নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ
  • নুর নবী দুলাল
  • সাজ্জাদুল হক
  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
  • হাসান নাজমুল
  • নরমপন্থী

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

আজ যেমন করে অথবা আ যে ক


মনের ঠিক ঠিকানা নাই কোন। উত্তরে যায়, পশ্চিমে যায়, পূর্বে যায়, কিন্তু দক্ষিণে যায় না। ওদিকে গেলে আর আসবে না। আচ্ছা, আমরা বিনা কাজে বসে থাকি কেন? এটা কি শুধুই আলসেমি! নাকি অন্যকিছু? বারান্দার গ্রিলে যে পাখিটা বসে আছে, ওর কি কাজ ওখানে? ওদেরও কি আলসেমি আছে? সায়েন্স কি বলে? উহু! কখনো তো বইয়ে পড়িনি। খাবারের সন্ধানে বেরোতে পারে, তবে ওখানে বসে কি? কাউকে কি খুঁজছে? নাহ এটা সায়েন্সের ব্যাপার না। ফিলোসোফির ব্যাপার। বিকেলে একবার সুবলদা'র কাছে যেতে হবে। সুবলদা ফিলোসোফিতে পড়ে। ও বলে ফিলোসোফিতে নাকি সবকিছুর সমাধান আছে। কি আছে সেটা দাদাই জানে।

ভাসছি আমি মহাশূণ্যে, টানছে আমায় কে!


মনে করেন, আপনি মহাশূণ্যে ভাসছেন বিন্দাস (গ্র্যাভিটি মুভির মত)। আশে পাশে নানান গ্রহ- নক্ষত্র, ছায়াপথ, নেবুলা, রেড জায়ান্ট দেখতেসেন। শনির বলয় দেখতেসেন। হঠাৎ দেখলেন কোন একদিক থেকে আপনাকে কোন কিছু প্রবল আকর্ষণে টেনে নিচ্ছে। স্বভাবতই ভেবে নিলেন আপনি ব্ল্যাকহোলের খপ্পরে পড়েছেন! আপনার মাঝে আনন্দ- বেদনার সংমিশ্রত একটা মনোভাব। প্রথমত আপনি খুশি, কারণ আপনি ব্ল্যাকহোল খুঁজে পেয়েছেন। সাথে কিছুটা দুঃখিতও কারণ 'ব্ল্যাকহোল' মানে! মামা আপনে এইবার শ্যাষ! তো রাম-নাম জপ করে ব্ল্যাকহলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রবেশ করলেন। ঈশ্বরকে ডাকলেন শেষবারের মত। মৃত্যু সন্নিকটে।

"সাজো রেসকোর্স, এবার নতুন কথা শোনো", একটি নতুন সকালের গল্প


১০ জানুয়ারি '৭২
একটি নতুন সকাল কিংবা একটি গল্প

অথচ ৪৪ বছর পর আমরা এদিনটি পালন করছি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভার ফলে সৃষ্ট জ্যামে ভোগান্তিতে পড়ে, বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত পোস্টার রাস্তায় পড়ে থেকে পদপৃষ্ট হয়ে আর এখানে ওখানে শাদা খাবারের মোড়ক দিয়ে নগরী নোংরা করার প্রতিযোগিতা। সে যাই হোক, আমরা ইতিহাস স্মরণ করি ইতিহাস অবমাননা করে, ইতিহাসকে হাত ধরে ডেকে এনে, চা নাশতা খাইয়ে অপমান করে। আমাদের মত ইতিহাস অবমানকারী জাতি আর কেউ আছে বলে মনে হয় না। বসনিয়ান যুদ্ধেও এত হয়নি।

গানের কথা ০৩; বব মার্লে


"বব মার্লে"। বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী এবং পরিচিত একজন সংগীতশিল্পী। ঢাকার চারুকলার পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে পাশের ফুটপাতে এই জটচুলধারী ব্যক্তির পোস্টার আমাদের সবারই নজর কাড়ে কিংবা আজিজ মার্কেটে টি-শার্টের উপর উনার প্রিন্ট চোখে পড়েছে সবারই।

তবে কি আমরা ব্রিটিশ শিক্ষাধারার পুজো করছি?


“ব্রিটিশদের শিক্ষার ধারাই এখনও বহাল আছে। জেনারেল শিক্ষার চিন্তাধারার বিপরীতে আমরা না। কিন্তু জেনারেল শিক্ষায় গেলে আমরা শেষ হয়ে যাব। এখন আমরা সেই ম্যাকানিজম করছি যেন টিকে থাকতে পারি।”
আরে না না কথাটা আমার না। এই মুল্যবান কথাখানা বলেছেন, কওমী মাদ্রাসা বোর্ডের মহাসচিব মুহাম্মাদ আব্দুল জব্বার জাহানবাদী। শুধু এখানেই শেষ না। আর যা বলেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য এটা-
“আমাদের শিক্ষা ধারা মুসলমানদের, যা শুরু হয়েছে মদিনা থেকে। আর বর্তমানে চলমান ব্রিটিশদের শিক্ষার ধারা সাংঘর্ষিক। জেনারেল শিক্ষা হল ধর্মহীন।”
মজার না?

তোমার বাড়ি অথবা অস্তিত্ব


শফুর চাচার চায়ের দোকান পেরিয়ে ওপাশে ছিল তোমার বাড়ি

রোদ পড়ে যাওয়া বিকেলে ছাদে তুমি হেঁটে যেতে আনমনে। আমি চায়ের কাপ হাতে নিয়ে রোজ তোমাকে দেখে যেতাম সন্তর্পণে। বিকেলের সব ভাললাগা চুষে খেত তোমার সৌন্দর্যমাখা মুখশ্রী আর আমার ঠোঁটে নিকোটিনের আগুন।

তুমি দেখোনি কখনো। দেখার কথাও না। অত নিচুতে তোমার চোখ যাবে কেন নারী!

তোমার সৌন্দর্যের অহংকারে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়েছি হাজারবার। নক্ষত্রের খসে পড়া দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত। তবু...

শফুর চাচার দোকানটা এখন নেই। চুম্বনে ডাকা তোমার সেই অধর দেখা হবে না আর। তবু আক্ষেপ নেই আমার।

বহুরূপী রবী'দা


"ক্ষুদ্র আশা নিয়ে রয়েছে বাঁচিয়ে না মানে স্বান্তনা
যা কিছু পাই, হারায়ে যায়, না মানে স্বান্তনা"

আজ কবিগুরুর জন্মদিন। বাঙলাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটা বিশেষণের নাম। একটা প্রতীকের নাম। সমসাময়িক সমাজে রবীন্দনাথ ঠাকুরের নানান রূপ বিদ্যমান রয়েছে। কখনো সেটা প্রশংসনীয় কখনো আবার নিন্দনীয়।

যেমন, একটা কথা আমরা সবাই জানি যে, বঙ্গভঙ্গের সময় কতিপয়দের সাথে রবী ঠাকুরও সেটার বিরোধীতা করেছিলেন। এছাড়া তার নোবেল পুরষ্কার গ্রহণ করা। তারপর কাদম্বিনী দেবীর সাথে তার সম্পর্ক। এমন অনেক সমালোচনার বিষয়বস্তু রবী ঠাকুর।

কাঠপেন্সিল এবং কিছু শৈশব


ছোটবেলায় ইশকুলে পেন্সিল দিয়ে লিখতে হত। মানে জীবনে শিক্ষার হাতেখড়ি কাঠপেন্সিল দিয়ে। সম্ভবত 'কেজি' পর্যন্ত লিখতে হয়েছে কাঠপেন্সিল দিয়ে। তারপর এসেছে বলপয়েন্ট। কাঠপেন্সিলের ব্যাপারটা আমার কাছে একটু বিশেষ কিছু ব্যাপার। অনুভূতিও বলা চলে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং একটি স্বাধীনতার বিতর্ক


প্রতিবছর ২৬ শে মার্চ এলেই আমি খুব দুশ্চিন্তায় থাকি। আর অপেক্ষা করি সময়টা কখন! সময় বলতে ঝগড়াঝাঁটির সময়। এই লাগল এই! না না মার্চ পাস্টে কোন স্কুল জিতলো বা গার্লস গাইড হারলো কি না সেটা নিয়ে আমার কোন চিন্তা নেই।

সময় পাল্টে দেয়ার কারসাজি বা ওয়ার্ম হোল


ওয়ার্ম হোল ব্যাপারটা আমাদের অনেকের কাছেই অজানা। অনেকের কাছে হয়ত নামটা প্রথম শোনা। কিন্তু আসলে এটা একটা চমৎকার ব্যাপার। সবকিছু বিবেচনায় নিলে খুব কঠিন হতে পারে। তাই আমরা এটাকে একটা সায়েন্স ফিকশন গল্পই মনে করি।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 1, 2013 - 4:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর