শব্দ।
ক্লান্ত পদক্ষেপে নিচে নেমে আসে আদিম ছায়াটি
দু'আনার নিকোটিনে ভুলে যায় ক্লান্তি।

উপত্যকা উপাখ্যান


ভালবাসার শব্দগুলো একটু অদ্ভুত-
মাঝ রাতেও জেগে উঠে, হঠাৎ যেমন
নিঃস্তব্ধ রাত ভেঙে ডেকে ওঠে রাতপাখি।
নিজেকে উষ্ণতায় ডুবিয়ে রেখে
সে হতে চায় অমর প্রেমকাহিনী।
ভালবাসার রাতে শীতের হিমেল হাওয়াও
রূপ নেয় কার্তিকের লিলুয়া বাতাসে।

ভালবাসার শব্দগুলো একটু অদ্ভুত-
হতে পারে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ
অথবা নতুন, হঠাৎ করে কিংবা চোখের
গাঢ় কাজল দেখে, চুল দেখে, ওষ্ঠ দেখে।

ভালবাসার শব্দগুলো কেমন অদ্ভুত-
হতে পারে মৃত উপত্যকার পঙ্গুত্ব ছেড়ে বেরিয়ে আসা
ছোট্ট ঘাসফুলটার মত মায়ায় জড়ানো।

কিছু স্বপ্ন অথবা স্বপ্নভঙ্গের গান


"আছে বইয়ের ভেতর ভূত,
আছে মোঘল আর রাজপুত
ছেড়ে দিন প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন..."
গানটা ওপার বাংলার, আমাদের খুব পরিচিতই বলা চলে। আজ গান নিয়ে কথা বলব না। একটু আবেগের কথা বলব। ভালবাসার না, স্বপ্নের।

আসলে আমি জানি শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় আমার এখনো আসেনি। অত মহান বা বিখ্যাত কেউ আমি নই। বিখ্যাত হতাম যদি আমি ঢাবি বা বুয়েটের (!!!) একজন স্নাতক হতাম। তবুও কিছু বলার থেকে যায়, ভিতর থেকে অস্ফুট আর্তনাদ হিসেবে বেরিয়ে আসে। আমি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গালাগালিও করব না। পড়াশুনা করে যদি খুব ভাল অবস্থায় যেতাম তবেই তা করার যোগ্যতা আমার হত। একটু সিস্টেম নিয়ে কথা বলি।

তুমি এবং অন্ধকার


কখনো পড়েছো অন্ধকারের পদাবলী?
তোমারগুলোর কথা বলছি না,
না না, আমার গুলোর কথাও না।
হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার সুর শুনতে পাও?
ওটা কিন্তু জঞ্জাল ভাগানোর!
আর এ অন্ধকার?
মনে করো, উউমম-
হাতে থাকা পানির গ্লাসটা ভেঙে দিলে আঁছড়ে!
ভাঙা কাচে পা কেঁটেছে?
ও কিছু না।
আমার চোখ জ্বলছিল
তোমার আচলের ভাব তবু নেয়া হয়নি,
নাকি দাওনি?

হিজলের বনে রাতের আলো খেলা করে
কুয়াশা বাতাসে ম্লান হয়ে যায় নিস্তব্ধতা,
ক্লান্ত ঠোঁট খোঁজে নিকোটিন।
দম বন্ধ হয়ে আসে তবু,
দম বন্ধ হয়ে আসে আজকাল।

নীল আকাশ অথবা গিটারের ছ'টি তার


: এই নে তোর কফি। এবার ওঠ তো বিছানাটা থেকে
: উমমম মা... উঠতে ইচ্ছে করে না তো
: ভার্সিটিতে গেলি না কেন? কিছু হয়েছে নাকি!
: কিসু না। ইম্পর্টেন্ট ক্লাস নাই কোন।
: হয়েছে এবার ওঠ। কফি ঠাণ্ডা হয়ে গেল।
: হুম উঠছি......
গরম কফির মগটা হাতে নিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল অপর্ণা। শীত আসছে। হালকা ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগছে। বারান্দায় সকালের মিষ্টি রোদের হালকা আভা। গোলাপের গাছটায় নতুন দু'টো ফুল ফুটেছে। ফুল দু'টোর কাছে গিয়ে ঘ্রাণ নিল ও। পুরো ঢাকা শহরে সারাদিন ভীড়ভাট্টা থাকলেও ধানমন্ডি ১৫ এর ভিতর পাশটা বেশ নিরিবিলিই থাকে। গাছপালাও আছে অনেক। চারপাশে একধরণের স্নিগ্ধতা আছে। খুব সুন্দর একটা সকাল।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 12 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 31, 2013 - 10:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর