নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পথিক রাজপুত্র
  • মোঃ হাসানুল হক ...
  • এফ ইউ শিমুল
  • বিপ্লব পাল
  • দিন মজুর
  • নুর নবী দুলাল
  • সাম্যের সাধক

নতুন যাত্রী

  • আহসান_পাপ্পু
  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ

আপনি এখানে

জলের গান এর ব্লগ

খিলাফত বা Caliphate : একটি রাজনৈতিক ইতিহাস (প্রথম পর্ব)


মহানবী (স) এর পরলোকগমনের পর শুরু হয় খিলাফত। খিলাফত বা Caliphate ( আরবি থেকে خلافة or khilāfa) ছিল, সরকারের ইসলামি রুপ যা মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক একতার প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরণের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে খলিফা বলা হয়। ইসলাম ধর্মমতে বলা হয় বা "খলীফাতুল রাসূলুল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলীফা"।

তোমার বাড়ি অথবা অস্তিত্বের অংশবিশেষ


আনিস চাচার চায়ের দোকান পেরিয়ে ওপাশে ছিল তোমাদের বাড়ি।

রোদ পড়ে যাওয়া বিকেলে ছাদে তুমি হেঁটে যেতে আনমনে। আমি চায়ের কাপ হাতে নিয়ে রোজ তোমাকে দেখে যেতাম। সন্তর্পণে। বিকেলের সব ভাললাগা চুষে খেত তোমার সেই রূপলাবণ্য। ঠোঁটে নিকোটিনের আগুন নিয়ে আমি তাকিয়ে থাকতাম অপলক। যেন বায়রনের কোন কবিতার স্টেজ শো দেখছি।

তুমি দ্যাখোনি। দ্যাখোনি কখনো। দেখার কথাও ছিল না। অত নিচুতে তোমার চোখ যাবে কেন নারী!

সুখের সাংবাদিক


আজকাল দেখি ওরা রোজ রোজ
টাকা দিয়ে সুখ কিনতে যায়,
কিনতে যায় বললে অবশ্য শব্দের ভুল প্রয়োগ হয়,
তারচেয়ে বরং বলা চলে, ওরা সুখ খুঁজে যায়।
আমি চুপচাপ দেখি। আর হাসি, তবে শব্দ করি না
আমি দেখি পাখীরাও হাসছে, শেষবিকেলের
কাঁঠবেড়ালিটাও হাসছে কিংবা ক্লান্ত শালিকটা।
ওরা কিভাবে বুঝবে ট্রামে ঢাক্কা খাওয়ার ঠিক আগে
কতটা সুখে ছিলেন জীবনানন্দ দাশ, কিংবা
মধুসূদন যখন আবার ফিরে এলেন!
কিভাবে বুঝবে পুরীর প্রতিটা বালুদানায় কতটা সুখ আছে
কিভাবে বুঝবে দার্জিলিংয়ের নিঃসঙ্গ ট্রামগুলোর গল্পটা।

ইটালি ১৯১৮-১৯৪৫: মুসোলিনি এবং ফ্যাসিজম


সমুদ্র থেকে খুব দূরে নয় এবং সহজেই সমুদ্র দিয়ে আক্রমণ সম্ভব বলে দক্ষিণ ইউরোপের এ দেশটিকে বলা হয় "ভূমধ্যসাগরের কয়েদী"। এজন্য ইটালি সবসময় জিব্রাল্টার ও সুয়েজে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে চাইত। এমনকি তারা ভূমধ্যসাগর কে বলত 'আমাদের সমুদ্র (Mare Nosturn)'। গ্যারিবল্ডির নেতৃত্বে ১৮৭০ সালে ইটালির একত্রকরণ শেষ হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে তখন থেকেই ইটালি অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সমস্যায় ভুগতে থাকে।

"মনরো নীতি" ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ


প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর কথা এলেই মাথায় আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেনো শুরুতে যুদ্ধের ময়দানে ছিল না। খুব স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন কারণ যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া এখন আমরা যুদ্ধের কথা চিন্তা করতে পারি না। তবে এখানে কথা হচ্ছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তখনো যুক্তরাষ্ট্র তাদের শক্তি প্রদর্শনে নামেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রপক্ষে যোগ দেয়। এবং এ কারণেই যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ব্রিটেন ঘুরে দাঁড়ায় এবং অক্ষশক্তি পরাজিত হয়। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র না থাকার আরেকটা বড় কারণ হচ্ছে "মনরো নীতি বা Monroe Doctrine"। এই মনরো নীতি প্রায় ১০০ বছর ধরে আমেরিকাকে ইউরোপীয় রাজনীতি থেকে বিরত রেখেছিল।

যেভাবে শুরু হল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ


মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম এত অস্ত্র এবং রক্তের লড়াই ছিল 'প্রথম বিশ্বযুদ্ধ'। ১৯১৪ সালে যদি গ্যাভ্রিলো প্রন্সিপের অস্ত্রের মুখ থেকে গুলিটা না বের হত, তাহলে হয়ত মানবজাতিকে এত রক্তক্ষয়ী একটা যুদ্ধ দেখতে হত না। ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি'র সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর মিত্রপক্ষের সাথে জার্মানীর যুদ্ধবিরোধী চুক্তি সাক্ষরের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

জেনারেল সান যু (Sun Tzu) এবং The Art of War


সভ্যতার একেকটা পর্যায় পেরিয়ে আমরা এখন আধুনিক যুগে অবস্থান করছি। মানব সভ্যতা প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞানে এগিয়েছে বহুদূর। আমরা পৃথিবীর পেরিয়ে মহাবিশ্বে যাচ্ছি এমনকি সৌরজগতের বাইরে যাওয়ারো ছক আঁকছি। সেদিনটা হয়ত দেরি না যেদিন পৃথিবীর বাইরের কোন গ্রহের সাথে আমাদের যোগাযোগ টা হবে নিয়মিত। সেইসাথে মানব সভ্যতা ভয়ঙ্করতম কিছু আবিষ্কারও করে ফেলেছে।

কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস ১৯৬২; একটি সাম্রাজ্যবাদ নীতির পতন


১৯৬২ সালের ২৭ অক্টোবর, কোল্ড ওয়ার।
টানটান উত্তেজনা চারদিকে। আরেকটি নিউক্লিয়ার/ থার্মোনিউক্লিয়ার ওয়ারের প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্ব। অনেক বাকবিতণ্ডার পর জন এফ কেনেডি মন্ত্রিসভা এবং নিকিতা ক্রুশ্চেভের সোভিয়েত ইউনিয়নের মাঝে একটা সন্ধি হয়ে গেল। সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবা থেকে তাদের সবরকম নিউক্লিয়ার ওয়েপন এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল সরাবে যদি যুক্তরাষ্ট্র ইটালি আর তুরস্ক থেকে তাদের সব নিউক্লিয়ার ওয়েপন সরিয়ে ফেলে।

একটি নেগেটিভ ফলাফল মানে আরেকটি ধর্ষণের সুযোগ


“প্রতিদিন তার সামনে আমাকে একটি পিল খেতে হত। সে প্রতি মাসে আমাকে পিলের একটি বাক্স দিত। যখন শেষ হয়ে যেত তখন অন্য আরেকটি দিত। আমাকে যখন একজনের কাছ থেকে অন্যারেকজনের কাছে বিক্রি করা হত, তখন পিলের বাক্সটা আমার সাথে যেত।“- বলছিল এক তরুণী যে শুধু জানত আবার একমাস পরে তার জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হবে। তাকে যখন কেনা হয়েছিল তখন তাকে দেয়া হয়েছিল চার স্ট্রিপের একবাক্স পিল, যার একটি লাল রঙের।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 7 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 1, 2013 - 4:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর