নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

ইটালি ১৯১৮-১৯৪৫: মুসোলিনি এবং ফ্যাসিজম


সমুদ্র থেকে খুব দূরে নয় এবং সহজেই সমুদ্র দিয়ে আক্রমণ সম্ভব বলে দক্ষিণ ইউরোপের এ দেশটিকে বলা হয় "ভূমধ্যসাগরের কয়েদী"। এজন্য ইটালি সবসময় জিব্রাল্টার ও সুয়েজে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে চাইত। এমনকি তারা ভূমধ্যসাগর কে বলত 'আমাদের সমুদ্র (Mare Nosturn)'। গ্যারিবল্ডির নেতৃত্বে ১৮৭০ সালে ইটালির একত্রকরণ শেষ হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে তখন থেকেই ইটালি অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সমস্যায় ভুগতে থাকে।

"মনরো নীতি" ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ


প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর কথা এলেই মাথায় আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেনো শুরুতে যুদ্ধের ময়দানে ছিল না। খুব স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন কারণ যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া এখন আমরা যুদ্ধের কথা চিন্তা করতে পারি না। তবে এখানে কথা হচ্ছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তখনো যুক্তরাষ্ট্র তাদের শক্তি প্রদর্শনে নামেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রপক্ষে যোগ দেয়। এবং এ কারণেই যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ব্রিটেন ঘুরে দাঁড়ায় এবং অক্ষশক্তি পরাজিত হয়। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র না থাকার আরেকটা বড় কারণ হচ্ছে "মনরো নীতি বা Monroe Doctrine"। এই মনরো নীতি প্রায় ১০০ বছর ধরে আমেরিকাকে ইউরোপীয় রাজনীতি থেকে বিরত রেখেছিল।

যেভাবে শুরু হল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ


মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম এত অস্ত্র এবং রক্তের লড়াই ছিল 'প্রথম বিশ্বযুদ্ধ'। ১৯১৪ সালে যদি গ্যাভ্রিলো প্রন্সিপের অস্ত্রের মুখ থেকে গুলিটা না বের হত, তাহলে হয়ত মানবজাতিকে এত রক্তক্ষয়ী একটা যুদ্ধ দেখতে হত না। ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি'র সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর মিত্রপক্ষের সাথে জার্মানীর যুদ্ধবিরোধী চুক্তি সাক্ষরের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

জেনারেল সান যু (Sun Tzu) এবং The Art of War


সভ্যতার একেকটা পর্যায় পেরিয়ে আমরা এখন আধুনিক যুগে অবস্থান করছি। মানব সভ্যতা প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞানে এগিয়েছে বহুদূর। আমরা পৃথিবীর পেরিয়ে মহাবিশ্বে যাচ্ছি এমনকি সৌরজগতের বাইরে যাওয়ারো ছক আঁকছি। সেদিনটা হয়ত দেরি না যেদিন পৃথিবীর বাইরের কোন গ্রহের সাথে আমাদের যোগাযোগ টা হবে নিয়মিত। সেইসাথে মানব সভ্যতা ভয়ঙ্করতম কিছু আবিষ্কারও করে ফেলেছে।

কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস ১৯৬২; একটি সাম্রাজ্যবাদ নীতির পতন


১৯৬২ সালের ২৭ অক্টোবর, কোল্ড ওয়ার।
টানটান উত্তেজনা চারদিকে। আরেকটি নিউক্লিয়ার/ থার্মোনিউক্লিয়ার ওয়ারের প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্ব। অনেক বাকবিতণ্ডার পর জন এফ কেনেডি মন্ত্রিসভা এবং নিকিতা ক্রুশ্চেভের সোভিয়েত ইউনিয়নের মাঝে একটা সন্ধি হয়ে গেল। সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবা থেকে তাদের সবরকম নিউক্লিয়ার ওয়েপন এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল সরাবে যদি যুক্তরাষ্ট্র ইটালি আর তুরস্ক থেকে তাদের সব নিউক্লিয়ার ওয়েপন সরিয়ে ফেলে।

একটি নেগেটিভ ফলাফল মানে আরেকটি ধর্ষণের সুযোগ


“প্রতিদিন তার সামনে আমাকে একটি পিল খেতে হত। সে প্রতি মাসে আমাকে পিলের একটি বাক্স দিত। যখন শেষ হয়ে যেত তখন অন্য আরেকটি দিত। আমাকে যখন একজনের কাছ থেকে অন্যারেকজনের কাছে বিক্রি করা হত, তখন পিলের বাক্সটা আমার সাথে যেত।“- বলছিল এক তরুণী যে শুধু জানত আবার একমাস পরে তার জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হবে। তাকে যখন কেনা হয়েছিল তখন তাকে দেয়া হয়েছিল চার স্ট্রিপের একবাক্স পিল, যার একটি লাল রঙের।

আমরা যেটাকে গল্প বলি


আমরা বা আমাদের আশে পাশের যারা আছি, আমরা একটা লেখাকে কি কি ভাগে ভাগ করি? গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কৌতুক, রম্যগল্প ইত্যাদি। এসবেই হয়ে যায়? না হয় না। গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ আসলে দু'ভাগে বিভক্ত। গদ্য আর পদ্য। আমরা আসলে এসবের চর্চা করি না। আসলে এসব চর্চা করার সময়টাও নেই আমাদের। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটাই এমন।

আজকে গদ্য নিয়ে কিছু কথা বলি।

আজ যেমন করে অথবা আ যে ক


মনের ঠিক ঠিকানা নাই কোন। উত্তরে যায়, পশ্চিমে যায়, পূর্বে যায়, কিন্তু দক্ষিণে যায় না। ওদিকে গেলে আর আসবে না। আচ্ছা, আমরা বিনা কাজে বসে থাকি কেন? এটা কি শুধুই আলসেমি! নাকি অন্যকিছু? বারান্দার গ্রিলে যে পাখিটা বসে আছে, ওর কি কাজ ওখানে? ওদেরও কি আলসেমি আছে? সায়েন্স কি বলে? উহু! কখনো তো বইয়ে পড়িনি। খাবারের সন্ধানে বেরোতে পারে, তবে ওখানে বসে কি? কাউকে কি খুঁজছে? নাহ এটা সায়েন্সের ব্যাপার না। ফিলোসোফির ব্যাপার। বিকেলে একবার সুবলদা'র কাছে যেতে হবে। সুবলদা ফিলোসোফিতে পড়ে। ও বলে ফিলোসোফিতে নাকি সবকিছুর সমাধান আছে। কি আছে সেটা দাদাই জানে।

ভাসছি আমি মহাশূণ্যে, টানছে আমায় কে!


মনে করেন, আপনি মহাশূণ্যে ভাসছেন বিন্দাস (গ্র্যাভিটি মুভির মত)। আশে পাশে নানান গ্রহ- নক্ষত্র, ছায়াপথ, নেবুলা, রেড জায়ান্ট দেখতেসেন। শনির বলয় দেখতেসেন। হঠাৎ দেখলেন কোন একদিক থেকে আপনাকে কোন কিছু প্রবল আকর্ষণে টেনে নিচ্ছে। স্বভাবতই ভেবে নিলেন আপনি ব্ল্যাকহোলের খপ্পরে পড়েছেন! আপনার মাঝে আনন্দ- বেদনার সংমিশ্রত একটা মনোভাব। প্রথমত আপনি খুশি, কারণ আপনি ব্ল্যাকহোল খুঁজে পেয়েছেন। সাথে কিছুটা দুঃখিতও কারণ 'ব্ল্যাকহোল' মানে! মামা আপনে এইবার শ্যাষ! তো রাম-নাম জপ করে ব্ল্যাকহলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রবেশ করলেন। ঈশ্বরকে ডাকলেন শেষবারের মত। মৃত্যু সন্নিকটে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 3 weeks ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 1, 2013 - 4:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর